নেইমারদের শেষ তিন মিনিটের ঝড়
jugantor
নেইমারদের শেষ তিন মিনিটের ঝড়

  স্পোর্টস ডেস্ক  

১৪ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সময় ফুরিয়ে আসছিল, ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা জেঁকে বসেছিল পিএসজি শিবিরে।

রোমাঞ্চকর ফুটবলে তাক লাগিয়ে দেয়া আতালান্তার ইতিহাস গড়ার মঞ্চ ছিল প্রস্তুত।

কিন্তু নাটকীয়তার সব রং যেন তোলা ছিল শেষ অঙ্কের জন্য। শেষ ৩ মিনিটের ঝড়ে উল্টে গেল পাশার দান। ছিটকে যাওয়ার দুয়ারে দাঁড়িয়ে অবিশ্বাস্য এক জয়ে আতালান্তার হৃদয় ভেঙে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল পিএসজি। পর্তুগালের লিসবনে বুধবার রাতে এক লেগের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ গোলে জিতেছে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। আক্ষরিক অর্থেই শেষ ৩ মিনিটের জাদুতে নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ চারে উঠল পিএসজি। দুর্দান্ত ফুটবল খেলে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছিল আতালান্তা। ৮৯ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা ইতালিয়ান ক্লাবের জয় সময়ের ব্যাপার বলে মনে হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত পিএসজির অভাবনীয় প্রত্যাঘাতে আতালান্তার স্বপ্ন ভেঙে খান খান। ৯০ মিনিটে নেইমারের একটি আক্রমণ থেকে পিএসজিকে সমতায় ফেরান মার্কুইনহোস। আর যোগ করা সময়ের

তৃতীয় মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের পাস থেকে আতালান্তার বুকে ছুরি চালান ক্যামেরুনের ফরোয়ার্ড এরিক ম্যাক্সিম চুপো-মোটিং। এই গোলেও ভূমিকা আছে ম্যাচসেরা নেইমারের। তিনিই বল বাড়িয়েছিলেন এমবাপ্পেকে।

চোটের দরুন যার খেলা নিয়ে ছিল চরম অনিশ্চয়তা, বদলি হিসেবে নেমে সেই এমবাপ্পেই জাগিয়ে তোলেন পিএসজিকে। দলের আরেক মহাতারকা নেইমার প্রথমার্ধে গোটাতিনেক সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও দলের প্রায় প্রতিটি আক্রমণের উৎস হয়ে ভক্তদের হৃদয় জিতে নিয়েছেন। এদিকে ১৪৯ সেকেন্ডে দুই গোল হজম করে স্বপ্ন ভাঙলেও ভয়ডরহীন ফুটবলে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে আতালান্তা। ২৭ মিনিটে তাদের এগিয়ে দিয়েছিলেন মারিও পাসালিচ। ৭৮ মিনিটে আরেকটি ধাক্কা খায় পিএসজি। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন গোলকিপার কেইলর নাভাস। এরপর জয়ের আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন পিএসজি কোচ টমাস টুখেল, ‘দেখুন, আমি বাস্তববাদী। কখনোই ভাবিনি ম্যাচের ৮৯ মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পর দুই গোল করে আমরা জিতে যাব।’ গুরু চোখের সামনে বিদায় দেখলেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইতিবাচক ছিলেন নেইমার, ‘শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এক মুহূর্তের জন্যও বাদ পড়ার কথা ভাবিনি। ফাইনাল ওঠার ইচ্ছা আমার মন থেকে কেউ সরাতে পারেনি। বিশ্বাস ছিল, তাই দেরিতে হলেও ফল পেয়েছি।’

নেইমারদের শেষ তিন মিনিটের ঝড়

 স্পোর্টস ডেস্ক 
১৪ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সময় ফুরিয়ে আসছিল, ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা জেঁকে বসেছিল পিএসজি শিবিরে।

রোমাঞ্চকর ফুটবলে তাক লাগিয়ে দেয়া আতালান্তার ইতিহাস গড়ার মঞ্চ ছিল প্রস্তুত।

কিন্তু নাটকীয়তার সব রং যেন তোলা ছিল শেষ অঙ্কের জন্য। শেষ ৩ মিনিটের ঝড়ে উল্টে গেল পাশার দান। ছিটকে যাওয়ার দুয়ারে দাঁড়িয়ে অবিশ্বাস্য এক জয়ে আতালান্তার হৃদয় ভেঙে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল পিএসজি। পর্তুগালের লিসবনে বুধবার রাতে এক লেগের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ গোলে জিতেছে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। আক্ষরিক অর্থেই শেষ ৩ মিনিটের জাদুতে নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ চারে উঠল পিএসজি। দুর্দান্ত ফুটবল খেলে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছিল আতালান্তা। ৮৯ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা ইতালিয়ান ক্লাবের জয় সময়ের ব্যাপার বলে মনে হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত পিএসজির অভাবনীয় প্রত্যাঘাতে আতালান্তার স্বপ্ন ভেঙে খান খান। ৯০ মিনিটে নেইমারের একটি আক্রমণ থেকে পিএসজিকে সমতায় ফেরান মার্কুইনহোস। আর যোগ করা সময়ের

তৃতীয় মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের পাস থেকে আতালান্তার বুকে ছুরি চালান ক্যামেরুনের ফরোয়ার্ড এরিক ম্যাক্সিম চুপো-মোটিং। এই গোলেও ভূমিকা আছে ম্যাচসেরা নেইমারের। তিনিই বল বাড়িয়েছিলেন এমবাপ্পেকে।

চোটের দরুন যার খেলা নিয়ে ছিল চরম অনিশ্চয়তা, বদলি হিসেবে নেমে সেই এমবাপ্পেই জাগিয়ে তোলেন পিএসজিকে। দলের আরেক মহাতারকা নেইমার প্রথমার্ধে গোটাতিনেক সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও দলের প্রায় প্রতিটি আক্রমণের উৎস হয়ে ভক্তদের হৃদয় জিতে নিয়েছেন। এদিকে ১৪৯ সেকেন্ডে দুই গোল হজম করে স্বপ্ন ভাঙলেও ভয়ডরহীন ফুটবলে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে আতালান্তা। ২৭ মিনিটে তাদের এগিয়ে দিয়েছিলেন মারিও পাসালিচ। ৭৮ মিনিটে আরেকটি ধাক্কা খায় পিএসজি। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন গোলকিপার কেইলর নাভাস। এরপর জয়ের আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন পিএসজি কোচ টমাস টুখেল, ‘দেখুন, আমি বাস্তববাদী। কখনোই ভাবিনি ম্যাচের ৮৯ মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পর দুই গোল করে আমরা জিতে যাব।’ গুরু চোখের সামনে বিদায় দেখলেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইতিবাচক ছিলেন নেইমার, ‘শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এক মুহূর্তের জন্যও বাদ পড়ার কথা ভাবিনি। ফাইনাল ওঠার ইচ্ছা আমার মন থেকে কেউ সরাতে পারেনি। বিশ্বাস ছিল, তাই দেরিতে হলেও ফল পেয়েছি।’