ইউরোপসেরা হওয়ার লড়াই
jugantor
ইউরোপসেরা হওয়ার লড়াই

  ক্রীড়া ডেস্ক  

১১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা বদলে দিয়েছে পৃথিবী। রোজকার জীবনে এসেছে আমূল পরিবর্তন। খেলাধুলায়ও তাই। তা না হলে ইউরো ২০২০ পিছিয়ে ২০২১-এ হবে কেন? কোভিড-১৯ এর ধাক্কায় পিছিয়ে যাওয়া। তবুও লড়াই মাঠে গড়াচ্ছে। এই প্রথম মহাদেশীয় আসর বসছে ইউরোপের ১১ শহরে। আজ শুক্রবার রোমের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ১৬ হাজার দর্শকের সামনে ইতালি ও তুরস্ক ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে ইউরো ২০২০-এর। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে ম্যাচ। লন্ডনের ওয়েম্বলিতে আগামী ১১ জুলাই ফাইনাল।

ইউরোপের সেরা ২৪ দল ছয় গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়বে। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল এবং তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা চারটি দল শেষ ষেলোয় খেলার সুযোগ পাবে। খেলা হবে ১১ শহরের ১১টি ভেন্যুতে। ইউরোর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল। এবারও তাদের সব আশা ৩৬ বছর বয়সি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ঘিরে। জোয়াও ফেলিক্স, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বার্নার্দো সিলভা ও রুবেন দিয়াসের মতো প্রতিভাও পর্তুগালের পুঁজি।

বর্তমান বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের আক্রমণভাগ ঈর্ষণীয়। তৃতীয়বার ইউরোপসেরা হওয়ার দৌড়ে তাদেরকে এগিয়ে রাখছেন অনেক ফুটবলবোদ্ধা।

সবার দৃষ্টি থাকবে ৩৩ বছর বয়সি রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড করিম বেনজেমার ওপর। প্রায় ছয় বছর পর ফ্রান্স জাতীয় দলে ফেরা বেনজেমা নিশ্চয় চাইবেন তার প্রতি আস্থার প্রতিদান দিতে।

ফিফা বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ দল বেলজিয়াম এবং তারুণ্যে টইটুম্বুর ইংল্যান্ডও চেষ্টা করবে ছড়ি ঘোরাতে। ইতালি ও নেদারল্যান্ডসও চাইবে ‘নীল’ ও ‘কমলা’ ঝড় তুলতে।

করোনা মহামারি সারা পৃথিবী লন্ডভন্ড করার পর ইউরো ২০২০ প্রথম কোনো বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট, যা মাঠে গড়াচ্ছে। সুতরাং, অদৃশ্য ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ভীতি তো রয়েছেই। এই হুমকি সত্ত্বেও উয়েফা প্রধান আলেকজান্দার সেফেরিন ফুটবলানুরাগীদের এই বলে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন যে, ইউরো ২০২০ সুরক্ষিত থাকবে। কারও জন্য তা অনিরাপদের কারণ হবে না। ‘বিশ্বকে দেখানোর এটাই সঠিক সময় যে, ইউরোপ বদলে যাওয়া পৃথিবীর সঙ্গে মানিয়ে নিতে শিখেছে। ইউরোপ বেঁচে আছে এবং বেঁচে থাকাটা উপভোগ করছে।’ ইউরোপ ঘুরে দাঁড়িয়েছে, ‘তার আশাবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে এই গ্রহের তাবৎ ফুটবলপ্রেমী বুঁদ হতেই পারেন ৯০ মিনিটের ম্যাজিকে।

ইউরোতে আজ

ইতালি ও তুরস্ক

সরাসরি, সনি টেন-২ ও

সনি সিক্স, রাত ১টা

ইউরোপসেরা হওয়ার লড়াই

 ক্রীড়া ডেস্ক 
১১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা বদলে দিয়েছে পৃথিবী। রোজকার জীবনে এসেছে আমূল পরিবর্তন। খেলাধুলায়ও তাই। তা না হলে ইউরো ২০২০ পিছিয়ে ২০২১-এ হবে কেন? কোভিড-১৯ এর ধাক্কায় পিছিয়ে যাওয়া। তবুও লড়াই মাঠে গড়াচ্ছে। এই প্রথম মহাদেশীয় আসর বসছে ইউরোপের ১১ শহরে। আজ শুক্রবার রোমের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ১৬ হাজার দর্শকের সামনে ইতালি ও তুরস্ক ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে ইউরো ২০২০-এর। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে ম্যাচ। লন্ডনের ওয়েম্বলিতে আগামী ১১ জুলাই ফাইনাল।

ইউরোপের সেরা ২৪ দল ছয় গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়বে। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল এবং তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা চারটি দল শেষ ষেলোয় খেলার সুযোগ পাবে। খেলা হবে ১১ শহরের ১১টি ভেন্যুতে। ইউরোর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল। এবারও তাদের সব আশা ৩৬ বছর বয়সি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ঘিরে। জোয়াও ফেলিক্স, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বার্নার্দো সিলভা ও রুবেন দিয়াসের মতো প্রতিভাও পর্তুগালের পুঁজি।

বর্তমান বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের আক্রমণভাগ ঈর্ষণীয়। তৃতীয়বার ইউরোপসেরা হওয়ার দৌড়ে তাদেরকে এগিয়ে রাখছেন অনেক ফুটবলবোদ্ধা।

সবার দৃষ্টি থাকবে ৩৩ বছর বয়সি রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড করিম বেনজেমার ওপর। প্রায় ছয় বছর পর ফ্রান্স জাতীয় দলে ফেরা বেনজেমা নিশ্চয় চাইবেন তার প্রতি আস্থার প্রতিদান দিতে।

ফিফা বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ দল বেলজিয়াম এবং তারুণ্যে টইটুম্বুর ইংল্যান্ডও চেষ্টা করবে ছড়ি ঘোরাতে। ইতালি ও নেদারল্যান্ডসও চাইবে ‘নীল’ ও ‘কমলা’ ঝড় তুলতে।

করোনা মহামারি সারা পৃথিবী লন্ডভন্ড করার পর ইউরো ২০২০ প্রথম কোনো বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট, যা মাঠে গড়াচ্ছে। সুতরাং, অদৃশ্য ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ভীতি তো রয়েছেই। এই হুমকি সত্ত্বেও উয়েফা প্রধান আলেকজান্দার সেফেরিন ফুটবলানুরাগীদের এই বলে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন যে, ইউরো ২০২০ সুরক্ষিত থাকবে। কারও জন্য তা অনিরাপদের কারণ হবে না। ‘বিশ্বকে দেখানোর এটাই সঠিক সময় যে, ইউরোপ বদলে যাওয়া পৃথিবীর সঙ্গে মানিয়ে নিতে শিখেছে। ইউরোপ বেঁচে আছে এবং বেঁচে থাকাটা উপভোগ করছে।’ ইউরোপ ঘুরে দাঁড়িয়েছে, ‘তার আশাবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে এই গ্রহের তাবৎ ফুটবলপ্রেমী বুঁদ হতেই পারেন ৯০ মিনিটের ম্যাজিকে।

ইউরোতে আজ

ইতালি ও তুরস্ক

সরাসরি, সনি টেন-২ ও

সনি সিক্স, রাত ১টা

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন