লোকসভা নির্বাচন-২০১৯

কে হবেন ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী?

  এ কে এম শামসুদ্দিন ১৮ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের জাতীয় নির্বাচন
ভারতের জাতীয় নির্বাচন। ফাইল ছবি

ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। সাত পর্বের এ বিশাল কর্মযজ্ঞের শেষপর্বটি অনুষ্ঠিত হবে ১৯ মে। ২৩ মে এ লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে।

ভোটকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং নির্বাচন কর্মকর্তারা কেউ পাহাড়ি পথ অতিক্রম করেছেন, কেউ মরু অঞ্চল পেরিয়েছেন, কেউ বা দ্বীপ এবং অরণ্য এলাকায় ছুটে গেছেন ভোট প্রচারে কিংবা ভোট অনুষ্ঠান পরিচালনায়। সবকিছু মিলিয়ে যেন গণতন্ত্রের এক মহোৎসবের আয়োজন।

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের এ নির্বাচন শুধু জনগণের সংখ্যার ভিত্তিতে নয়, জনসচেতনতার নিরিখেই বিস্ময়কর বটে। রাষ্ট্র হিসেবে ভারত গণতন্ত্রের এক শক্ত কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে। দীর্ঘদিনের গণতন্ত্র চর্চায় অভ্যস্ত ভারতের জনগণ আজ সিদ্ধান্ত নিতে ব্যস্ত, আগামী পাঁচ বছর তাদের জীবন কীভাবে কাটবে।

কোন দোর্দণ্ড রাষ্ট্রশক্তিকে তারা ক্ষমতার আসনে বসাবে। তাদের চিন্তার স্বাধীনতা, কথা বলার স্বাধীনতা, অবাধ আত্মপ্রকাশের যে স্বাধীন নাগরিক অধিকার তাতে কতটুকু হস্তক্ষেপ করতে দেবে তাদের নির্বাচিত নতুন রাষ্ট্রশক্তিকে সে হিসাব-নিকাশ করেই ভারতীয়রা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে।

কিন্তু গণতন্ত্রের এ মহাআয়োজনের ভেতরও কলঙ্কের ফোঁটা ইতিমধ্যেই দৃশ্যমান হয়েছে। লক্ষ করার বিষয়, এবারের নির্বাচনের প্রতিটি পর্বে সহিংস ঘটনার সংখ্যা ছিল বেশি। নির্বাচন ঘিরে হতাহতের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়।

যদিও এবারের নির্বাচনে অশান্তির আশঙ্কার ইঙ্গিত কয়েক মাস আগেই ভারতের সাবেক নির্বাচন কমিশনার টিএস কৃষ্ণমূর্তি দিয়েছিলেন। নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে থেকেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ পরস্পরের প্রতি হিংসার যে বিষবাষ্প ছড়িয়েছে, তারই প্রতিফলন ঘটেছে নির্বাচন অনুষ্ঠান চলাকালীন পর্বগুলোতে।

বর্তমানে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি আক্রমণের যে ধারা তাতে হিংসা আর বিদ্বেষই প্রকাশ পেয়েছে। যদিও হিংসার রাজনীতি ভারতে নতুন নয়। অর্থ ও পারস্পরিক ঘৃণা এবারের হিংসার রাজনীতির মূল উপকরণ হিসেবে কাজ করেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন।

নির্বাচন প্রচারণাসহ অন্যান্য ব্যয় মেটাতে দলগুলোর এবারের বাজেট আগের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। এখন পর্যন্ত এ প্রতিযোগিতায় ভারতের সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগে অভিযুক্ত দল বিজেপি অগ্রগণ্য। এ নিয়ে প্রচুর সমালোচনাও সহ্য করতে হচ্ছে এ দলটি। দলের নেতা নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে হেরে যেতে পারে এ আশঙ্কায় হেন কোনো পন্থা নেই যা প্রয়োগ করা হয়নি।

গত নির্বাচনের অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছুটা ব্যাকফুটে আছে বিজেপি। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর ভারতজুড়ে মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাব ও মুসলমানদের ওপর নির্বিচার হিংস্র আক্রমণের ফলে ভারতের সংবিধানের অন্যতম স্তম্ভ ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রাখার যে প্রতিশ্রুতি, তা লঙ্ঘন করেছে বারবার। তাদের এ হিংস্র আচরণ ভারতের সাধারণ মানুষ ভালো চোখে দেখেনি।

অবশ্য সংবিধান লঙ্ঘন করা বিজেপির নতুন কর্ম নয়। জন্মলগ্ন থেকেই এ দলটি এমন কাজে সিদ্ধহস্ত। ১৯৮০ সালের ৬ এপ্রিল বিজেপির জন্ম। তাদের সংগঠনের ঘোষণাপত্রের ২নং ধারায় স্পষ্ট করেই ভারতের সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি আস্থার কথা লেখা আছে।

বিজেপি নেতারা এখন প্রতি মুহূর্তে সংবিধান বদলে দেয়ার হুমকি দেন। বিজেপির সাংগঠনিক সনদের ৪নং ধারায় বলা আছে ‘এই দল হবে জাতীয়তাবাদী, যারা জাতীয় সংহতি রক্ষা করবে। দলের পথ হবে গান্ধীবাদী সমাজতন্ত্রের, মেনে চলা হবে সর্বধর্মসমন্বয়। রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণও করা হবে।’

অন্য ধর্ম বিশেষ করে ইসলাম সম্পর্কে বিজেপি নেতাদের কী ধারণা তা ভারতের জনগণের কাছে পানির মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে। অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার উদাহরণ দিলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

১৫ মে পশ্চিমবঙ্গে ভোট প্রচারে এসে দুর্গাপূজা ও মহররম নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথ ইসলাম ধর্মের আচার-আচরণের প্রতি কটাক্ষ করেছেন।

এবারের দুর্গাপূজার বিসর্জনের তিথি এবং মহররমের তাজিয়া বেরোনোর সময় একইসঙ্গে পড়ে গিয়েছিল বলে মমতা ব্যানার্জি সিদ্ধান্ত দিয়েছিলন মহররমের দিন শুধু বনেদিবাড়ির প্রতিমা বিকালের মধ্যে বিসর্জন হবে। তারপর মহররমের তাজিয়া বেরোবে। তার পরদিন বারোয়ারি পূজার প্রতিমা বিসর্জন হবে।

এ ইস্যুকে কেন্দ্র করে মমতার ধর্মীয় মেরুকরণের ধুয়া তুলে যোগী বলেন, তিথি অনুযায়ী দুর্গাপূজার সময় পেছানো যাবে না। তবে দরকার হলে মহররমের সময় বদলে দিন। মমতার বিরুদ্ধে ধর্মীয় মেরুকরণের অভিযোগ তুলতে গিয়ে যোগী তার দলের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের অভিযোগকেই যেন প্রতিষ্ঠিত করলেন।

অপরদিকে দলের রাজনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণও মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। বিজেপিতে মোদি এবং অমিত শাহ ছাড়া অন্য নেতা কে বা কারা কেউ জানে না। লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলীমনোহর যোশী, শান্তাকুমার, ভুবনচন্দ্র খাণদুরির মতো বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরা আজ কোণঠাসা।

ভারতের মতো বিশাল দেশে এখন যা কিছু ঘটছে, তার কেন্দ্রে একমাত্র নরেন্দ্র মোদি এবং তার লেফটেন্যান্ট অমিত শাহ্। দলের ক্ষমতার এ নির্লজ্জ কেন্দ্রীকরণের ফলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা বিজেপি আর বিজেপি নেই, বিজেপি এখন মোদি পার্টিতে পরিণত হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেছে, বিজেপিকে আবারও ক্ষমতায় আসতে হলে শক্ত অবস্থানে আছে এমন অধিকাংশ আঞ্চলিক দলগুলোকে কঠিন মোকাবেলা করেই আসতে হবে। এবার ২০১৪ সালের নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি যে হবে না তা অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ভোটারদের ভোট প্রদানের যে তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে তা পর্যালোচনা করে বলা যায়, বড়জোর সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেলেও অন্তত সরকার গঠন করার মতো আসন পাবে না বিজেপি। কাজেই ক্ষমতায় আসতে হলে বিজেপিকে জোটবদ্ধভাবেই আসতে হবে।

ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে যে দলের একক ভূমিকা নিয়ে কারও কোনো দ্বিমত নেই, ভারতের রাজনীতির বৃহৎ অংশজুড়ে যে দলের বিচরণ, দীর্ঘদিন ভারত শাসনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সেই কংগ্রেস যেন অনিশ্চিত গন্তব্যগামী ছেঁড়া পালের নৌকার মতো।

পারিবারিক বলয়ে আবদ্ধ এ দলটির নেতৃত্বে যিনি আছেন সেই রাহুল গান্ধীর ক্যারিশমেটিক নেতৃত্ব প্রদানের গুণাবলি অনেকটাই অনুপস্থিত। অনেকটা পারিবারিক ঐতিহ্যকে পুঁজি করে, পরিবারের বিয়োগান্তক ঘটনার সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগিয়ে দলের নেতৃত্বে আসা রাহুল নির্বাচনের পুলসিরাত পার করার মতো অর্থাৎ ক্ষমতায় ফিরে আসার মতো অবস্থানে দলকে নিয়ে আসতে পেরেছেন বলে মনে হয় না।

কংগ্রেস যে পারিবারিক বলয়ের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে তার অন্যতম উদাহরণ হল নির্বাচনের ঠিক আগে আগে রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ প্রিয়াংকাকে দলের সেক্রেটারি পদ দিয়ে প্রচারণায় নামানো। এ ব্যবস্থায় আপাতত কাজ হয়েছে বলে মনে হলেও ক্ষমতায় আসার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে কিনা বলা মুশকিল। এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গেছে তাতে কংগ্রেসকে ক্ষমতায় আসতে হলে আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে জোট বেঁধেই আসতে হবে।

ভারতের বর্তমান রাজনীতির ধারায় একক কোনো দলই এখন রাষ্ট্রক্ষমতায় বসার শক্তি রাখে না। বিভিন্ন রাজ্যে আঞ্চলিক দলগুলোর উত্থানের প্রবণতা এর মূল কারণ। এবারের নির্বাচনে মোদিবিরোধী আঞ্চলিক দলগুলো তাই ফেডারেল ফ্রন্ট গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিল; কিন্তু মাঝপথে সে উদ্যোগে ভাটা পড়েছিল। তবে বিজেপিকে হারাতে একের বিরুদ্ধে এক প্রার্থী দেয়ার উদ্যোগ নিয়ে আঞ্চলিক দলগুলোর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা ছিল নির্বাচনী রণকৌশলের অন্যতম লক্ষ্য।

এক্ষেত্রে অনেকটাই সফল হয়েছে বলে নির্বাচন বিশ্লেষকরা মনে করছেন। যদিও রাজনৈতিক বাস্তবতা অনুযায়ী সর্বভারতীয় দল হিসেবে কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে শুধু আঞ্চলিক দলগুলোর পক্ষে জোট বেঁধে সরকার গঠন যেমন কঠিন হবে, তেমনই কংগ্রেস ও তাদের ইউপিএ শরিকরাও মিলে ২৭২ আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করতে পারবে তা এখনই জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না।

তাই বিজেপিকে হারিয়ে সরকার গড়তে হলে কংগ্রেসের সঙ্গে মোদিবিরোধী অন্য আঞ্চলিক দলগুলোর জোটবদ্ধ হওয়া যে জরুরি এবং একমাত্র পথ, নির্বাচন চলাকালে তাদের নিজেদের মাঝে সেই উপলব্ধি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বিরোধী পক্ষ থেকে এবারের নির্বাচনী লড়াই হয়তো সেই পথ ধরেই এগোতে চেয়েছে। হয়তো সে কারণেই বিরোধী দলগুলো বারবার কংগ্রেসের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে। তারপরও যেসব রাজ্যে বিজেপির মোকাবেলায় কংগ্রেস শক্ত অবস্থানে, সেখানে তাদের এগিয়ে দিয়ে অন্যান্য রাজ্যে বিরোধী আঞ্চলিক দলগুলোকে প্রাধান্য দেয়ার কৌশল সর্বত্র কাজ করেনি।

তাই পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তরপ্রদেশে রাজ্য দলগুলোর সঙ্গে কংগ্রেসকে ভোটযুদ্ধ চালিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু তাতে কী? ভোট বলে কথা, ভোটের লড়াই চলছে এবং চলবে। সাত পর্বের ভোটগ্রহণের মধ্যে ষষ্ঠ দফায় ভোটও দেয়া শেষ হয়ে গেছে। আর মাত্র একটি পর্ব বাকি আছে।

আগামী রোববার নির্ধারিত হবে আগামী পাঁচ বছর কে চালাবে দেশ। ভারতের জনগণ বেছে নিলেন কাকে- বর্তমান শাসক মোদিকে, নাকি বিরোধী শিবিরের কাউকে? ভোটের এ লড়াই যত শেষের দিকে আসছে এ প্রশ্নের উত্তর নিয়ে ততই কৌতূহল বাড়ছে। ভারতে এবারে নির্বাচনে মমতার ভূমিকা বেশ জোরালো। তিনিই প্রথম মোদিবিরোধী আওয়াজ তুলে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন। যে কোনো মূল্যেই মোদি হটাও স্লোগানও তারই দেয়া।

কংগ্রেসসহ অন্যান্য বিরোধী দল মমতার এ আহ্বানে সাড়াও দিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মমতার সম্ভাবনাও কম নয়। এখন সবার ভেতর কৌতূহল মোদি না রাহুল না মমতা- কে হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী?

ভারতের সংবাদমাধ্যমে তৃণমূলের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ইতিমধ্যে খবর বেরিয়েছে, মোদিকে রুখতে যে কোনো দলকে সমর্থন করতে পারে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যদি রাহুলের নাম প্রস্তাব করা হয় তাহলেও তৃণমূলের কোনো সমস্যা নেই। তাদের একমাত্র লক্ষ্য মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।

নির্বাচনী প্রচারের সময় যদিও মমতা রাহুলের প্রধানমন্ত্রী হওয়া নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন, তবে লোকসভায় কংগ্রেস যদি ভালো ফল করে, তাহলে রাহুলকে সমর্থনেও মমতার আপত্তি থাকবে না বলে তৃণমূলের সূত্রটি জানিয়েছে। তবে এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২৩ মে পর্যন্ত।

একেএম শামসুদ্দিন : অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা

ঘটনাপ্রবাহ : ভারতের জাতীয় নির্বাচন-২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×