গোলরক্ষকরা হতাশ ফরোয়ার্ডরা খুশি

বল নিয়ে বিতর্ক

  যুগান্তর ডেস্ক    ২১ মে ২০১৮, ০৫:৩০ | প্রিন্ট সংস্করণ

গোলরক্ষকরা হতাশ ফরোয়ার্ডরা খুশি
ছবি: সংগৃহীত

এবারের বিশ্বকাপে যে ৩২টি দল অংশ নিচ্ছে, তাদের দিকে যেমন আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে থাকবে ফুটবল ভক্তরা, তেমনি খেলোয়াড়দের আগ্রহ থাকবে বিশ্বকাপের বল নিয়ে।

ফুটবলারদের আগ্রহকে ঘিরে বিশ্বকাপের বলও এখন আলোচনায়। রাশিয়া বিশ্বকাপে যে বলে খেলা হবে সেটির নাম টেলস্টার ১৮।

প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেই যে বলের দিকে সমালোচনার তীর ছুড়েছেন বিশ্বের সেরা গোলরক্ষকরা।

অবশ্য প্রতি বিশ্বকাপেই বল নিয়ে কোনো না কোনো বিতর্ক ওঠে। ১৯৭০ বিশ্বকাপের বল টেলস্টার থেকেই অনুপ্রেরণা নিয়ে নকশা করা হয়েছে এবারের বিশ্বকাপের বল, টেলস্টার১৮।

নকশা করেছে ফিফার অফিসিয়াল পার্টনার অ্যাডিডাস। পাকিস্তানের শিয়ালকোটের ফরোয়ার্ড স্পোর্টস এই বলের প্রস্তুতকারী।

২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর মস্কোয় রাশিয়া বিশ্বকাপের বলের অফিসিয়াল পরিচিত করানো হয় লিওনেল মেসির হাত দিয়ে।

২০১৪ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলজয়ী আর্জেন্টাইন অধিনায়কের সঙ্গে ছিলেন বিশ্বকাপজয়ী জিনেদিন জিদান, আলেসান্দ্রো ডেল পিয়েরো, জাবি আলোনসো, লুকাস পোডালস্কিরা।

আকারে ছোট ও হাল্কা হওয়ায় ফরোয়ার্ডরা ম্যাচে বিশেষ সুবিধা পাবেন এই বল থেকে। লিওনেল মেসিই যেমন বলেছেন, টেলস্টার খুব মনে ধরেছে তার।

কিন্তু টেলস্টারে গোলরক্ষকদের সমস্যা দেখছেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক পেপে রেইনা। রাশিয়া বিশ্বকাপে দূর থেকে শটে অনেক গোল হবে বলে মনে করেন লিভারপুলের সাবেক গোলরক্ষক, ‘আমি বাজি ধরতে পারি যে, রাশিয়ায় কমপক্ষে ৩৫টি গোল দেখতে পাবেন দূর থেকে। কারণ এই বল ধরা একপ্রকার অসম্ভব।’

কী কারণে টেলস্টার গোলরক্ষকদের জন্য কঠিন হবে সেটিরও ব্যাখ্যা করেছেন রেইনা, ‘বলটা প্লাস্টিক দিয়ে মোড়ানো।

এই কারণে বল ধরাটা অনেক কঠিন হবে।’ প্রীতি ম্যাচে বিশ্বকাপের বলে খেলে জার্মানির বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে স্পেন।

সেই ম্যাচে এগিয়ে থেকেও থমাস মুলারের গোলে ড্র করে জার্মানরা। ২৫ গজ দূর থেকে নেয়া মুলারের শট সুপারম্যান স্টাইলে লাফিয়েও ঠেকাতে পারেননি স্পেন গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়া।

ম্যাচ শেষেও বলের বাঁকে ডি গিয়ার চোখেমুখে বিস্ময়, ‘এ অদ্ভুত এক বল। এটা আরও ভালো করা যেতে পারত।’

বলের আরও পরিবর্তন করা যেত, এমনটা বলেছেন জার্মান গোলরক্ষক আন্দ্রে টের স্টেগেনও, ‘এই বলটা আরও ভালো হওয়া উচিত ছিল। খুব বেশি নড়াচড়া করে বলটি।’

গোলরক্ষকরা এমনিতেই পরীক্ষাগারের তালিকায় উপরের দিকেই থাকেন। কে কতটা গোল বাঁচালেন সেটার চেয়ে সবাই মনে রাখেন কে কয়টা বাঁচাতে পারলেন না।

ফুটবল আবার গোলের খেলাই। সবাই গোল দেখতে চায়।

এই চাওয়া পূরণে ফরোয়ার্ডরা যখন নিজেদের শান দিয়ে চলেছেন, গোলরক্ষকদের তখন মন বেজার! মাঠের খেলায় কী ঘটে সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা। ওয়েবসাইট।

ঘটনাপ্রবাহ : বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮

 

 

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.