করোনার কোপে স্থগিত আইপিএল
jugantor
করোনার কোপে স্থগিত আইপিএল
করোনা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে টি ২০ বিশ্বকাপও সরে যেতে পারে ভারত থেকে

  ক্রীড়া ডেস্ক  

০৫ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পুরো দেশ করোনায় জর্জরিত হলেও জৈব সুরক্ষাবলয়ের মধ্যে রেখে আইপিএল চালিয়ে যাচ্ছেল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। কিন্তু সেই সুরক্ষাবলয় ভেদ করে আট ফ্র্যাঞ্চাইজির অন্তত চারটিতে করোনা হানা দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে গেল এবারের আইপিএল। আগেরদিন কলকাতা নাইটারাইডার্সের দুই ক্রিকেটার বরুন চক্রবর্তী ও সদ্বীপ ওয়ারিয়ার কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে তাদের সোমবারের ম্যাচ পিছিয়ে দিলেও টুর্নামেন্ট চালিয়ে যেতে চেয়েছিল বিসিসিআই। টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ মুম্বাইয়ে সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছিল তারা। কিন্তু মঙ্গলবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান সাহা ও দিল্লি ক্যাপিটালসের স্পিনার অমিত মিশ্র করোনা পজিটিভ হওয়ার পর আসর স্থগিত করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।

চেন্নাই সুপার কিংসের বোলিং কোচ লক্ষ্মীপতি বালাজি ও একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বাকি চার দলের অন্দরেও যে করোনা ঢুকে পড়েনি তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই আর ঝুঁকি না নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বিসিসিআই ও আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের জরুরি সভার পর সর্বসম্মতিক্রমে এবারের আসর স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আইপিএল সভাপতি ব্রিজেশ প্যাটেল জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে স্থগিত করা হয়েছে টুর্নামেন্ট। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্রিকেটারও আসর স্থগিতের জোর দাবি জানিয়েছিলেন।

আইপিএলে এবার বাংলাদেশ থেকে ছিলেন সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। দ্রুত তারা দেশে ফিরবেন। বিদেশি ক্রিকেটারদের নিজ নিজ দেশে ফেরার জন্য সম্ভাব্য সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বিসিসিআই। ভারতে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন তিন লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। মৃত্যুর মিছিলে প্রতিদিন যোগ হচ্ছে তিন হাজারের বেশি নাম। করোনা শঙ্কায় আইপিএল ছেড়ে আগেই দেশে ফিরে গেছে কয়েকজন বিদেশি ক্রিকেটার। এর মধ্যে আইপিএল চালিয়ে যাওয়া নিয়ে ভারতজুড়ে প্রবল সমালোচনা হচ্ছিল। সুরক্ষাবলয়ের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।

জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচির কারণে মাঝপথে স্থগিত হওয়া এবারের আসর ফের আয়োজন করা কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে বিসিসিআইয়ের জন্য। সেপ্টেম্বরের আগে ফাঁকা সূচি নেই। অক্টোবর-নভেম্বর ভারতে হওয়ার কথা টি ২০ বিশ্বকাপ। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে টি ২০ বিশ্বকাপও সরে যেতে পারে ভারত থেকে।

করোনার কোপে স্থগিত আইপিএল

করোনা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে টি ২০ বিশ্বকাপও সরে যেতে পারে ভারত থেকে
 ক্রীড়া ডেস্ক 
০৫ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পুরো দেশ করোনায় জর্জরিত হলেও জৈব সুরক্ষাবলয়ের মধ্যে রেখে আইপিএল চালিয়ে যাচ্ছেল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। কিন্তু সেই সুরক্ষাবলয় ভেদ করে আট ফ্র্যাঞ্চাইজির অন্তত চারটিতে করোনা হানা দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে গেল এবারের আইপিএল। আগেরদিন কলকাতা নাইটারাইডার্সের দুই ক্রিকেটার বরুন চক্রবর্তী ও সদ্বীপ ওয়ারিয়ার কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে তাদের সোমবারের ম্যাচ পিছিয়ে দিলেও টুর্নামেন্ট চালিয়ে যেতে চেয়েছিল বিসিসিআই। টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ মুম্বাইয়ে সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছিল তারা। কিন্তু মঙ্গলবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান সাহা ও দিল্লি ক্যাপিটালসের স্পিনার অমিত মিশ্র করোনা পজিটিভ হওয়ার পর আসর স্থগিত করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।

চেন্নাই সুপার কিংসের বোলিং কোচ লক্ষ্মীপতি বালাজি ও একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বাকি চার দলের অন্দরেও যে করোনা ঢুকে পড়েনি তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই আর ঝুঁকি না নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বিসিসিআই ও আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের জরুরি সভার পর সর্বসম্মতিক্রমে এবারের আসর স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আইপিএল সভাপতি ব্রিজেশ প্যাটেল জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে স্থগিত করা হয়েছে টুর্নামেন্ট। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্রিকেটারও আসর স্থগিতের জোর দাবি জানিয়েছিলেন।

আইপিএলে এবার বাংলাদেশ থেকে ছিলেন সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। দ্রুত তারা দেশে ফিরবেন। বিদেশি ক্রিকেটারদের নিজ নিজ দেশে ফেরার জন্য সম্ভাব্য সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বিসিসিআই। ভারতে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন তিন লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। মৃত্যুর মিছিলে প্রতিদিন যোগ হচ্ছে তিন হাজারের বেশি নাম। করোনা শঙ্কায় আইপিএল ছেড়ে আগেই দেশে ফিরে গেছে কয়েকজন বিদেশি ক্রিকেটার। এর মধ্যে আইপিএল চালিয়ে যাওয়া নিয়ে ভারতজুড়ে প্রবল সমালোচনা হচ্ছিল। সুরক্ষাবলয়ের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।

জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচির কারণে মাঝপথে স্থগিত হওয়া এবারের আসর ফের আয়োজন করা কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে বিসিসিআইয়ের জন্য। সেপ্টেম্বরের আগে ফাঁকা সূচি নেই। অক্টোবর-নভেম্বর ভারতে হওয়ার কথা টি ২০ বিশ্বকাপ। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে টি ২০ বিশ্বকাপও সরে যেতে পারে ভারত থেকে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন