এসএ গেমসের ক্যাম্পে সেরা সাইক্লিস্টরা বাদ

স্বর্ণজয়ী ব্রাত্য : স্বর্ণবিমুখ সুযোগপ্রাপ্ত

পকেটমানি না পাওয়ার অভিযোগ * খাবারের মান ভালো নয়

  স্পোর্টস রিপোর্টার ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সাইক্লিস্ট তরিকুল ইসলাম আসন্ন সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসের ক্যাম্প থেকে বাদ পড়েছেন। গত চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণজয়ী মুক্তাদুল হাসান ডাক পাননি। বিজেএমসির সাইক্লিস্টরাও সুযোগ পাননি ক্যাম্পে। তবে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা না জিতেও ক্যাম্প করছেন ফয়সাল, এনামুলরা। এদিকে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) নির্ধারিত পকেটমানি না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন ক্যাম্পে থাকা সাইক্লিস্টরা। নিজ এলাকা বাগেরহাটের সাইক্লিস্টকে ক্যাম্পে রাখায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে ক্যাম্প কমান্ডার ইমাম হোসেন সোহাগের বিরুদ্ধে।

গত এপ্রিলে কুড়িগ্রামে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সাইক্লিং চ্যাম্পিয়নশিপ। মুক্তাদুল আল হাসান ১০০০ মিটার স্প্রিন্টে স্বর্ণপদক জেতেন। অথচ এবারের এসএ গেমসের ক্যাম্পে ডাক পাননি তিনি। ৪০০০ মিটার স্প্রিন্টে রুপা জেতা ইয়াসিন হোসেনকেও ডাকা হয়নি। অন্যদিকে ডাক পেয়েও ক্যাম্প থেকে বাদ পড়েছেন দেশসেরা অন্যতম সাইক্লিস্ট তরিকুল ইসলাম। সেরা সাইক্লিস্টদের বাদ দেয়ার অভিযোগ করে তরিকুল বলেন, ‘জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে যারা পদক জিতেছে, তাদেরই বাদ দিয়েছেন কর্মকর্তারা, যা অন্যায়। আমি ক্যাম্পে ডাক পেলেও শেষ পর্যন্ত তারা আমাকে রাখেননি। ক্যাম্পের খুবই বাজে অবস্থা।’ ইয়াসিন হোসেন বলেন, ‘কুড়িগ্রামে ৪০০০ মিটার ইন্ডিভিজুয়ালে রুপা জিতেছি। ২০১৬ সালে গৌহাটিতে সাইক্লিংয়ে এক নম্বর ছিলাম। এবার কুড়িগ্রামে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের সময় আমি টাইফয়েড জ্বরে ভুগছিলাম। তাই ভালো ফল করতে পারিনি। ক্যাম্প কমান্ডার সোহাগ সাহেবকে বলেছিলাম, একবার সুযোগ দেন। না পারলে ক্যাম্পের খরচের সব টাকা ফেরত দেব। কিন্তু সুযোগ দেননি তিনি।’ মুক্তাদুল হাসানের অভিযোগ, ‘আমি ১০০০ মিটার স্প্রিন্টে স্বর্ণপদক জিতেও ক্যাম্পে সুযোগ পাইনি। তাহলে কাদের নিয়ে ক্যাম্প করছেন ফেডারেশনের কর্মকর্তারা? সাইক্লিংয়ের ক্যাম্প এখানেই প্রশ্নবিদ্ধ। অথচ, কখনও পদক না জেতা ওয়ালী ফয়সালকে তার জেলার বলে রাখা হয়েছে। এটা অন্যায়। আর বাংলাদেশ গেমসে তিন স্বর্ণপদক জেতা তরিকুল ভাইকে বাদ দেয়া হয়েছে ক্যাম্প থেকে।’

তরিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি যে ক’দিন ছিলাম, পকেটমানির ২৭৫ টাকা পাইনি। প্রথমদিকে যারা ক্যাম্পে উঠেছিল বিওএ’র পকেটমানি ঠিকমতো তাদেরকে দেয়া হয়নি। ক্যাম্পে খাবারের মানও ভালো নয়।’ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ক্যাম্প কমান্ডার ইমাম হোসেন সোহাগ। তার কথায়, ‘পকেটমানি না দেয়ার অভিযোগ মিথ্যা। সবাই নিয়মিত পকেটমানি পাচ্ছে। সাইক্লিস্ট বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নির্বাচক কমিটিই সর্বেসর্বা।’ পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের বিষয়ে তার কৈফিয়ত, ‘ওয়ালী ফয়সালকে আমরা বিদেশ থেকে বিশেষায়িত ট্রেনিং করিয়ে এনেছি। তাই তাকে ক্যাম্পে রাখা হয়ছে।’

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×