নারী বডিবিল্ডিংয়ে চমক মাকসুদা
jugantor
নারী বডিবিল্ডিংয়ে চমক মাকসুদা

  ক্রীড়া প্রতিবেদক  

২১ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বডিবিল্ডার নাম শুনলেই চোখে ভাসে শরীরগঠনবিদদের দেহসৌষ্ঠব। শরীরের নানা কসরত দেখিয়ে দর্শকদের আনন্দ দেন পুরুষ বডিবিল্ডাররা। কিন্তু নারী বডিবিল্ডার? সম্প্রতি বাংলাদেশেও আনুষ্ঠানিকভাবে নারী শরীরগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে। অল্প দিনেই দেশের

নারী শরীরগঠনের প্রতীক হয়ে উঠেছেন চট্টগ্রামের মেয়ে ২৮ বছর বয়সি মাকসুদা মৌ। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসে নারী ইভেন্ট ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক জিতেছেন তিনি। মাকসুদা বডিবিল্ডারদের ট্রেইনারও।

কানাডায় পাবলিক হেলথে মাস্টার্স করা মাকসুদা শরীরগঠনে নিজেকে মনোনিবেশ করেন। যমুনা ফিউচার ফিটনেসের ট্রেইনার হিসাবে কাজ করছেন। এশিয়ার সববৃহৎ শপিংমল যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ফিউচার ফিটনেস জিমে ট্রেনিং করেন তারকা অভিনেতা, অভিনেত্রী, ক্রিকেটারসহ বিশিষ্টজনেরা। নারীর পাশাপাশি পুরুষদের ট্রেনিং করাতেও সংকোচ নেই মৌয়ের। তার কথায়, ‘আমি শরীরগঠনের ওপর সার্টিফিকেট নিয়েছি। আমার জ্ঞান অনুশীলনকারীদের কাছে বিতরণ করি। এখানে ছেলেমেয়ে কোনো বিষয় নয়।’

শরীরগঠনে তার আগ্রহ জন্মে ভারতে পড়াশোনার সময়ে। তিনি বলেন, ‘ভারতে পড়ার সময় মনে হয়, নিজেকে ফিট রাখা দরকার। তখন থেকেই অনুশীলন ও ডায়েট শুরু করি।’ পুষ্টিকর খাবার, ইন্সট্রাক্টরের সম্মানী মিলিয়ে মাসে অনেক টাকা গুনতে হয় মৌকে, ‘আমি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলব। এজন্য বাইরের ট্রেইনারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখি। তাকে মাসিক সম্মানী দিতে হয়। পুষ্টিকর খাবারের পেছনেও অনেক খরচ। ট্যাবু ভাঙতে হবে। ট্যাবু ভাঙতে পারলে এই সেক্টরে নারীরাও ভালো করতে পারবে।’ শরীরগঠন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও মিস্টার বাংলাদেশ নজরুল ইসলাম নারী শরীরগঠনের রোল মডেল হিসাবে দেখছেন মৌকে। তিনি বলেন, ‘তিনি প্রচলিত প্রথা ভেঙে নারীদের নতুন পথ দেখিয়েছেন। তাকে দেখে অনেকে এগিয়ে আসবে। আমরা ফেডারেশনের পক্ষ থেকে যতটুকু সাহায্য করার করব তাকে।’

নারী বডিবিল্ডিংয়ে চমক মাকসুদা

 ক্রীড়া প্রতিবেদক 
২১ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বডিবিল্ডার নাম শুনলেই চোখে ভাসে শরীরগঠনবিদদের দেহসৌষ্ঠব। শরীরের নানা কসরত দেখিয়ে দর্শকদের আনন্দ দেন পুরুষ বডিবিল্ডাররা। কিন্তু নারী বডিবিল্ডার? সম্প্রতি বাংলাদেশেও আনুষ্ঠানিকভাবে নারী শরীরগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে। অল্প দিনেই দেশের

নারী শরীরগঠনের প্রতীক হয়ে উঠেছেন চট্টগ্রামের মেয়ে ২৮ বছর বয়সি মাকসুদা মৌ। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসে নারী ইভেন্ট ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক জিতেছেন তিনি। মাকসুদা বডিবিল্ডারদের ট্রেইনারও।

কানাডায় পাবলিক হেলথে মাস্টার্স করা মাকসুদা শরীরগঠনে নিজেকে মনোনিবেশ করেন। যমুনা ফিউচার ফিটনেসের ট্রেইনার হিসাবে কাজ করছেন। এশিয়ার সববৃহৎ শপিংমল যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ফিউচার ফিটনেস জিমে ট্রেনিং করেন তারকা অভিনেতা, অভিনেত্রী, ক্রিকেটারসহ বিশিষ্টজনেরা। নারীর পাশাপাশি পুরুষদের ট্রেনিং করাতেও সংকোচ নেই মৌয়ের। তার কথায়, ‘আমি শরীরগঠনের ওপর সার্টিফিকেট নিয়েছি। আমার জ্ঞান অনুশীলনকারীদের কাছে বিতরণ করি। এখানে ছেলেমেয়ে কোনো বিষয় নয়।’

শরীরগঠনে তার আগ্রহ জন্মে ভারতে পড়াশোনার সময়ে। তিনি বলেন, ‘ভারতে পড়ার সময় মনে হয়, নিজেকে ফিট রাখা দরকার। তখন থেকেই অনুশীলন ও ডায়েট শুরু করি।’ পুষ্টিকর খাবার, ইন্সট্রাক্টরের সম্মানী মিলিয়ে মাসে অনেক টাকা গুনতে হয় মৌকে, ‘আমি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলব। এজন্য বাইরের ট্রেইনারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখি। তাকে মাসিক সম্মানী দিতে হয়। পুষ্টিকর খাবারের পেছনেও অনেক খরচ। ট্যাবু ভাঙতে হবে। ট্যাবু ভাঙতে পারলে এই সেক্টরে নারীরাও ভালো করতে পারবে।’ শরীরগঠন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও মিস্টার বাংলাদেশ নজরুল ইসলাম নারী শরীরগঠনের রোল মডেল হিসাবে দেখছেন মৌকে। তিনি বলেন, ‘তিনি প্রচলিত প্রথা ভেঙে নারীদের নতুন পথ দেখিয়েছেন। তাকে দেখে অনেকে এগিয়ে আসবে। আমরা ফেডারেশনের পক্ষ থেকে যতটুকু সাহায্য করার করব তাকে।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন