প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশিষ্টজনদের শুভেচ্ছা বাণী

  যুগান্তর ডেস্ক    ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দুই দশকে যুগান্তর

সত্য তুলে ধরতে আপসহীন যুগান্তর

রওশন এরশাদ

২০ বছরে পদার্পণ করায় যুগান্তর পরিবারকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। যুগান্তর বাংলাদেশের পাঠকের কাছে অত্যন্ত প্রিয় একটি পত্রিকা। প্রথম থেকেই এ পত্রিকাটি সত্য তুলে ধরতে একটা আপসহীন অবস্থান ধরে রেখেছে। আর এ কারণে যুগান্তর বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিকের মধ্যে শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে। আমি আশা করি- সৎ, সাহসী এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় যুগান্তর আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সত্যকে দৃঢ়ভাবে প্রকাশ করবে। দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা বলবে। আমি যুগান্তরের সাফল্য কামনা করছি। পত্রিকাটি আরও এগিয়ে যাক, এ প্রত্যাশা করছি।

রওশন এরশাদ এমপি, সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টি

ন্যায়নিষ্ঠ সাংবাদিকতা থেকে একপাও পিছু হটেনি

জিএম কাদের

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুগান্তরকে শুভেচ্ছা। দীর্ঘ ২০ বছরের পথ চলায় যুগান্তর সবসময় মাটি ও মানুষের কথা বলেছে। মানুষের ভালো-মন্দ নিয়ে ভেবেছে। সত্য ও ন্যায়নিষ্ঠ সাংবাদিকতা থেকে একপাও পিছু হটেনি যুগান্তর। গণতন্ত্র, আইনের শাসন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা- প্রতিটি ক্ষেত্রে যুগান্তর সহায়ক শক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে। শুধু তা-ই নয়, সমাজের দর্পণ হিসেবে সাহসের সঙ্গে কাজ করেছে যুগান্তর। কাগজটি যেমন সমাজের নানা অসঙ্গতি নির্দ্বিধায় তুলে ধরেছে। তেমনি সম্ভাবনার কথাও বলেছে। খবরের পেছনের খবরও যেমন দিতে চেস্টা করে যুগান্তর, তেমনি শহর থেকে গ্রাম- সব জায়গার খবরও পত্রিকাটি তুলে ধরার চেষ্টা করে। যুগান্তরের আগামী দিনের পথচলা আরও সুন্দর হোক। মাটি ও মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাগজটি আরও এগিয়ে যাক।

জিএম কাদের, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি ও বিরোধীদলীয় উপনেতা, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ

যুগান্তরের প্রতিবেদন থেকে শিক্ষা নেয়া যায়

ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম

একটি জনপ্রিয় এবং ভালো পত্রিকা যুগান্তর। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যেসব ঘটনা ঘটছে, বস্তুনিষ্ঠ বিশ্লেষণসহ তারা প্রতিবেদন তুলে ধরছে। এসব প্রতিবেদনের মধ্যে সমস্যা ও সম্ভাবনা থাকছে। এ প্রতিবেদন থেকে অনেকে শিক্ষা নিতে পারে। আশা করি, আগামী দিনেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। আমি যুগান্তরের সমৃদ্ধি কামনা করছি।

লেখক : সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা

যুগান্তর গণমানুষের কাগজ

মশিউর রহমান রাঙ্গা

যুগান্তরের বিশ বছরে পদার্পণে আন্তরিক শুভেচ্ছা। যুগান্তর গণমানুষের কাগজ। প্রথম থেকেই এ পত্রিকাটি গণমানুষের কথা বলে আসছে। সমাজের অসঙ্গতি এবং বৈষম্য তুলে ধরার ক্ষেত্রেও যুগান্তরের ভূমিকা অনন্য। পত্রিকাটি দলমত নির্বিশেষে নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখায় সবার প্রশংসা অর্জন করেছে। আমি যুগান্তরের আরও সাফল্য কামনা করি। পত্রিকাটি এগিয়ে যাক। ন্যয়-নীতির পক্ষে পত্রিকাটির যে অবস্থান, তা অনঢ় থাক। কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের কাগজ এখন যুগান্তর। সৎ-সাহসী সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে মানুষের হৃদয়ে এ কাগজটি আরও দৃঢ়ভাবে স্থান করে নিক- এমনটাই আমরা প্রত্যাশা করি। আশা করি, মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করেই দৃপ্তপায়ে এগিয়ে যাবে যুগান্তর।

মশিউর রহমান রাঙ্গা, মহাসচিব, জাতীয় পার্টি

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহসী ছিল যুগান্তর

ড. মোস্তাফিজুর রহমান

দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহসী ভূমিকা রেখেছে যুগান্তর। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে ছিল বস্তুনিষ্ঠ। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সংবাদ বিশ্লেষণ করে পাঠকের সামনে তুলে ধরেছে। রাজনৈতিক সংবাদেও গুরুত্ব দিয়েছে। এটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। আমরা মনে করি, আগামী দিনেও সেটি অব্যাহত থাকবে। এর বাইরেও অর্থনৈতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও অনুসন্ধানীমূলক খবর প্রচার করে আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা আনতে সহায়তা করবে যুগান্তর। তুলে ধরবে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার বিষয়গুলোও। এ ছাড়াও যারা দেশের বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্লেষণ করেন, যুগান্তর তাদের একটি প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে- এমনটাই প্রত্যাশা।

লেখক : ফেলো সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)

যেখানে ব্যবসায়ীরা পেয়েছেন আলোচনার সূত্র

শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন

আমি যুগান্তরের একজন নিয়মিত পাঠক। শুরু থেকে এ পত্রিকাটি সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখেছে। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের সব তথ্যভিত্তিক খবর পাওয়া যায় যুগান্তরে। এমন অনেক খবর যুগান্তরে প্রকাশিত হয়েছে, যেখান থেকে ব্যবসায়ীরা আলোচনার সূত্র পেয়েছেন। আগামী দিনে যুগান্তর কর্তৃপক্ষ এ ধারা অব্যাহত রাখবে এবং দেশ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি। আমি যুগান্তরের সাফল্য কামনা করছি।

শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, এফবিসিসিআই সভাপতি

সমাজ সংস্কারে দায়িত্ব পালন করছে যুগান্তর

সিদ্দিকুর রহমান

প্রথম সারির পত্রিকা হিসেবে যুগান্তর সমাজ সংস্কারে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। শুরু থেকেই সংবাদ পরিবেশনে একটি স্বতন্ত্র ধারা বজায় রেখেছে যুগান্তর। এ কারণে পাঠকপ্রিয়তার শীর্ষে থেকে ১৯ বছর পার করে ২০তম বছরে পদার্পণ করতে পেরেছে। এ পত্রিকাটি বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করে সত্য খবর দেয়ার চেষ্টা করে। যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এর সাংবাদিক, কলাকুশলীদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি এবং আগামী দিনে আরও সমাজ সংস্কারে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।

সিদ্দিকুর রহমান, বিজিএমইএ সভাপতি

টেক্সটাইল খাতের মঙ্গল বয়ে এনেছে যুগান্তর

মোহাম্মদ আলী খোকন

যুগান্তর ২০তম বছরে পদার্পণ করায় অন্যান্য পাঠকের মতো আমিও আনন্দিত। এ পত্রিকাটি টেক্সটাইল সেক্টরের নানা সমস্যা নিয়ে সময়ে সময়ে প্রতিবেদন প্রচার করেছে, যা এ খাতের জন্য মঙ্গল বয়ে এনেছে। আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত রাখবে বলে আশা করি। পাশাপাশি মানুষের দুর্ভোগ তথা রাষ্ট্র গঠনে সংবাদ পরিবেশন করবে। আমি যুগান্তরের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।

মোহাম্মদ আলী খোকন, বিটিএমএ সভাপতি

ঘটনাপ্রবাহ : ২০ বছরে যুগান্তর

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×