মোস্তাফিজ ঝলকে চট্টগ্রামের জয়
jugantor
মোস্তাফিজ ঝলকে চট্টগ্রামের জয়

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

২৯ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জেমকন খুলনার ভাগ্য ফেরাতে সবাইকে চমকে দিয়ে ওপেনিংয়ে নামেন সাকিব আল হাসান। তাতে অবশ্য কাগজে-কলমে দুর্দান্ত খুলনার দুরবস্থা কাটেনি। বরং গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের পেস আক্রমণের নেতা মোস্তাফিজুর রহমানের বিধ্বংসী বোলিংয়ে আরও বাজেভাবে নাস্তানাবুদ হলেন সাকিব-মাহমুদউল্লাহরা। ফর্মের দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে মোস্তাফিজ এদিন মাত্র পাঁচ রানে চার উইকেট তুলে নিয়ে খুলনাকে ৮৬ রানে গুটিয়ে দেন। শনিবার বঙ্গবন্ধু টি ২০ কাপে ৮৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩৮ বল হাতে রেখেই নয় উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নেয় দুর্বার চট্টগ্রাম। আগের ম্যাচেও বেক্সিমকো ঢাকাকে একশ’র (৮৮) নিচে অলআউট করে নয় উইকেটে জিতেছিল তারা। শুরুতে মোহাম্মদ মিঠুনের নেতৃত্বের সক্ষমতা নিয়ে অনেকের প্রশ্ন ছিল। প্রথম দুই ম্যাচেই তার অধিনায়কত্ব হল চোখে পড়ার মতো। বোলিং ও ফিল্ডিং পরিবর্তন ছিল নজরকাড়া। খুলনার দুর্দশা শুরু রানআউট দিয়ে। রান নেয়ার চেষ্টায় এনামুল হক ও সাকিব চলে যান এক প্রান্তে। মিঠুনের সরাসরি থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন এনামুল। তিন রান করে টি ২০ ক্যারিয়ারে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন সাকিব। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডুয়ানে ব্রাভোর পর দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে সাড়ে তিনশ’ উইকেট ও পাঁচ হাজার রানের অনন্য ডাবলও অর্জন করেছেন সাকিব। এমন দিনেও সাকিব ওই তিন রানেই থমকে যান। খুলনার বাকি ব্যাটসম্যানরাও ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন। প্রেসিডেন্টস কাপ থেকেই ফর্মে আছেন মোস্তাফিজ। কাল তার বোলিং ফিগার ছিল অসাধারণ, ৩.৫-০-৫-৪। টি ২০ সংস্করণে সবচেয়ে কম রানে চার উইকেট পেলেন মোস্তাফিজ। জবাবে লিটন ও সৌম্যর ছন্দময় ব্যাটিংয়ে মোটেও বেগ পেতে হয়নি চট্টগ্রামকে। সৌম্য ২৬ রানে আউট হলেও হাফ সেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়ে ফেরেন লিটন (৫৩*)।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

জেমকন খুলনা ৮৬/১০, ১৭.৫ ওভারে (ইমরুল ২১, জহুরুল ১৪, আরিফুল ১৫। মোস্তাফিজ ৪/৫, তাইজুল ২/৩০)। গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম ৮৭/১, ১৩.৪ ওভারে (লিটন ৫৩*, সৌম্য ২৬। মাহমুদউল্লাহ ১/১৬)।

ফল : চট্টগ্রাম ৯ উইকেটে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ : মোস্তাফিজুর রহমান (চট্টগ্রাম)।

মোস্তাফিজ ঝলকে চট্টগ্রামের জয়

 স্পোর্টস রিপোর্টার 
২৯ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জেমকন খুলনার ভাগ্য ফেরাতে সবাইকে চমকে দিয়ে ওপেনিংয়ে নামেন সাকিব আল হাসান। তাতে অবশ্য কাগজে-কলমে দুর্দান্ত খুলনার দুরবস্থা কাটেনি। বরং গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের পেস আক্রমণের নেতা মোস্তাফিজুর রহমানের বিধ্বংসী বোলিংয়ে আরও বাজেভাবে নাস্তানাবুদ হলেন সাকিব-মাহমুদউল্লাহরা। ফর্মের দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে মোস্তাফিজ এদিন মাত্র পাঁচ রানে চার উইকেট তুলে নিয়ে খুলনাকে ৮৬ রানে গুটিয়ে দেন। শনিবার বঙ্গবন্ধু টি ২০ কাপে ৮৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩৮ বল হাতে রেখেই নয় উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নেয় দুর্বার চট্টগ্রাম। আগের ম্যাচেও বেক্সিমকো ঢাকাকে একশ’র (৮৮) নিচে অলআউট করে নয় উইকেটে জিতেছিল তারা। শুরুতে মোহাম্মদ মিঠুনের নেতৃত্বের সক্ষমতা নিয়ে অনেকের প্রশ্ন ছিল। প্রথম দুই ম্যাচেই তার অধিনায়কত্ব হল চোখে পড়ার মতো। বোলিং ও ফিল্ডিং পরিবর্তন ছিল নজরকাড়া। খুলনার দুর্দশা শুরু রানআউট দিয়ে। রান নেয়ার চেষ্টায় এনামুল হক ও সাকিব চলে যান এক প্রান্তে। মিঠুনের সরাসরি থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন এনামুল। তিন রান করে টি ২০ ক্যারিয়ারে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন সাকিব। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডুয়ানে ব্রাভোর পর দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে সাড়ে তিনশ’ উইকেট ও পাঁচ হাজার রানের অনন্য ডাবলও অর্জন করেছেন সাকিব। এমন দিনেও সাকিব ওই তিন রানেই থমকে যান। খুলনার বাকি ব্যাটসম্যানরাও ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন। প্রেসিডেন্টস কাপ থেকেই ফর্মে আছেন মোস্তাফিজ। কাল তার বোলিং ফিগার ছিল অসাধারণ, ৩.৫-০-৫-৪। টি ২০ সংস্করণে সবচেয়ে কম রানে চার উইকেট পেলেন মোস্তাফিজ। জবাবে লিটন ও সৌম্যর ছন্দময় ব্যাটিংয়ে মোটেও বেগ পেতে হয়নি চট্টগ্রামকে। সৌম্য ২৬ রানে আউট হলেও হাফ সেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়ে ফেরেন লিটন (৫৩*)।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

জেমকন খুলনা ৮৬/১০, ১৭.৫ ওভারে (ইমরুল ২১, জহুরুল ১৪, আরিফুল ১৫। মোস্তাফিজ ৪/৫, তাইজুল ২/৩০)। গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম ৮৭/১, ১৩.৪ ওভারে (লিটন ৫৩*, সৌম্য ২৬। মাহমুদউল্লাহ ১/১৬)।

ফল : চট্টগ্রাম ৯ উইকেটে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ : মোস্তাফিজুর রহমান (চট্টগ্রাম)।