দেশপ্রেমের চশমা

রাজনীতির রুগনতায় সমাজে অপরাধ বাড়ে

  মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রাজনীতির রুগনতায় সমাজে অপরাধ বাড়ে
প্রতীকী ছবি

গণতান্ত্রিক দেশ দাবি করলেও বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নিষ্প্রাণ। রাজপথে আন্দোলন নেই। সরকারবিরোধী হরতাল নেই। সমাজে কোলাহল নেই। মিছিল নেই। প্রতিবাদী সমাবেশ নেই। অন্যদিকে সামাজিক স্থিতিশীলতা নেই। বিদেশি বিনিয়োগ নেই। দ্রব্যমূল্যে স্থিরতা নেই।

তবে খুন, গুম, চুরি, ছিনতাই, ধর্ষণ, হত্যাকাণ্ড, আত্মহত্যা, ঘনঘন আগুন লাগা এবং যৌন নির্যাতন অব্যাহত রয়েছে। শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য সংখ্যা যত বাড়ানো হচ্ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অপরাধপ্রবণতা। যারা অপরাধ দমন করবেন, সেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। সবকিছু মিলে সমাজে নৈতিকতায় ধস নেমেছে। এ ধস পরিলক্ষিত হচ্ছে সর্বক্ষেত্রে।

শিক্ষা, সংস্কৃতি, নিরাপত্তা, ব্যবসা, ব্যাংকিং, শেয়ারবাজার; এক কথায় সামাজিক, রাজনৈতিক, আর্থিক, প্রশাসনিকসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে। তবে এসব অধঃপতনের মধ্যে সবচেয়ে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা। এর জন্য কে দায়ী, আর কীভাবে এসব অপরাধপ্রবণতা কমানো যেতে পারে, সে বিষয়ে সমাজবিজ্ঞানীরা ভাবছেন।

অপরাধবিজ্ঞানীরাও বিষয়টিকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করছেন। তবে যিনি যেভাবেই বিশ্লেষণ করুন না কেন, একটা কথা এড়িয়ে গেলে চলবে না- রাজনীতিতে স্বাভাবিকতা ও সুস্থতা সৃষ্টি করতে না পারলে এ অপরাধপ্রবণতা কমানো যাবে না।

লেখাটি শুরু করার আগে ২০ এপ্রিল মাত্র দুটি পত্রিকার পাতায় চোখ বুলিয়ে নিয়েছি। সমকালের প্রিন্ট কপি এবং মানবজমিনের অনলাইন ভার্সন। সর্বনাশ! এসব কী হচ্ছে দেশে? এত ধর্ষণের খবর! এত খুনখারাবির খবর! ধর্ষণের অনেক খবর তো আবার লোকলজ্জার কারণে প্রকাশিত হয় না।

বিশেষ করে গ্রামীণ নারীরা সামাজিকতা ও লোকলজ্জার ভয়ে অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণের অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকেন। তারপরও এত ধর্ষণের খবর!! এ রকম খবরসংবলিত পত্রিকা পড়লে তো নাগরিকদের মানসিক বৈকল্য দেখা দিতে পারে। মা-বোনরা একাকী ঘরের বাইরে বের হতে ভয় পেতে পারেন।

আমি কেবল পত্রিকার পাতায় আমার চোখে পড়া ধর্ষণসংক্রান্ত শিরোনামগুলো তুলে ধরছি। ‘টাঙ্গাইলে বেড়াতে এসে পাকিস্তানি তরুণী ধর্ষিত’; ‘গফরগাঁওয়ে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বিষপান’; ‘শিবগঞ্জে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা’; ‘বানিয়াচংয়ে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত’; ‘গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনে শিক্ষককে অব্যাহতি’; ‘আড়াইহাজারে প্রেমিকাকে ডেকে এনে ধর্ষণ’; ‘বাগেরহাটে ছাত্রী, ওসমানীনগরে বিধবাকে ধর্ষণ’; ‘দেশব্যাপী ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন’; ‘বন্দরে ডিশ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ’; ‘মঠবাড়িয়ায় যৌন নিপীড়ন’; ‘খুলনায় ২৩ মাসে ১৩০ ধর্ষণ’; ‘চট্টগ্রামে এত ধর্ষণ’।

ধর্ষণের এত খবর দেখে ভয়ে আমি আর কোনো পত্রিকার পাতায় ধর্ষণের খবর না খুঁজে পরিবর্তে ওই দুটি পত্রিকায় হত্যাকাণ্ড ও বড় রকমের অপরাধপ্রবণতার খবর খুঁজলাম। সে বিষয়েও পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক। কয়েকটি শিরোনাম দেখুন : ‘রাঙ্গামাটিতে নিজ ঘরে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ’; ‘চট্টগ্রামে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ, স্বামী আটক’; ‘বরিশালে নিজ ঘরে দলিল লেখকের গলাকাটা লাশ’; ‘গৃহকর্মীর নামে যৌনকর্মী হিসেবে সৌদিতে বিক্রি’; ‘নুসরাত হত্যা : অর্থের লেনদেন তদন্তে সিআইডি’; ‘বেলকুচিতে মেয়েকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা’; ‘সুনামগঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা’; ‘মেজরটিলায় যুবকের আত্মহত্যা’; ‘শ্বশুরবাড়িতে জামাতা হত্যা, স্ত্রী ও শাশুড়ি গ্রেফতার’; ‘তাড়াইলে উপজেলা চেয়ারম্যানপুত্র ইয়াবাসহ আটক’; ‘এনজিওর নামে টাকা আত্মসাৎ’; ‘নওয়াপাড়ায় নকল ওষুধ তৈরির কারখানা’; ‘আগৈলঝাড়ায় মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর’। যদি আরও দু-একটি পত্রিকার পাতা উল্টাতাম, তাহলে এ নিবন্ধে হয়তো অন্য কিছু লেখার জায়গা থাকত না।

আলোচ্য পত্রিকা দুটিতে ইতিবাচক খবর পাওয়া গেল খুবই কম। প্রায় সব খবরই নেতিবাচক। আর এসব খবরের মধ্যে সবচেয়ে আশঙ্কাজনকভাবে যে খবরটি দৃষ্টিগোচর হয় তা হল ধর্ষণ। এরপর রয়েছে হত্যাকাণ্ড ও খুনের ঘটনা।

এ ধর্ষণ ও খুনের ভয়াবহ বৃদ্ধির কারণ কী? জানি, অনেকে বলবেন বেকারত্বের কথা। বলবেন, অশিক্ষা ও দারিদ্র্যের কথা। ইন্টারনেটের অপব্যবহারের কথা। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্রচলন ও এর নেতিবাচক প্রভাবের কথা। বিদেশি স্যাটেলাইট কালচারের প্রভাবের কথা, ইত্যাদি। এসব মিথ্যা নয়। খুন-ধর্ষণ বৃদ্ধির পেছনে এসবের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব আছে। তবে এসব কারণ উল্লেখের আগে যে কারণটি সবার আগে বলা উচিত, অনেকেই তা বলেন না।

উল্লেখ করেন না দেশের রাজনীতির রুগ্ণতার কথা। রাজনীতি যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে, তাহলে সমাজ সুস্থ থাকতে পারে না। কারণ, সমাজ ও দেশকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য জনকল্যাণকামী গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চা প্রয়োজন। এ জায়গাটিতে দেশ ক্রমান্বয়ে পিছিয়ে পড়ছে। রাজনীতি ঠিক থাকলে জাতীয় সংসদ কার্যকর হয়। দেশের সমস্যার সমাধান নিয়ে সেখানে গণতান্ত্রিক পরিবেশে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে।

আর রাজনীতি যদি গণতান্ত্রিক চরিত্র হারিয়ে একদলীয় হয়ে পড়ে, সেখানে যদি বিরোধী দলের জন্য কোনো স্পেস না থাকে, তাহলে সংসদ যেমন কাযকর হতে পারে না, তেমনি সামাজিক স্থিতিশীলতা ও শান্তিও প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্বাচনে স্বচ্ছতা না থাকলে ওই নেতৃত্বের পক্ষে খুন-ধর্ষণ কমিয়ে সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় না।

ধর্ষণ ও খুন এ দেশে নতুন কোনো ঘটনা নয়। আগেও যে কখনও এমন ঘটনা ঘটেনি এমন নয়। তবে এর পরিমাণ ছিল কম। একটি খুন বা ধর্ষণের ঘটনা ঘটলে সত্তরের বা আশির দশকে তা জাতীয় দৈনিকের প্রথম পাতায় ৩-৪ কলামের নিউজ হিসেবে প্রকাশিত হতো।

সারা দেশে তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যেত। সংসদে বিরোধী দল সে বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা করে উচ্চকণ্ঠে সরকারি দলের সমালোচনা করত। কিন্তু এখন ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এতই নৈমিত্তিক হয়েছে যে, পত্রিকা খুললে প্রথমেই এসব খবর চোখে পড়ে, যার নমুনা লেখার শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব ঘটনাকে এখন পত্রিকাগুলোও উপস্থাপন করে সাদামাটাভাবে।

পত্রিকার ৫ বা ১২ নম্বর পাতায় এক বা দুই কলামের নিউজের শিরোনাম হয় ‘সাত জেলায় ৮ খুন’, বা ‘২৩ মাসে ১৩০ ধর্ষণ’ ইত্যাদি শিরোনামে। তবে ধর্ষণ ও খুনের স্বাভাবিক চরিত্র সম্প্রতি বদলে গেছে। এখন কেবল ধর্ষণ বা খুন হয় না। ধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটে। ঘটে গণধর্ষণ করে হত্যা করার মতো ঘটনা।

বিরোধী দলে ভোট দেয়ার কারণেও ঘটে গণধর্ষণের মতো মর্মান্তিক নৃশংসতা। যে মাদ্রাসাকে গণ্য করা হয় নৈতিকতা শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে, সেখানেও কিছু শিক্ষক ছাত্রীদের যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেন। তাহলে আর ছাত্রীরা কোথায় নিরাপদ থাকবে?

শিক্ষক যদি তার ছাত্রীকে নিজের মেয়ের মতো মনে না করে তার দিকে কুদৃষ্টিতে তাকান, এর চেয়ে লজ্জার আর কী হতে পারে! খুনের প্রকৃতিতেও এখন নতুন নৃশংসতা যুক্ত হয়েছে। খুন করে লাশ গায়েব করে ফেলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে লাশ বিকৃত করা হয়। আবার খুনের পর লাশ টুকরো টুকরো করে ফেলার মতো ঘটনাও ঘটে।

ধর্ষণ ও নারীঘটিত অপরাধের ঘটনা ঘটছে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও। নারীঘটিত কেলেঙ্কারির কারণে চাকরি হারিয়েছেন বা শাস্তি পেয়েছেন এমন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের সংখ্যা এক বা দুই নয়। এদের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগের সময় মেধাকে অগ্রাধিকার না দেয়ায় এবং চাকরিপ্রার্থীর নীতি-নৈতিকতার রেকর্ড বিচার না করে আর্থিক লেনদেন বা রাজনৈতিক প্রভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ায় অনেকে শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও শিক্ষক হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও নৈতিক পরিবেশ ধ্বংস করছেন।

শিক্ষাঙ্গনের মতো পবিত্র প্রতিষ্ঠানে ঘটছে নারী লাঞ্ছনার মতো ঘটনা। অতীতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রনেতা কর্তৃক পালিত হয়েছে ধর্ষণের সেঞ্চুরি উৎসব। পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং মাঝেমধ্যেই হচ্ছে ‘শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রী লাঞ্ছিত’ ধরনের সংবাদ শিরোনাম। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ধর্ষকরা আইনের ফাঁকফোকর গলে জামিন নিয়ে শাস্তি এড়াতে সক্ষম হয়। ফলে এসব দেখে অন্যরা ধর্ষণ করতে ভয় পায় না।

ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং গ্রামীণ সমাজে শিক্ষার অগ্রগতি না হওয়া সত্ত্বেও সাইবার ক্যাফে গড়ে ওঠায় বখাটে তরুণরা অনেক ক্ষেত্রে এর অপব্যবহার করে নারীঘটিত অপরাধে জড়িত হয়ে পড়ছে। আবার টিনএজ-কিশোররা হাতে অ্যান্ড্রয়েড ফোন পেয়ে অনেক ক্ষেত্রে তার অপব্যবহার করছে এবং উত্তেজনামূলক ভিডিও ও আপত্তিকর ছবি দেখে যৌন অপরাধে আসক্ত হচ্ছে।

যৌন অপরাধের এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যাচাই করার আগে দেশের রাজনৈতিক অসুস্থতার কথা ভাবা প্রয়োজন। দেশের রাজনীতি অসুস্থ হয়ে পড়লে রাজনৈতিক নেতৃত্বেরও নৈতিক অধঃপতন ঘটে। অসৎ পথে নির্বাচিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের পক্ষে সমাজে নৈতিকতা ও সততা প্রতিষ্ঠিত করা কখনও সম্ভব হয় না।

অসৎ পন্থায় নির্বাচিত নেতারা কিশোর-যুবকদের নৈতিকতার শিক্ষা দিতে পারেন না। কারণ, কোনো রাজনৈতিক নেতা নিজে সৎ ও নৈতিক না হলে কী করে তার অনুসারীদের নৈতিকতার শিক্ষা দেবেন?

রাজনীতিকে সুস্থ ও নৈতিক মানদণ্ডের ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে কেবল আইন বা শাস্তি দিয়ে খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি সামাজিক অনাচার ও অপরাধপ্রবণতা কমানোর প্রচেষ্টা সফল করা যাবে না। রাজনীতিকরা নিজেরা সততার পথ অনুসরণ করে পদে অধিষ্ঠিত হলে তাদের পক্ষে অন্যদের নীতি-নৈতিকতার কথা শোনানো সম্ভব ও মানানসই হবে।

অপরাধী তরুণ-যুবকরা তখন তাদের কথা শুনবে। কিন্তু নেতারা যদি তরুণ-যুবকদের ব্যবহার করে অসৎ পন্থায় ক্ষমতায় আসেন এবং এমপি-মন্ত্রী হয়ে পরে নিজ অনুসারীদের সততার সঙ্গে চলার উপদেশ দেন, তাহলে ওই উপদেশ কেউ শুনবে না। কাজেই সমাজের অপরাধ, সন্ত্রাস, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি কমাতে হলে অবশ্যই রাজনীতির রুগ্ণতা দূর করে সেখানে সততা ও সুস্থতা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×