আবাহনীর মাজিয়া-পরীক্ষা
jugantor
আবাহনীর মাজিয়া-পরীক্ষা

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এএফসি কাপের আগের আসরে মূলপর্বে খেলেছে ঢাকা আবাহনী। এবার প্লে-অফ পর্বে খেলতে হচ্ছে তাদের।

মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিপক্ষে।

দুই লেগ মিলিয়ে জিততে পারলেই মূলপর্বের ই-গ্রুপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে আকাশি নীল শিবির। হোম ম্যাচ আজ। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বিকেল ৫টায় শুরু হবে ম্যাচ। মৌসুমের প্রথম ঘরোয়া আসর ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি ঢাকা আবাহনী। কোয়ার্টার ফাইানালে এগিয়ে থেকেও টাইব্রেকারে রহমতগঞ্জের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের। এএফসি কাপে শিষ্যদের কাছে নিখুঁত পারফরম্যান্স চান কোচ মারিও লেমোস। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের জন্য জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ছাড়া বাকিদের নিয়ে আমরা প্রায় এক মাস অনুশীলন করেছি। প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। ঘরোয়া আসরের ভুল নিয়ে কাজ করেছি। জয় দিয়ে শুরু করতে চাই।’ তিনি যোগ করেন, ‘ফেডারেশন কাপে কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নেয়ার আগে দুই ম্যাচে নয় গোল করেছিলাম আমরা।

এবার রক্ষণ নিয়ে কাজ করেছি বেশি।’ লেমোস বলেন, ‘আমরা গোল চাই। গোল হজম করতে চাই না। আমি চাই, ছেলেরা আক্রমণে, রক্ষণে, সেটপিসে যেন আরও ভালো খেলে। যেন সব দিক দিয়ে নিখুঁত খেলতে পারি।’

২০১৭ সালে এএফসি কাপের গ্রুপপর্বে মাজিয়ার কাছেই হেরেছিল আবাহনী। প্রতিপক্ষকে সমীহ করলেও নিজ দলের সম্ভাবনা দেখছেন লেমোস, ‘মাজিয়া ভালো দল। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে। কিন্তু আমি মনে করি, আমরা তুলনামূলকভাবে ভালো। জেতার জন্য নামব। অনুভব করছি আমরা ম্যাচটা জিতব।’ তিনি যোগ করেন, ‘এএফসি কাপ ভিন্ন প্রতিযোগিতা। আমরাও গত এএফসি কাপে নিজেদের মাঠে একটা ম্যাচও হারিনি। এই ম্যাচেও আবাহনীর জেতা উচিত।’

জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী মাজিয়ার কোচ মারিয়ান সেকুলোভস্কিও। ২০১৭ সালে এই টুর্নামেন্টের দুই ম্যাচেই আবাহনীকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল মাজিয়া। সেই সুখস্মৃতি ফিরিয়ে আনতে চান তিনি। মারিয়ানের কথায়, ‘হোম ও অ্যাওয়েতে আমাদের দুটি ম্যাচ। আপাতত অ্যাওয়ে ম্যাচ নিয়ে ভাবছি। আমাদের সব সময় লক্ষ্য থাকে সেরাটা দিয়ে ম্যাচ জেতা। সেই রসদ আমাদের রয়েছে। আমরা সব বিভাগেই শক্তিশালী।’ মালদ্বীপে টানা দুটি আসরে চ্যাম্পিয়ন মাজিয়া ক্লাব। সর্বশেষ ক’দিন আগে মালদ্বীপের লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘দ্য গ্রিন বয়েজ’ খ্যাত মালের এই ক্লাব। টানা খেলার ক্লান্তি ম্যাচে কোনো প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন না সেকুলোভস্কি, ‘এক সপ্তাহ আগে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। শেষ দুটি ম্যাচে এএফসি কাপের জন্য দলকে গুছিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছি। জয়ের জন্যই মাঠে নামব।’ ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মাজিয়া ২০০৬-এ প্রথম বিভাগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। দর্শকদের জন্য সাধারণ গ্যালারি ৫০ টাকা এবং ভিআইপি গ্যালারির টিকিট ১০০ টাকা।

আবাহনীর মাজিয়া-পরীক্ষা

 স্পোর্টস রিপোর্টার 
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এএফসি কাপের আগের আসরে মূলপর্বে খেলেছে ঢাকা আবাহনী। এবার প্লে-অফ পর্বে খেলতে হচ্ছে তাদের।

মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিপক্ষে।

দুই লেগ মিলিয়ে জিততে পারলেই মূলপর্বের ই-গ্রুপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে আকাশি নীল শিবির। হোম ম্যাচ আজ। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বিকেল ৫টায় শুরু হবে ম্যাচ। মৌসুমের প্রথম ঘরোয়া আসর ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি ঢাকা আবাহনী। কোয়ার্টার ফাইানালে এগিয়ে থেকেও টাইব্রেকারে রহমতগঞ্জের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের। এএফসি কাপে শিষ্যদের কাছে নিখুঁত পারফরম্যান্স চান কোচ মারিও লেমোস। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের জন্য জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ছাড়া বাকিদের নিয়ে আমরা প্রায় এক মাস অনুশীলন করেছি। প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। ঘরোয়া আসরের ভুল নিয়ে কাজ করেছি। জয় দিয়ে শুরু করতে চাই।’ তিনি যোগ করেন, ‘ফেডারেশন কাপে কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নেয়ার আগে দুই ম্যাচে নয় গোল করেছিলাম আমরা।

এবার রক্ষণ নিয়ে কাজ করেছি বেশি।’ লেমোস বলেন, ‘আমরা গোল চাই। গোল হজম করতে চাই না। আমি চাই, ছেলেরা আক্রমণে, রক্ষণে, সেটপিসে যেন আরও ভালো খেলে। যেন সব দিক দিয়ে নিখুঁত খেলতে পারি।’

২০১৭ সালে এএফসি কাপের গ্রুপপর্বে মাজিয়ার কাছেই হেরেছিল আবাহনী। প্রতিপক্ষকে সমীহ করলেও নিজ দলের সম্ভাবনা দেখছেন লেমোস, ‘মাজিয়া ভালো দল। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে। কিন্তু আমি মনে করি, আমরা তুলনামূলকভাবে ভালো। জেতার জন্য নামব। অনুভব করছি আমরা ম্যাচটা জিতব।’ তিনি যোগ করেন, ‘এএফসি কাপ ভিন্ন প্রতিযোগিতা। আমরাও গত এএফসি কাপে নিজেদের মাঠে একটা ম্যাচও হারিনি। এই ম্যাচেও আবাহনীর জেতা উচিত।’

জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী মাজিয়ার কোচ মারিয়ান সেকুলোভস্কিও। ২০১৭ সালে এই টুর্নামেন্টের দুই ম্যাচেই আবাহনীকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল মাজিয়া। সেই সুখস্মৃতি ফিরিয়ে আনতে চান তিনি। মারিয়ানের কথায়, ‘হোম ও অ্যাওয়েতে আমাদের দুটি ম্যাচ। আপাতত অ্যাওয়ে ম্যাচ নিয়ে ভাবছি। আমাদের সব সময় লক্ষ্য থাকে সেরাটা দিয়ে ম্যাচ জেতা। সেই রসদ আমাদের রয়েছে। আমরা সব বিভাগেই শক্তিশালী।’ মালদ্বীপে টানা দুটি আসরে চ্যাম্পিয়ন মাজিয়া ক্লাব। সর্বশেষ ক’দিন আগে মালদ্বীপের লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘দ্য গ্রিন বয়েজ’ খ্যাত মালের এই ক্লাব। টানা খেলার ক্লান্তি ম্যাচে কোনো প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন না সেকুলোভস্কি, ‘এক সপ্তাহ আগে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। শেষ দুটি ম্যাচে এএফসি কাপের জন্য দলকে গুছিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছি। জয়ের জন্যই মাঠে নামব।’ ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মাজিয়া ২০০৬-এ প্রথম বিভাগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। দর্শকদের জন্য সাধারণ গ্যালারি ৫০ টাকা এবং ভিআইপি গ্যালারির টিকিট ১০০ টাকা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন