এরপরও কি পরিবহন কর্তৃপক্ষের হুঁশ হবে না?

  একেএম শামসুদ্দিন ২২ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাতায়ন

বছর ঘুরতে না ঘুরতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আবারও রাস্তায় নেমে এসেছে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস্ (বিইউপি)-এর শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরী ১৯ মার্চ মঙ্গলবার ভোরে বাস চাপা পড়ে নিহত হওয়ার প্রতিবাদে পুনরায় শিক্ষার্থীরা রাজপথে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। আবরারের এই পরিণতি নিছক মৃত্যু হিসেবেই কি আমরা ধরে নেব?

না সে সুযোগ বোধহয় আমাদের নেই। লাইসেন্সবিহীন বাসচালকের বেপরোয়া বাস চালানোর শিকার আবরার। আবরারের এই মৃত্যু কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। মঙ্গলবার ভোরে ইউনিভার্সিটির বাসে চড়ার জন্য নিয়ম মেনেই জেব্রাক্রসিংয়ের ওপর দিয়ে আবরার রাস্তা ক্রস করছিল।

আবরার রাস্তার মাঝ অবধি ক্রস করতে না করতেই সুপ্রভাত পরিবহনের বাসচালক তার ওপর দিয়ে বাসটি চালিয়ে দেয় এবং বাসচাপা দিয়েও বাসচালক ক্ষান্ত ছিল না, সে আরও বেশ কিছুদূর পর্যন্ত আবরারের থেতলে যাওয়া দেহটিকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গিয়েছিল।

বাসচালকের ভারি গাড়ি চালানোর লাইসেন্স ছিল না বলে জানা যায়। ইউনিভার্সিটির বাসে উঠিয়ে দিতে এসে আবরারের বাবা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আরিফ সন্তানের এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড শুধু অসহায়ের মতো চেয়ে দেখলেন।

এর চেয়ে বড় আঘাত একজন পিতার কাছে আর কী হতে পারে? পরিবহন সেক্টরের নৈরাজ্য বর্তমানে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা সম্ভবত স্বয়ং সরকারও রাখে না।

আবরারের মৃত্যুর পর তার সহপাঠীসহ অন্য শিক্ষার্থীরা যখন অবরোধ করে রাস্তার ওপর বসে গেল, তখন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র অবরোধ প্রত্যাহারের জন্য বিক্ষোভকারীদের অনুরোধ করলেন এবং বিনিময়ে আবরারের নামে একটি ফুটওভার ব্রিজ করে দেয়ার কথা শোনালেন। মেয়র সাহেব ঘাতক বাসচালকের বিচার নিশ্চিত করা, শিক্ষার্থীদের যা যা দাবি আছে তা মানা হবে বলে তাৎক্ষণিক প্রতিশ্রুতিও দিয়ে দিলেন। কিন্তু সেখানে উপস্থিত একজন শিক্ষার্থীও তার কথায় বিশ্বাস রাখতে পারল না। কর্তৃপক্ষের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার পুরনো অভ্যাসে শিক্ষার্থীদের যে কোনো ভরসা নেই সেদিন তারা মেয়র আতিককে তা ভালোভাবেই বুঝিয়ে বিদায় দিল।

ভাবতে অবাক লাগে আমাদের মানবতাবোধ কতটুকু নিচে নেমে গেছে, একজন তরতাজা তরুণের অপমৃত্যু তার সতীর্থদের মধ্যে যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে, সে ক্ষোভ প্রশমনে একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ এবং সে ব্রিজের নামকরণ মৃত তরুণের নামে করে দিতে পারলেই যেন সব হয়ে যায়! বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা মেয়র সাহেবের সেই প্রলোভন তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পেরে ঘৃণাভরে তা প্রত্যাখ্যান করে দেয়। বিনিময়ে তারা তাদের আট দফা দাবি মেয়রকে জানায়। তারা এই আট দফা দাবির মধ্যে অন্তত তিনটি দাবি খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করতে অনুরোধ করেছে। এগুলো হল- দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে ৩০২ ধারায় দ্রুততম সময়ে অপরাধীর বিচার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সুপ্রভাত ও গত বছরে ২৯ জুলাই শহীদ রমিজউদ্দিন কলেজের দু’জন শিক্ষার্থী হত্যার দায়ে দোষী জাবালে নূর পরিবহনের সব বাসের রুট পারমিট স্থায়ীভাবে বাতিল করতে হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে আন্ডারপাস, ওভারব্রিজ, জেব্রাক্রসিং নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা ও তা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে হবে। এখন প্রশ্ন হল শিক্ষার্থীরা ৩০২ ধারার অধীনে বাসচালকের বিচার চেয়ে যে দাবি করেছে তা বাস্তবায়ন সম্ভব কিনা। কারণ গত বছর যে বিধি-বিধান করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, তদন্তসাপেক্ষ যদি প্রমাণিত হয় চালক ‘হত্যার উদ্দেশ্যে’ দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে তাহলেই কেবল ৩০২ ধারা প্রয়োগ করা সম্ভব বা সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া যাবে। এই বিধি-বিধানটির মধ্যে কত বড় শুভঙ্করের ফাঁকি রাখা হয়েছে তা যে কোনো বিবেকবান মানুষের পক্ষে বোঝা কষ্টকর নয়। এই বিধানটি বরং ভিকটিমের পক্ষে না গিয়ে অপরাধীর রক্ষাকবজ হিসেবেই কাজ করবে। কারণ ‘হত্যার উদ্দেশ্যে’ প্রমাণ করার মধ্যে এই ফাঁকি রাখা হয়েছে। আমাদের দেশের যে কোনো অপরাধের তদন্তভার পড়ে পুলিশের ওপর। আজকাল পুলিশকে কাছে টানার শত-সহস্র পথ খোলা আছে। পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করে যদি গাড়ির চালকের মানসিক অবস্থা ভালো ছিল না বা গাড়ি চালানোর সময় চালক মনোযোগী ছিল না ইত্যাদি জাতীয় কিছু লিখিয়ে নেয়া যায় তাহলে পথচারীদের হত্যার পরও ৩০২ ধারা থেকে চালক বেঁচে যেতে পারে বলে অনুমেয়। আবরার হত্যা মামলায়ও তাই ঘটবে বলে অনুমান করা কঠিন নয়। কারণ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্ঘটনা গবেষণা ইন্সটিটিউটের (এআরআই) নিজস্ব প্রাথমিক তদন্ত বলেছে, সুপ্রভাত বাসের চালকের মনোযোগ ঘাটতির কারণে আবরারের মৃত্যু হয়েছে। এআরআই’র সহযোগী অধ্যাপক কাজী মো. সাইফুন নেওয়াজ বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, রাস্তার কোনো ত্রুটি কিংবা আবরারের কোনো ভুলে এ দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়নি। আবরার নিয়ম মেনেই জেব্রাক্রসিংয়ের যে স্থান দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন সেখানে তাকে বাসচালকের না দেখার কোনো কারণ ছিল না। বাসচালকের তাকে দেখতে পাওয়ার কথা। রাস্তায় চোখ রেখে গাড়ি চালালে দেখতে না পাওয়ার কারণ নেই। এ ক্ষেত্রে হতে পারে বাসচালক আবরারকে দেখতেই পায়নি। কারণ জেব্রাক্রসিংয়ে তিনি কোনো ‘হার্ড ব্রেক’-এর চিহ্ন দেখতে পাননি। অতএব এমন হতে পারে যে, চালক মনোযোগী ছিলেন না এবং চালকের মনোযোগের ঘাটতিতেই আবরারের মৃত্যু হয়েছে। এআরআই’র প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট থেকে আমরা কী ধারণা করতে পারি? ইচ্ছাকৃত হত্যা না মনোসংযোগ ঘাটতিজনিত কারণে অপমৃত্যু? হয়তো ভবিষ্যৎ তদন্তই তা নির্ধারণ করে দেবে।

মেয়র মহোদয়ের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা আস্থা রাখতে পারছে না। শিক্ষার্থীদের দাবি ১৯ মার্চ মেয়র আতিক সুপ্রভাত পরিবহনের কোনো বাস আর চলবে না বলে যে কথা দিয়েছিলেন, তার পরদিনও সুপ্রভাতের বাস রাজপথে চলতে দেখা গেছে। সরকারের কোনো প্রতিশ্রুতিতেও শিক্ষার্থীরা বিশ্বাস করতে চাইছে না। এর কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীরা বলেছে, গত বছর সরকার কথা দিয়েছিল জাবালে নূরের রুট পারমিট বাতিল করা হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল উল্টো, আবরারের নিহত হওয়ার দিন পর্যন্তও জাবালে নূরের বাস বেশ দাপটের সঙ্গে রাজপথে চলাচল করেছে। এখন কথা হচ্ছে জাবালে নূরের মালিকের খুঁটির জোরটা কোথায়? গত বছর এত বড় একটা আন্দোলনে বাধ্য হয়ে সরকার প্রতিশ্রুতি দেয়ার পরও বছর না ঘুরতেই জাবালে নূর পুনরায় রুট পারমিট পায় কী করে? গত বছর পরিকল্পিতভাবে আন্দোলন নস্যাৎ করার জন্য আন্দোলনবিরোধীরা তাদের নিজস্ব কিছু অনুচর আন্দোলনকারীদের ভেতরে অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছিল। এবারও অনুরূপ কিছু অনুপ্রবেশের কথা শোনা যাচ্ছে যা ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেছে। আনুষ্ঠানিকভাবেও আন্দোলনকারীদের ভেতর বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনটা যেহেতু একক কোনো প্লাটফর্ম থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে না এবং এ আন্দোলনের নেতৃত্ব নির্ধারণ করা নেই, কাজেই কোনো একটি গ্রুপকে হাত করে আন্দোলনের গতিধারাকে ব্যাহত করার অনেক সুযোগ আছে। অনেকে হয়তো ধারণা করতে পারেন আবরার যেহেতু বিইউপি’র শিক্ষার্থী, অতএব বিইউপি’র আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ম্যানেজ করতে পারলেই পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাবে। বাস্তবে হয়েছেও তাই। বুধবার বিকালে বিইউপি’র শিক্ষার্থী তৌহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে মেয়রের সঙ্গে মিটিং করে সাতদিনের যে ছাড় দেয়া হয়েছে অর্থাৎ বিইউপি’র শিক্ষার্থীরা ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের যে ঘোষণা দিয়ে এসেছে, বিইউপি ছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিক তা প্রত্যাখ্যান করে পরদিনও আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। আমরা ভুলে গেছি, আবরারের মৃত্যু একটি উপলক্ষ মাত্র। কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততা ও সীমাহীন উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে দেশব্যাপী ঘাতক পরিবহন চালকরা প্রতিদিন মানুষ হত্যা করেও যে পার পেয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন তারই প্রতিবাদে।

শিক্ষার্থীদের পেশকৃত দাবি কখন কিভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা ভবিষ্যৎই বলতে পারবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এ দাবিগুলো বাস্তবায়ন করলেই যে সড়ক দুর্ঘটনা কমে যাবে তেমনটি ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের দেশে বর্তমানে অপরাধের গুরুত্ব অনুসারে যথোপযুক্ত শাস্তি না দেয়ার যে সংস্কৃতি চলছে, তার থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে কোনো পদক্ষেপই সাফল্যের মুখ দেখবে না। বিশেষ করে পরিবহন ক্ষেত্রে অপরাধের তুলনায় শাস্তির যে বিধান রাখা হয়েছে তা এমনিতেই অপর্যাপ্ত বলে প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং শাস্তির এই বিধানটির যতদিন না পরিবর্তন করা হবে, বেপরোয়া পরিবহন চালকদের অপরাধপ্রবণতা ততদিন কমবে বলে মনে হয় না। গত বছরের নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের পর সরকার যে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কার্যক্ষেত্রে তার প্রয়োগ খুব কমই দেখা গেছে। এ ক্ষেত্রে কিছু কিছু সুস্পষ্ট বিষয় নিশ্চিত করা না গেলে পরিবহন দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে না।

সরকারি এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিগত তিন বছরে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ২৫০০০ মানুষেরও বেশি। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি হিসাবের প্রধান ভিত্তি পুলিশের রিপোর্ট, যেখানে অনেক দুর্ঘটনার খবরই উঠে আসে না। তাদের মতে, সরকারি হিসাবে যে সংখ্যা পাওয়া যায় সেটিকে কমপক্ষে দুই বা তিন দিয়ে গুণ করলে সঠিক সংখ্যা পাওয়া যাবে। মোটা দাগে বলা যায়, লাইসেন্স তৈরির প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি দূর করা না গেলে পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা রক্ষা করা দুরূহ হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়, পরিবহন চালকদের মানসিকতার পরিবর্তন করা প্রয়োজন অর্থাৎ যথোপযুক্ত মটিভেশন এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের মানসিকতার উন্নতি ঘটানো না গেলে সড়ক দুর্ঘটনার হার কমিয়ে আনা সম্ভব হবে না। এ ছাড়াও গণপরিবহনের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা ব্যক্তিদেরও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। পুলিশের দুর্নীতি এ ক্ষেত্রে গোদের ওপর বিষ ফোঁড়ার মতো। পুলিশের মানসিকতারও আমূল পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে। ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতা পরিবহন সেক্টরের নৈরাজ্য জিইয়ে রাখার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে অবদান রেখে চলেছে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এড়িয়ে গেলে চলবে না। বিষয়টি পরিবহন ক্ষেত্রে নৈরাজ্যের সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে। আর এই বিষয়টি হল- পরিবহন সেক্টরের পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের কব্জায়। ফলে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলায় এদের খুব একটা বেগ পেতে হয় না। চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে দুর্নীতি ও দুর্ঘটনায় ক্ষমতার কল-কব্জা ব্যবহার করে এরা বড় বড় অনিয়ম করেও পরিত্রাণ পেয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা সুদৃঢ় না হলে মানুষের আস্থাহীনতা দিন দিন আরও বাড়বে। কথা দিয়ে কথা না রাখার চর্চা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিকে শুধু রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে হবে না। মনে রাখতে হবে, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন কিংবা সুবিচারের দাবি কোনোটাই সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড নয়। পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। গত বছরের মতো পেটোয়া বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করা হলে বড় রকমের খেসারত দিতে হতে পারে। বাস্তবতাকে স্বীকার করে সংশোধনের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য হয়তো প্রস্তুত থাকতে হবে।

একেএম শামসুদ্দিন : অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা

ঘটনাপ্রবাহ : বাসচাপায় আবরার নিহত

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×