আইনটির সংশোধন কেন জরুরি

  এস এম নাজের হোসাইন ১৪ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভোক্তা অধিকার আইন

দীর্ঘদিন যাবৎ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়ে আসছিল। তবে ভোক্তা অধিকার বলতে অনেকে দ্রব্য ও খাদ্যে ভেজালকে বুঝে থাকলেও প্রকৃতপক্ষে মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে জড়িত অধিকার ও সেবাগুলোকে ভোক্তা অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে জাতিসংঘ।

সে হিসেবে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার পাশাপাশি নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদান, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মোবাইলে আর্থিক লেনদেন, জীবিকা নির্বাহ, নিরাপদ যাতায়ত, মুক্ত মতপ্রকাশ, নির্মল পরিবেশ সবকিছুই ভোক্তা অধিকারের আওতাভুক্ত।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ভোক্তা স্বার্থ-সংরক্ষণ ও ভোক্তাদের ক্ষমতায়নে নানামুখী কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

একইসঙ্গে দেশে ভোক্তা স্বার্থ-সংরক্ষণে একটা যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের জন্যও দীর্ঘদিন যাবৎ আন্দোলন, সংগ্রাম ও বিভিন্নভাবে কাজ করে আসছে। ১৯৮৫ সালের ৯ এপ্রিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৩৯তম অধিবেশনে জাতিসংঘ বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রের সরকারকে ক্রেতা স্বার্থ সমুন্নত রাখার নির্দেশনা জারি করে। এই নির্দেশনার প্রেক্ষিতে সরকারের উপরও এই আইন তৈরির দায়িত্ব চলে আসে।

পরবর্তী সময়ে ১৯৯০ সালের জুলাই মাসে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশসমূহের সভায় গৃহীত প্রস্তাবের আলোকে ১৯৯২ সালে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ক্যাব’র উদ্যোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন প্রণয়নের কাজ শুরু হয়।

ক্যাব ভারত, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশের সংশ্লিষ্ট আইন পর্যালোচনা শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ১৯৯৮ সালে এই আইনের প্রথম খসড়া প্রণয়ন করে এবং পুস্তিকা আকারে প্রকাশ করে। এরপর বহুবার এটার খসড়া-পাল্টা খসড়া প্রণীত হয়েছে।

বিগত বিভিন্ন সরকারের সময় খসড়া আইনটি কয়েকবার মন্ত্রিসভায় উপস্থাপিত হয়েছে এবং মন্ত্রিপরিষদে নীতিগত অনুমোদন হয়েছে পাসের জন্য। কিন্তু এটি আর আলোর মুখ দেখেনি।

বহু চড়াই-উৎড়াই পেরিয়ে ক্যাব’র কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটিগুলোর ক্রমাগত চাপের প্রেক্ষিতে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শেষ দিকে ৬ অক্টোবর ২০০৮ আইনটি অধ্যাদেশ আকারে জারি হয় এবং ১৩ অক্টোবর গেজেট আকারে প্রকাশ হয়।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই অধ্যাদেশটি কিছু সংযোজনসহ গত ১ এপ্রিল ২০০৯ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। ৫ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করেন এবং ৬ এপ্রিল গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

মজার ব্যাপার হল, এই আইনের বিলের বিপক্ষে সংসদে একটা ভোটও পড়েনি অথচ এই জনগুরুত্বপূর্ণ আইনটাকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নিয়ে যেতে ক্যাবকে ১৮ বছর ধরে রাজপথে বহু আন্দোলন সংগ্রাম করতে হয়েছে।

ক্যাব’র দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল আইনটি পুরোপুরি ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণ না করলেও এটিকে শুভ সূচনা ধরে ক্যাব এগোতে চায়। বিগত সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রীরা নিজেরাও বর্তমান আইনের কিছু সংশোধনী প্রয়োজন বলে মত দিয়েছিলেন।

এই আইনে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও ভোক্তা অধিকার বিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ২৯ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় ভোক্তা অধিকার পরিষদ ও ১১ সদস্যবিশিষ্ট জেলা ভোক্তা সংরক্ষণ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। মূলত এই পরিষদ ও কমিটির মাধ্যমেই এই আইনের সমস্ত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে যেসব বিষয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে

পণ্যের মোড়ক ইত্যাদি ব্যবহার না করা

মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা

সেবা মূল্যের তালিকা সংরক্ষণ ও প্রদর্শন না করা

ধার্যকৃত মূল্যের অধিক মূল্যে পণ্য, ওষুধ বা সেবা বিক্রি করা

ভেজাল পণ্য ও ওষুধ বিক্রি করা

নিষিদ্ধ দ্রব্যের মিশ্রণ করা

অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ

মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাকে প্রতারণা করা

প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রি বা সরবরাহ না করা

ওজন ও পরিমাপে কারচুপি করা

নকল পণ্য উৎপাদন করা

মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বা ওষুধ বিক্রি করা বা প্রস্তাব করা

অবহেলা ইত্যাদির মাধ্যমে সেবা গ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য জীবনহানি ইত্যাদি ঘটানো

মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের ইত্যাদি।

যে কোনো ব্যক্তি উপরোক্ত অপরাধগুলোর যে কোনো একটি সংঘটিত করলে এবং এই আইনের অধীনে দোষী প্রমাণিত হলে অনধিক পঞ্চাশ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা এবং এক বছর থেকে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার সুযোগ আছে।

এ আইনের সীমাবদ্ধতা

এই আইনের ০২ নং ধারায় সংজ্ঞার আওতায় যে বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে তাতে কিছু কিছু সংজ্ঞা পরিষ্কারভাবে ও বিস্তৃত আকারে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ‘খাদ্য পণ্য’-এর সংজ্ঞা। এ ক্ষেত্রে পিওর ফুড অর্ডিনেন্স ১৯৫৯-এর আওতায় ‘ফুড’-এর সংজ্ঞা অধিক গ্রহণযোগ্য। আবার ভোক্তারা অনেকভাবে ‘মিথ্যা বিজ্ঞাপন’-এর মাধ্যমে প্রতারিত হলেও আইনে ‘মিথ্যা বিজ্ঞাপন’ (misleading advertisement)-এর সংজ্ঞা উল্লেখ করা হয়নি।

এই আইনে অন্যায্য চুক্তি (unfair contract) বা একপক্ষীয় চুক্তি (one sided contract) বিষয়ে ভোক্তাদের সুরক্ষার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে উল্লেখ নেই।

এই আইনের প্রথম অধ্যায়ের ২২ নং ধারায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান যেমন- ব্যাংক, ফাইন্যান্সিং, ইন্স্যুরেন্স, মোবাইল ব্যাংকিংসহ অন্যান্য আর্থিক ‘সেবা’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ ছাড়া বোর্ডিং, লজিং, বাসা/স্থান ভাড়া, ইন্টারনেট, ডিশ লাইন, বাসাবাড়িতে ব্যবহার্য ইলেক্ট্রনিক ও বৈদ্যুতিক আইটেম, ই-কমার্স, প্রশিক্ষণ/টিউশন/কোচিং, ডাক ও কুরিয়ার সার্ভিস অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এই আইনের ধারা ৬২(৩) ও ৭৬(৬) অনুযায়ী যিনি অভিযোগকারী, তাকে নিজেকেই গবেষণাগারে নকল বা ভেজাল নমুনা পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত অর্থ বা ফি জমা দিতে হবে। এটি অভিযোগকারীর সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অভিযোগ দায়েরের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা।

এই আইনের অধীন ভোক্তা অধিকার বিরোধী কোনো কাজের কারণ উদ্ভব হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে মহাপরিচালক কিংবা অধিদফতরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দায়ের করতে হবে যা বাস্তব ক্ষেত্রে অনেক সময় সম্ভব না হওয়ায় ভোক্তাদের অভিযোগ দায়েরের সুযোগ থাকে না। এ রূপ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইনে ভারতে ১ বছর ও মালয়েশিয়ায় ৩ বছর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই আইনের ৬০নং ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযোগকারী সরাসরি আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে না। অভিযোগকারীকে মহাপরিচালক কিংবা অধিদফতরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দায়ের করতে হবে যা অভিযোগ দায়ের করার ক্ষেত্রে একটি প্রধান বাধা।

আইনের ৭১নং ধারা অনুযায়ী ভোক্তা অধিকার কার্যবিরোধী কাজের অভিযোগে অভিযোগকারী প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কোনো মামলা সরাসরি করা যায় না। পৃথিবীর সব দেশে ভোক্তা আইনের পৃথক আদালত ব্যবস্থা আছে।

এই আইনের ৬১নং ধারা অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে মামলা দায়েরের জন্য অভিযোগপত্র দাখিল না করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট অপরাধ বিচারার্থে আমলে নেবেন না। এর ফলে ভোক্তা অধিকার রক্ষা হবে না।

এই আইনের ৬১নং ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণ না করলে তার কারণ জানানোর বা তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে অভিযোগকারীকে জানানোর বাধ্যতামূলক কোনো ব্যবস্থা নেই।

এই আইনের ৭৩নং অনুযায়ী বেসরকারি খাতে পরিচালিত স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতে পরিলক্ষিত ত্রুটি-বিচ্যুতি বিষয়ে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা অধিদফতরের মহাপরিচালক গ্রহণ করতে পারেন না, যার ফলে স্বাস্থ্য খাতে পরিলক্ষিত ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এই আইনের অধীনে ছোট-খাটো অভিযোগ অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্ষতির অভিযোগ স্থানীয়ভাবে বিকল্প অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা (Alternative Dispute Resolution Mechanism) রাখা হয়নি যাতে সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র বা নিরক্ষর ভোক্তার বিচার পাওয়ার অধিকার অধিকতর সুরক্ষিত হয়। পৌর, উপজেলা, ইউপি চেয়ারম্যান, ক্যাব প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি সমন্বয়ে সালিশি কমিটির মাধ্যমে এ বিষয়গুলোর মীমাংসা করা যেতে পারে।

এই আইনের ৭৮নং ধারা অনুযায়ী বিক্রেতা কোনো ভোক্তা অধিকার বিরোধী কাজের সঙ্গে জ্ঞাতসারে সংশ্লিষ্টতা না থাকলে যে দায় হতে অব্যাহতি দেয়ার কথা বলা হয়েছে, তার মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দায়ী ব্যক্তিকেও এই ধারার কারণে আইনের আওতায় নেয়া অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব নাও হতে পারে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের শাস্তির মেয়াদ ও অর্থদণ্ডের পরিমাণ বাড়ানো, যেমন- জীবন রক্ষাকারী ওষুধে ভেজাল, খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল ইত্যাদি।

জনগণ যাতে সহজে অভিযোগগুলো জানাতে পারে সে জন্য জেলা পর্যায়ে নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের আদলে ভোক্তা ট্রাইব্যুনাল গঠন। যেখানে সহজে বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি করা যাবে। জেলা পর্যায়ে ট্রাইব্যুনালে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যবসায়ী ও ক্যাব প্রতিানধি সমন্বয়ে বিচারিক পরিষদ গঠন করা।

জাতীয় ভোক্তা কাউন্সিলে ভোক্তাদের প্রতিনিধির সংখ্যা বাড়ানো। জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ভোক্তা প্রতিনিধি হিসেবে ক্যাব-এর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

মজুদ আইনের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করা, স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট-এ ২১ দিন কিভাবে গণনা করা হবে তা পরিষ্কার করা।

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের বিধানটি বাতিল করে তার নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা।

ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন কমিটিতে ভোক্তাদের প্রতিনিধি হিসেবে ক্যাব-এর অন্তর্ভুক্ত করার বিধানটি কঠোরভাবে অনুসরণ করার জন্য সরকারি-বেসরকারি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করা।

বাজার অভিযান, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানার একটি অংশ ক্যাব-এর মাধ্যমে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক ভোক্তা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার উদ্যোগ নেয়া।

বাজারদর ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ প্রশাসন, ভোক্তা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক, জেলা মার্কেটিং অফিসার, ক্যাব প্রতিনিধি, শিল্প বণিক সমিতির প্রতিনিধি ও সাংবাদিক প্রতিনিধি সমন্বয়ে একটি বাজার মনিটরিং কমিটি গঠন করা এবং নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা।

জনগণের বহুল প্রত্যাশিত এই আইনটি যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সংশোধন করে যুগোপযোগী করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করা হবে এবং বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার এ বিষয়ে আশু কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এগিয়ে আসবে এ প্রত্যাশা করি।

এস এম নাজের হোসাইন : ভাইস প্রেসিডেন্ট, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×