করোনা পরীক্ষা ছাড়াই জুনিয়র অ্যাথলেটিক্স
jugantor
করোনা পরীক্ষা ছাড়াই জুনিয়র অ্যাথলেটিক্স

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

২৬ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের ছেঁড়া ট্র্যাকে শুক্র ও শনিবার অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ৩৬তম আসর। এই আয়োজন হওয়ার কথা ছিল বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে। হঠাৎ ভেন্যু পরিবর্তন এবং অনুপযোগী ট্র্যাকে প্রতিযোগিতা আয়োজন নিয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রকিব মন্টু বলেন, ‘আবাসন, ফ্লাডলাইটসহ আরও অনেক বিষয় বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত আমাদের আর্মি স্টেডিয়াম থেকে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আসতে হয়েছে। ফ্লাডলাইট ব্যবহারের জন্য ২০ লাখ টাকা গুনতে হবে। তাছাড়া অ্যাথলেটদের আবাসন ভেন্যুর কাছাকাছি থাকতে হবে। যে কারণে আমরা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামকে ভেন্যু করেছি।’

প্রতিযোগিতায় সারা দেশের ৫০০ ছেলে-মেয়ে অংশ নেবে। সঙ্গে থাকবেন ১০০ কর্মকর্তা। দুই দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা হবে চারটি গ্রুপে ৪১ ইভেন্টে। কোভিড-১৯ পরীক্ষা ছাড়াই ৫০০ ছেলে-মেয়ে নিয়ে হতে যাচ্ছে জাতীয় জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ। ছেঁড়া ট্র্যাকে চলছে জোড়াতালি দেয়ার কাজ। তারপরও ঝুঁকিটা থাকছেই জুনিয়র অ্যাথলেটদের। চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘একটি করোনা পরীক্ষার খরচ তিন হাজার টাকা। যে কারণে দলগুলোকে আমরা চাপ দিইনি। তাহলে হয়তো অনেক দল আসবে না। অ্যাথলেটদের করোনা পরীক্ষা না হলেও সরকার ও ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স কর্তৃক প্রেরিত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানা হবে। অ্যাথলেট, কোচ, ম্যানেজার ও কর্মকর্তাসহ সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। কারও মাস্ক না থাকলে আমরা সরবরাহ করব। হাত ধুতে হবে, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। আমরা দর্শকদেরও আমন্ত্রণ জানাচ্ছি না। এবার স্টেডিয়ামের বাইরে মাইকও থাকবে না।’

করোনা পরীক্ষা ছাড়াই জুনিয়র অ্যাথলেটিক্স

 স্পোর্টস রিপোর্টার 
২৬ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের ছেঁড়া ট্র্যাকে শুক্র ও শনিবার অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ৩৬তম আসর। এই আয়োজন হওয়ার কথা ছিল বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে। হঠাৎ ভেন্যু পরিবর্তন এবং অনুপযোগী ট্র্যাকে প্রতিযোগিতা আয়োজন নিয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রকিব মন্টু বলেন, ‘আবাসন, ফ্লাডলাইটসহ আরও অনেক বিষয় বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত আমাদের আর্মি স্টেডিয়াম থেকে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আসতে হয়েছে। ফ্লাডলাইট ব্যবহারের জন্য ২০ লাখ টাকা গুনতে হবে। তাছাড়া অ্যাথলেটদের আবাসন ভেন্যুর কাছাকাছি থাকতে হবে। যে কারণে আমরা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামকে ভেন্যু করেছি।’

প্রতিযোগিতায় সারা দেশের ৫০০ ছেলে-মেয়ে অংশ নেবে। সঙ্গে থাকবেন ১০০ কর্মকর্তা। দুই দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা হবে চারটি গ্রুপে ৪১ ইভেন্টে। কোভিড-১৯ পরীক্ষা ছাড়াই ৫০০ ছেলে-মেয়ে নিয়ে হতে যাচ্ছে জাতীয় জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ। ছেঁড়া ট্র্যাকে চলছে জোড়াতালি দেয়ার কাজ। তারপরও ঝুঁকিটা থাকছেই জুনিয়র অ্যাথলেটদের। চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘একটি করোনা পরীক্ষার খরচ তিন হাজার টাকা। যে কারণে দলগুলোকে আমরা চাপ দিইনি। তাহলে হয়তো অনেক দল আসবে না। অ্যাথলেটদের করোনা পরীক্ষা না হলেও সরকার ও ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স কর্তৃক প্রেরিত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানা হবে। অ্যাথলেট, কোচ, ম্যানেজার ও কর্মকর্তাসহ সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। কারও মাস্ক না থাকলে আমরা সরবরাহ করব। হাত ধুতে হবে, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। আমরা দর্শকদেরও আমন্ত্রণ জানাচ্ছি না। এবার স্টেডিয়ামের বাইরে মাইকও থাকবে না।’