শতফুল ফুটতে দাও

বাংলাদেশে শ্রেণী বিশ্লেষণ কেন জরুরি

  ড. মাহবুব উল্লাহ্ ০৯ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রগতিশীল

গত শতাব্দীর ষাটের দশকে বামপন্থী প্রগতিশীল আন্দোলনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল শ্রেণী বিশ্লেষণ। এরই ভিত্তিতে রাজনীতির রণকৌশল ও রণনীতি নির্ধারণ করা হতো। তৎকালীন পাকিস্তানের রাষ্ট্র কাঠামোতে শ্রেণী বিশ্লেষণের ব্যাপারটি খুব জটিল কিছু ছিল না।

কারণ সমাজে যে কয়টি শ্রেণী বিদ্যমান ছিল সেগুলোর বৈশিষ্ট্য ও অবয়ব অনেকটাই স্পষ্ট ছিল। উৎপাদন সম্পর্কের দিক থেকে কারা শোষক এবং কারা শোষিত সেই বিষয়টি এখনকার মতো ধোঁয়াশাচ্ছন্ন হয়ে ওঠেনি।

শ্রেণী বিশ্লেষণ নিয়ে যারা মাথা ঘামাত তারা মূলত একটি সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য কীভাবে লড়াই করতে হবে সেটাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। এই ধারার রাজনীতিতে নির্ধারণ করতে হতো কারা আমাদের শত্রু এবং কারা আমাদের মিত্র। শ্রমিক শ্রেণীর স্বার্থের প্রতিনিধিত্বকারী দলকে চিহ্নিত করতে হতো কাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে এবং সেই লড়াই করার জন্য কাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হতে হবে। এই প্রশ্নে ভুল করার কোনো অবকাশ ছিল না।

ভুল করলে চরম মূল্য দিতে হতো। এই চরম মূল্য দেয়ার অর্থ হল বিপ্লবী সংগঠনের চরম আঘাতের মুখোমুখি হওয়া এবং এই আঘাতকে রোধ করতে না পেরে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়া। ১৯৬৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টি ছিল কমিউনিস্ট জগতের বাইরে বৃহত্তম কমিউনিস্ট পার্টি। এর গণসংগঠনগুলোও ছিল খুব শক্তিশালী। সর্বোপরি ইন্দোনেশিয়ার জাতির জনক আহমেদ সুকর্নের সঙ্গে এই পার্টির নিবিড় ঘনিষ্ঠতা ছিল। সুকর্ন নিজে কমিউনিস্ট ছিলেন না। কিন্তু তিনি ছিলেন সাম্রাজ্যবাদবিরোধী। এ কারণে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ইন্দোনেশিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল। সিআইএ’র ধারণা ছিল ইন্দোনেশিয়া যে কোনো সময় কমিউনিস্টদের করতলগত হয়ে পড়তে পারে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে সিআইএ দীর্ঘদিন ধরে কৌশল করছিল কীভাবে ইন্দোনেশিয়ায় কমিউনিস্ট অভ্যুত্থান প্রতিহত করা যায়। এই লক্ষ্যে সিআইএ সামরিক ও বেসামরিক আমলাদের মগজধোলাই করার এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী আমলাদের বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হতো। ব্যাপারটি আমি প্রথম জানতে পেরেছিলাম হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর সি পিটার টিমারের অধীনে ওয়ার্ল্ড ফুড সিস্টেমের ওপর একটি কোর্স করতে গিয়ে। প্রফেসর টিমার শ্রেণীকক্ষে লেকচার দেয়ার একপর্যায়ে বলে ফেললেন, সাম্রাজ্যবাদ মূলত একটি মার্কেট ফেনোমেনা। অর্থাৎ সাম্রাজ্যবাদ বাজারকে ভর করেই বিস্তৃতি লাভ করে।

প্রফেসর টিমারের ক্লাসের প্রতি অনেক ধরনের ছাত্রেরই আকর্ষণ ছিল। এরা নানা ডিসিপ্লিন থেকে আসত। তাই ক্লাসের আকারও বেশ বড় ছিল। হার্ভার্ড ইয়ার্ডের এক পাশে একটি পুরনো ভবনে টিমারের ক্লাসটি হতো। টিমার যেই মাত্র বললেন, সাম্রাজ্যবাদ একটি মার্কেট ফেনোমেনা, সেই মাত্রই পেছনের বেঞ্চ থেকে একজন ছাত্র হাত তুলে টিমারের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বলল, কয়েকদিন আগে আমার সৌভাগ্য হয়েছিল নোম চমস্কির একটি সেমিনারে যোগ দেয়ার। চমস্কি বলেছিলেন, ইন্দোনেশিয়ায় মার্কিনপন্থী সামরিক ক্যু ঘটানোর জন্য সিআইএ অনেক দিন ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এই প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ইন্দোনেশীয় আমলাদের বার্কলেতে নিয়ে গিয়ে মগজধোলাই করা। এর অর্থ দাঁড়ায় সাম্রাজ্যবাদ নিছক বাজার জয়ের ব্যাপার নয়, সাম্রাজ্যবাদ কর্তৃত্ব বিস্তার করে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে।

প্রফেসর টিমার চমস্কির প্রতি কোনো বিরূপ মন্তব্য করলেন না। তিনি কথা দিলেন কোর্স যখন শেষ হবে তখন তিনি পুরো একটি লেকচার এ বিষয়ের ওপর দেবেন। এটাই ছিল তৎকালীন মার্কিন একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সৌন্দর্য। সেখানে দ্বিমত পোষণ করা যায় এবং এর জন্য শাস্তির সম্মুখীন হতে হয় না। তবে এই প্রশংসা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। আমি মূলত বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। সেখানে উন্নয়ন অর্থনীতির উত্তরপত্রে জগদ্বিখ্যাত উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ গুনার মিরডালের রেফারেন্স দেয়ার কারণে পরীক্ষকের ভর্ৎসনার শিকার হয়েছিলাম। কারণ গুনার মিরডাল আদর্শগতভাবে ছিলেন একজন সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্রী। ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠান অর্থনীতিতে অবদানের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। কথা এখানেই শেষ নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল অর্থনীতিবিদরা ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদদের নাম উল্লেখ করতেও জড়তা বোধ করতেন। আমি যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি সেখানে দু’একটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রফেসররা এডাম স্মিথ, ডেভিড রিকার্ডো, কার্ল মার্কস, এমনকি জোয়ান রবিনসনের নামও উল্লেখ করতেন না। অথচ অর্থনীতি শাস্ত্রটি মূলত বিকশিত হয়েছে ব্রিটেনে। তবে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ। সেখানে মিলটন ফ্রিডম্যানের পৌরোহিত্যে এমন একটি জাঁদরেল অর্থনীতিবিদদের গোষ্ঠী তৈরি হয়েছিল, যারা বিশ্বাস করতেন বাজার প্রক্রিয়াই অর্থনীতির সব সমস্যার সমাধান দেবে, এমনকি পরিবেশের সমস্যারও। এ কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির অধ্যাপকরা কোনো একটি বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলতেন, শিকাগোর অর্থনীতিবিদরা বলবেন এই কথা, আর শিকাগোর বাইরের অর্থনীতিবিদরা বলবেন অন্য কথা। এর অর্থ এই নয় যে, শিকাগোর পণ্ডিতদের প্রভাব শুধু শিকাগোতেই সীমাবদ্ধ ছিল। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি করে অনেকেই অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োজিত হয়ে শিকাগোর ঝাণ্ডা বহন করছেন। যাই হোক, সাম্রাজ্যবাদ কতটুকু বাজারের ব্যাপার আর কতটুকু রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের ব্যাপার সেটি নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক হতে পারে। তবে এর ভিত্তিতে শ্রেণী প্রশ্নটি যে অবস্থান করছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। এ কারণেই আজকের আলোচনার সূত্রপাত ঘটিয়েছি শ্রেণী প্রশ্নটিকে সামনে এনে।

পাকিস্তান আমলে আমরা সমাজে বিদ্যমান কয়েকটি শ্রেণী সম্পর্কে শুনতাম। এগুলোর মধ্যে ছিল আমলা মুৎসুদ্দি বুর্জোয়া শ্রেণী, জাতীয় বুর্জোয়া শ্রেণী, পেটি বুর্জোয়া শ্রেণী, জোতদার-মহাজন-ইজারাদার শ্রেণী, স্বাধীন কৃষক শ্রেণী, বর্গাচাষী এবং ক্ষেতমজুর শ্রেণী। বর্তমান বাংলাদেশে কেউ যদি শ্রেণী বিশ্লেষণ করতে চায়, তাহলে এমন মোট দাগে শ্রেণী বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে না। এদেশে একটি বুর্জোয়া শ্রেণী আছে, সে ব্যাপারে কোনো দ্বিমতের অবকাশ নেই। এই বুর্জোয়া শ্রেণীটির বেশিরভাগই গড়ে উঠেছে মার্কস যাকে বলেছিলেন আদিম সঞ্চয়নের প্রক্রিয়ায়। এই প্রক্রিয়া হল দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নের প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে ব্যাংক লুট, শেয়ারবাজার লুট থেকে শুরু করে সব ধরনের লুটপাটই অন্তর্ভুক্ত। মানবশক্তি ব্যবসা, মানব পাচার, চোরাকারবার, ড্রাগের ব্যবসাসহ সব ধরনের অবৈধ ব্যবসা এর অন্তর্ভুক্ত। এদের রাজনৈতিক প্রভাব খুবই শক্তিশালী। সেজন্য অপকর্ম করলে তাদের জবাবদিহি করতে হয় না। এখন খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল, নকল ওষুধ ও মাদকের বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে তা কতটুকু আন্তরিক এবং রাজনৈতিক প্রয়োজনে কতটুকু লোক দেখানো, তা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। এই ধরনের শ্রেণী যখন রাষ্ট্রযন্ত্রের চাবিকাঠি নিয়ন্ত্রণ করে তখন রাষ্ট্রে কোনো সুস্থ পুঁজিবাদী ধারা গড়ে উঠতে পারে না, অথবা গড়ে ওঠার পথে প্রবল বাধার সম্মুখীন হয়। রাজনীতি এক ধরনের বাণিজ্যে পরিণত হওয়ার ফলে দুর্বৃত্ত পুঁজির পক্ষে দুর্বিনীত হয়ে ওঠা সহজ হচ্ছে। বাংলাদেশে উচ্চমূল্যের ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। এর মধ্যে মূলত বাগান কৃষি অন্তর্ভুক্ত। বিভিন্ন ফলের চাষ এবং কিছু নতুন জাতের সবজির চাষ ক্রমেই বিস্তার লাভ করছে। এর মধ্যে সুস্থ পুঁজির উপাদান কতটুকু এবং দুর্বৃত্ত পুঁজির উপাদান কতটুকু সেটি মাঠপর্যায়ে জরিপ করে দেখতে হবে। তবে এর মধ্যেও যে আদিম সঞ্চয়নের প্রক্রিয়া ঢুকে পড়েনি এমনটি হলফ করে বলা যাবে না। কারণ বাগান কৃষিতে যে জমি ব্যবহার হচ্ছে আর মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ কোন পথে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা অনুসন্ধান করে দেখতে হবে।

পাকিস্তান আমলে শিল্প শ্রমিকরা যথেষ্ট সংগঠিত ও শক্তিশালী ছিল। বিভিন্ন শিল্পের শ্রমিকরা প্রয়োজনে ধর্মঘটের পথ বেছে নিত এবং মজুরির জন্য শক্তিশালী দরকষাকষি করত। এখন তেমনটি দেখা যায় না। তৈরি পোশাক খাতে ৩০-৪০ লাখ শ্রমিক থাকা সত্ত্বেও এ খাতে শ্রমিক আন্দোলনের লেশমাত্র আছে কিনা বলা সন্দেহ। তবে মাঝে মাঝে নাশকতার মতো ঘটনা ঘটে। একে কেউ ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করে। আবার কেউ সংগঠিত শ্রমিক আন্দোলন না থাকার ফল হিসেবে ব্যাখ্যা করে। ব্রিটেনে একসময় ‘লুডাইট’ আন্দোলন হয়েছিল। এ আন্দোলনে শ্রমিকরা যন্ত্রশিল্প ধ্বংস করে ফেলত। কারণ তাদের ধারণা ছিল যন্ত্রশিল্প চালু হওয়ার ফলে শ্রমিকরা মারাত্মক বেকারত্বের মধ্যে পড়বে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ ব্যাখ্যা প্রয়োগ করা যায় না। এখানে সংগঠিত ট্রেড ইউনিয়ন না থাকার ফলে মাঝে মাঝে নাশকতামূলক ঘটনার সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া শ্রমিক নেতাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ দেয়ারও অভিযোগ আছে। দু’-চারটি সম্মানজনক ব্যতিক্রম বাদে শ্রমিক ফ্রন্টে যারা নেতৃত্ব দেন, তাদের লেনিনের ভাষায় বলা যায় লেবার অ্যারিস্টোক্র্যাট বা শ্রমিক-অভিজাত।

গ্রামে যারা ক্ষেতমজুর হিসেবে কাজ করে, তাদের সুস্পষ্ট শ্রেণীভুক্ত করা মুশকিল। এরা বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়, যার সিংহভাগই কৃষিবহির্ভূত। এ কারণে শ্রেণী সম্পর্কের দিক থেকে এরা এক জটিল সম্পর্কের আবর্তের মধ্যে রয়েছে। নির্দিষ্ট করে বলা যায় না জমির মালিকরাই এদের একমাত্র শোষণকারী। উল্টোদিকে জমির মালিকরা অভিযোগ করে- ব্যস্ত মৌসুমে মজুরির হার এতটাই বৃদ্ধি পায় যে, মনে হয় ক্ষেতমজুররাই শোষণকারী। এদেশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যেসব বামপন্থী দল আছে তারা এখন আর আগের মতো ক্ষেতমজুরদের স্বার্থ নিয়ে সোচ্চার নয়। কারণ ক্ষেতমজুর হিসেবে আমরা যাদের চিনি তারা বহুবিধ সম্পর্কের জালে আবদ্ধ। যদিও প্রতিটি সম্পর্কের ক্ষেত্রেই শ্রেণীগত বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তদাপিও এক্ষেত্রে শত্রু-মিত্র নির্ধারণের প্রশ্নটি অত্যন্ত জটিল। তাই কৃষক আন্দোলনের ক্ষেত্রে এখন ফসলের ন্যায্যমূল্য, উপকরণের সহজলভ্যতার ওপর জোর দেয়া হয়। ভূমি সংস্কার নামক বিষয়টি এখন আর কৃষক আন্দোলনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নয়। অনেক কারণেই ভূমি সংস্কারের বিষয়টি গৌণ হয়ে পড়েছে। তাই বাংলাদেশে শ্রেণী বিশ্লেষণের কাজটি তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক দিক থেকে অত্যন্ত জটিল। এ কাজে হাত দিতে হলে লেনিনের লেখা ‘দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ ক্যাপিটালিজম ইন রাশিয়া’র মতো শ্রমসাধ্য এবং মাঠপর্যায়ের তথ্যভিত্তিক গবেষণা গ্রন্থ রচনা করতে হবে, যার মধ্যে থাকবে সৃজনধর্মী চিন্তার খোরাক। অন্যথায় যারা সমাজতন্ত্রের কথা ভাবছেন, তারা খুব একটা এগোতে পারবেন না; আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সব অপরাধ সত্ত্বেও।

ড. মাহবুব উল্লাহ : অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×