চোট পাওয়ার পর সতর্ক সালাহ

  যুগান্তর ডেস্ক    ১৩ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মোহামেদ সালাহ বুঝিয়ে দিলেন, নিজের চোট পাওয়া কাঁধ নিয়ে তিনি কতটা যতœবান। টিম বাস থেকে নামামাত্র এক ভক্ত এসে তার সঙ্গে সেলফি তুলতে চেয়েছিল। ছবি তোলার সময় সেই ভক্ত সালাহর কাঁধে হাত রাখে। সঙ্গে সঙ্গে ভক্তকে সরিয়ে দেন মিসরের তারকা। নিরাপত্তারক্ষী সালাহকে ভক্তদের ভিড় থেকে বের করে নিয়ে যান।

ভক্তের উন্মাদনা এবং সালাহর তা এড়িয়ে যাওয়ার ভিডিও ফুটবলবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। আলোচনা শুরু হয়ে যায়, বিশ্বকাপ নিয়ে ঝুঁকি নিতে চান না লিভারপুলের হয়ে এ মৌসুমে দুরন্ত ফর্মে থাকা তারকা। বিশ্বকাপে মিসরের ভাগ্য অনেকটাই সালাহর কাঁধে। শুক্রবার উরুগুয়ের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নামার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। মনেপ্রাণে চান প্রথম ম্যাচ থেকে খেলতে।

লিভারপুলের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল খেলার সময় কাঁধে চোট পান সালাহ। সেই চোটের জন্য যদিও কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের শক্তিশালী ডিফেন্ডার সের্গিও রামোসকে। অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবেই সালাহকে মারেন রামোস। এতে তার বিশ্বকাপ খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। সালাহ নিজে চেষ্টা চালিয়ে গেলেও মিসর শিবির থেকে এখনও নিশ্চিত করে বলা হয়নি, তাকে বিশ্বকাপের শুরু থেকেই পাওয়া যাবে। কোচ হেক্টর কুপার বলেছেন, সালাহকে ছাড়া যেন খেলা যায়, একথা ভাবতে হবে মিসরকে। ‘ওর বিকল্প খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন। কিন্তু মাত্র একজনের ওপর নির্ভর করে কোনো দল বিশ্বকাপে খেলতে পারে না। আমাদের বিকল্প পথ ভাবতেই হবে। সেটা আমরা ভেবে রেখেছি,’ বলেছেন মিসরের কোচ।

কিয়েভে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে আহত হওয়ার পর কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছিলেন সালাহ। সেই রাতে দাঁড়িয়ে অনেকেরই মনে হয়েছিল, হয়তো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গেলেন তিনি। এতটাই হতাশ ছিলেন সালাহ যে, রামোসকে ক্ষমা করতে পারবেন না বলেও জানান। সালাহ বলেছিলেন, রামোস তাকে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েছিলেন। সেই দুঃখপ্রকাশের কোনো অর্থ নেই তার কাছে। ‘ফাইনালে ধাক্কাটা খেয়ে যখন পড়ে গেলাম মাটিতে, প্রচণ্ড যন্ত্রণা হচ্ছিল। আমি ভীষণ চিন্তিত হয়ে পড়েছিলাম। রাগও হচ্ছিল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালটা পুরো খেলতে না পারায়,’ বলেছেন সালাহ। তিনি যোগ করেন, ‘পরক্ষণেই চিন্তিত হয়ে পড়ি যে, বিশ্বকাপেও কি আমার খেলা হবে না? বিধ্বস্ত লাগছিল তখন আমার।’ রামোস দাবি করেছিলেন, তিনি দুঃখপ্রকাশ করে বার্তা পাঠিয়েছিলেন। সালাহ তাতে ‘ঠিক আছে’ বলে জবাবও দিয়েছিলেন। সালাহ তা অস্বীকার করেন। ১৯৯০-এর পর এই প্রথম বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে মিসর। তাতে সবচেয়ে বড় অবদান সালাহর। যোগ্যতা অর্জন পর্বের শেষ ম্যাচে কঙ্গোর বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে তিনিই নিশ্চিত করেন মিসরের বিশ্বকাপ যাত্রা। তবে সন্দেহ নেই, বিশ্বকাপে কড়া প্রতিরোধের মুখেই পড়তে পারেন সালাহ। ওয়েবসাইট।

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.