দাবায় পেছনে হাঁটছে বাংলাদেশ
jugantor
দাবায় পেছনে হাঁটছে বাংলাদেশ

  পারভেজ আলম চৌধুরী  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের নিয়াজ মোরশেদ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার হন ১৯৮৭ সালে। সেই বছরই ভারত প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার পায় বিশ্বনাথন আনন্দের মাঝে। রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথন এখনো দাবায় সক্রিয়। নিয়াজ যেন থেকেও নেই।

৩৫ বছরে বাংলাদেশ আটকে আছে পাঁচজন গ্র্যান্ডমাস্টারে (জিএম)। আর গত পরশু ভারত পেয়ে গেছে তাদের ৭৬তম জিএম। বেঙ্গালুরুর ১৫ বছরের টিনএজার প্রণব আনন্দ এই সম্মান পেয়েছেন। রুমানিয়ায় বিশ্ব যুব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে প্রয়োজনীয় ২,৫০০ রেটিং পয়েন্ট অর্জনের মধ্য দিয়ে এই গৌরব অর্জন করেন প্রণব। বাংলাদেশের পাঁচজন জিএমের মধ্যে এনামুল হোসেন রাজীব শেষবার এই খেতাব পেয়েছিলেন ২০০৮ সালে। তারপর শুধুই খরা।

বাংলাদেশের দাবা বিশেষজ্ঞ ও দাবা অ্যাডজুডিকেটর হারুন উর রশিদ এ প্রসঙ্গে শুক্রবার বলেন, ‘ওদের (ভারত) দাবা যে দ্রুত পুষ্পিত ও পল্লবিত হয়েছে এর মূলে রয়েছে বছরজুড়ে সর্বোচ্চ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ। সম্প্রতি ইউরোপ ছাড়াও আবুধাবি ও দুবাইয়ে দাবার আসরে প্রায় অর্ধেক প্রতিযোগী ছিল ভারতের। কলকাতায়ও দেখেছি বাবা-মা সন্তানদের দাবা শেখানোর জন্য প্রচুর অর্থ খরচ করেন।’

তার সংযোজন, ‘দাবা ফেডারেশনের সামর্থ্য সীমিত। শুধু ফেডারেশনের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না। জেলা পর্যায়েও কিছু কাজ করতে হবে। দাবায় আমাদের পিছিয়ে পড়ার আরেকটি কারণ, এখন ছেলে-মেয়েদের মধ্যে কমিটমেন্ট কম চোখে পড়ে।’

পরিশেষে একটি ছোট্ট পরিসংখ্যান দেওয়া যায়। বাংলাদেশে রেটেড দাবাড়ু মাত্র ১৮০০। আর সারা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৩ হাজার রেটিংপ্রাপ্ত দাবা খেলোয়াড় রয়েছেন ভারতে। ৭৬ ও পাঁচের পার্থক্য এতেই স্পষ্ট।

দাবায় পেছনে হাঁটছে বাংলাদেশ

 পারভেজ আলম চৌধুরী 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের নিয়াজ মোরশেদ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার হন ১৯৮৭ সালে। সেই বছরই ভারত প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার পায় বিশ্বনাথন আনন্দের মাঝে। রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথন এখনো দাবায় সক্রিয়। নিয়াজ যেন থেকেও নেই।

৩৫ বছরে বাংলাদেশ আটকে আছে পাঁচজন গ্র্যান্ডমাস্টারে (জিএম)। আর গত পরশু ভারত পেয়ে গেছে তাদের ৭৬তম জিএম। বেঙ্গালুরুর ১৫ বছরের টিনএজার প্রণব আনন্দ এই সম্মান পেয়েছেন। রুমানিয়ায় বিশ্ব যুব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে প্রয়োজনীয় ২,৫০০ রেটিং পয়েন্ট অর্জনের মধ্য দিয়ে এই গৌরব অর্জন করেন প্রণব। বাংলাদেশের পাঁচজন জিএমের মধ্যে এনামুল হোসেন রাজীব শেষবার এই খেতাব পেয়েছিলেন ২০০৮ সালে। তারপর শুধুই খরা।

বাংলাদেশের দাবা বিশেষজ্ঞ ও দাবা অ্যাডজুডিকেটর হারুন উর রশিদ এ প্রসঙ্গে শুক্রবার বলেন, ‘ওদের (ভারত) দাবা যে দ্রুত পুষ্পিত ও পল্লবিত হয়েছে এর মূলে রয়েছে বছরজুড়ে সর্বোচ্চ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ। সম্প্রতি ইউরোপ ছাড়াও আবুধাবি ও দুবাইয়ে দাবার আসরে প্রায় অর্ধেক প্রতিযোগী ছিল ভারতের। কলকাতায়ও দেখেছি বাবা-মা সন্তানদের দাবা শেখানোর জন্য প্রচুর অর্থ খরচ করেন।’

তার সংযোজন, ‘দাবা ফেডারেশনের সামর্থ্য সীমিত। শুধু ফেডারেশনের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না। জেলা পর্যায়েও কিছু কাজ করতে হবে। দাবায় আমাদের পিছিয়ে পড়ার আরেকটি কারণ, এখন ছেলে-মেয়েদের মধ্যে কমিটমেন্ট কম চোখে পড়ে।’

পরিশেষে একটি ছোট্ট পরিসংখ্যান দেওয়া যায়। বাংলাদেশে রেটেড দাবাড়ু মাত্র ১৮০০। আর সারা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৩ হাজার রেটিংপ্রাপ্ত দাবা খেলোয়াড় রয়েছেন ভারতে। ৭৬ ও পাঁচের পার্থক্য এতেই স্পষ্ট।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন