ফুটবলারদের আড্ডায় ফিটনেস
jugantor
ফুটবলারদের আড্ডায় ফিটনেস

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

১৬ মে ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসে ঘরবন্দি ক্রীড়াবিদরা। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নিজেদের খবর, আক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করছেন অনেকেই। বৃহস্পতিবার রাতে ‘বিপিএল প্লেয়ার্স আড্ডা’ নামে ফুটবলারদের আলোচনা হল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা, মোহামেডান গোলকিপার মাজহারুল ইসলাম হিমেল, বসুন্ধরা কিংসের মিডফিল্ডার ইমন মাহমুদ বাবু, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের মিডফিল্ডার ওমর ফারুক বাবু, চট্টগ্রাম আবাহনীর স্ট্রাইকার সাখাওয়াত হোসেন রনি, উত্তর বারিধারার সুমন রেজা, আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের দিদারুল হক, রহমতগঞ্জের রাসেল মাহমুদ লিটন, আবাহনীর নাবিব নেওয়াজ জীবন, পুলিশ ফুটবল ক্লাবের মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম ও সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের রহমত মিয়া। বাফুফের মিডিয়া কর্মকর্তা খালিদ নওমির সঞ্চালনায় হোম কোয়ারেন্টিনে থাকাকালীন ফিটনেস নিয়ে অনুষ্ঠানে আলোচনা হয়।

শেখ রাসেলের গোলকিপার রানা বলেন, ‘করোনাকালে আমরা ঘরবন্দি। সাধ্যমতো ফিটনেস ধরে রাখার চেষ্টা করছি। আবার লিগ শুরু হবে, এই আশায় আছি।’ রহমতগঞ্জের গোলকিপার লিটন মাঠের অনুশীলনকে বড় করে দেখছেন। তার কথায়, ‘ঘরে বসে ফিটনেস ধরে রাখার চেষ্টা করলেও মাঠের অনুশীলন ছাড়া শতভাগ ফিটনেস ধরে রাখা সম্ভব হবে না। মাঠের কাজ বাসায় বসে করা সম্ভব নয়।’ আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার দিদারুলও একই সুরে বলেন, ‘ঘরে বসে ফিটনেস ধরে রাখা আসলেই অসম্ভব। মাঠের কাজ তো আর বাসা থেকে করা যায় না।’ শাখাওয়াত রনি এই পরিস্থিতিতে ফুটবলারদের মানসিক দিক তুলে ধরে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের মানসিক দিকও ঠিক রাখা কঠিন। আমার মনে হয়, এই পরিস্থিতিতে আত্মবিশ্বাস কমবে।’

ফুটবলারদের আড্ডায় ফিটনেস

 স্পোর্টস রিপোর্টার 
১৬ মে ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসে ঘরবন্দি ক্রীড়াবিদরা। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নিজেদের খবর, আক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করছেন অনেকেই। বৃহস্পতিবার রাতে ‘বিপিএল প্লেয়ার্স আড্ডা’ নামে ফুটবলারদের আলোচনা হল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা, মোহামেডান গোলকিপার মাজহারুল ইসলাম হিমেল, বসুন্ধরা কিংসের মিডফিল্ডার ইমন মাহমুদ বাবু, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের মিডফিল্ডার ওমর ফারুক বাবু, চট্টগ্রাম আবাহনীর স্ট্রাইকার সাখাওয়াত হোসেন রনি, উত্তর বারিধারার সুমন রেজা, আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের দিদারুল হক, রহমতগঞ্জের রাসেল মাহমুদ লিটন, আবাহনীর নাবিব নেওয়াজ জীবন, পুলিশ ফুটবল ক্লাবের মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম ও সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের রহমত মিয়া। বাফুফের মিডিয়া কর্মকর্তা খালিদ নওমির সঞ্চালনায় হোম কোয়ারেন্টিনে থাকাকালীন ফিটনেস নিয়ে অনুষ্ঠানে আলোচনা হয়।

শেখ রাসেলের গোলকিপার রানা বলেন, ‘করোনাকালে আমরা ঘরবন্দি। সাধ্যমতো ফিটনেস ধরে রাখার চেষ্টা করছি। আবার লিগ শুরু হবে, এই আশায় আছি।’ রহমতগঞ্জের গোলকিপার লিটন মাঠের অনুশীলনকে বড় করে দেখছেন। তার কথায়, ‘ঘরে বসে ফিটনেস ধরে রাখার চেষ্টা করলেও মাঠের অনুশীলন ছাড়া শতভাগ ফিটনেস ধরে রাখা সম্ভব হবে না। মাঠের কাজ বাসায় বসে করা সম্ভব নয়।’ আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার দিদারুলও একই সুরে বলেন, ‘ঘরে বসে ফিটনেস ধরে রাখা আসলেই অসম্ভব। মাঠের কাজ তো আর বাসা থেকে করা যায় না।’ শাখাওয়াত রনি এই পরিস্থিতিতে ফুটবলারদের মানসিক দিক তুলে ধরে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের মানসিক দিকও ঠিক রাখা কঠিন। আমার মনে হয়, এই পরিস্থিতিতে আত্মবিশ্বাস কমবে।’