ইংল্যান্ডের মধুর সমস্যা
jugantor
ইংল্যান্ডের মধুর সমস্যা

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৩ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ছোট্ট ক্যারিয়ারে বড় এক চ্যালেঞ্জের সামনে এখন ক্রিস সিলভারউড। যদিও সমস্যাটি মধুর, সব দল ও কোচেরই কাঙ্ক্ষিত। কিন্তু কোচের দূরদর্শিতা ও ‘ম্যান ম্যানেজমেন্ট’ দক্ষতার কঠিন পরীক্ষাও এটি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টের একাদশে কাকে রেখে নেয়া হবে কাকে! মূল লড়াই পেস আক্রমণে জায়গা পাওয়া নিয়ে। প্রথম দুই টেস্টে পুরো ভিন্ন দুটি পেস আক্রমণ খেলিয়েছে ইংল্যান্ড। প্রথম টেস্টে অভিজ্ঞ জিমি অ্যান্ডারসনের সঙ্গে ছিলেন মার্ক উড ও জফরা আর্চার।

পরের টেস্টে স্টুয়ার্ট ব্রডের সঙ্গী ছিলেন ক্রিস ওকস ও স্যাম কারেন। শুধু পেস বোলিং অলরাউন্ডার বেন স্টোকস ছিলেন দুই টেস্টেই। পেসারদের পারফরম্যান্সই জমিয়ে তুলেছে একাদশে জায়গা পাওয়ার লড়াই। প্রথম টেস্টে অ্যান্ডারসন ও আর্চার নিয়েছিলেন তিনটি করে উইকেট, মার্ক উড দুটি।

পরের টেস্টে অ্যান্ডারসন ও উডকে দেয়া হয় বিশ্রাম। শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় বাদ পড়েন আর্চার। প্রথম টেস্টের দলে জায়গা না পাওয়ায় প্রকাশ্যেই ক্ষোভ ঝেরেছিলেন ব্রড। দ্বিতীয় টেস্টে তার আগুনে বোলিংয়ে পুড়েছে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা। দুই ইনিংস মিলিয়ে নিয়েছেন ছয় উইকেট। চতুর্থদিন বিকেলে তার দুর্দান্ত এক স্পেল ও শেষ দিনে নতুন বলের স্পেল ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নিয়েছে জয়ের পথে। দারুণ বোলিংয়ে একই টেস্টে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন ওকস, চমৎকার সুইং বোলিংয়ে কারেন নিয়েছেন তিনটি। শেষ টেস্টে হবে সিরিজের ফয়সালা। এমন ম্যাচে টেস্ট ইতিহাসের সফলতম পেসার অ্যান্ডারসনকে বাইরে রাখতে চাইবে না ইংল্যান্ড। সিলভারউড এর মধ্যেই বলেছেন, ‘অ্যান্ডারসন বিশ্বমানের বোলার এবং আমাদের সেরা সম্পদ।’

গতি-বাউন্স ও ‘এক্স ফ্যাক্টর’ মিলিয়ে আর্চারকে বাইরে রাখাও কঠিন। সেক্ষেত্রে লড়াই আর একটি জায়গা নিয়ে। অভিজ্ঞতা ও গত টেস্টের অসাধারণ বোলিং মিলিয়ে ব্রড এগিয়ে থাকবেন নিশ্চিতভাবেই। গত দুই বছরে শুধু ইংল্যান্ড নয়, বিশ্ব ক্রিকেটেই দ্বিতীয় সফলতম টেস্ট পেসার ব্রড। তবে ওকস যে কার্যকারিতা দেখিয়েছেন এবং বাঁহাতি পেসার কারেনের সুইং আক্রমণে যে বৈচিত্র্য যোগ করে, এসব ভাবনাকে উপেক্ষা করাও হবে কঠিন।

লড়াইয়ে আপাতত কিছুটা পিছিয়ে উড। নেটে দারুণ বোলিং করে গেলেও ক্রেগ ওভারটন, অলিভার স্টোন ও অলিভার রবিনসনের আপাতত বাইরে বসে থাকা ছাড়া উপায় নেই। ছয়জন থেকে তিনজনের কার্যকর পেস আক্রমণ বাছাই করাই শুধু নয়, ইংল্যান্ড কোচকে ভাবতে হবে বাদ পড়াদের ঠিকভাবে সামলানো নিয়েও। তাদের কাছে ব্যাখ্যা করা ও সন্তুষ্ট করা কতটা জরুরি, প্রথম টেস্টের সময় ব্রডের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া থেকেই ধারণা পাওয়া যায়।

ইংল্যান্ডের মধুর সমস্যা

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৩ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ছোট্ট ক্যারিয়ারে বড় এক চ্যালেঞ্জের সামনে এখন ক্রিস সিলভারউড। যদিও সমস্যাটি মধুর, সব দল ও কোচেরই কাঙ্ক্ষিত। কিন্তু কোচের দূরদর্শিতা ও ‘ম্যান ম্যানেজমেন্ট’ দক্ষতার কঠিন পরীক্ষাও এটি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টের একাদশে কাকে রেখে নেয়া হবে কাকে! মূল লড়াই পেস আক্রমণে জায়গা পাওয়া নিয়ে। প্রথম দুই টেস্টে পুরো ভিন্ন দুটি পেস আক্রমণ খেলিয়েছে ইংল্যান্ড। প্রথম টেস্টে অভিজ্ঞ জিমি অ্যান্ডারসনের সঙ্গে ছিলেন মার্ক উড ও জফরা আর্চার।

পরের টেস্টে স্টুয়ার্ট ব্রডের সঙ্গী ছিলেন ক্রিস ওকস ও স্যাম কারেন। শুধু পেস বোলিং অলরাউন্ডার বেন স্টোকস ছিলেন দুই টেস্টেই। পেসারদের পারফরম্যান্সই জমিয়ে তুলেছে একাদশে জায়গা পাওয়ার লড়াই। প্রথম টেস্টে অ্যান্ডারসন ও আর্চার নিয়েছিলেন তিনটি করে উইকেট, মার্ক উড দুটি।

পরের টেস্টে অ্যান্ডারসন ও উডকে দেয়া হয় বিশ্রাম। শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় বাদ পড়েন আর্চার। প্রথম টেস্টের দলে জায়গা না পাওয়ায় প্রকাশ্যেই ক্ষোভ ঝেরেছিলেন ব্রড। দ্বিতীয় টেস্টে তার আগুনে বোলিংয়ে পুড়েছে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা। দুই ইনিংস মিলিয়ে নিয়েছেন ছয় উইকেট। চতুর্থদিন বিকেলে তার দুর্দান্ত এক স্পেল ও শেষ দিনে নতুন বলের স্পেল ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নিয়েছে জয়ের পথে। দারুণ বোলিংয়ে একই টেস্টে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন ওকস, চমৎকার সুইং বোলিংয়ে কারেন নিয়েছেন তিনটি। শেষ টেস্টে হবে সিরিজের ফয়সালা। এমন ম্যাচে টেস্ট ইতিহাসের সফলতম পেসার অ্যান্ডারসনকে বাইরে রাখতে চাইবে না ইংল্যান্ড। সিলভারউড এর মধ্যেই বলেছেন, ‘অ্যান্ডারসন বিশ্বমানের বোলার এবং আমাদের সেরা সম্পদ।’

গতি-বাউন্স ও ‘এক্স ফ্যাক্টর’ মিলিয়ে আর্চারকে বাইরে রাখাও কঠিন। সেক্ষেত্রে লড়াই আর একটি জায়গা নিয়ে। অভিজ্ঞতা ও গত টেস্টের অসাধারণ বোলিং মিলিয়ে ব্রড এগিয়ে থাকবেন নিশ্চিতভাবেই। গত দুই বছরে শুধু ইংল্যান্ড নয়, বিশ্ব ক্রিকেটেই দ্বিতীয় সফলতম টেস্ট পেসার ব্রড। তবে ওকস যে কার্যকারিতা দেখিয়েছেন এবং বাঁহাতি পেসার কারেনের সুইং আক্রমণে যে বৈচিত্র্য যোগ করে, এসব ভাবনাকে উপেক্ষা করাও হবে কঠিন।

লড়াইয়ে আপাতত কিছুটা পিছিয়ে উড। নেটে দারুণ বোলিং করে গেলেও ক্রেগ ওভারটন, অলিভার স্টোন ও অলিভার রবিনসনের আপাতত বাইরে বসে থাকা ছাড়া উপায় নেই। ছয়জন থেকে তিনজনের কার্যকর পেস আক্রমণ বাছাই করাই শুধু নয়, ইংল্যান্ড কোচকে ভাবতে হবে বাদ পড়াদের ঠিকভাবে সামলানো নিয়েও। তাদের কাছে ব্যাখ্যা করা ও সন্তুষ্ট করা কতটা জরুরি, প্রথম টেস্টের সময় ব্রডের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া থেকেই ধারণা পাওয়া যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজ - ২০২০

৩০ জুলাই, ২০২০
২৬ জুলাই, ২০২০