নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে ইংল্যান্ডের ইতিহাস
jugantor
নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে ইংল্যান্ডের ইতিহাস

  ক্রীড়া ডেস্ক  

২৮ জুন ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৫ বছরের ইতিহাসে যা পারেনি কোনো দল, তা-ই করে দেখাল ইংল্যান্ড। এক সিরিজে তিনবার আড়াইশর বেশি রান তাড়া করে জেতার অনন্য কীর্তি গড়ল তারা। দাপুটে পারফরম্যান্সে তিন ম্যাচের সিরিজে টেস্টের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করে ছাড়ল বেন স্টোকসের দল। লর্ডসে ২৭৭ ও ট্রেন্টব্রিজে ২৯৯ রান তাড়া করে জেতা ইংল্যান্ড সোমবার হেডিংলি টেস্টের শেষদিনে ২৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে সাত উইকেটে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ডকে। দুই উইকেটে ১৮৩ রান তুলে জয়ের মঞ্চ আগের দিনই গড়ে ফেলেছিল ইংলিশরা। শেষ দিনে তাদের দরকার ছিল ১১৩ রান। বৃষ্টির হানায় প্রথম সেশন ভেস্তে যায়। লাঞ্চের পর খেলা শুরু হলে লক্ষ্যে পৌঁছতে বেশি সময় লাগেনি স্বাগতিকদের। ম্যাচসেরা জনি বেয়ারস্টোর আরেকটি বিস্ফোরক ইনিংসে মাত্র ১৫.২ ওভারেই বাকি রান তুলে ফেলে ইংল্যান্ড। দিনের প্রথম ওভারেই ওলি পোপকে (৮২) ফিরিয়ে দিয়েছিলেন টিম সাউদি। আগের দিনের ৮১ রানের সঙ্গে মাত্র এক যোগ করতে পারেন পোপ। ১৩৪ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি ভাঙার পর ক্রিজে এসেই ঝড় তোলেন বেয়ারস্টো। প্রথম ইনিংসে ১৫৭ বলে ১৬২ রান করা বেয়ারস্টো এবার আরও আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে আট চার ও তিন ছক্কায় ৪৪ বলে করেন ৭১* রান। ৩০ বলে ৫০ ছুঁয়ে গড়েন টেস্টে ইংল্যান্ডের পক্ষে দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। জো রুট অপরাজিত থাকেন ৮৬ রানে। বেয়ারস্টোর সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ১১১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে রুট ছিলেন কার্যত দর্শকের ভূমিকায়। টানা তৃতীয় সেঞ্চুরি না পেলেও নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেলের সঙ্গে যৌথভাবে সিরিজসেরা হয়েছেন রুট। কদিন আগে লাল বলের ক্রিকেটে যারা ধুঁকছিল, সেই ইংলিশদের দায়িত্বে অধিনায়ক স্টোকস ও কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালামের পথচলা শুরু হলো দুর্দান্তভাবে। কিউইদের ধবলধোলাই করে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংস ৩২৯।

ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস ৩৬০।

নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংস ৩২৬।

ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংস ২৯৬/৩, (পোপ ৮২, রুট ৮৬*, বেয়ারস্টো ৭১*। সাউদি ১/৬৮, ব্রেসওয়েল ১/১০৯)। ফল : ইংল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য

ম্যাচ : জনি বেয়ারস্টো। ম্যান

অব দ্য সিরিজ : জো রুট ও ড্যারিল মিচেল।

নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে ইংল্যান্ডের ইতিহাস

 ক্রীড়া ডেস্ক 
২৮ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৫ বছরের ইতিহাসে যা পারেনি কোনো দল, তা-ই করে দেখাল ইংল্যান্ড। এক সিরিজে তিনবার আড়াইশর বেশি রান তাড়া করে জেতার অনন্য কীর্তি গড়ল তারা। দাপুটে পারফরম্যান্সে তিন ম্যাচের সিরিজে টেস্টের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করে ছাড়ল বেন স্টোকসের দল। লর্ডসে ২৭৭ ও ট্রেন্টব্রিজে ২৯৯ রান তাড়া করে জেতা ইংল্যান্ড সোমবার হেডিংলি টেস্টের শেষদিনে ২৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে সাত উইকেটে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ডকে। দুই উইকেটে ১৮৩ রান তুলে জয়ের মঞ্চ আগের দিনই গড়ে ফেলেছিল ইংলিশরা। শেষ দিনে তাদের দরকার ছিল ১১৩ রান। বৃষ্টির হানায় প্রথম সেশন ভেস্তে যায়। লাঞ্চের পর খেলা শুরু হলে লক্ষ্যে পৌঁছতে বেশি সময় লাগেনি স্বাগতিকদের। ম্যাচসেরা জনি বেয়ারস্টোর আরেকটি বিস্ফোরক ইনিংসে মাত্র ১৫.২ ওভারেই বাকি রান তুলে ফেলে ইংল্যান্ড। দিনের প্রথম ওভারেই ওলি পোপকে (৮২) ফিরিয়ে দিয়েছিলেন টিম সাউদি। আগের দিনের ৮১ রানের সঙ্গে মাত্র এক যোগ করতে পারেন পোপ। ১৩৪ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি ভাঙার পর ক্রিজে এসেই ঝড় তোলেন বেয়ারস্টো। প্রথম ইনিংসে ১৫৭ বলে ১৬২ রান করা বেয়ারস্টো এবার আরও আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে আট চার ও তিন ছক্কায় ৪৪ বলে করেন ৭১* রান। ৩০ বলে ৫০ ছুঁয়ে গড়েন টেস্টে ইংল্যান্ডের পক্ষে দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। জো রুট অপরাজিত থাকেন ৮৬ রানে। বেয়ারস্টোর সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ১১১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে রুট ছিলেন কার্যত দর্শকের ভূমিকায়। টানা তৃতীয় সেঞ্চুরি না পেলেও নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেলের সঙ্গে যৌথভাবে সিরিজসেরা হয়েছেন রুট। কদিন আগে লাল বলের ক্রিকেটে যারা ধুঁকছিল, সেই ইংলিশদের দায়িত্বে অধিনায়ক স্টোকস ও কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালামের পথচলা শুরু হলো দুর্দান্তভাবে। কিউইদের ধবলধোলাই করে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংস ৩২৯।

ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস ৩৬০।

নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংস ৩২৬।

ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংস ২৯৬/৩, (পোপ ৮২, রুট ৮৬*, বেয়ারস্টো ৭১*। সাউদি ১/৬৮, ব্রেসওয়েল ১/১০৯)। ফল : ইংল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য

ম্যাচ : জনি বেয়ারস্টো। ম্যান

অব দ্য সিরিজ : জো রুট ও ড্যারিল মিচেল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন