এগিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে ইয়াসির
jugantor
এগিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে ইয়াসির

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার মধ্যে ঠিকমতো অনুশীলন করতে পারেননি ইয়াসির আলী। এরপর যখন দলীয় অনুশীলনে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অন্যদের সঙ্গে যোগ দিলেন তখন ফিটনেসের ঘাটতি ছিল।

তবে করোনার সময়টাতে চট্টগ্রামে অনুশীলনে ভালো মানের পেসারের অভাববোধ করেছেন এই ব্যাটসম্যান। মিরপুরে দলীয় অনুশীলনে সব ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করছেন তিনি।

গত মার্চে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে প্রথমবারের মতো ইয়াসির জায়গা পেয়েছিলেন বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াডে। সীমিত ওভারের স্কোয়াডে অবশ্য জায়গা পেয়েছেন আরও আগেই। স্কোয়াড থেকে একাদশে ঢোকার পথটুকু পাড়ি দিতে পারেনি কোনোবারই। কাল অনুশীলনের পর এই ব্যাটসম্যান বলেন, ‘চট্টগ্রামে অনুশীলন করেছি। একজন মেন্টরের অভাব ছিল।

এখানে আসার পর ভালো লেগেছে কোচের সঙ্গে কথা বলে। আমার কোন দিক নিয়ে কাজ করতে হবে, তা নিয়ে কথা বলেছি। ওসব নিয়ে অল্প কিছু কাজও করেছি। চট্টগ্রামে পেস বোলার একদমই ছিল না। এখানে অনেক দিন পর অনেক ভালো পেস বোল খেলেছি। একটু অন্যরকম লাগছিল। কিন্তু সব মিলিয়ে সবকিছু খুব ভালো হচ্ছে।’

এদিকে টেস্ট দলে ডাক পাওয়ার আগে বিসিএলের এক ম্যাচে ইয়াসির করেছিলেন জোড়া সেঞ্চুরি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার গড় ৫১.৩৩। বড় দৈর্ঘ্যরে ক্রিকেটের জন্য তার ব্যাটিং উপযোগী মনে করা হচ্ছে অনেক দিন থেকেই। ২৪ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান বলেন, ‘একটা নতুন অভিজ্ঞতা। তবে অভিজ্ঞতাটা খারাপ নয়। বাইরে গেলে কি হবে জানি না, তবে এটা বলতে পারি এই নিরপত্তার মধ্যে থাকলে আমার করোনা হবে না।’

এগিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে ইয়াসির

 স্পোর্টস রিপোর্টার 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার মধ্যে ঠিকমতো অনুশীলন করতে পারেননি ইয়াসির আলী। এরপর যখন দলীয় অনুশীলনে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অন্যদের সঙ্গে যোগ দিলেন তখন ফিটনেসের ঘাটতি ছিল।

তবে করোনার সময়টাতে চট্টগ্রামে অনুশীলনে ভালো মানের পেসারের অভাববোধ করেছেন এই ব্যাটসম্যান। মিরপুরে দলীয় অনুশীলনে সব ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করছেন তিনি।

গত মার্চে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে প্রথমবারের মতো ইয়াসির জায়গা পেয়েছিলেন বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াডে। সীমিত ওভারের স্কোয়াডে অবশ্য জায়গা পেয়েছেন আরও আগেই। স্কোয়াড থেকে একাদশে ঢোকার পথটুকু পাড়ি দিতে পারেনি কোনোবারই। কাল অনুশীলনের পর এই ব্যাটসম্যান বলেন, ‘চট্টগ্রামে অনুশীলন করেছি। একজন মেন্টরের অভাব ছিল।

এখানে আসার পর ভালো লেগেছে কোচের সঙ্গে কথা বলে। আমার কোন দিক নিয়ে কাজ করতে হবে, তা নিয়ে কথা বলেছি। ওসব নিয়ে অল্প কিছু কাজও করেছি। চট্টগ্রামে পেস বোলার একদমই ছিল না। এখানে অনেক দিন পর অনেক ভালো পেস বোল খেলেছি। একটু অন্যরকম লাগছিল। কিন্তু সব মিলিয়ে সবকিছু খুব ভালো হচ্ছে।’

এদিকে টেস্ট দলে ডাক পাওয়ার আগে বিসিএলের এক ম্যাচে ইয়াসির করেছিলেন জোড়া সেঞ্চুরি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার গড় ৫১.৩৩। বড় দৈর্ঘ্যরে ক্রিকেটের জন্য তার ব্যাটিং উপযোগী মনে করা হচ্ছে অনেক দিন থেকেই। ২৪ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান বলেন, ‘একটা নতুন অভিজ্ঞতা। তবে অভিজ্ঞতাটা খারাপ নয়। বাইরে গেলে কি হবে জানি না, তবে এটা বলতে পারি এই নিরপত্তার মধ্যে থাকলে আমার করোনা হবে না।’