সারির সঙ্গে কোনো ঝামেলা নেই রোনাল্ডোর
jugantor
সারির সঙ্গে কোনো ঝামেলা নেই রোনাল্ডোর

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জুভেন্টাসের শেষ দুই ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে তাকে তুলে নেয়ায় কোচ মাউরিজিও সারির ওপর বেজায় ক্ষেপেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই তার স্টেডিয়াম ছেড়ে যাওয়া নিয়ে চলছিল তুমুল বিতর্ক। সারির সঙ্গে তার ঝামেলা নিয়ে চর্চা হলেও রোনাল্ডো ছিলেন নীরব। পর্তুগালের জার্সিতে শেষ দুই ম্যাচে চার গোল করে দিয়েছেন সমালোচনার জবাব। এখন মনটা তার ভালোই থাকার কথা। রোববার লুক্সেমবার্গকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২০ ইউরোর মূলপর্বে উঠে গেছে পর্তুগাল। রোনাল্ডো পেয়েছেন দেশের জার্সিতে ৯৯তম গোল। লক্ষ্যপূরণের খুশিতেই হয়তো বিতর্কে পানি ঢেলে শান্তির সাদা পতাকা উড়িয়ে দিলেন পর্তুগাল অধিনায়ক। বললেন সারির সঙ্গে তার কোনো ঝামেলাই হয়নি। বিতর্ক সৃষ্টি করেছে মিডিয়া! রোনাল্ডোকে তুলে নেয়ার কারণ হিসেবে সারি বলেছিলেন, পুরো ফিট নন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। রোববার রোনাল্ডো নিজেও বললেন একই কথা, ‘গত তিন সপ্তাহ আমাকে সীমিত শক্তি নিয়ে খেলতে হয়েছে। এখনও আমি শতভাগ ফিট নই। ম্যাচের মাঝপথে উঠে যাওয়াটা আমার পছন্দ নয়। তবে কোচের সিদ্ধান্ত আমি বুঝি। সত্যিই আমি শতভাগ ফিট ছিলাম না। কিন্তু ক্লাব ও জাতীয় দলের জন্য যখন আত্মত্যাগের প্রশ্ন আসে, সেটা আমি গর্বের সঙ্গেই করি। চোট নিয়েও জুভেন্টাসকে সাহায্য করার চেষ্টা থাকে আমার। ব্যাপারটা এটুকুই। এখানে কোনো বিতর্ক নেই। বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন আপনারা (মিডিয়া)। জুভেন্টাস লিগের শীর্ষে। পর্তুগালও ইউরোর মূলপর্বে উঠে গেছে। আমি খুবই খুশি। এখন যত দ্রুত সম্ভব শতভাগ ফিট হয়ে উঠতে চাই।’

নিজের টানা পঞ্চম ইউরো নিশ্চিত করে খোশমেজাজে থাকলেও গত পরশু লুক্সেমবার্গের যে মাঠে খেলতে হয়েছে, তা নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধই রোনাল্ডো, ‘এ ধরনের মাঠে খেলাটা খুব কঠিন। মাঠ তো নয়, যেন আলুখেত। আমি ঠিক বুঝতে পারছি না এই পর্যায়ের দলগুলো এমন জঘন্য মাঠে কীভাবে ফুটবল খেলে। মাঠের কারণে পারফরম্যান্স খুব ভালো না হলেও আসল কাজটা আমরা ঠিকই করতে পেরেছি। আমি খুশি যে, আমরা জিতেছি এবং আমি পঞ্চমবার

ইউরোতে খেলতে যাচ্ছি। জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারাটা সব সময়ই গর্বের।

৩৪ বছর বয়সে রোনাল্ডো কেমন ফর্মে আছেন, তা বলে দিচ্ছে পরিসংখ্যানই। এ বছর পর্তুগালের হয়ে আট ম্যাচে করেছেন ১৪ গোল! দেশের হয়ে এক বছরে যা কোনো পর্তুগিজ ফুটবলারের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। দৃষ্টিসীমায় চলে এসেছে আরও বড় একটি রেকর্ড। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ইরানের আলী দাইয়ের ১০৯ গোলের বিশ্ব রেকর্ড থেকে আর মাত্র ১০ গোল দূরে পর্তুগাল অধিনায়ক। রেকর্ডটি যে একদিন তারই হবে এ নিয়ে কোনো সংশয় নেই রোনাল্ডোর, ‘সব রেকর্ড একসময় ভাঙবে। আর তা আমিই ভাঙব।’

সারির সঙ্গে কোনো ঝামেলা নেই রোনাল্ডোর

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১৯ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জুভেন্টাসের শেষ দুই ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে তাকে তুলে নেয়ায় কোচ মাউরিজিও সারির ওপর বেজায় ক্ষেপেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই তার স্টেডিয়াম ছেড়ে যাওয়া নিয়ে চলছিল তুমুল বিতর্ক। সারির সঙ্গে তার ঝামেলা নিয়ে চর্চা হলেও রোনাল্ডো ছিলেন নীরব। পর্তুগালের জার্সিতে শেষ দুই ম্যাচে চার গোল করে দিয়েছেন সমালোচনার জবাব। এখন মনটা তার ভালোই থাকার কথা। রোববার লুক্সেমবার্গকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২০ ইউরোর মূলপর্বে উঠে গেছে পর্তুগাল। রোনাল্ডো পেয়েছেন দেশের জার্সিতে ৯৯তম গোল। লক্ষ্যপূরণের খুশিতেই হয়তো বিতর্কে পানি ঢেলে শান্তির সাদা পতাকা উড়িয়ে দিলেন পর্তুগাল অধিনায়ক। বললেন সারির সঙ্গে তার কোনো ঝামেলাই হয়নি। বিতর্ক সৃষ্টি করেছে মিডিয়া! রোনাল্ডোকে তুলে নেয়ার কারণ হিসেবে সারি বলেছিলেন, পুরো ফিট নন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। রোববার রোনাল্ডো নিজেও বললেন একই কথা, ‘গত তিন সপ্তাহ আমাকে সীমিত শক্তি নিয়ে খেলতে হয়েছে। এখনও আমি শতভাগ ফিট নই। ম্যাচের মাঝপথে উঠে যাওয়াটা আমার পছন্দ নয়। তবে কোচের সিদ্ধান্ত আমি বুঝি। সত্যিই আমি শতভাগ ফিট ছিলাম না। কিন্তু ক্লাব ও জাতীয় দলের জন্য যখন আত্মত্যাগের প্রশ্ন আসে, সেটা আমি গর্বের সঙ্গেই করি। চোট নিয়েও জুভেন্টাসকে সাহায্য করার চেষ্টা থাকে আমার। ব্যাপারটা এটুকুই। এখানে কোনো বিতর্ক নেই। বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন আপনারা (মিডিয়া)। জুভেন্টাস লিগের শীর্ষে। পর্তুগালও ইউরোর মূলপর্বে উঠে গেছে। আমি খুবই খুশি। এখন যত দ্রুত সম্ভব শতভাগ ফিট হয়ে উঠতে চাই।’

নিজের টানা পঞ্চম ইউরো নিশ্চিত করে খোশমেজাজে থাকলেও গত পরশু লুক্সেমবার্গের যে মাঠে খেলতে হয়েছে, তা নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধই রোনাল্ডো, ‘এ ধরনের মাঠে খেলাটা খুব কঠিন। মাঠ তো নয়, যেন আলুখেত। আমি ঠিক বুঝতে পারছি না এই পর্যায়ের দলগুলো এমন জঘন্য মাঠে কীভাবে ফুটবল খেলে। মাঠের কারণে পারফরম্যান্স খুব ভালো না হলেও আসল কাজটা আমরা ঠিকই করতে পেরেছি। আমি খুশি যে, আমরা জিতেছি এবং আমি পঞ্চমবার

ইউরোতে খেলতে যাচ্ছি। জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারাটা সব সময়ই গর্বের।

৩৪ বছর বয়সে রোনাল্ডো কেমন ফর্মে আছেন, তা বলে দিচ্ছে পরিসংখ্যানই। এ বছর পর্তুগালের হয়ে আট ম্যাচে করেছেন ১৪ গোল! দেশের হয়ে এক বছরে যা কোনো পর্তুগিজ ফুটবলারের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। দৃষ্টিসীমায় চলে এসেছে আরও বড় একটি রেকর্ড। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ইরানের আলী দাইয়ের ১০৯ গোলের বিশ্ব রেকর্ড থেকে আর মাত্র ১০ গোল দূরে পর্তুগাল অধিনায়ক। রেকর্ডটি যে একদিন তারই হবে এ নিয়ে কোনো সংশয় নেই রোনাল্ডোর, ‘সব রেকর্ড একসময় ভাঙবে। আর তা আমিই ভাঙব।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন