বাংলাদেশের ম্যাচ চায় ওমান ও কাতার
jugantor
বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাই
বাংলাদেশের ম্যাচ চায় ওমান ও কাতার

  ক্রীড়া প্রতিবেদক  

১৪ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনায় পিছিয়ে যাওয়া বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ই-গ্রুপের বাকি তিন ম্যাচ হওয়ার কথা বাংলাদেশে। সেই তিনটি ম্যাচ নিজেদের দেশে খেলতে চাইছে ওমান ও কাতার।

এদিকে হোম ভেন্যুর সুবিধা হারাতে নারাজ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বুধবার জাতীয় দল কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফের সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‘তিনটিই আমাদের হোম ম্যাচ। আমরা নিজেদের মাঠেই সব ম্যাচ খেলতে চাই। ইতোমধ্যে ওমান ও কাতারকে সেটা জানিয়েও দিয়েছি।’

করোনা সংক্রমণ রোধে গত বছর পিছিয়ে যায় বিশ্বকাপের সব ম্যাচ, যা এ বছরের মার্চের শেষ সপ্তাহে এবং জুনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নতুন সূচিতে ২৫ মার্চ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ও জুনে ভারত এবং ওমানের বিপক্ষে হোম ম্যাচ খেলার কথা বাংলাদেশের। কিন্তু সম্প্রতি ওমান এবং কাতার বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের বাকি ম্যাচগুলোর জন্য নিজেরা স্বাগতিক হতে চেয়েছে।

কাজী নাবিলের কথা, ‘ওমান ও কাতার বিশ্বকাপ বাছাইয়ের বাকি ম্যাচগুলোর জন্য স্বাগতিক হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। মার্চের শেষ সপ্তাহে (২৪, ২৭ ও ৩০ মার্চ) সাত দিনের মধ্যে বাকি ম্যাচ তারা আয়োজন করতে চায়।’

করোনা পরিস্থিতি সারা বিশ্বে খারাপের দিকে যাচ্ছে। ভারতে সংক্রমণ বাড়ছে। আফগানিস্তানে খেলার পরিস্থিতি নেই। তুলনামূলক কাতার ও ওমানে করোনা সংক্রমণ কম। ভারত ও আফগানিস্তান যদি ওমান-কাতারে ম্যাচ খেলতে রাজি হয়, সেক্ষেত্রে শুধু বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ওমান ও কাতারকে।

এই প্রসঙ্গে কাজী নাবিল বলেন, ‘ভারত ও আফগানিস্তান কী সিদ্ধান্ত দেবে সেটা তাদের ব্যাপার। আমরা এখনো হোম ম্যাচের পক্ষেই রয়েছি।’ হোম ভেন্যুর সুবিধা হারাতে নারাজ জাতীয় দলের ব্রিটিশ কোচ জেমি ডে। তার কথা, ‘এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা নিজেদের মাঠে খেলার সুবিধা ছাড়তে পারি না। যদি ওই তিনটি ম্যাচ বাইরে গিয়ে খেলতে হয়, তাহলে ছয় ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিই অ্যাওয়ে ম্যাচ হবে আমাদের। এটা হয় না।’

জাতীয় দল কমিটির সভায় ম্যানেজার নিয়োগ, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ, কোচিং স্টাফসহ সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্তে আসা যায়নি বলে জানান কাজী নাবিল, ‘কাতার ও ওমানের প্রস্তাবের কারণে অন্য বিষয়গুলোতে আমরা সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারিনি। কারণ বিশ্বকাপের ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য। এর সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।’

একটি সূত্রে জানা গেছে, ভারত ও আফগানিস্তান যদি কাতার বা ওমানে গিয়ে খেলতে রাজি হয় এবং সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে এএফসি ও ফিফা এটি অনুমোদন দেয়, তাহলে বাংলাদেশের অনিচ্ছা সত্ত্বেও কাতার বা ওমানে গিয়ে খেলতে হতে পারে।

বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাই

বাংলাদেশের ম্যাচ চায় ওমান ও কাতার

 ক্রীড়া প্রতিবেদক 
১৪ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনায় পিছিয়ে যাওয়া বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ই-গ্রুপের বাকি তিন ম্যাচ হওয়ার কথা বাংলাদেশে। সেই তিনটি ম্যাচ নিজেদের দেশে খেলতে চাইছে ওমান ও কাতার।

এদিকে হোম ভেন্যুর সুবিধা হারাতে নারাজ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বুধবার জাতীয় দল কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফের সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‘তিনটিই আমাদের হোম ম্যাচ। আমরা নিজেদের মাঠেই সব ম্যাচ খেলতে চাই। ইতোমধ্যে ওমান ও কাতারকে সেটা জানিয়েও দিয়েছি।’

করোনা সংক্রমণ রোধে গত বছর পিছিয়ে যায় বিশ্বকাপের সব ম্যাচ, যা এ বছরের মার্চের শেষ সপ্তাহে এবং জুনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নতুন সূচিতে ২৫ মার্চ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ও জুনে ভারত এবং ওমানের বিপক্ষে হোম ম্যাচ খেলার কথা বাংলাদেশের। কিন্তু সম্প্রতি ওমান এবং কাতার বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের বাকি ম্যাচগুলোর জন্য নিজেরা স্বাগতিক হতে চেয়েছে।

কাজী নাবিলের কথা, ‘ওমান ও কাতার বিশ্বকাপ বাছাইয়ের বাকি ম্যাচগুলোর জন্য স্বাগতিক হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। মার্চের শেষ সপ্তাহে (২৪, ২৭ ও ৩০ মার্চ) সাত দিনের মধ্যে বাকি ম্যাচ তারা আয়োজন করতে চায়।’

করোনা পরিস্থিতি সারা বিশ্বে খারাপের দিকে যাচ্ছে। ভারতে সংক্রমণ বাড়ছে। আফগানিস্তানে খেলার পরিস্থিতি নেই। তুলনামূলক কাতার ও ওমানে করোনা সংক্রমণ কম। ভারত ও আফগানিস্তান যদি ওমান-কাতারে ম্যাচ খেলতে রাজি হয়, সেক্ষেত্রে শুধু বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ওমান ও কাতারকে।

এই প্রসঙ্গে কাজী নাবিল বলেন, ‘ভারত ও আফগানিস্তান কী সিদ্ধান্ত দেবে সেটা তাদের ব্যাপার। আমরা এখনো হোম ম্যাচের পক্ষেই রয়েছি।’ হোম ভেন্যুর সুবিধা হারাতে নারাজ জাতীয় দলের ব্রিটিশ কোচ জেমি ডে। তার কথা, ‘এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা নিজেদের মাঠে খেলার সুবিধা ছাড়তে পারি না। যদি ওই তিনটি ম্যাচ বাইরে গিয়ে খেলতে হয়, তাহলে ছয় ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিই অ্যাওয়ে ম্যাচ হবে আমাদের। এটা হয় না।’

জাতীয় দল কমিটির সভায় ম্যানেজার নিয়োগ, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ, কোচিং স্টাফসহ সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্তে আসা যায়নি বলে জানান কাজী নাবিল, ‘কাতার ও ওমানের প্রস্তাবের কারণে অন্য বিষয়গুলোতে আমরা সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারিনি। কারণ বিশ্বকাপের ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য। এর সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।’

একটি সূত্রে জানা গেছে, ভারত ও আফগানিস্তান যদি কাতার বা ওমানে গিয়ে খেলতে রাজি হয় এবং সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে এএফসি ও ফিফা এটি অনুমোদন দেয়, তাহলে বাংলাদেশের অনিচ্ছা সত্ত্বেও কাতার বা ওমানে গিয়ে খেলতে হতে পারে।