বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে প্রাণের স্পন্দন

  স্পোর্টস রিপোর্টার ১১ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কেউ ভেপু বাজাচ্ছেন। গ্যালারিতে প্রবেশ করার সময় চিৎকার চেচামেচি করছেন। অনেকে আবার লাল-সবুজ পতাকা নিয়ে ঘুরছিলেন স্টেডিয়াম চত্বরে। চারদিকে টিকিট কালোবাজারিদের হাঁকডাক। দীর্ঘদিন পর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম যেন ফিরে পেল প্রাণ। যেন যৌবন ফিরে পেয়েছে। ভিআইপি গ্যালারি ছিল পরিপূর্ণ। পূর্ব-পশ্চিম সব গ্যালারিতেই ছিলেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দর্শক। আবাহনীর গ্যালারি ছিল দর্শকে ঠাসা। বাংলাদেশ ও কাতারের ম্যাচ দেখতে প্রায় ১৯ হাজার দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন কাল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে।

বিকেল সাড়ে চারটায় শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। স্যাঁতসেঁতে মাঠ। গ্যালারিও ভেজা। বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিকেল পাঁচটা থেকেই দর্শক আসতে শুরু করেন স্টেডিয়ামে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভিড়। খেলা শুরুর আগ পর্যন্ত হাজার হাজার দর্শককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় স্টেডিয়ামের বাইরে। দনিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র আবদুল হাই তিন বন্ধুকে নিয়ে খেলা দেখতে এসেছেন। তার কথা, ‘২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক কাতার। নিশ্চয়ই এই দলটিই খেলবে বিশ্বকাপে। বিশ্বকাপে তো খেলা দেখতে যেতে পারব না। তাই নিজেদের দেশে ওদের খেলা দেখে চোখ জুড়াতে এসেছি।’

বনশ্রী থেকে ছোট বোন তাহমিনাকে নিয়ে খেলা দেখতে এসেছেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী তনিমা। স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে প্রবেশের মুখে তার সঙ্গে দেখা। তনিমা বলেন, ‘আমার কাছে বাংলাদেশ ও কাতার অবশ্যই বড় ম্যাচ। বিশ্বকাপের আমেজ আছে এই ম্যাচে। তাইতো বৃষ্টি উপেক্ষা করে স্টেডিয়ামে চলে এলাম। ফুটবল ভালোবাসি, নিজের দেশকেও। আশা নিয়েই এসেছি, যদি ভালো কিছু করতে পারে বাংলাদেশ।’

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ, তাই টিকিট বিক্রিও হয়েছে ভালোই। তবে বৃষ্টির দরুন শেষ মুহূর্তে কম দামে টিকিট ছেড়ে দিতে বাধ্য হন কালোবাজারিরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক টিকিট বিক্রেতা বলেন, ‘আমরা গ্যালারির ৩০ টাকা মূল্যের টিকিট বিক্রি করছি ২৫ টাকায়। আর ভিআইপি গ্যালারির ১০০ টাকার টিকিট বিক্রি করছি ৭৫ টাকায়। সাতটা নাগাদ ভিআইপি গ্যালারির গেট বন্ধ হয়ে যায়। তবে খেলা শুরুর পরও শত শত দর্শককে মাঠে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×