বাঁচার আকুতি তাদের...

  স্পোর্টস রিপোর্টার ০১ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চাকরি হারানোর শঙ্কায় দিশেহারা বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) ক্রীড়াবিদরা। বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে সুনামের সঙ্গে খেললেও আজ বেকার হওয়ার পথে প্রায় সাড়ে তিনশ’ খেলোয়াড়। ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে জড়িত তাদের পরিবারের আরও প্রায় এক হাজার মানুষ। সব মিলিয়ে ক্রীড়াঙ্গনের প্রায় দেড় হাজার মানুষ পড়ে যাবে দুর্দশায়। আসন্ন এই দুর্যোগ থেকে বাঁচতে এবার ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোর কাছে ভিন্ন এক আবেদন জানালেন বিজেএমসির ক্রীড়াবিদরা। যেসব ডিসিপ্লিনে দেশের সার্ভিসেস সংস্থাগুলো এখন দল গড়েনি, ফেডারেশনের মাধ্যমে বিজেএমসির ক্রীড়াবিদদের নিয়ে দল গড়ার জন্য আকুতি জানিয়েছেন তারা।

দেশের ৫৩টি ডিসিপ্লিনের মধ্যে ১১টিতে নিয়মিত অংশ নিত বিজেএমসি। এগুলো হল- নারী হ্যান্ডবল, পুরুষ ফুটবল, নারী ফুটবল, নারী ভারোত্তোলন, সাইক্লিং, নারী ভলিবল, অ্যাথলেটিক্স, নারী কাবাডি, জিমন্যাস্টিক্স, উশু ও তায়কোয়ান্ডো। যেখানে খেলতেন ৩৬০ জন ক্রীড়াবিদ। তাদের মধ্যে ১৯ জন স্থায়ী এবং বাকি ৩৫১ জন বদলি শ্রমিক হিসেবে ছিলেন। এবার সেটাও যেতে বসেছে। তাই চোখে অন্ধকার দেখছেন এই ক্রীড়াবিদরা। নিজেদের ও পরিবারকে বাঁচাতে অন্য সংস্থায় চাকরির আকুতি জানাচ্ছেন তারা। নারী হ্যান্ডবলে বিজেএমসির খেলোয়াড় ডালিয়া আক্তার বলেন, ‘সংস্থা থাকলে হয়তো আমরা থাকতাম। আমার জানা মতে, যেসব ডিসিপ্লিনে ভালো ফল আসছিল, সেসব জায়গায় দক্ষতা দিয়ে ক্রীড়াবিদ রাখার চেষ্টা করছিলেন বিজেএমসির কর্তারা। কিন্তু এখন এতগুলো মানুষের কী হবে, কিছুই বুঝতে পারছি না। খেলোয়াড়দের কর্মসংস্থান কোথায় হবে।’ জাতীয় নারী হ্যান্ডবল দলের এই অধিনায়ক বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমাদের টিকিয়ে রাখতে ফেডারেশনগুলোর এগিয়ে আসা উচিত। ক্রীড়াবিদদের স্বার্থেই তারা যেন প্রত্যেকটি সার্ভিসেস দলকে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে নারী-পুরুষ দুটি করে দল গঠন করার জন্য আমন্ত্রণ জানায়। আমাদের চাকরির সুযোগ করে দেয়ার জন্য এটা করা উচিত ফেডারেশনগুলোর। সমাজের প্রতি ও ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি দায়বদ্ধতার মাধ্যমেও সার্ভিসেস দলগুলো কিছু একটা করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে ফেডারেশনকেই চিঠি দিতে হবে। এমন আমন্ত্রণ পেলে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানও ক্রীড়াঙ্গনে দল গড়তে পারে।’

বিজেএমসির সাইক্লিস্ট সোনিয়া ইয়াসমিন অভি বলেন, ‘সার্ভিসেস দল ইচ্ছা করলে প্রত্যেকটি ডিসিপ্লিনে দল গঠন করে বিজেএমসির ক্রীড়াবিদদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে। এতে ক্রীড়াবিদরা উপকৃত হবেন। বেঁচে থাকার ভরসা পাবেন। তবে আমার জানা মতে, সার্ভিসেস দলে ক্যাম্পের মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা দিতে হবে, যা বিজেএমসিতে ছিল না। তাই অনেকেই হয়তো সার্ভিসেস দলে যেতে পারবে না। তারপরও যারা পারবে, তাদের জন্যও ভালো হবে।’

আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত