সবার ভরসা নুয়ারে

  যুগান্তর ডেস্ক    ০৪ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নুয়ার,

‘মিস্টার সেফ হ্যান্ডস’।

চার বছর আগে ব্রাজিলে তার দুটি হাত হয়ে উঠেছিল ভরসার প্রতীক। জার্মানির চতুর্থ বিশ্বকাপ জয়ে তার অবদান ছিল অনবদ্য। ফলে ২০১৪ সালে ব্যালন ডি’অর জেতার দৌড়ে তিনি অনায়াসে ঢুকে পড়েছিলেন লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত তৃতীয় হয়েছিলেন।

এবার কী হবে? সেই ভরসার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারবেন ম্যানুয়েল নুয়ার? গত সেপ্টেম্বরে পা ভাঙার পর আট মাস ছিলেন মাঠের বাইরে। শনিবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে ফিরলেন মাঠে। প্রীতি ম্যাচে জার্মানি হারলেও কোচ জোয়াচিম লো চাইছে শনিবারের আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে, অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে। আস্থা রাখছে তার অধিনায়কের ওপর। গতবারের বিশ্বজয়ীরা মনে করছে, ১৭ জুন মস্কোয় মেক্সিকোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে নুয়ারই নেতৃত্ব দিতে পারবেন দলকে।

বুন্দেসলিগার ক্লাব শালকে। এখানেই ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন বিশ্বখ্যাত গোলকিপার। তখন নুয়ার কোচ হিসেবে যাদের পেয়েছিলেন, তাদের মধ্যে অন্যতম নর্বার্ট এলগার্ট। তিনি এখন শালকের যুব একাডেমির দায়িত্বে।

এলগার্ট প্রচণ্ড আশাবাদী নুয়ারকে নিয়ে। বলেছেন, ‘আমার তো মনে হচ্ছে, ও আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে। ওর বয়স যখন ১০-১২ বছর, তখন থেকেই ওকে চিনি। ও তখন গোলকিপার হবে কিনা, কেউই জানত না। কারণ তখন ও ছিল ছোট চেহারার। কারও পক্ষেই জানা সম্ভব ছিল না, কতটা লম্বা হবে সে। আবার পেশাদার ফুটবলে আসবে কিনা, তা-ও তো কেউ জানত না। সেখান থেকে ম্যানুয়েল নিজেকে যে পর্যায়ে নিয়ে গেছে, তা অনবদ্য। যা সম্ভব হয়েছে ওর প্রতিভার জন্যই। একটা ব্যাপার কী জানেন? ও যখন খেলে, তখন অন্য কিছুই মাথায় রাখে না। কেউ যদি খেলা না-ও দেখে, তাহলেও ও খুশি মনে খেলতে নেমে পড়বে।’

শালকের একাডেমিতে যখন ছিলেন নুয়ার, সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়ছে এলগার্টের। তখন গোলকিপার হিসেবেই খেলা শুরু করেছেন নুয়ার। কিন্তু প্রথম পছন্দ তিনি ছিলেন না। প্রথম পছন্দ ছিলেন নুয়ারের চেয়ে বয়সে বড় অন্য এক গোলকিপার।

এলগার্ট জানিয়েছেন, নিজের যোগ্যতাতেই সেই গোলকিপারকে টপকে দলের প্রথম পছন্দ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছিলেন নুয়ার। সাত বছর আগে শালকে ছেড়েছেন। নুয়ারের সেই ঘোষণা শুনে দুঃখে মন কেঁদে উঠেছিল এলগার্টের। তিনি বলেছেন, ‘সত্যিই খুব কষ্ট হয়েছিল। আমাদের একাডেমিতেই তো ওর বেড়ে ওঠা। এখন ও শতভাগ বায়ার্নের। নিশ্চয়ই ও এখন বায়ার্নকে খুব ভালোবাসে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ম্যানুয়েল থেকে যাবে একজন ‘শালকার’ হিসেবেই।’

গেলসেনকিরচেন। জার্মানির এই শহরেই বেড়ে উঠেছেন নুয়ার। বিখ্যাত হয়ে যাওয়ার পরও যে শহরের সঙ্গে বন্ধন ছিন্ন হয়নি তার, বরং দৃঢ় হয়েছে আরও। ২০১৪ সালে জার্মানির বিশ্বকাপ জয়ের বছরেই গেলসেনকিরচেনে তৈরি হয়েছিল ‘ম্যানাস’। পিছিয়েপড়া শিশুদের ফুটবলে নিয়ে আসতেই এ উদ্যোগ। ওয়েবসাইট।

ঘটনাপ্রবাহ : বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter