দায়িত্বহীন ব্যাটিং
jugantor
দায়িত্বহীন ব্যাটিং
ব্যাটসম্যানদের দুষলেন হাসিবুল হোসেন শান্ত

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

১২ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ের খেসারত দিয়ে হেরেছে বাংলাদেশ। এমনটি মনে করেন হাসিবুল হোসেন শান্ত। তরুণ ওপেনার নাঈম শেখের প্রশংসা করেছেন তিনি। সিনিয়র ক্রিকেটারদের আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানালেন এই সাবেক পেসার। শেষ টি ২০ ম্যাচে মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্রাম দিলে ভালো হতো বলে মনে করেন তিনি।

১৭৫ তাড়া করতে নেমে ১২ রানে লিটন দাস ও সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। একতরফা ম্যাচ দেখার জন্য তখন প্রস্তুত সবাই। পাশার দান ওল্টাতে সময় লাগেনি। আগের দুই ইনিংসে ভালো শুরু করা নাঈম শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠলেন। তাকে সঙ্গ দিলেন মোসাদ্দেক হোসেনের জায়গায় সুযোগ

পাওয়া মোহাম্মদ মিঠুন। এ দু’জন ৬১ বলে ৯৮ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। কিন্তু পর পর দুই বলে আউট হন মিঠুন ও মুশফিক। নাঈমও দুবের ইয়র্কারে পরাস্ত হন। তখনও ম্যাচ বাংলাদেশের হাতে। তবুও শেষ অঙ্ক মেলাতে পারলেন না অধিনায়ক

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ-আফিফরা। নাঈম ও মিঠুন ছাড়া বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরেই পৌঁছতে পারেননি। এমন সুযোগ হাতছাড়া হওয়াটা মেনে নিতে পারছেন না হাসিবুল। তিনি বলেন, ‘মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ যেভাবে আউট হল, এভাবে খেললে জয় পাওয়া কখনই সম্ভব নয়। দায়িত্বহীন ব্যাটিং। এমন হার ব্যক্তিগতভাবে আমি মানতে পারছি না। সবাই তাড়াহুড়ো করেছে। নিজেদের ধরে রাখতে পারেনি। শেষদিকে আরেকটু বুঝে ব্যাট করতে পারলে জেতা সম্ভব ছিল।’ তিনি বলেন, ‘আমরা জানি লিটনের প্রতিভা রয়েছে। কিন্তু কখন কী শট খেলতে হবে, সেই জ্ঞানের অভাব রয়েছে। শট নির্বাচন খুবই জরুরি।’

আমিনুল ইসলাম দুটি ক্যাচ মিস করেন। সেই ক্যাচ ছাড়ার মাশুলও দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে। তারপরও শেষদিকের ভালো বোলিংয়ে স্বাগতিকদের ১৭৪ রানে আটকে দেয় সফরকারীরা। হারের কারণ হিসেবে মিসফিল্ডিংকে দায়ী করছেন না হাসিবুল। তবে শেষ ম্যাচে মোস্তাফিজের জায়গায় অন্য কাউকে একাদশে রাখলে ভালো হতো বলে মনে করেন তিনি। এই সাবেক পেসার বলেন, ‘আমাদের প্রধান বোলার মোস্তাফিজ। সে গড়ে রান দিল ১০ এর উপরে। তাহলে প্রতিপক্ষকে কম রানে আটকাবেন কীভাবে? মোস্তাফিজের জায়গায় অন্য কাউকে সুযোগ দেয়া যেত।’

এবার টেস্ট সিরিজ। এই সিরিজ দিয়েই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার ইন্দোরে শুরু হবে প্রথম টেস্ট।

দায়িত্বহীন ব্যাটিং

ব্যাটসম্যানদের দুষলেন হাসিবুল হোসেন শান্ত
 স্পোর্টস রিপোর্টার 
১২ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ের খেসারত দিয়ে হেরেছে বাংলাদেশ। এমনটি মনে করেন হাসিবুল হোসেন শান্ত। তরুণ ওপেনার নাঈম শেখের প্রশংসা করেছেন তিনি। সিনিয়র ক্রিকেটারদের আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানালেন এই সাবেক পেসার। শেষ টি ২০ ম্যাচে মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্রাম দিলে ভালো হতো বলে মনে করেন তিনি।

১৭৫ তাড়া করতে নেমে ১২ রানে লিটন দাস ও সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। একতরফা ম্যাচ দেখার জন্য তখন প্রস্তুত সবাই। পাশার দান ওল্টাতে সময় লাগেনি। আগের দুই ইনিংসে ভালো শুরু করা নাঈম শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠলেন। তাকে সঙ্গ দিলেন মোসাদ্দেক হোসেনের জায়গায় সুযোগ

পাওয়া মোহাম্মদ মিঠুন। এ দু’জন ৬১ বলে ৯৮ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। কিন্তু পর পর দুই বলে আউট হন মিঠুন ও মুশফিক। নাঈমও দুবের ইয়র্কারে পরাস্ত হন। তখনও ম্যাচ বাংলাদেশের হাতে। তবুও শেষ অঙ্ক মেলাতে পারলেন না অধিনায়ক

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ-আফিফরা। নাঈম ও মিঠুন ছাড়া বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরেই পৌঁছতে পারেননি। এমন সুযোগ হাতছাড়া হওয়াটা মেনে নিতে পারছেন না হাসিবুল। তিনি বলেন, ‘মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ যেভাবে আউট হল, এভাবে খেললে জয় পাওয়া কখনই সম্ভব নয়। দায়িত্বহীন ব্যাটিং। এমন হার ব্যক্তিগতভাবে আমি মানতে পারছি না। সবাই তাড়াহুড়ো করেছে। নিজেদের ধরে রাখতে পারেনি। শেষদিকে আরেকটু বুঝে ব্যাট করতে পারলে জেতা সম্ভব ছিল।’ তিনি বলেন, ‘আমরা জানি লিটনের প্রতিভা রয়েছে। কিন্তু কখন কী শট খেলতে হবে, সেই জ্ঞানের অভাব রয়েছে। শট নির্বাচন খুবই জরুরি।’

আমিনুল ইসলাম দুটি ক্যাচ মিস করেন। সেই ক্যাচ ছাড়ার মাশুলও দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে। তারপরও শেষদিকের ভালো বোলিংয়ে স্বাগতিকদের ১৭৪ রানে আটকে দেয় সফরকারীরা। হারের কারণ হিসেবে মিসফিল্ডিংকে দায়ী করছেন না হাসিবুল। তবে শেষ ম্যাচে মোস্তাফিজের জায়গায় অন্য কাউকে একাদশে রাখলে ভালো হতো বলে মনে করেন তিনি। এই সাবেক পেসার বলেন, ‘আমাদের প্রধান বোলার মোস্তাফিজ। সে গড়ে রান দিল ১০ এর উপরে। তাহলে প্রতিপক্ষকে কম রানে আটকাবেন কীভাবে? মোস্তাফিজের জায়গায় অন্য কাউকে সুযোগ দেয়া যেত।’

এবার টেস্ট সিরিজ। এই সিরিজ দিয়েই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার ইন্দোরে শুরু হবে প্রথম টেস্ট।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন