উৎসবের নগরী জাকার্তা ও পালেম্বাং

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  স্পোর্টস ডেস্ক,

জাকার্তার সব স্কুল বন্ধ। তারপরও ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে যাচ্ছে। এশিয়ান গেমসের মাসকট বিন বিন, অতুন এবং কাকাদের নিয়ে মেতে উঠছে তারা। নাচছে, গাইছে, আনন্দ করছে। ঢেলে সাজানো হয়েছে নগরীর পরিবহন ব্যবস্থা। গোটা শহর সেজেছে এশিয়ান গেমসের পতাকায়। উৎসবের নগরীতে রূপ নিয়েছে জাকার্তা ও পালেম্বাং।

১৯৬২ সালে প্রথম এশিয়ান গেমসের আয়োজক হয়েছিল ইন্দোনেশিয়া। ১৭ দেশ ১৩টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়েছিল সেবার। ৫৬ বছর পর আবারও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই গেমস আয়োজনের দায়িত্ব পেল তারা। জাকার্তার অলিগলি সেজেছে বর্ণিল সাজে। গগনচুম্বী অট্টালিকা, মোড়ে মোড়ে ডিজিটাল জায়ান্ট স্ক্রিন বসানো হয়েছে।

এশিয়াডকে সামনে রেখে সীমিত করা হয়েছে নগরের যান চলাচল। ব্যানার আর প্লাকার্ডে ছেয়ে গেছে গোটা গেম ভিলেজ এবং জাকার্তা কনভেশন সেন্টার (মেইন মিডিয়া সেন্টার)। স্থানীয় দর্শকরা বলছেন কিছু সমস্যা হলেও গেমস সফল করতে হাসিমুখে তা মেনে নিচ্ছেন।

কালিনা পালংয়ের বয়স ১৮। স্থানীয় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। বিশাল আয়োজন দেখে নিজেই সম্পৃক্ত হন। কালিনার কথায়, ‘আগে আমি কখনই কোনো গেমস দেখিনি। এবার সামনে থেকে দেখার জন্য বিনা পারিশ্রমিকে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করছি। গেমসও দেখা হবে, কাজও করা হবে।’

কলিং বায়াওয়ের বয়স ৫৮। সবশেষ জাকার্তা এশিয়ান গেমসে তার বয়স ছিল মাত্র দু’বছর। তার কথায়, ‘হ্যাঁ, হয়তো কিছু সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি আমরা। তবে পুরো আয়োজন দারুণভাবে উপভোগ করছি।’ তিনি যোগ করেন, ‘ইনচন এশিয়ান গেমসে আমরা চারটি স্বর্ণসহ ২০টি পদক পেয়েছিলাম। আশা করছি, এবার অন্তত ৫০টা জিতব।’

এবারের এশিয়াডে ৪০টি ডিসিপ্লিনে ইন্দোনেশিয়া থেকে অংশ নিচ্ছেন ৯৫১ জন অ্যাথলেট।