ফাইনালে যাওয়ার লড়াই ভারত ও পাকিস্তানের

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  স্পোর্টস রিপোর্টার

প্র্রতীকী ছবি

ভারতের ব্রিটিশ কোচ স্টিফেন কন্সট্যান্টাইন সংবাদ সম্মেলনে আসেননি। দলের কোনো খেলোয়াড়কেও পাঠাননি।

অনুশীলনের দোহাই দিয়ে হোটেল ওয়েস্টিনেই সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তাব দেন তিনি। আয়োজকরা রাজি না হওয়ায় সহকারী কোচ ও ম্যানেজার আসেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে আজকের সেমিফাইনাল নিয়ে উত্তেজনার কোনো আভাসই দিলেন না ভারতের সহকারী কোচ ভেংকেটশ সঙ্গম।

‘মানছি যে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই তীব্র উত্তেজনা। সে কারণে ম্যাচটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এটি মর্যাদার ম্যাচ। আশা করি আমরা ভালো খেলব। নিশ্চিত করব ফাইনাল।’

পরক্ষণেই যেন আগুনে পানি ঢেলে দিলেন ভেংকেটশ, ‘আসলে এ টুর্নামেন্টে আমরা ফেভারিট নই। আমরা দল হিসেবে ভালো পারফর্ম করতেই এখানে এসেছি। এ দলটাকে তিন বছর ধরে গড়ে তুলেছি।’

তিনি যোগ করেন, ‘পাকিস্তান শক্তিশালী দল। শারীরিকভাবে তারা এগিয়ে। আমাদের সবাই অনূর্ধ্ব-২৩ দলের। অনূর্ধ্ব-২০ দলেরও চারজন রয়েছে। তারপরও আমাদের লক্ষ্য ভালো খেলে ম্যাচ বের করে নেয়া।’

পাকিস্তানের ব্রাজিলিয়ান কোচ জোসে আন্তোনিও নোগেইরাও মুখিয়ে রয়েছেন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে। তার কথায়, ‘যেহেতু প্রতিপক্ষ ভারত তাই আমরা এ ম্যাচ খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। আমরা ফাইনালে খেলার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। দলকে ফাইনালে তোলার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

এক দশক পর সাফের সেমিতে পাকিস্তান। তিন বছর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নির্বাসনে থাকার পর চাপে রয়েছেন কি না জানতে চাইলে এই কোচ বলেন, ‘আমি পেশাদার কোচ। এরকম পরিস্থিতি আমি আগেও মোকাবেলা করেছি। তাই এটাকে চাপ মনে করছি না। আমি নির্ভার থাকতে চাই। ভালো খেলা উপহার দিতে চাই। ভারত খুবই গোছানো দল। এ টুর্নামেন্টের জন্য তারা তিন বছর প্রস্তুতি নিয়েছে। আমরা চেষ্টা করব ফাইনালে খেলার।’

পাকিস্তান অধিনায়ক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। আমরা তিন বছর ধরে আন্তর্জাতিক আসর থেকে নির্বাসিত ছিলাম। স্বাভাবিকভাবেই দল ছিল অগোছাল। কোচ ও কর্মকর্তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই দলটি তৈরি হয়েছে। এ মুহূর্তে খুব ভালো অবস্থায় রয়েছি আমরা। খেলোয়াড়রা সবাই ফিটনেস ধরে রেখেছেন। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে আমরা রোমাঞ্চিত।’

পরিসংখ্যান বলছে তিন বছর ফুটবল থেকে বহিষ্কার থাকা পাকিস্তানের চেয়ে অনেক এগিয়ে ভারত। শেষ ২৩টি ম্যাচে ভারত জিতেছে ১০টিতে। পাকিস্তান তিনটি। বাকি ১০টি ম্যাচ ড্র হয়।