দুঃখ জাগানিয়া ছাত্র রাজনীতি

  মো. মইনুল ইসলাম ২৩ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দুঃখ জাগানিয়া ছাত্র রাজনীতি
দুঃখ জাগানিয়া ছাত্র রাজনীতি। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচন নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে কিছু কথা বলা দরকার। এটি শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচন ছিল না। এর মাধ্যমে নির্বাচনের শুদ্ধতা ও পবিত্রতারও একটি পরীক্ষা ছিল। বিশেষ করে আজকে যখন বাংলাদেশে নির্বাচন নামক প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থাটি বেজায় প্রশ্নবিদ্ধ, তখন এর গুরুত্ব ছিল সমধিক।

বিগত জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ আছে। বর্তমানে উপজেলা নির্বাচন চলছে। জাতীয় নির্বাচনের মতো উপজেলা নির্বাচনে আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তিসহ বেশকিছু অভিযোগ অবশ্য নেই। তবে ভোটারদের ব্যাপক অনুপস্থিতি এ ব্যাপারে হতাশার সৃষ্টি করে। এটা দেশে গণতন্ত্রের প্রতি সাধারণ মানুষের অবিশ্বাস বা অনাস্থা কিনা তা সচেতন দেশবাসীকে ভেবে দেখতে হবে। এটা কি উপজেলাগুলোর ক্ষমতা তথা কাজকর্মের সামান্যতা? কিংবা জাতীয় নির্বাচনে দুর্নীতির অভিজ্ঞতার ফলে মানুষের আস্থা হারানোর ফল, তা-ও বিশেষ বিবেচনার দাবি রাখে। তবে গণতন্ত্রের স্বার্থেই বিরোধী দলগুলোকে পরাজিত হলে নির্বাচন বর্জনের মানসিকতা ত্যাগ করতে হবে।

নির্বাচনের এ বিতর্কিত এবং অনেকটা বেহাল প্রেক্ষাপটে (যাকে সাময়িক বলেই ধরে নেব) আমাদের আশা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডাকসু নির্বাচনটি এ ব্যাপারে আমাদের আশ্বস্ত করবে। দেশের সুপ্রাচীন, সর্ববৃহৎ এবং ঐতিহ্যবাহী এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকরা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনসহ সব ধরনের গণতান্ত্রিক এবং প্রগতিশীল আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। তাই আশা ছিল সেই ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ডাকসুর নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের শুদ্ধতা ও পবিত্রতাটি প্রতিফলিত ও প্রমাণিত হবে। কিন্তু তা হতে দেখা গেল না। নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং তার ফল নিয়ে সাধারণ ছাত্র এবং সরকার-সমর্থক ছাত্রলীগবিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোর আন্দোলন এবং বিক্ষোভকে এড়িয়ে যাওয়া বা অযৌক্তিক বলা যায় না। শুরু থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাধারণ ছাত্রদের কতগুলো মোটা দাগের দাবি মেনে নেয়নি। তার মধ্যে একটি হচ্ছে হল ইউনিয়নের নির্বাচনী ভোট কেন্দ্র হলের বাইরে স্থাপন করা।

আপাতদৃষ্টিতে দাবিটি যৌক্তিক মনে হবে না। তবে বাস্তবে তা বেশ যৌক্তিক। কারণ হলের অধিকাংশ ছাত্র বর্তমানে এক ধরনের প্রজার মতো বসবাস করে। হলের প্রকৃত প্রশাসনিক ক্ষমতা এখন সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাদের হাতে থাকে। সিটপ্রাপ্তি, সিট বণ্টন বা শৃঙ্খলাভঙ্গের বিচার এখন প্রভোস্ট বা হাউস টিউটররা করেন না বা করতে পারেন না। করেন সরকারি দলের ছাত্রনেতারা। এটি শুধু বর্তমান ছাত্রলীগের ব্যাপারে সত্য নয়। বিএনপি আমলে একই কাজ ছাত্রদলকেও করতে দেখা গেছে।

তাই হলে ভোট কেন্দ্র স্থাপন ছাত্রদের স্বাধীনভাবে ভোটদানের জন্য অনুকূল ছিল না। সরকারি ছাত্র সংগঠন কর্তৃক শনাক্ত হয়ে পরাজিত হলে পরবর্তী সময়ে তাদের দ্বারা নির্যাতিত হওয়ার আশঙ্কাও কম ছিল না। তাছাড়া স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের ব্যবস্থা করা, পোলিং এজেন্ট নিয়োগের অনুমতি, নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগ, ভোটারদের নিরাপত্তা বিধান এবং যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত পরিবহনের ব্যবস্থার মতো দাবিগুলো ছিল বেশ ন্যায়সঙ্গত। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এবং পোলিং এজেন্ট নিয়োগের অনুমতি প্রদানে প্রশাসনের অনীহা তাদের ন্যায়পরায়ণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

কুয়েত মৈত্রী হলে সিল মারা ব্যালট পেপার ভর্তি তিনটি বাক্স ছাত্রীদের সজাগ দৃষ্টির কারণেই যে ধরা পড়েছে তা-ও বিশ্বাস করার কারণ আছে। আর মেয়েদের হলগুলোতে ছাত্রলীগের দাপটও তুলনামূলকভাবে কম। ওয়াকেবহাল মহলের মতে, ছাত্র হলগুলোতে ছাত্রলীগের জমিদারসুলভ আধিপত্যের কারণে ভীতির সংস্কৃতি তাদের জয়লাভের একটি বড় কারণ হতে পারে।

তবে এটা বলা যায়, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিকতার অভাব ছিল না। প্রথমত, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, যাদের নীতি-নৈতিকতার মান যথেষ্ট উন্নত বলেই বিশ্বাস করা যায়। দ্বিতীয়ত, কোনো বাস্তব বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষই অন্যায়-অবৈধ কার্যকলাপ দ্বারা সাধারণ ছাত্রদের শুধু বিরাগভাজনই নয়, তাদের প্রতিবাদ, বিক্ষোভ এবং এমনকি আক্রমণের শিকার হতে চাইবে না।

প্রসঙ্গক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ে পালাক্রমে সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনগুলোর এমন দাপট দেখা যায় কেন তা-ও ভেবে দেখা দরকার। সরকারি দলের পরিবর্তন হলে তাদের ছাত্র সংগঠনের ক্ষমতা ও দাপটও কমে যায়। তাহলে কি ‘আমরা সরকার-সমর্থক ছাত্রগোষ্ঠী বা সরকারের পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত ছাত্রসংগঠন’- এ দাবি তাদের ক্ষমতার ভিত্তি? বলার অপেক্ষা রাখে না, ছাত্র বা ছাত্রসংগঠনের কাজ দাপট দেখানো নয়। ছাত্রের প্রথম ও প্রধান কাজ হচ্ছে লেখাপড়া করা। শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষা সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করা।

দ্বিতীয়ত, তাদের (সংগঠনগুলোর) কাজ হচ্ছে ক্লাসরুমের বাইরে শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা। সাহিত্য-সংস্কৃতি কিংবা জ্ঞান-বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন বা সাময়িকী প্রকাশ, দেশ-সমাজবিষয়ক বিতর্ক, বক্তৃতা, আলোচনা সভার আয়োজন এবং সঙ্গীত ও নাটকের অনুষ্ঠান করা। এগুলোই আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রজীবনে হল ইউনিয়ন বা ডাকসুর কাজকর্মে দেখেছি। এখন কি আর আমাদের সময়ের মতো কার্জন হলে বার্ষিক নাটকের আয়োজন হয়?

হলের ভিপি-জিএস হতো তারাই, যারা ছাত্র হিসেবে বেশ মেধাবী, ভদ্র, বিনয়ী এবং নেতৃত্বসুলভ গুণাবলীর অধিকারী। নির্বাচনী প্রচারণায় তাদের এসব গুণাবলী প্রাধান্য পেত। গত ৩০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো থেকে কোনো বার্ষিক ম্যাগাজিন বা সাময়িকী বের হয়েছে বলে আমার জানা নেই। এ সাময়িকীগুলো ছাত্রদের নতুন এবং সৃষ্টিশীল চিন্তা-ভাবনার প্রকাশ ঘটাতে সাহায্য করত। আমার ছাত্রত্বকালের (১৯৫৫-৫৯) সলিমুল্লাহ হল, ফজলুল হক হল বা জগন্নাথ হলের ম্যাগাজিন বা বার্ষিকীগুলো দেখলেই তা বোঝা যাবে। জগন্নাথ হলের বার্ষিকী বাসন্তিকা (যতটুকু স্মরণ আছে) ছিল একটি চমৎকার ম্যাগাজিন।

আজ ছাত্রসংগঠনগুলোর কর্মকাণ্ডে সেসব বিষয়ের অনুপস্থিতি তাদের জ্ঞানবুদ্ধি ও চিন্তা-চেতনার দৈন্যই প্রমাণ করে। পাকিস্তানি আমলে পরাধীন দেশে পূর্ব বাংলার ছাত্রসমাজ এবং ছাত্রসংগঠনগুলোর শুধু রাজনৈতিক চেতনা ও কর্মকাণ্ডই নয়, তাদের শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চাও ছিল চমৎকার। দেশ ও মানুষকে ভালোবাসা, ভালো ছাত্র ও মানুষ হওয়ার একটি আদর্শ ও উদ্দেশ্য দ্বারা তারা তাড়িত হতো; যা এখনও আমাদের অধিকাংশ ছাত্রের মধ্যে বিরাজমান।

শুধু তা নেই মুষ্টিমেয় তথাকথিত ছাত্রনেতার মধ্যে। তারা শিক্ষিত এবং ভদ্রলোক হওয়ার সাধনায় নিয়োজিত না হয়ে দেখা যায় কোনো একটি বড় রাজনৈতিক দলের লাঠিয়াল হওয়ার সাধনায় রত। পরিচিত হতে চায় ‘ছাত্রনেতা’ হতে এবং সম্বোধিত হতে চায় ‘বড় ভাই’ হিসেবে। সব বিষয়টিই যে অসার, অমূলক এবং হাস্যকর তা তারা যেমন বোঝে না, তেমনি তাদের পৃষ্ঠপোষক বড় দলগুলোও তাদের বোঝায় না।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া একটি কঠিন ব্যাপার। শুধু ভালো ছাত্ররাই সে সুযোগ পায়। আর এসব ছাত্রের ব্যাপারে যেমন থাকে অভিভাবকদের, তেমনি জাতির বড় আশা। বাস্তবে যা দেখা যায়, তা হল- ছাত্রদের এ সংগঠনগুলোর সদস্যরা সরকারি দলের নামের আড়ালে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, আধিপত্য বিস্তার, দলীয় কোন্দল এবং মারামারি, হল দখল, সিট বাণিজ্য, ফাও খাওয়া, গেস্ট রুম বা কমন রুমে ছাত্র নির্যাতন, র‌্যাগিং নামক অত্যাচার, তাদের মিটিং-মিছিলে সাধারণ ছাত্রদের জোরপূর্বক যোগদানে বাধ্য করা, ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করাসহ হরেক রকম অন্যায়-অবৈধ অপকর্মের নায়ক হয়ে দাঁড়ানো। এ কথাগুলোর সত্যতা গত তিন দশকের (বিএনপি ও আওয়ামী লীগ আমল) পত্রপত্রিকাগুলো দেখলেই পাওয়া যাবে। আর গত ১০ থেকে ১১ বছর ধরে এসব ঘটনার নায়ক কোন ছাত্রসংগঠনটি তা গণমাধ্যমের কল্যাণে সচেতন দেশবাসী ভালোভাবেই জানে। অথচ ছাত্রলীগের একটি গৌরবময় ইতিহাস আছে, যার প্রতিষ্ঠাতা স্বয়ং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে (১৯৫৫-৫৯) ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন সিরাজগঞ্জের আবদুল মমিন তালুকদার এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন চাঁদপুরের আউয়াল সাহেব (চিন্তাশীল ছাত্রনেতা বলেও কেউ কেউ তাকে সম্মান করত)। তারও আগে ছাত্রলীগ নেতা চাঁদপুরবাসী ওয়াদুদ সাহেবকেও দেখেছি। বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির বাবা। তারা সবাই ভদ্র এবং বিনয়ী লোক ছিলেন। সন্ত্রাসী এবং গুণ্ডা-ষণ্ডা প্রকৃতির লোক ছাত্র নেতৃত্বে আসবে তখন কল্পনা করা যেত না। এ ধরনের ছাত্র নেতৃত্বের শুরু হয় এনএসএফের মাধ্যমে, আইয়ুব-মোনায়েমের আমলে। ছাত্রলীগ ছাড়া আরেকটি সংগঠন তখন বেশ জনপ্রিয় ছিল। সেটি হল পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন। চিন্তা-চেতনায়, পড়াশোনায়, আদর্শবাদিতায় ও দেশপ্রেমে তাদের ভূমিকা ছিল উজ্জ্বল।

আজকে স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠিত ছাত্রলীগের এ অধোগতি আমাদের মতো মানুষকে ব্যথিত করে। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায়ই বলেন, তার একমাত্র ধ্যান-জ্ঞান দেশের উন্নয়ন এবং এদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।

সেটা বিশ্বাস করি, আনন্দিত হই এবং উৎসাহবোধ করি। তার আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টায় অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে। কিন্তু উন্নয়ন বলতে কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝায় না, রাজনৈতিক তথা গণতান্ত্রিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সামগ্রিক উন্নয়নের অপরিহার্য অংশ। ছাত্রলীগ এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী ভূমিকা পালন করুক তা আমরা চাই না।

তারা লেখাপড়া করুক, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও সংস্কৃতিচর্চার পরিবেশ সৃষ্টি করুক এবং শিক্ষিত ভদ্রলোক হিসেবে রাজনীতিসহ জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে যথাযথ নেতৃত্বদানের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাক। তারা তাদের দোষ-ত্রুটিগুলোর ব্যাপারে অবহিত হয়ে সত্যিকার ছাত্রজীবনে ফিরে আসুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

তারা সকালে নবনির্বাচিত ডাকসু ভিপি নূরুল হক নূরুকে আক্রমণ করবে, আবার বিকালে তাকে জড়িয়ে ধরে অভিনন্দন জানাবে এ ধরনের দ্বিচারিতা বিবেকবান ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ছাত্রছাত্রীদের আচরণ হতে পারে না। এখনও বিরোধী ৫টি ছাত্র সংগঠন একমাত্র ভিপি-জিএস ছাড়া অন্যসব নির্বাচন নতুন করে অনুষ্ঠানের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। কিছুসংখ্যক ছাত্রছাত্রী এ দাবিতে অনশন ধর্মঘটও করে যাচ্ছে। পত্রপত্রিকা দেখে মনে হচ্ছে, সংখ্যাগরিষ্ঠ ছাত্রছাত্রী বিষয়টিকে অনেকটা মেনে নিয়েছে।

ছাত্রদের শিক্ষার স্বার্থে, যা তাদের মূল কাজ, তারা দীর্ঘমেয়াদি বৃহত্তর আন্দোলনের পথ থেকে সরে আসবে- এটাই আমাদের আশা ও বিশ্বাস। এর ফলে তারা যেমন উপকৃত হবে, তেমনি দেশবাসীও স্বস্তি পাবে। তবে দেশের সবচেয়ে শিক্ষিত লোকের প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ নির্বাচন নামক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াটিকে সন্দেহ ও বিশ্বাসের ঊর্ধ্বে রাখতে পারল না, এটাই দুঃখ।

মো. মইনুল ইসলাম : সাবেক অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঘটনাপ্রবাহ : ডাকসু নির্বাচন

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×