একটি স্টেডিয়ামকে ঘিরে কাশ্মীরের তরুণদের স্বপ্ন
jugantor
একটি স্টেডিয়ামকে ঘিরে কাশ্মীরের তরুণদের স্বপ্ন

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১২ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে চিরকালের রাজনৈতিক টানাপোড়েনে দেশটির জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের সাধারণ মানুষ বুক ভরে শ্বাস নেয়ার সুযোগ কমই পায়। তবে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও তাদের ফুটবলপ্রেমে ভাটা পড়েনি।

জম্মু ও কাশ্মীরের ক্রীড়াপ্রেমী তরুণ প্রজন্মের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে দারুণ একটি উদ্যোগ নিয়েছে আঞ্চলিক সরকার। শ্রীনগরের আলিচিবাগ এলাকায় একটি ফুটবল মাঠকে আধুনিক স্টেডিয়ামে রূপান্তর করা হচ্ছে। চলছে নির্মাণ কাজ। প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামো নির্মাণে খরচ হবে ২৫ কোটি রুপি। এই স্টেডিয়ামকে ঘিরেই এখন নতুন স্বপ্নের জাল বুনছে তরুণ প্রজন্ম।

স্থানীয় ফুটবলার ও কোচ নাসির খান জানালেন, ‘এই স্টেডিয়াম আমাদের অনেক উপকারে আসবে। আমি একজন ফুটবলার এবং একটি একাডেমির কোচ। কর্তৃপক্ষকে আমি অনুরোধ করব বাকি কাজ দ্রুত শেষ করে সব সুযোগ-সুবিধা যেন নিশ্চিত করা হয়।’

সাবেক ফুটবলার তারিক আহমেদ শোনালেন মাঠের ইতিহাস, ‘একসময় এই জায়গাটা জলমগ্ন ছিল। ক্রীড়া কাউন্সিল সেখানে খেলার উপযোগী মাঠ তৈরি করে। এটা এখন এই অঞ্চলের অন্যতম সেরা মাঠ। স্টেডিয়ামের সব অবকাঠামো তৈরি হয়ে গেলে স্থানীয় তরুণ প্রজন্ম তাদের ক্রীড়া দক্ষতা শানিত করে ফুটবলকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে পারবে।’

একটি স্টেডিয়ামকে ঘিরে কাশ্মীরের তরুণদের স্বপ্ন

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১২ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে চিরকালের রাজনৈতিক টানাপোড়েনে দেশটির জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের সাধারণ মানুষ বুক ভরে শ্বাস নেয়ার সুযোগ কমই পায়। তবে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও তাদের ফুটবলপ্রেমে ভাটা পড়েনি।

জম্মু ও কাশ্মীরের ক্রীড়াপ্রেমী তরুণ প্রজন্মের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে দারুণ একটি উদ্যোগ নিয়েছে আঞ্চলিক সরকার। শ্রীনগরের আলিচিবাগ এলাকায় একটি ফুটবল মাঠকে আধুনিক স্টেডিয়ামে রূপান্তর করা হচ্ছে। চলছে নির্মাণ কাজ। প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামো নির্মাণে খরচ হবে ২৫ কোটি রুপি। এই স্টেডিয়ামকে ঘিরেই এখন নতুন স্বপ্নের জাল বুনছে তরুণ প্রজন্ম।

স্থানীয় ফুটবলার ও কোচ নাসির খান জানালেন, ‘এই স্টেডিয়াম আমাদের অনেক উপকারে আসবে। আমি একজন ফুটবলার এবং একটি একাডেমির কোচ। কর্তৃপক্ষকে আমি অনুরোধ করব বাকি কাজ দ্রুত শেষ করে সব সুযোগ-সুবিধা যেন নিশ্চিত করা হয়।’

সাবেক ফুটবলার তারিক আহমেদ শোনালেন মাঠের ইতিহাস, ‘একসময় এই জায়গাটা জলমগ্ন ছিল। ক্রীড়া কাউন্সিল সেখানে খেলার উপযোগী মাঠ তৈরি করে। এটা এখন এই অঞ্চলের অন্যতম সেরা মাঠ। স্টেডিয়ামের সব অবকাঠামো তৈরি হয়ে গেলে স্থানীয় তরুণ প্রজন্ম তাদের ক্রীড়া দক্ষতা শানিত করে ফুটবলকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে পারবে।’