এশিয়াডে ১৬৫ সদস্যের বাংলাদেশ দল

সবচেয়ে বড় ৩২ গোল হজম করা ফুটবল দল

  মোজাম্মেল হক চঞ্চল ০১ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এশিয়াডে ১৬৫ সদস্যের বাংলাদেশ দল

বুসান এশিয়ান গেমসে ৩২ গোল হজম করে দেশকে লজ্জায় ডোবানোর পরও এশিয়ান গেমসে পাঠানো হচ্ছে ২৪ সদস্যের ফুটবল দল। এশিয়ান গেমসের মহারণে অংশ নেবে ১৬৫ সদস্যের বাংলাদেশ দল। আরও ১৭ জন যুক্ত হয়েছেন লটবহরে। বাংলাদেশ দলের ১৬৫ জনের মধ্যে সরকারি খরচে যাচ্ছেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মাসুদ করিম।

নিজেদের খরচে যাচ্ছেন তিনজন। ১৮ আগস্ট ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ও পালেম্বাং শহরে উদ্বোধন হবে এশিয়াডের। তার আগেই ফুটবল মাঠে গড়াবে। গেমস শেষ হবে ২ সেপ্টেম্বর। ১৯৮৬ সালে সিউল এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ প্রথম অংশ নেয়। সেই থেকে আটটি এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ অংশ নিয়ে একটি স্বর্ণ ও চারটি করে রুপা এবং ব্রোঞ্জ জেতে।

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ আরচারি, অ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, গলফ, ব্রিজ, ফুটবল, হকি, কাবাডি, শুটিং, সাঁতার, ভারোত্তোলন, বিচ ভলিবল, কুস্তি ও রোইংয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। ২০১৬ সালে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের প্লে-অফে ভুটানের কাছে ৩-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল দল।

তারপর থেকে দু’বছর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নির্বাসিত ছিল বাংলাদেশ। এতসব ব্যর্থতার পরও সবচেয়ে বড় ২৪ সদস্যের ফুটবল দল যাচ্ছে জাকার্তায়। ফুটবলের পরেই রয়েছে ২১ জনের হকি দল। পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে কাবাডি দল ২৮ জনের। ২২ জনের শুটিং দলে ১৭ জন শুটার এবং পাঁচজন কোচ ও ম্যানেজার রয়েছেন। আরচারি দলে রয়েছেন ১৭ জন।

দু’জন অ্যাথলেটের সঙ্গে একজন কোচ ও বাস্কেটবলে কোচ কাম ম্যানেজার সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন চার খেলোয়াড়কে। ছয় গলফারের সঙ্গে রয়েছেন একজন করে ম্যানেজার ও কোচ। এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করেছে ব্রিজও। ছয়জনের দল যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়ায়। দুই সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর ও খাদিজা আক্তারের ম্যানেজার কাম কোচ নিবেদিতা দাস। ভারোত্তোলক মাবিয়ার সঙ্গে কোচ হয়ে যাচ্ছেন ফিরোজা পারভীন। বিচ ভলিবলে পালেম্বাং মাতাতে যাচ্ছেন মনির হোসেন ও শাহজাহান আলী।

কুস্তিগীর শিরিন সুলতানা, শরৎচন্দ্র রায় ও আমজাদ আলীর সঙ্গী হয়েছেন রোয়ার আমিরুল ইসলাম মিঠু। ১৭ সদস্যের অফিসিয়াল প্রতিনিধি দলের অন্যরা হলেন- সেফ দ্য মিশন লে. জেনারেল আবুল হোসেন, ডেপুটি সেফ দ্য মিশন অভিজিৎ কুমার সরকার, বিওএ’র ডেলিগেট মাহমুদ জামাল, একেএম সেলিম, হামিদা বেগম, টিম ডাক্তার অধ্যাপক জাকির আহমেদ, ডাক্তার সুমাইয়া বিনতে আজাদ, টিম ফিজিও শৈলেন্দু কুমার মজুমদার, প্রেস অ্যাটাচি শেখ সাইফুর রহমান ও বিওএ’র চারজন স্টাফ।

১৯৮৬ সিউল এশিয়াডে বাংলাদেশের বক্সার মোশাররফ হোসাইন লাইট হেভিওয়েট ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতে দেশকে প্রথম পদক উপহার দেন। ১৯৯০ বেইজিং এবং ’৯৪ হিরোশিমা এশিয়াডে কাবাডি পুরুষ দল রুপা জিতলেও ১৯৯৮ ব্যাংকক এশিয়াডে তা হয়ে যায় ব্রোঞ্জ।

২০০২ বুসানে কাবাডি দল আবার রুপা জিতলেও পরেরবার দোহায় তা হারিয়ে যায়। ব্রোঞ্জ নিয়ে দেশে ফেরে বাংলাদেশ কাবাডি দল। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন ২০১০ গুয়াংজু এশিয়াডে। ওই গেমসে বাংলাদেশ পুরুষ ক্রিকেট দল স্বর্ণ ও মহিলা দল রুপা এবং মহিলা কাবাডি দল ব্রোঞ্জ জেতে। ২০১৪ ইনচনে পুরুষ ক্রিকেট দল রুপা ও মহিলা দল ব্রোঞ্জ জেতে। কাবাডি মহিলা দল ব্রোঞ্জ নিয়ে দেশে ফিরলেও অন্য কোনো ডিসিপ্লিনে সাফল্য ছিল না।

ঘটনাপ্রবাহ : এশিয়ান গেমস-২০১৮

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter