চূড়ান্ত পর্বের আগে বিশেষ প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশ যুব গেমস

  ওমর ফারুক রুবেল ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জেলা ও বিভাগীয় পর্বের খেলা শেষে বাংলাদেশ যুব গেমসের চূড়ান্ত পর্ব শুরু হওয়ার অপেক্ষা। ১০ মার্চ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে যুব গেমসের চূড়ান্ত পর্বের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে চূড়ান্ত পর্বের আগে বিভিন্ন বিভাগের দলগুলোর তরুণ ক্রীড়াবিদদের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)। আজ শুরু হয়ে প্রশিক্ষণ শেষ হবে ৪ মার্চ।

আট বিভাগে একযোগে প্রশিক্ষণ শুরু হবে। তবে স্কোয়াশ, শুটিং ও দাবা এই বিশেষ প্রশিক্ষণের আওতায় থাকছে না। শুটিংকে আলাদা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেই অর্থ দিয়ে তারা নিজেদের মতো প্রশিক্ষণ করবে। ফলে বিওএ’র চূড়ান্ত পর্বের প্রশিক্ষণে থাকছে ১৮টি ডিসিপ্লিন। তারপরও আট বিভাগের অনেকগুলোতেই সেই ১৮ ডিসিপ্লিন অনুপস্থিত। রাজশাহী বিভাগীয় শহরে ১৮ ডিসিপ্লিনেরই প্রশিক্ষণ হবে। চট্টগ্রামে বিভাগীয় শহরে ভারোত্তোলন বাদে বাকি ১৭টি ইভেন্টের প্রস্তুতি অনুষ্ঠিত হবে। বরিশালে বিভাগীয় শহরে ১৪ (কুস্তি, বাস্কেটবল, জুডো ও তায়কোয়ান্ডো বাদে) ডিসিপ্লিনের প্রশিক্ষণ হবে। সিলেট বিভাগীয় শহরে ১০টি ডিসিপ্লিনের (বক্সিং, কুস্তি, ভারোত্তোলন, বাস্কেটবল, হকি, আরচারি, জুডো ও তায়কোয়ান্ডো বাদে) প্রশিক্ষণ হবে। রংপুর বিভাগের উশু বাদে ১৭টি ডিসিপ্লিনের প্রস্তুতি হবে। যার মধ্যে ফুটবল, হ্যান্ডবল, অ্যাথলেটিক্স, কারাতে, টেবিল টেনিস বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ইভেন্টগুলো দিনাজপুর জেলায় হবে। ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে ভারোত্তোলন ও বাস্কেটবল বাদে বাকি ১৬ ইভেন্টের প্রশিক্ষণ হবে। ঢাকা বিভাগের ১৬টি ইভেন্টের প্রশিক্ষণ হবে গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে। তবে কুস্তি ও টেবিল টেনিসের কোনো প্রশিক্ষণ হবে না। খুলনা বিভাগে ভারোত্তোলন বাদে বাকি ১৭টি ইভেন্টের প্রশিক্ষণ হবে নড়াইল, কুষ্টিয়া, খুলনা বিভাগীয় শহর, যশোর, বাগেরহাট ও ঝিনাইদহে।

চূড়ান্ত পর্বের প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া ক্রীড়াবিদের সংখ্যাও কম নয়। ঢাকায় ৪১৩, রংপুরে ৩০০, ময়মনসিংহে ৩০৩, সিলেটে ২৩২, বরিশালে ২৫০, খুলনায় ৩৪৯, চট্টগ্রামে ৩৬৩, রাজশাহীতে ৩১৩ সহ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন ২৫২৩ জন ক্রীড়াবিদ। ডিসিপ্লিন অনুযায়ী বাস্কেটবল পাঁচ বিভাগে ১১০ জন। ফুটবলে আট বিভাগে ৩৩৯, হ্যান্ডবল আট বিভাগে ১৯৫, হকিতে সাত বিভাগে ২৮৩ জন। কাবাডিতে আট বিভাগে ১৫৯, ভলিবলে আট বিভাগে ১৮৯, আরচারিতে সাত বিভাগে ৫৭, অ্যাথলেটিক্সে আট বিভাগে ১৯৬, ব্যাডমিন্টনে আট বিভাগে ৬৯, বক্সিংয়ে সাত বিভাগে ১৪৬, জুডোডে ছয় বিভাগে ৮২, কারাতে ডিসিপ্লিনে আট বিভাগে ১১৪, সাঁতারে আট বিভাগে ১৭৭, টেবিল টেনিস সাত বিভাগে ৬৩, তায়কোয়ান্ডোতে ছয় বিভাগে ১১০, ভারোত্তোলনে চার বিভাগে ৩২, কুস্তিতে পাঁচ বিভাগে ৯৮ এবং উশুতে সাত বিভাগে ১০৪ জন ক্রীড়াবিদ অংশ নিচ্ছেন।

বিওএ’র উপ-মহাসচিব এবং যুব গেমসের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মিকুর কথায়, ‘আট বিভাগীয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্যই এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে একই ডিসিপ্লিনের বিভিন্ন বিভাগের খেলোয়াড়দের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়বে। যাতে পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে দল গঠনে ফেডারেশনগুলোর সুবিধা হয়। আশাকরি এই উদ্দেশ্য সফল হবে।’

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter