যদি পদক মেলে ব্রিজে

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  স্পোর্টস রিপোর্টার, জাকার্তা থেকে

হাঁটতে গিয়ে খুব বেশিদূর এগোতে পারছিলেন না এমএ কুদ্দুস। বাংলাদেশের অন্য ব্রিজ খেলোয়াড়রাও পঞ্চাশোর্ধ। শুধু বাংলাদেশই নয়, বিভিন্ন দেশ থেকে খেলতে আসা খেলোয়াড়দেরও একই দশা। বয়সে সবাই প্রবীণ।

জাকার্তার কেমাইউরান জেআই এক্সপো সেন্টারে ঢুকেই বোঝা গেল এটা বয়স্কদের খেলা। বয়স্কদের মেলায় ব্রিজ দলগতে চারটি ম্যাচে জিতেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু লিগ পদ্ধতির খেলায় নয়টিতে হেরে যায়। তাই ১৪টি দেশের মধ্যে ১১তম হয়েই শেষ করতে হয়েছে দলগতের খেলা।

তবে পেয়ার ব্রিজ নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছেন বাংলাদেশের ব্রিজ খেলোয়াড়রা। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস বলেন, ‘আমরা ব্রোঞ্জের জন্য লড়াই করব। কারণ দলগতে আমরা না পারলেও পেয়ারে আমরা খুব ভালো। তা অন্য সব দেশও জানে।’

প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমসে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ব্রিজ। বাছাইপর্ব পেরিয়ে এশিয়ান গেমসের এই ডিসিপ্লিনে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশ ব্রিজ দলে আছেন নুরুল হুদা শামসুজ্জামান, সাঈদ আহমেদ, এমএ বনি আমিন, মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা।

১৪টি দেশ লিগ পদ্ধতিতে ১৩টি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে পেয়ার ইভেন্টের খেলা। দলগতে পাঁচজনের সবাই খেললেও পেয়ারে খেলছেন না বনি আমিন। পেয়ার ইভেন্টে বাংলাদেশের খেলোয়াড় চারজন। অন্য সব দেশ থেকে ছয়জন করে এলেও বাংলাদেশ থেকে জাকার্তায় এসেছে পাঁচজন। তাই তিনটি পেয়ার হচ্ছে না।

একরাশ হতাশা নিয়ে কুদ্দুস জানান, ‘আমরা ছয়জনের জন্য বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু তারা পাঁচজনের অনুমোদন দিয়েছে। আরেকজন হলে তিনটি পেয়ার করা যেত। তারপরও আমরা চেষ্টা করব ভালো কিছু করতে। ভালো খেলে যদি দেশকে একটি পদক এনে দিতে পারি, তাহলে অন্তত বাংলাদেশকে খালি হাতে ফিরতে হবে না।’