লক্ষ্মী এখন প্রাসাদে থাকেন

  জয়া ফারহানা ০৮ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

লক্ষ্মী এখন প্রাসাদে থাকেন
ছবি: সংগৃহীত

প্রবাদ আছে- গোলাভরা ধান, গোয়ালভরা গাই, পুকুরভরা মাছ/ বাড়ির পাঁদারে গাঁছা/ বউ বেটির কোলে বাছা/ গাইয়ের কোলে নই/ লক্ষ্মী বলেন ওখানেই রই। হতে পারে যখন ‘অবাধ মুক্তবাজার’ ব্যবস্থা ছিল না; লক্ষ্মী তখন এমন বর্ধিষ্ণু গৃহস্থ পরিবেশেই থাকতেন।

এখন থাকেন না বলে এই প্রবাদের কোনো কার্যকারিতা আর নেই। ‘যাহা বলিব সত্য বলিব, সত্য বৈ মিথ্যা বলিব না’- কমলাকান্তের মতো এমন প্রতিজ্ঞা নিয়ে লিখলে লিখতে হয়, এমন নিরুপদ্রব নিটোল ছিমছাম পরিবেশে লক্ষ্মীকে খুঁজে পাওয়া দায়। এখন তিনি যেসব অট্টালিকায় থাকেন, তার ‘নাম-সাকিন’ প্রকাশ করা ঝুঁকির ব্যাপার। নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের প্যাঁচে পড়ার ঝুঁকি।

সম্প্রতি লক্ষ্মীপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল- দেবী লক্ষ্মীকে সন্তুষ্ট করার অভিপ্রায় নিয়ে। পূজার আন্তরিক উপাচার-আয়োজনে এবং আরাধনায় যারা সচেষ্ট ছিলেন; প্রায় নিশ্চিত করে বলা যায়, লক্ষ্মীর ঘট সেখানেও উপচে পড়েনি। কর্পোরেটায়নের এই যুগে মা লক্ষ্মী তাহলে কাদের বর দিচ্ছেন? দুর্মুখেরা অবশ্য বলেন- মা লক্ষ্মীর কৃপা সবচেয়ে বেশি পাচ্ছেন সহমত ভাই ও সহমত বোনেরা। দুর্মুখ এবং নিন্দুকদের কথা বিশ্বাস না করার নির্দেশ আছে। সে নির্দেশ অলঙ্ঘনীয়।

২.

আত্মবিশ্বাস, বুদ্ধি, পরিশ্রম, দক্ষতা, মেধা কিংবা চ্যালেঞ্জ নেয়ার সক্ষমতা নয়; কেবল সহমত পোষণ করার কারণে মা লক্ষ্মী সহমত ভাইদের ঝাঁপি উপচে বর দিচ্ছেন- এমন বিশ্বাস একুশ শতকের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রাযুক্তিক সময়ের অপমান। চারপাশে অনন্ত অসীম প্রতিযোগিতা। কী আচরণ হবে সহকর্মীদের সঙ্গে, কীভাবে হ্যান্ডল করা হবে বসকে, কী রকম ম্যানার্স রপ্ত করতে পারলে সোশ্যাল গ্যাদারিংয়ে সুপার সেলিব্রেটির তকমা পাওয়া যাবে- গ্র“মিংয়ের জন্য চারপাশে রয়েছে হাজার হাজার গ্রুমড প্রতিষ্ঠান।

নতুন পরিপ্রেক্ষিতে নিজেকে আবিষ্কারের তাগিদে হোক আর ক্যারিয়ারগ্রাফের ছবি মাথায় রেখেই হোক, দশটা-পাঁচটা চাকরির চেনা চৌহদ্দি পেরিয়ে চ্যালেঞ্জিং পেশার সীমানায় প্রবেশ করছেন তরুণ প্রজন্ম। পেশাদারী জগতে নিজেদের দক্ষতা, প্যাশান আর মুন্সিয়ানার ছাপ রাখছেন। পুরুষ আধিপত্যময় পেশার দুনিয়ায় যেসব পেশায় সচরাচর পা রাখে না মেয়েরা; সেখানেও কোনো কোনো মেয়ে তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন।

ফুটবল-ক্রিকেটে সাফল্য ছাড়াও কেউ হয়েছেন সুপার মিক্সোলজিস্ট, কেউ রেফারি, কেউ ডিস্ক জকি, কেউ হয়েছেন আর্কেডিয়ান। ওয়াইল্ড ফটোগ্রাফার হয়ে নিয়মিত ফটোগ্রাফির ওয়ার্কশপ করাচ্ছেন- আছেন এমন সফল পেশাজীবী নারী। কেউ বেছে নিয়েছেন বেকিং-কুকিং। কেউ বুটিক শপে দুর্দান্ত কালার কো-অর্ডিনেশনের কাজ করছেন। আছেন আর্কাইভিস্ট ফটোগ্রাফার, ফটো রিসার্চার। ছবি সংরক্ষণও যে একটি পেশা হতে পারে, তা আমরা জেনেছি বহু বিলম্বে।

ছবি সংরক্ষণের কাজটিকে যত আরামের ভাবছেন, মোটেও তা নয়। একজন ছবি সংরক্ষককে জানতে হয় ছবির যাবতীয় খুঁটিনাটি। এসথেটিক্স, গবেষণা, ডিজিটাল এবং আর্টিফ্যাক্ট পরিবেশন। মকটেল তৈরিতে অনন্য সৃজনশীলতা দেখিয়ে বার টেন্ডিংয়ে সুপার সেলিব্রেটির দেখাও মিলছে। আর ফ্ল্যাট বদলের প্যাকেজিং থেকে শুরু করে বিয়ে, হানিমুন বেবিমুন, ফ্যামিলি ট্যুরসহ যাবতীয় সব কাজই ঢুকে যাচ্ছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের পেটে। নিতান্ত শখ থেকে সার্ফ ক্লাব খুলে সার্ফিং শিখিয়ে রোজগার করছেন এমন দ্ষ্টৃান্তও আছে।

একে শুধু রোজগারের মাধ্যম হিসেবে দেখলে ভুল হবে। বিপজ্জনক ঢেউকে মোকাবেলা করতে গিয়ে সার্ফিং জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতের সঙ্গে লড়াই করতেও শেখায়। শুনতে পাই, ওয়েট লসে ইচ্ছুকদের জন্য ইন্টেলিজেন্ট মিল প্ল্যানারদের রোজগার দারুণ। কেউ বেবি সিটিংয়ের কাজ করে ভালো রোজগার করছেন। তারও চেয়ে ভালো রোজগার নাকি অন্যের বাড়ির পোষ্যকে ব্যায়াম এবং দেখাশোনার কাজটি যারা করেন তাদের।

কোনো পেশাই ফেলনা নয়। হয়তো ভাবছেন কৌলিন্যের দাঁড়িপাল্লায় এসব পেশার কোনো মানই নেই। কুলীন পেশার কোনো রেসিপি কি আমাদের জানা নেই? অবশ্যই আছে।

তবে পেশা নিয়ে কৌলিন্যবোধ এক নিরর্থক অহম; যার ভূমিকা কেবল সমাজে বৈষম্য বাড়ানো। কেবল কর্পোরেটরাই কোন জনপদকে জীবন্ত এবং সঞ্চরণশীল রাখেন- এমন কথা জোর দিয়ে বলার সুযোগ নেই। জীবন অপরিমেয় গভীর। এখানে কেবল অ্যাডভার্টাইজিং প্রফেশনালরাই সৃজনশীল- এমন মন্তব্যে নিরর্থক অহঙ্কারের সুর আছে, সত্য নেই।

আপাত সাধারণ আটপৌরে পেশার মধ্যে রয়েছে বহুমাত্রিক সৃজনশীলতা- তা বোঝার জন্য কেবল দৃষ্টিশক্তি যথেষ্ট নয়, একটি অনুভূতিপ্রবণ মনও থাকা দরকার। তা নেই বলেই আদিবাসীদের হাতে ঘাসের তৈরি ব্যাগ, চারপাই, ময়মনসিংহ-জামালপুরের নকশিকাঁথা আটলান্টিকের ওপারে গেলেই আদর পায়। আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনায় এদের রক্ত চুষে নেয়ার জন্য তৈরি থাকে মধ্যস্বত্বভোগী, উপ-স্বত্বভোগী, শাখা স্বত্বভোগী। ফলে এরা বাঁচতে বাঁচতে মরে, মরতে মরতে বাঁচে।

অর্থমন্ত্রী বলেছেন- দেশে এখন তিন কোটি মানুষ দরিদ্র; যাদের মধ্যে এক কোটি অতি দরিদ্র। যে হারে দারিদ্র্য কমার কথা ছিল, সে হারে কমছে না। অন্তত দুই শতাংশ হারে দারিদ্র্য কমার কথা ছিল, কিন্তু কমেনি। স্বয়ং অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য- এই কর্মচাঞ্চল্য কাজ না করলে অন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। কুড়িগ্রাম জেলার প্রতি একশ’ জনে একাত্তর জন দরিদ্র। এদের মুমূর্ষু অর্থনীতির অসুস্থ নিঃশ্বাস উন্নয়নের জোয়ারকে সংক্রমিত করবে বৈকি! ব্যাধিই তো সংক্রামক; স্বাস্থ্য নয়।

যুগান্তর রিপোর্ট করেছে- অতীতের সব রেকর্ড ভেঙ্গে একনেক হাজার হাজার কোটি টাকা অনুমোদন দিচ্ছে। ৩৫৫ একর জমির ওপর ২৮টি হাইটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনাও আছে। ভালো হয় এসব মেগা প্রকল্পের পাশাপাশি সরকার যদি স্থানীয় শিল্পকে স্থানীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে একটু টিকে থাকার ব্যবস্থা করেন।

প্রতিযোগিতার এ বাজারে প্রত্যেক পেশাজীবী নিজের পেশার ধার বাড়াতে নিরন্তর আপডেট থাকতে চান। কিন্তু সবাই কি সবকিছু আত্মীকরণ করতে পারেন? হলিডে প্ল্যানিং থেকে শুরু করে সিনেমার টিকিট কাটা, অনলাইনে শপিং- এমনকি ডাক্তারের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্টও এখন একটি মাউস ক্লিকের মুঠোর মধ্যে।

তবে সবাই তো একই গতিতে প্রযুক্তিবান্ধব হতে পারেনি। অনেক পেশাজীবী আছেন, যারা তাদের পেশার সঙ্গে কীভাবে প্রযুক্তির সংযোগ ঘটাবেন; তা আত্মস্থ করতে পারেননি। আবার সব পেশারই প্রাযুক্তিক রূপান্তর সম্ভব কিনা, সে এক প্রশ্ন। সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটের সঙ্গে সংযোগ কম- এমন অনেক পেশা বিলুপ্তির পথে।

এ পেশাজীবীরা দারিদ্র্যের ভারে পীড়িততর। গরু-মহিষের পা মচকানি, ঘা, বাতরোগ, খুরারোগের মতো বিচিত্র রোগের চিকিৎসা করতেন আহিরু গোয়ালারা। তারা কীভাবে ইন্টারনেটে নিজেদের আপডেট রেখে পেশার উৎকর্ষ দেখাবেন? অতএব এ পেশা এখন অন্তিম প্রহর গুনছে।

শুধু গরুর কথাই বা বলি কেন; ম্যালেরিয়া-কালাজ্বর-কলেরার মতো রোগে কবিরাজ বাড়ির দেয়া শিউলি পাতার রস আর পাচন খেয়ে সুস্থ হননি- এমন অনার্য উনবিংশ শতাব্দীতে পাওয়া মুশকিল ছিল।

জ্বরের নির্দিষ্ট দিনে কাঁচা হলুদমাখা কাপড়ে জলজ গাছের পাতা কচলানো রস খেলেই জ্বর খতম। সিলেটের বিশেষ বিশেষ লেবুরও রয়েছে জ্বর নিরাময়ের এই বিশেষ গুণ।

সৌন্দর্যের দুনিয়ায় জাপানের রাইস ওয়াটার কিংবা পশ্চিম আফ্রিকার শিয়া বাটার- এসব জনপ্রিয় উপকরণের নাম জানেন না; এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। বিত্তবানরা সৌন্দর্যের তাগিদে সুদূর চীন থেকে কেওলিন ক্লে নিয়ে আসতে পারেন কিন্তু আমাদের আয়ুর্বেদ শাস্ত্রকে করেন অবহেলা। কেবল রোগীর পালস বুঝে ডাক্তাররা বলে দিতেন আয়ুষ্কাল। সময়ান্তরে আয়ুর্বেদ পেশারও জীর্ণদশা।

এখন এসেছেন ভেটেরিনারি ডাক্তার। আহিরু গোয়ালাদের কাছে গরু-মহিষ ছিল সন্তান সমতুল্য। অনেক ভেটেরিনারি ডাক্তারেরই সেই আন্তরিকতা নেই। এরা তাদের কাছে নিছক পশু। টানা বৃষ্টি কিংবা কঠিন রোদের দিনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাতা মেরামত করতেন যেসব ছাতারু, কোথাও কি তাদের দেখা যায়? মেরামত শব্দটি উঠেই গেছে।

জুতা-স্যান্ডেল, কাঁসার থালা থেকে শুরু করে ডিভিডি প্লেয়ার, টেলিভিশন সবই এখন মেরামত অযোগ্যভাবে তৈরি। থার্মোকলের বাসনপত্র কিংবা ওয়ানটাইম বলপেনের মতো। লাঙল, মই, জোয়াল, ঈষ তৈরি ও মেরামতের জন্য ছুতার পেশাজীবীদের কি দেখেন? মাটির হাঁড়ির সরার ওপর নকশা করতেন যেসব পটুয়া, তারও দুর্লভ।

পটুয়া শিল্পী হিসেবে যারা নিজেদের দাবি করেন, তারা ঠিক খাঁটি পটুয়া নন। সিরামিক স্টিল, মেলামাইন, পোর্সেলিন কিংবা ‘বোন-চায়না’র দাপটে মাটির পাত্র হয়েছে ব্রাত্য।

সিঙ্গাহাম, ক্ষোম, খুইয়া, ফেমি আর ডলনকাঠির অভাবে প্রতিদিনই বন্ধ হচ্ছে তাঁতশিল্প। হাতুড়ি, জাঁতা, কয়লা, আগুন, ছেনি, সাঁড়াশি, র‌্যাথ, শাবল, লোহা, ব্যানা, কেরোসিন এবং লবণ-পানি নিয়ে বাড়ি বাড়ি দা- বটি, খোন্তা-কোদাল, ছুরি-শাবল, কাঁচি-রায়েন্দা, বাঁটাল-নিড়ানি, আঁচড়া ও লাঙলের ফলা বানাতেন যে কামাররা- কোথায় তারা?

কামারশালে গলিত লোহার ফুলকির তেজও কমছে। লাঙলের ফলা বানানোর দরকারও হয়তো ফুরিয়েছে; এসে গেছে ট্রাক্টর। ক্লিনিং-ডায়িং এজেন্টদের দাপটে ধোপারা এখন ধূসর অ্যালবামের ছবি। পুকুরে গোসল করা মেয়েদের অলঙ্কার খসে গেলে তা কাদা ছেঁকে বের করে আনা হতো বাঁশের তৈরি ত্রিকোণ জই বা ওচা দিয়ে। এটাই ছিল কিছু লোকের জীবিকা।

ধান মাড়ানো, ছাদ পেটানো, তাঁত চালানো কিংবা ফসল কাটার সময় সারিগানের উদ্দীপক সুর আর শোনা যায় না। এই শ্রমজীবীদের জায়গার দখল নিয়েছে যন্ত্র।

কিছুদিন আগ পর্যন্ত পারিবারিক-সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্যায়নের প্রথম আমন্ত্রণ-অনুষঙ্গ ছিল পান। রুপার বাটায় ভেজা কাপড়ে তবক মোড়া মিষ্টি মঘাই ফিকে সবুজ রঙের পানের জায়গা দখলে নিয়েছে ওয়েলকাম ড্রিংকস।

পানের বরজের বারুইরা টিকে থাকতে পারছেন না। কুয়াইত্তা নামের আরেক শ্রেণীর পেশাজীবী উঠোন, ঘরের ভিটা ও পুকুর কাটার কাজগুলো করতেন। এখন এ কাজ করেন পলিটিক্যাল ঠিকাদারদের দলীয় লোকজন।

কেমন আছেন জেলে, ডোম, কাহার ও বাউড়িরা? মনে পড়ে, ঝাড়-ফুঁক, তাবিজ-কবজ কিংবা সিঙ্গা লাগানো ভাসমান বেদেদের; বাতের স্থানের চামড়া ছিদ্র করার জন্য কাকিলা মাছের ধারালো দাঁত আর গরুর শিং ব্যবহার করতেন যারা? দাঁতের ক্যারিজকে পোকা বলে চালিয়ে তা তুলতে গরিবি প্রতারণার আশ্রয় নিতেন। আহা! এই সামান্য প্রতারণার জন্য কত মন্দই না ভেবেছি তাদের।

৩.

এখন বুঝি, নিতান্ত পেট বাঁচানোর তাগিদে এই যৎকিঞ্চিত প্রতারণাটুকু ছাড়া বাঁচার উপায় ছিল না তাদের। কিন্তু পেটের দায় নয়, বাঁচার তাগিদে নয়; সামান্য পয়সার জন্যও নয়- তারকাখচিত ধনীদের নামের তালিকা প্যারাডাইস বা পানামা পেপার্সে উঠানোর জন্য যারা দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে; তাদের সঙ্গে তুলনা করলে বেদেদের প্রতারণা ধর্তব্যই নয়। লক্ষ্মী এখন এদের বাড়িতেই বাস করেন।

জয়া ফারহানা : গল্পকার ও প্রাবন্ধিক

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter