চোট যেন বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ

মাশরাফির ডান হাতের কড়ে আঙুলে চোট

প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  স্পোর্টস রিপোর্টার

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন হোম সিরিজে খেলতে পারবেন না চোটাক্রান্ত তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। এবার মাশরাফি মুর্তজাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। তার ডান-হাতের কড়ে আঙুলে চোট। এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে জেতা ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় চোট পান বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক।

আঙুলে ব্যান্ডেজ বেঁধে ফের মাঠে নেমেছিলেন তিনি। ইনজুরি নিয়েই ফাইনালে খেলেন ভারতের বিপক্ষে। দেশে ফেরার পর এক্স-রে রিপোর্টে দেখা যায়, তার ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুল ভেঙে গেছে। এছাড়া মাশরাফির ডান ঊরুর মাংসপেশিতে বলের আঘাতে রক্ত জমেছে। পায়ে টিউমার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দেখেশুনে মনে হচ্ছে ইনজুরি যেন বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ।

তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান চিকিৎসক দেবাশিস চৌধুরী জানিয়েছেন, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই ফিট হয়ে যাবেন মাশরাফি। বুধবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রধান চিকিৎসকের সঙ্গে নিজের অবস্থা নিয়ে কথা বলেন মাশরাফি। পরে দেবাশিস বলেন, ‘মাশরাফির কনিষ্ঠ আঙুলের আঘাত গুরুতর। এই ধরনের ইনজুরি সারতে তিন সপ্তাহ লাগে। এরইমধ্যে কিছুটা সময় চলে গেছে। আশা করি, দুই সপ্তাহের মধ্যে খেলার অবস্থায় ফিরে আসবে মাশরাফি।’

তিনি বলেন, ‘তার ঊরুতে ছোট ইনজুরি রয়েছে। দু’একদিনের মধ্যে জানতে পারব চোট কতটা গুরুতর। পায়ে বল সরাসরি আঘাত করেছিল। এতে ঊরুতে রক্ত জমে যায়। স্ক্যান করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, রক্ত জমাট বেঁধেছে। আমরা কাল (আজ) আরও একটা স্ক্যান করাব। যদি জমাট রক্ত না হয়ে অন্য কিছু হয়, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেটা অপসারণ করা যাবে।’

এদিকে চিকিৎসকরা তার হাতের আঙুলের ইনজুরিকে বড় কিছু মনে করলেও মাশরাফির কাছে তা মনে হচ্ছে না। দেবাশিস বলেন, ‘আমরা বিষয়টা যত বড় মনে করছি মাশরাফি তা করছে না। সে বলছে এই ইনজুরি নিয়ে বোলিংয়ে কোনো সমস্যা হচ্ছে না তার।’

এদিকে তামিম ইংল্যান্ড থেকে ফিরে তার বাঁ-হাতের ইনজুরি নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন। দেবাশিস জানিয়েছেন, তিন সপ্তাহ তামিমের রিহ্যাব চলবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গ্রেগ হয়কে বাঁ-হাতের কনিষ্ঠ আঙুল দেখাতে আজকালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া যাবেন সাকিব আল হাসান। মুশফিকুর রহিমের ইনজুরি নিয়ে দেবাশিস বলেন, ‘তার রিভ ট্রমা ও রিভ ফ্র্যাকচার আছে। বিশ্রাম দরকার। এক সপ্তাহ পর আবার তাকে দেখা হবে।’