স্বপ্নযাত্রায় সহযাত্রী দুই তরুণ তুর্কি
jugantor
স্বপ্নযাত্রায় সহযাত্রী দুই তরুণ তুর্কি

  ক্রীড়া ডেস্ক  

২৬ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ক্রিকেটের আদি সংস্করণ ও বড় মঞ্চে সূচনালগ্নে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ কোনো নবাগতই হাতছাড়া করতে চাইবেন না। বাংলাদেশের তরুণরাও এই তাগিদ বোধ করছেন। সেই দলে আছেন দুই নতুন মুখ মাহমুদুল হাসান ও রেজাউর রহমান। হঠাৎ পাওয়া সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে উদগ্রীব। শুধু চাই প্রথম একাদশে জায়গা করে নেওয়া। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে নিজেদের আনন্দ ও আশার কথা অকপটে জানিয়েছেন এই দুই তরুণ তুর্কি।

দুজনেরই এ এক নতুন স্বপ্নযাত্রা। নতুন পথচলায় সহযাত্রী তারা। ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রাম থেকে উঠে আসা পেসার রেজাউরের সঙ্গে ক্রিকেটের সখ্য টেপ টেনিস বলে খেলে। তার খেলা দেখে এলাকার বড় ভাইরা তাকে মাঠে গিয়ে অনুশীলন করার তাগাদা দেন। ক্রিকেট বলে খেলা শুরু করার পর রেজাউরের মনে হয়, তিনি পারবেন। এভাবেই শুরু। আত্মবিশ্বাসের চারা রোপণ হয় তখনই। সিলেট থেকে উঠে আসা পূর্বসূরিদের প্রেরণা তাকে আরও আত্মপ্রত্যয়ী করে তোলে।

সেই তুলনায় মাহমুদুলের ভিত গড়ে ওঠে আরও সুচারুরূপে। সূচনা হয় মসৃণ। টপঅর্ডারের এই ব্যাটার ২০২০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী বাংলাদেশ দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে সেঞ্চুরি করে নিজের আগমনী বার্তা ঘোষণা করেছিলেন। সেই অত্যুজ্জ্বল পারফরম্যান্স তিনি অনূদিত করেছেন ঘরোয়া আসরেও। এ মৌসুমে জাতীয় ক্রিকেট লিগে পিঠাপিঠি সেঞ্চুরি রয়েছে তার।

রেজাউরের মতো মাহমুদুলও স্বপ্নটা সাজাচ্ছেন অনুরাগের আবির দিয়ে। ‘সবাই স্বপ্ন দেখে এই দিনটির। টেস্ট দলে ডাক পাওয়ায় আমি সত্যিই আনন্দিত। আমি আত্মবিশ্বাসী। জাতীয় ক্রিকেট লিগে কয়েকটি ভালো ইনিংস আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ও এ-দলের হয়েও কয়েকটি ম্যাচ আমি ভালো খেলেছি। সামনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আমাকে প্রস্তুত করে তুলেছে এসব ম্যাচ’, এই কথামালা দিয়ে মাহমুদুল বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, নতুন পথের পথিক হতে প্রস্তুত তিনি। যতই বন্ধুর হোক সেই পথ, যাত্রারম্ভ তো হলো তার।

স্বপ্নযাত্রায় সহযাত্রী দুই তরুণ তুর্কি

 ক্রীড়া ডেস্ক 
২৬ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ক্রিকেটের আদি সংস্করণ ও বড় মঞ্চে সূচনালগ্নে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ কোনো নবাগতই হাতছাড়া করতে চাইবেন না। বাংলাদেশের তরুণরাও এই তাগিদ বোধ করছেন। সেই দলে আছেন দুই নতুন মুখ মাহমুদুল হাসান ও রেজাউর রহমান। হঠাৎ পাওয়া সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে উদগ্রীব। শুধু চাই প্রথম একাদশে জায়গা করে নেওয়া। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে নিজেদের আনন্দ ও আশার কথা অকপটে জানিয়েছেন এই দুই তরুণ তুর্কি।

দুজনেরই এ এক নতুন স্বপ্নযাত্রা। নতুন পথচলায় সহযাত্রী তারা। ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রাম থেকে উঠে আসা পেসার রেজাউরের সঙ্গে ক্রিকেটের সখ্য টেপ টেনিস বলে খেলে। তার খেলা দেখে এলাকার বড় ভাইরা তাকে মাঠে গিয়ে অনুশীলন করার তাগাদা দেন। ক্রিকেট বলে খেলা শুরু করার পর রেজাউরের মনে হয়, তিনি পারবেন। এভাবেই শুরু। আত্মবিশ্বাসের চারা রোপণ হয় তখনই। সিলেট থেকে উঠে আসা পূর্বসূরিদের প্রেরণা তাকে আরও আত্মপ্রত্যয়ী করে তোলে।

সেই তুলনায় মাহমুদুলের ভিত গড়ে ওঠে আরও সুচারুরূপে। সূচনা হয় মসৃণ। টপঅর্ডারের এই ব্যাটার ২০২০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী বাংলাদেশ দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে সেঞ্চুরি করে নিজের আগমনী বার্তা ঘোষণা করেছিলেন। সেই অত্যুজ্জ্বল পারফরম্যান্স তিনি অনূদিত করেছেন ঘরোয়া আসরেও। এ মৌসুমে জাতীয় ক্রিকেট লিগে পিঠাপিঠি সেঞ্চুরি রয়েছে তার।

রেজাউরের মতো মাহমুদুলও স্বপ্নটা সাজাচ্ছেন অনুরাগের আবির দিয়ে। ‘সবাই স্বপ্ন দেখে এই দিনটির। টেস্ট দলে ডাক পাওয়ায় আমি সত্যিই আনন্দিত। আমি আত্মবিশ্বাসী। জাতীয় ক্রিকেট লিগে কয়েকটি ভালো ইনিংস আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ও এ-দলের হয়েও কয়েকটি ম্যাচ আমি ভালো খেলেছি। সামনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আমাকে প্রস্তুত করে তুলেছে এসব ম্যাচ’, এই কথামালা দিয়ে মাহমুদুল বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, নতুন পথের পথিক হতে প্রস্তুত তিনি। যতই বন্ধুর হোক সেই পথ, যাত্রারম্ভ তো হলো তার।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন