হারলে পৃথিবী শেষ হয়ে যেত বাটলারের

  ক্রিকইনফো ২৩ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাটলার,

বিশ্বকাপ জিতেছেন তিনি। কিন্তু লর্ডসে ফাইনালের আগে ব্যর্থ হওয়ার ভয় তাড়া করছিল তাকে। ইংল্যান্ড যদি নিউজিল্যান্ডের কাছে ফাইনালে হেরে যেত, তাহলে আবার তিনি কীভাবে ক্রিকেট খেলতেন, এই ভয় তার পিছু নিয়েছিল। তিনি জস বাটলার। ভয়ে এমনই আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন যে, দলের ফিজিও ডেভিড ইয়াংয়ের শরণাপন্ন হতে হয়েছিল তাকে।

দ্য ডেইলি মেইলকে বাটলার বলেছেন, ‘রোববারের (১৪ জুলাই) আগে আমি আটটি ফাইনাল খেলেছিলাম। এর মধ্যে হেরেছি সাতটিতে। জানি, অন্য দলকে ট্রফি নিতে দেখাটা কত কষ্টের। আমি সেই কষ্ট ও দুঃখের ভাগীদার হতে চাইনি।’ তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি ভয় পাচ্ছিলাম আমি এটা ভেবে যে, আমরা যদি হেরে যাই, তাহলে আমি আবার ক্রিকেট খেলব কীভাবে। লর্ডসে বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার সুযোগ জীবনে একবারই আসে। এটা ভাগ্যের ব্যাপার। যদি ম্যাচটি না জিততাম, তাহলে লম্বা সময়ের জন্য ব্যাট হাতে তুলতে পারতাম না।’

বাটলার জানান, ফাইনালে সুপার ওভারের শেষ বলের প্রতিটি মুহূর্ত তিনি অনুভব করতে পারছিলেন। বলেন, ‘সে মুহূর্তে আপনি আসলে একজন অটো পাইলট। আমি প্রতিটি মুহূর্ত অনুভব করছিলাম। গাপটিল বল অনসাইডে ঠেলে দিল। যখন দেখলাম বলটা সোজা জেসনের হাতে, তখন মনে হচ্ছিল বলটা যদি সোজা আমার হাতে আসে, তাহলে আমরা ম্যাচ জিততে পারব। জানতাম গাপটিল তখন অনেক দূরে থাকবে।’

তিনি যোগ করেন, ‘চাপের মুহূর্তে কোনো কিছুই সহজ হয় না। কিন্তু আমি জানতাম, এটা সহজভাবেই করতে হবে। যদি বলটা ঠিকঠাক গ্লাভসে নিতে পারি, তাহলে স্টাম্প ভাঙার যথেষ্ট সময় থাকবে আমার হাতে। যদি দেখতাম গাপটিল কাছে চলে এসেছে, তখন হয়তো চাপের কারণে ভড়কে যেতাম। আমার হাতে সময় ছিল। তাই আমি বিষয়টা সহজ রাখতে চেয়েছিলাম।’

ঘটনাপ্রবাহ : আইসিসি বিশ্বকাপ-২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×