বিশ্বাস আছে বাংলাদেশের

প্রকাশ : ২০ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  স্পোর্টস রিপোর্টার

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে রেকর্ড বড্ড বিবর্ণ। আগের লড়াইগুলোর কথা মনে করলে তেতো স্বাদই পাবে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পাওয়ার চেয়ে বাংলাদেশের জন্য সোনার হরিণ খুঁজে পাওয়া সহজ। সেই ২০০৫ সালে ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে কার্ডিফে আশরাফুলদের বীরত্বগাথা একমাত্র সুখস্মৃতি। মুখোমুখি লড়াইয়ে ফল হওয়া ১৯ ম্যাচের ১৮টিই যে জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। হারা ম্যাচগুলোর কোনোটিতে জয়ের সম্ভাবনাও তৈরি করতে পারেনি বাংলাদেশ। তবু বিশ্বকাপে আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে নিরংকুশ ফেভারিট নয় অস্ট্রেলিয়া। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়ের পর টাইগারদের আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে। দলের মধ্যে সেমিফাইনালে খেলার সংকল্প। বাকি চারটি ম্যাচকেই বাঁচা-মরার লড়াই হিসেবে দেখছেন ক্রিকেটাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে যে মানসিকতায় জয়যাত্রা শুরু হয়েছে সেটা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও ধরে রাখতে চায় টাইগাররা।

টন্টনে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ম্যাচে সাকিব-তামিমদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল গতি আর শর্ট বল সামলানো। সেই চ্যালেঞ্জটা ব্যাটসম্যানরা উতরে গেছেন ভালোভাবেই। আজ অস্ট্রেলিয়ার গতিময় বোলারদের নিয়ে তাই বাংলাদেশ চিন্তিত নয়। ফর্মের তুঙ্গে আছেন ব্যাটসম্যান সাকিব। দুই বছর আগে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ে একাই ১০ উইকেট নিয়েছিলেন এই বাঁ-হাতি স্পিনার। একই সঙ্গে তার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ভাবাচ্ছে অসিদের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সাকিবের ওয়ানডে রেকর্ডও ভালো। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে সামলানোর জন্য বিশেষ প্রস্তুতিও নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নেটে ডেকে আনা হয়েছে বাঁ-হাতি স্পিনার অ্যাশটন অ্যাগারকে। অসি কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার বলেন, ‘সাকিব সম্ভবত বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার এবং বাঁ-হাতি স্পিনার। গত বছর এই সময়ে অ্যাশ (অ্যাশটন অ্যাগার) অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দলে ছিল। অনুশীলনে এখানে তাকে পাওয়াটা দারুণ ছিল। আমাদের গুণগুলোর একটি হচ্ছে পেশাদারিত্ব এবং অ্যাশটন অ্যাগারের মতো স্পিনারের কাছ থেকে অনুশীলনে সহায়তা পাওয়া।’