চলে গেলেন যুব ফুটবল দলের সাবেক গোলকিপার শামীম
jugantor
চলে গেলেন যুব ফুটবল দলের সাবেক গোলকিপার শামীম

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

১২ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দীর্ঘদিন রোগভোগের পর গত ৫ আগস্ট মারা গেলেন যুব ফুটবল দলের সাবেক গোলকিপার মোহাম্মদ শামীম রেজা। তার বয়স হয়েছিল ৪২।

১৯৯৮ সালে নেপালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে খেলেছিলেন তিনি। ফিরোজ মাহমুদ টিটো, রোকনুজ্জামান কাঞ্চনদের সঙ্গে উৎসব করেছিলেন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে। বাফুফের বয়সভিত্তিক দলে নিয়মিত মুখ ছিলেন। সুযোগ পান জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ যুব দলের ক্যাম্পেও। জুনিয়র দলের হয়ে লাল-সবুজ জার্সি গায়ে জড়ানোর পর তার চোখ ছিল জাতীয় দলের দিকে। কিন্তু ১৯৯৯ সালে টাইফয়েডে আক্রান্দ হওয়ায় আর ক্যাম্পে যোগ দেয়া হয়নি শামীম রেজার। অসুস্থ হওয়ার পর বাসায় ছিলেন। কিছুদিন আগে অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে তাকে ভর্তি করা হয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। শামীমের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন অনেকেই। হাসপাতালে ভর্তির পর বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তরফদার মো. রুহুল আমিন ২০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন।

চলে গেলেন যুব ফুটবল দলের সাবেক গোলকিপার শামীম

 স্পোর্টস রিপোর্টার 
১২ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দীর্ঘদিন রোগভোগের পর গত ৫ আগস্ট মারা গেলেন যুব ফুটবল দলের সাবেক গোলকিপার মোহাম্মদ শামীম রেজা। তার বয়স হয়েছিল ৪২।

১৯৯৮ সালে নেপালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে খেলেছিলেন তিনি। ফিরোজ মাহমুদ টিটো, রোকনুজ্জামান কাঞ্চনদের সঙ্গে উৎসব করেছিলেন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে। বাফুফের বয়সভিত্তিক দলে নিয়মিত মুখ ছিলেন। সুযোগ পান জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ যুব দলের ক্যাম্পেও। জুনিয়র দলের হয়ে লাল-সবুজ জার্সি গায়ে জড়ানোর পর তার চোখ ছিল জাতীয় দলের দিকে। কিন্তু ১৯৯৯ সালে টাইফয়েডে আক্রান্দ হওয়ায় আর ক্যাম্পে যোগ দেয়া হয়নি শামীম রেজার। অসুস্থ হওয়ার পর বাসায় ছিলেন। কিছুদিন আগে অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে তাকে ভর্তি করা হয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। শামীমের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন অনেকেই। হাসপাতালে ভর্তির পর বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তরফদার মো. রুহুল আমিন ২০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন।