কোন কাননের ফুল কোন গগনের তারা
jugantor
কোন কাননের ফুল কোন গগনের তারা

  ক্রীড়া ডেস্ক  

১৫ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একটি সাহসী সিদ্ধান্ত জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

এই দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন ডেভন কনওয়ে। মাত্র তিনটি করে টেস্ট ও ওয়ানডে এবং ১৪ টি ২০ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে এবারের টি ২০ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের ভরসা হয়ে উঠেছেন ৩০ বছর বয়সি এই ব্যাটার। অথচ, নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলারই কথা নয় কনওয়ের। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেখানেই পার করেছেন জীবনের ২৬টি বসন্ত। দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিভার ঝলক দেখালেও কোনো ক্লাবে থিতু হতে পারছিলেন না কনওয়ে। জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা না দেখে ২৬ বছর বয়সে তিনি দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। দক্ষিণ আফ্রিকার অনেক ক্রিকেটার ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে খেলেন। কিন্তু চেনা পথে না হেঁটে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে জোহানেসবার্গের পাট ঢুকিয়ে শূন্য হাতে কনওয়ে পাড়ি জমান অচেনা নিউজিল্যান্ডে। থিতু হলেন ওয়েলিংটনে। ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের বন্যা বইয়ে দৃষ্টি

কাড়লেন নিউজিল্যান্ডের নির্বাচকদের। তিন বছর পর নিউজিল্যান্ডের নাগরিকত্ব পেতেই তার সামনে খুলে যায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দুয়ার। বাকিটা ইতিহাস।

গত বছর নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি ২০ দিয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক কনওয়ের। এ বছর মার্চে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক। রঙিন পোশাকে দুর্দান্ত শুরুর পর জুনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করে ইতিহাসে ঢুকে যান কনওয়ে। টেস্টে তার ব্যাটিং গড় ৬৩.২। ওয়ানডেতে ৭৫। টি ২০তে ১৪ ম্যাচে ৫৯.১ গড় ও ১৫১.১ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ৪৭৩ রান। জন্মভূমি দক্ষিণ আফ্রিকায় কদর না পাওয়া কনওয়ে এখন কিউইদের চোখের মণি। ২০১০ সালে

ইংল্যান্ডকে প্রথম টি ২০ বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে আসা কেভিন পিটারসেন। কখনও বিশ্বকাপ জিততে না পারা প্রোটিয়াদের দুঃখ আরও বাড়িয়ে এবার কনওয়ে হতে পারেন নিউজিল্যান্ডের পিটারসেন।

কোন কাননের ফুল কোন গগনের তারা

 ক্রীড়া ডেস্ক 
১৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একটি সাহসী সিদ্ধান্ত জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

এই দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন ডেভন কনওয়ে। মাত্র তিনটি করে টেস্ট ও ওয়ানডে এবং ১৪ টি ২০ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে এবারের টি ২০ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের ভরসা হয়ে উঠেছেন ৩০ বছর বয়সি এই ব্যাটার। অথচ, নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলারই কথা নয় কনওয়ের। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেখানেই পার করেছেন জীবনের ২৬টি বসন্ত। দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিভার ঝলক দেখালেও কোনো ক্লাবে থিতু হতে পারছিলেন না কনওয়ে। জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা না দেখে ২৬ বছর বয়সে তিনি দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। দক্ষিণ আফ্রিকার অনেক ক্রিকেটার ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে খেলেন। কিন্তু চেনা পথে না হেঁটে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে জোহানেসবার্গের পাট ঢুকিয়ে শূন্য হাতে কনওয়ে পাড়ি জমান অচেনা নিউজিল্যান্ডে। থিতু হলেন ওয়েলিংটনে। ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের বন্যা বইয়ে দৃষ্টি

কাড়লেন নিউজিল্যান্ডের নির্বাচকদের। তিন বছর পর নিউজিল্যান্ডের নাগরিকত্ব পেতেই তার সামনে খুলে যায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দুয়ার। বাকিটা ইতিহাস।

গত বছর নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি ২০ দিয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক কনওয়ের। এ বছর মার্চে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক। রঙিন পোশাকে দুর্দান্ত শুরুর পর জুনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করে ইতিহাসে ঢুকে যান কনওয়ে। টেস্টে তার ব্যাটিং গড় ৬৩.২। ওয়ানডেতে ৭৫। টি ২০তে ১৪ ম্যাচে ৫৯.১ গড় ও ১৫১.১ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ৪৭৩ রান। জন্মভূমি দক্ষিণ আফ্রিকায় কদর না পাওয়া কনওয়ে এখন কিউইদের চোখের মণি। ২০১০ সালে

ইংল্যান্ডকে প্রথম টি ২০ বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে আসা কেভিন পিটারসেন। কখনও বিশ্বকাপ জিততে না পারা প্রোটিয়াদের দুঃখ আরও বাড়িয়ে এবার কনওয়ে হতে পারেন নিউজিল্যান্ডের পিটারসেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন