সংসদে এরশাদ তার প্রাদেশিক ব্যবস্থা তুলে ধরতে পারলেন না!

  সুনীল শুভ রায় ০৬ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সংসদে এরশাদ তার প্রাদেশিক ব্যবস্থা তুলে ধরতে পারলেন না!

একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট পেশ করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এযাবৎকালের মধ্যে সর্ববৃহৎ বাজেট। তবে এ রেকর্ডও আগামী বছর ভেঙে যাবে এবং বছর বছর ভাঙতেই থাকবে।

বিশ বছর তো বাজেট নিয়ে শুধু বক্তৃতাই লিখে গেলাম। আশা ছিল, এবার হয়তো- নিজেই সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিতে পারব। কারণ- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমিও অংশগ্রহণ করেছিলাম। জনসমর্থনের মাপকাঠিতে বিজয়ের ব্যাপারেও নিশ্চিত ছিলাম। কিন্তু দুঃখ ও দুর্ভাগ্যের বিষয়, আমি সেই নির্বাচন মেনে নিতে পারিনি।

কারণ- নির্বাচনের পরিবেশ-পরিস্থিতির জন্য নির্বাচনের দিন সকাল ১০টার মধ্যে আমাকে বিবৃতি দিয়ে নির্বাচন বর্জন করতে হয়েছে। তবে আমার নেতা পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় একবার না গিয়েও ইভিএম ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন। সেটাই ছিল আমার সান্ত্বনা। তারপর আমার নেতা সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হলেন।

এটি তার জন্য এক ঐতিহাসিক বিজয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধান বিরোধী দলই হচ্ছে দেশের ছায়া সরকার। সেই সরকারের প্রধান হলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। একদিন যারা স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল- তাদের দেখতে হচ্ছে- জীবনের শেষপ্রান্তে হলেও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আজ ছায়া সরকারের প্রধানের আসনে আসীন।

এদের মধ্যে যারা জাতীয় পার্টিকে নিঃশেষ করে দিতে চেয়েছিল- তাদের আজ রাজনীতির তৃতীয় আসনে লজ্জাজনক অবস্থায় বসে থাকতে হচ্ছে। একেই বলে ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। কার ভাগ্যে কখন এ পরিস্থিতি আসে তা দেখতে শুধু ভবিষ্যতেরই অপেক্ষা করতে হয়।

শুরু থেকেই মাথায় ছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বিরোধী দলের নেতা হিসেবে এবারের বাজেট আলোচনায় অংশ নেবেন এবং সেই আলোচনায় তাকে একটি দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দিতে হবে।

যে নির্দেশনা দেশ-জাতি এবং সরকারেরও কাজে লাগবে। কিন্তু তা-ও আর হল না। সব বাজেট ভাবনা ভেস্তে গেল। অসুস্থতার কারণে প্রধান বিরোধী নেতা এখন লাইফ সাপোর্টে। বাজেট পেশের দিন তিনি সংসদে যেতে পারলেন না। আমি ১৯৮৪ সাল থেকে সাংবাদিকতায় ছিলাম। তার মধ্যে দীর্ঘদিন সংসদের বিটেও কাজ করেছি।

তার জন্য সংসদীয় কার্যক্রমের ইতিবৃত্ত সম্পর্কে কিছুটা পড়াশোনা করতে হয়েছে। যতদূর মনে পড়ে কোনো বাজেট পেশের দিনে প্রধান বিরোধী দলের আসন শূন্য ছিল না। এবার তা-ই হল।

আর তাই বাজেট নিয়ে ভাবনাটাও বিবর্ণ হয়ে গেছে। এবার অবশ্য বাজেট পেশের দিনে আরও কিছু বিরল ঘটনার জন্ম হয়েছে। যেমন এবারই প্রথম দেখলাম মাননীয় অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতা পড়ে শোনাতে পারলেন না। তিনিও অসুস্থ ছিলেন। বাজেট পেশের সংসদীয় কার্যক্রম না থাকলে তিনিও হয়তো সংসদে উপস্থিত হতে পারতেন না। অসুস্থতা নিয়েও তাকে সংসদে আসতে হয়েছে।

বাজেট পেশের অনুমতি কীভাবে চাইতে হবে- তা-ও বুঝতে পারছিলেন না। মাননীয় স্পিকার শিখিয়ে দেয়ার পরও তিনি খেই হারিয়ে ফেলছিলেন। বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে এমন অবস্থা আর কোনো অর্থমন্ত্রীর ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের দুই দিকের আসনে শেখ সেলিম এবং মতিয়া চৌধুরী তাকে বুঝিয়ে দিয়েও বাজেট উত্থাপনের কাজটি করাতে পারলেন না।

তার অসুস্থতা এমনই ছিল, বক্তৃতার লিখিত পাতাগুলো উল্টাতে পারছিলেন না। এ অবস্থায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেই বাজেট পেশের হাল ধরতে হল। তিনিই অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতা সংসদে পাঠ করলেন। মাননীয় সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তখন কিছুটা অসুস্থ ছিলেন। তিনিও সংসদে জানালেন ঠাণ্ডাজনিত অসুস্থতা তাকেও ধরেছে।

সেই অবস্থায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীর পক্ষে সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পাঠ করলেন। এটাও সংসদীয় ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা। এ ঘটনাবলি আমরা সবাই টিভিতে দেখেছি এবং জেনেছি।

তারপরও ঘটনাটি উল্লেখ করছি এ কারণে, সবকিছু প্রধানমন্ত্রীকেই করতে হয়। এমনকি বাজেট পেশের পরের দিনে প্রভিশন অনুসারে সংবাদ সম্মেলনেও প্রধানমন্ত্রীকেই ভাষণ দিতে হয়েছে। পল্লীবন্ধু এরশাদের সংস্কার কর্মসূচি প্রাদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের ভূমিকায় এ কথাই বলা আছে, এ ষোল-আঠার কোটি মানুষের সমস্যাসংকুল দেশে সব দায়-দায়িত্ব শুধু এক সরকারপ্রধানের হাতেই ন্যস্ত থাকে।

এ দায়িত্ব বিকেন্দ্রীকরণের জন্যই প্রাদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রয়োজন। সব দিকেই প্রধানমন্ত্রীকে দৃষ্টি রাখতে হবে। আড়ংকে জরিমানা করা কর্মকর্তাকে কেন একদিনের মধ্যে বদলি করা হল- তা-ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেই দেখতে হয়।

প্রধান বিরোধী দলের নেতা সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ যখন সুস্থ ছিলেন- তখন তার সঙ্গে রাজনৈতিক আলোচনাকালে তিনি বলতেন, এবারের সংসদের বক্তৃতায় প্রাদেশিক ব্যবস্থার ওপর বিশদ ব্যাখ্যা তুলে ধরতে হবে। পল্লীবন্ধু এরশাদ সংস্কারের বরপুত্র। উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন এদেশের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা। তারচেয়েও যুগান্তকারী হবে প্রাদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তন।

এ প্রশাসনিক সংস্কারটিই হতে পারে এ সমস্যাজর্জরিত দেশে সব বিড়ম্বনা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ। এটাই সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বিশ্বাস করেন মনে প্রাণে। আর এ বিষয়টি নিয়েই পল্লীবন্ধুর সঙ্গে কাজ করে আসছি প্রায় বিশ বছর ধরে।

বাজেটের খুঁটিনাটি দিক আলোচনার মধ্যে প্রাদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরাই ছিল এবার মাননীয় বিরোধী নেতার মুখ্য উদ্দেশ্য। জানি না আগামীতে আর সেটা সম্ভব হবে কিনা। তবুও প্রার্থনা করি- হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যেন তার প্রস্তাবিত প্রাদেশিক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন দেখে যেতে পারেন।

জাতীয় বাজেট আগেও এসেছে- নতুন বাজেট এলো, বাজেট পাসও হল, আগামীতে একই নিয়মে বাজেট আসবে এবং বাজেট পাস হবে। একই ধরনের আলোচনা-সমালোচনা-পর্যালোচনা হবে।

বাস্তবে সরকার যা চাইবে- তা-ই হবে। এ যাবৎকাল যা হয়ে আসছে- তার কোনো ব্যতিক্রম আশা করি না। এক পক্ষ বলবে- এ বাজেট উন্নয়নের জোয়ার আনবে- আর এক পক্ষ বলবে এটা গরিব মারার বাজেট। বাস্তবে দেখি কোনো গরিব যেমন বাজেটের কারণে মরে না- আবার উন্নয়নের জোয়ারেও আমরা ভেসে যাই না।

বাজেট পেশ হওয়া এবং পাস হওয়ার মানে হল- দ্রব্যমূল্যের জাঁতাকলে নিষ্পেষিত হওয়া। সাধারণত দেখে আসছি- বাজেট পেশের আগে নয়া করারোপের আশঙ্কায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পায়।

আবার বাজেট পেশ ও পাসের পর আর এক দফা মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। আমরা সাধারণ মানুষ নিষ্পেষিত হয়েও বেঁচে থাকি এবং বাঁচতে হয়। এদিকে সরকারি সমীক্ষা বলে- আমাদের নাকি গড় আয়ুও বেড়ে গেছে। তাই বেশি দিন বাঁচব। বেশি দিন বেঁচে থেকে কী দেখব আর কী-বা করব? দেখব ‘গণতন্ত্রের জয়যাত্রা’! উপভোগ করব কী আমার নাগরিক অধিকার!

সড়কে মৃত্যুর মিছিল কিংবা ধর্ষণের বিস্তার, দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার এসব বাজেটের বিষয় নয়। রাজধানীতে জনজীবনের দুর্ভোগ-যানজটের সঙ্গে হয়তো অর্থনীতির যোগসূত্র আছে।

মানুষের হাতে অনেক টাকা আছে বা অনেক অর্থ আসতে থাকে- তা কালো হোক আর সাদাই হোক- তা দিয়ে গাড়ি কিনবে। সে গাড়ি রাজধানীতেই বেশি চলবে।

ফলে অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো হওয়ার কারণে যানজট বাড়তেই পারে! আর এবারের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ তো থাকছেই। যারা এর সমালোচক- তারা তো বলতেই পারেন, অবৈধভাবে আয় করা টাকা যদি প্রশ্ন ছাড়া বিনিয়োগ করা যায় তাহলে সেটা হবে সংবিধানের পরিপন্থী। যে কথা সিপিডি বলেছে।

গত কয়েক বছর ধরেই দেখে আসছি জাতীয় বাজেট ঘোষণার পরের দিন সেন্টার ফল পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) সংবাদ সম্মেলন করে বাজেট সম্পর্কে তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। এবারও করেছে।

বাজেটের ভালো-মন্দ সব দিকই তাদের পর্যালোচনায় থাকে। সংস্থাটি মিডিয়াতে ভালো প্রচারও পেয়ে থাকে। এবার যেমন বলেছে, দেশের সুবিধাভোগীদের স্বার্থেই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। তারা বাজেটের ভালো দিক উল্লেখ করে বলেছে- জিডিপি বেড়েছে, গড় মাথাপিছু আয় বাড়ছে, মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে কিন্তু বেড়ে যাচ্ছে আয় বৈষম্য, সম্পদ বৈষম্য।

যেভাবে বৈষম্য বাড়ছে তাতে ৭, ৮, ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি টেকানো কষ্টকর হবে। এবারের বাজেটে ফ্ল্যাটের পাশাপাশি নতুন করে জমি ক্রয় এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এ সুযোগটি এখন আর মৌসুমি বিষয় নয়। অব্যাহত চলতি বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এখন বৈধ উপায়ে অর্জিত অপ্রদর্শিত অর্থ ও অবৈধ অর্থের মধ্যে পার্থক্য করার সময় এসেছে।

কালো টাকাকে সাদা করার ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সরকারের যুক্তি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, অর্থ পাচার যাতে না হয়- সেজন্যই এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কালো টাকা মানে এখানে মাঝে মধ্যেই কিছু অপরিশোধিত টাকা থেকে যায়। হয়তো কোনো কারণে টাকা হাতে এসে যায়- কিন্তু কাজে লাগাতে পারে না।

তখন সেই টাকা নানাভাবে পাচার হতে চায় বা অন্যভাবে ব্যবহৃত হয়। এটা বন্ধ করার জন্যই বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হচ্ছে। সুতরাং পক্ষ-বিপক্ষের অভিমতের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যুক্তিটাই শ্রেয় বলে মনে হয়। তাই বাজেটের বিরুদ্ধে যত কথাই বলা হোক না কেন- যারা সমালোচনা করেন তাদের বাজেট প্রণয়ন করতে দিলেও সর্বজন গ্রহণযোগ্য বাজেট কেউ-ই প্রণয়ন করতে পারবে না।

আমরা যে যত ভাবেই সরকারের সমালোচনা করি না কেন- এটা তো মানতে হবে- দেশে উল্লেখ করার মতো উন্নয়ন অবশ্যই হয়েছে। ছোট একটি উদাহরণ দিয়ে বলা যায়, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে যেখানে মাথাপিছু আয় ছিল ৫৪৩ মার্কিন ডলার- সেটা ২০১৮-১৯-এ ১ হাজার ৯০৯ ডলারে উন্নীত হয়েছে; যা প্রতিবেশী ভারতের চেয়ে বেশি। এটা একবারে কম কথা নয়।

২০০৫-০৬ অর্থবছরে যেখানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ হাজার ৭৮২ মেগাওয়াট, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সেই উৎপাদন ক্ষমতা ২১ হাজার ৪১৯ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। এ ধরনের অগ্রগতি এসেছে দারিদ্র্যবিমোচনে, প্রবৃদ্ধিতে, বৈদেশিক বিনিয়োগে, খাদ্য উৎপাদনে, রফতানি খাতে, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে, অবকাঠামো ইত্যাদি খাতে।

তবে এসব উন্নয়নকে অর্থবহ করতে হলে সবার আগে প্রয়োজন প্রশাসনিক দুর্বলতা দূর করা, সব ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং নাগরিক অধিকারের সুরক্ষা দেয়া।

জাতীয় বাজেট আসার আগে যার যার স্বার্থ নিয়ে ভাবনা তো আসবেই। কৃষক ভাবেন তাদের ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চয়তার কথা, শিল্পোদ্যোক্তারা ভাবেন- ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানোর কথা, আবার আমানতকারীরা ভাবেন- সুদের হার বাড়বে কিনা।

এভাবেই যে যার স্বার্থে বাজেটকে দেখতে চায়। আমি যেমন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ হিসেবে ভাবি- পদ্মা সেতু নির্মাণ শেষ করতে আর কত সময় লাগবে। আর জাতীয় স্বার্থের কথা মনে পড়লেই- মনে পড়ে পল্লীবন্ধু এরশাদের প্রস্তাবিত প্রাদেশিক ব্যবস্থার কথা।

নতুন বাজেট সামনে রেখে এ ভাবনাটাই মনের মধ্যে তোলপাড় করে- এবার যদি প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সংসদে বাজেট আলোচনায় আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক স্বার্থের বিবেচনায় প্রাদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের যুক্তি তুলে ধরতে পারতেন কিংবা অসুস্থতাকে জয় করে যদি সংসদে কথা বলতে পারতেন- তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ হোক আর কাল হোক- অবশ্যই প্রস্তাবটি বিবেচনা করতেন।

সুনীল শুভ রায় : সাংবাদিক ও রাজনীতিক

ঘটনাপ্রবাহ : পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×