একুশ শতকের সিল্ক রোড

  কমডোর কাজী এমদাদুল হক (অব.) ০৭ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সিল্ক রোড

চায়ের টেবিলের আলাপচারিতা থেকে গোলটেবিল আলোচনা, আন্তর্জাতিক সেমিনার থেকে শুরু করে ইন্দো-প্যাসিফিক সংলাপ- গবেষক ও চিন্তাবিদদের জন্য বিআরআই (বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ) আলোচনার একটি মূল বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

তাই বিআরআই কী এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ, তা স্পষ্ট হওয়া চাই। তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীরাও বিআরআই কী এবং এর উদ্দেশ্য সম্বন্ধে জানতে আগ্রহী। এ প্রবন্ধ বিআরআই বিশ্লেষণেরই একটি প্রয়াস।

প্রাচীনকালে চীনের হান রাজবংশ (খ্রিস্টপূর্ব ২০৭) পশ্চিমে যে পথটি ব্যবহার করত, তা ‘সিল্ক রোড’ নামে পরিচিত এবং এটি ব্যবসা-বাণিজ্যের স্থলপথে পরিণত হয়; যা পূর্ব-পশ্চিম-দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ ইউরোপ, পূর্ব আফ্রিকার বিপুল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। ‘সিল্ক রুট’ টার্মটি ঐতিহাসিকদের মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও সাধারণ মানুষের মাঝে জনপ্রিয়তা অর্জন করে ‘সিল্ক রোড’ নামটি। এ ‘সিল্ক রোড’ দ্বারা কখনোই পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে অবস্থিত একক কোনো মহাসড়ককে বোঝানো হয় না।

‘সিল্ক’ শব্দটি এসেছে আকর্ষণীয় অর্থোপার্জনের রেশম ব্যবসার পাশাপাশি পূর্ব থেকে পশ্চিমে যাতায়াতের উভয়মুখী সড়ক থেকে। পূর্ব থেকে পশ্চিমে রেশম ছাড়াও সাধারণত চা, চীনামাটির তৈজসপত্র, কাগজ, বারুদ, মসলা ইত্যাদি পরিবহন করা হতো এবং পশ্চিম থেকে পূর্বে এ পথ ধরে আসত ঘোড়া, জন্তু-জানোয়ার, স্বর্ণ, দাস, অস্ত্র, বর্ম ইত্যাদি।

সংস্কৃতি ও ইতিহাস-ঐতিহ্যের মতোই প্রজন্মজুড়ে যোগাযোগ, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সুযোগ-সুবিধা সিল্ক রোডের মূল প্রেরণা। সিল্ক রোডের মূল প্রেরণাকে চৈনিক অফিসাররা দেখে থাকেন যেভাবে- ‘শান্তি ও সহযোগিতা, উন্মুক্ততা ও সামগ্রিকতা, পারস্পরিক শিক্ষা ও সুযোগ সুবিধা’- তা তাদের নিজস্ব জনগণ এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর মানুষের প্রেরণার কৌশলগত চালিকাশক্তি। এ প্রেরণা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পরিবাহিত হয়ে মানবসভ্যতার উন্নতিকে সহায়তা করেছে এবং হাজার বছর ধরে সিল্ক রোডের পাশজুড়ে অবস্থিত দেশগুলোর সমৃদ্ধি এবং উন্নয়নে ভূমিকা রেখে এসেছে। এ প্রেরণার পুঞ্জীভূত রূপটিই সম্ভবত ২০১৩ সালের অক্টোবরে মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ভ্রমণকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে সবচেয়ে উচ্চাকাক্সক্ষী বৈদেশিক ও অর্থনৈতিক কর্মপন্থা, সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট (এসআরইবি) ও একুশ শতকের সামুদ্রিক সিল্ক রোড (এমএসআর) যৌথভাবে নির্মাণের ঘোষণায় অনুপ্রাণিত করে থাকবে। এর পরপরই মিশ্র প্রতিক্রিয়া সমেত এটি বিশ্বব্যাপী সবার নজরে আসে।

প্রাথমিকভাবে ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড (ওবিওআর) তথা এক বলয়, এক সড়ক হিসেবে এর নামকরণ করা হয়। প্রাচীন সিল্ক রোডের পাশাপাশি এ স্থলপথটিকে এসআরইবি নামে উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তার নিজ রাষ্ট্রের অনুন্নত পশ্চাৎপদ এলাকাগুলোকে মধ্য এশিয়া হয়ে ইউরোপের সঙ্গে সংযুক্ত করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। এর দ্বিতীয় পর্যায়ে একুশ শতকের এমএসআর হিসেবে পরিচিত সেতু ও বন্দর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্রুত উন্নয়নশীল দেশগুলোকে চীনের দক্ষিণের প্রদেশগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়।

ওবিওআর থেকে বিআরআইতে রূপান্তর

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘোষণা অনুসারে একে ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড হিসেবে নামকরণ করা হয়; কিন্তু ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ের শেষদিকে এসে সেন্ট্রাল কম্পাইলেশন অ্যান্ড ট্রান্সলেশন ব্যুরো অব দ্য পিপলস রিপাবলিক অব চায়না জানায়, ইংরেজি ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ আর উল্লেখ করা হবে না, এর পরিবর্তে একে বলা হবে ‘দ্য বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’; সেই সঙ্গে আকর্ষণীয় ‘ওবিওআর’ বদলে এর আদ্যাক্ষর ‘বিআরআই’ ব্যবহৃত হবে। উনা আলেকজান্ড্রা বলেন, অংশীদার রাষ্ট্রগুলো ‘ওয়ান’ শব্দটির ওপর খুব বেশি গুরুত্বারোপ করায় ‘ওয়ান’ নিয়ে অনেক ভুল ব্যাখ্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ থেকে এমন ধারণা জন্মেছে যে, এতে একটি মাত্র সামুদ্রিক পথ এবং একটি মাত্র বলয় থাকবে। কিন্তু বাস্তবতা হল, চীন পাঁচটি পথে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার সঙ্গে সংযুক্ত হতে চাইছে; এজন্যই সংখ্যার ‘ওয়ান’ এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাছাড়া ‘ইনিশিয়েটিভ’ তথা উদ্যোগ শব্দটি দাফতরিক আদ্যাক্ষরের মাঝে একীভূত হয়ে এসেছে, যাতে কৌশলের উন্মুক্ততা এবং ‘চীনকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠা’ এড়ানো যায়। তার মানে বলয় ও সড়ক উদ্যোগ দিয়ে স্থল এবং জলপথ দুটোকেই বোঝানো হচ্ছে।

প্রসঙ্গ ‘বলয় ও সড়ক’

‘বলয়’ ও ‘সড়ক’ নামকরণের মাঝে চীন কি খুব নতুন ধারার কিছু খুঁজে পেয়েছিল? এ ‘বলয়’ শব্দটি নেয়া হয়েছে ওবিওআর-এর ‘বেল্ট’ থেকে। এর সাহায্যে চীনের মাঝ দিয়ে মধ্য এশিয়া ও ইউরোপ হয়ে অর্থনৈতিক এবং স্থলপথে পরিবহনকে বোঝায়, আগে যাকে বলা হতো এসআরইবি। অন্যদিকে ‘সড়ক’ দিয়ে বোঝায় চীনের বন্দরগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়া অঞ্চলের সমুদ্র পথের একটি জালিকা বা নেটওয়ার্ক; এরই নাম একুশ শতকের সামুদ্রিক সিল্ক রোড।

বিআরআই তাত্ত্বিক কাঠামো

এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পাঁচটি ভিন্ন পথে সংযুক্ত করাই বিআরআইয়ের উদ্দেশ্য; যেটাকে কেন্দ্র করে এসআরইবিয়ের অভিপ্রায়- ১. মধ্য এশিয়া ও রাশিয়ার মাঝ দিয়ে ইউরোপের সঙ্গে চীনকে সংযুক্ত করা; ২. মধ্য এশিয়ার মাঝ দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে চীনকে সংযুক্ত করা; ৩. চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া ও ভারত মহাসাগরকে নিরবচ্ছিন্নতার মাঝে নিয়ে আসা (একুশ শতকের সামুদ্রিক সিল্ক রোড চীনের উপকূলীয় বন্দরগুলোর এমন ব্যবহারে ওপর জোর দিয়ে আসছে) ৪. দক্ষিণ চীন সাগর ও ভারত মহাসাগরের মাঝ দিয়ে চীন ও ইউরোপকে সংযুক্ত করা; এবং ৫. দক্ষিণ চীন সাগরের মাঝ দিয়ে চীনকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করা।

উপরের পাঁচটি পথকে গুরুত্ব দিয়ে বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে বিআরআই অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার লক্ষ্য স্থির করেছে। এক্ষেত্রে এ সহযোগিতাকে আরও বেশি জোরদার এবং ছয়টি আন্তর্জাতিক ইকোনমিক সহযোগিতা করিডোর নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে। এ করিডোরগুলোকে এভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে- ১. নব্য ইউরেশীয় বৃহত্তর সেতু, ২. চীন-মঙ্গোলিয়া-রাশিয়া, ৩. চীন-মধ্য এশিয়া-পশ্চিম এশিয়া, ৪. চীন-ইন্দোচীন উপসাগর, ৫. চীন-পাকিস্তান এবং ৬. বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার।

বিআরআই মূলনীতিগুলো

বিআরআই দ্বারা বোঝায়, চীন সরকার কর্তৃক শুরু করা সিল্ক রোড অর্থনৈতিক বলয় এবং একুশ শতকের সামুদ্রিক সিল্ক রোড। বিআরআইসহ চীনের কৌশলগত নীতির ভিত্তিতে সবার অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক নিয়ামকগুলোর অবাধ প্রবাহে সহায়তা করাই এর লক্ষ্য। এক্ষেত্রে পাঁচটি খাতের ওপর জোর দিতে হবে- ১. সাংস্কৃতিক বিনিময়, ২. নীতিগত সমন্বয়, ৩. অর্থনৈতিক ঐক্য, ৪. সুবিধাগত সংযোগ এবং ৫. বাণিজ্য ও বিনিয়োগ।

বিআরআই’র জন্য তহবিল

বিআরআই এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার সত্তরটিরও বেশি দেশ তার আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ অঞ্চলগুলোয় পৃথিবীর ৬০ ভাগেরও অধিক জনগণের বসবাস; এখানে বিশ্ব জিডিপির ৩০ শতাংশ এবং বিশ্ব বাণিজ্যের ৩৫ শতাংশ পরিচালিত হয়। ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত বিপুল এ পরিবহন নেটওয়ার্ক, শক্তি ও টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর জন্য বিআরআই আট ট্রিলিয়নেরও বেশি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে বলে আশা করছে। এর মধ্যে ১.৮ ট্রিলিয়ন বিভিন্ন অবকাঠামো, সড়ক, শক্তি, পরিবহন, যোগাযোগ ইত্যাদি এমএসআর-এ বিনিয়োগ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিআরআই-এর ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্পের আওতায় চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) নির্মাণে চীন ৬২ লাখ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করতে যাচ্ছে। তাই প্রশ্ন আসা খুবই স্বাভাবিক- কোথা থেকে এ বিপুল পরিমাণ তহবিল আসবে? চীন আশা করছে, এ অর্থ মূলত দুটি আর্থিক খাত- সিল্ক রোড তহবিল এবং এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) থেকে বিনিয়োগ হবে। ১৯১৩ সালে চীন এআইআইবি স্থাপনের প্রস্তাব দিলে ৫৭টি রাষ্ট্র এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়। এর সদর দফতর বেইজিংয়ে অবস্থিত। ২০১৬-এর ১৬ জানুয়ারি ব্যাংকটি এর ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করে। বাংলাদেশও এআইআইবি-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বিআরআই-এরও অন্যতম স্বাক্ষরদাতা রাষ্ট্র। চীনের এ প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও অনেক এশীয় দেশের মাঝে এ অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে যে, তারাও হয়তো শ্রীলংকার হাম্বানটোটা বন্দরের মতো ‘ঋণের জালে’ আটকা পড়বে।

বিআরআই’র নিহিতার্থ

বিআরআই ঘোষণার পর থেকে এ উদ্যোগের সফলতার ব্যাপারে পশ্চিমা ও পাশ্চাত্য চিন্তাবিদদের মাঝে যথেষ্ট আলোচনা চলছে। এ উদ্যোগ পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব হবে চীনের এ নিশ্চয়তার পরও পরিবেশবিদরা একে সন্দেহের চোখে দেখছেন। উন্নয়নের জন্য পশ্চিমাদের রয়েছে নিজস্ব পদ্ধতি এবং ইইউ’র নিজস্ব উন্নয়ন নেটওয়ার্ক। প্রভাবিত না হলে এক্ষেত্রে তারা চীনকে এড়িয়ে চলাই শ্রেয় মনে করছে। প্রচুর আনুকূল্য ও অঢেল সন্দেহ দানা বাঁধায় এদের কেউ কেউ আবার এর মাঝে ছোট আকারের ঔপনিবেশিকতা লক্ষ করছেন। এ অঞ্চলে পাকিস্তান দখলকৃত কাশ্মীরের (পিওসি) ওপর দিয়ে যাওয়া সিপিইসি-এর সঙ্গে সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন জড়িত থাকায় এবং ভারত মহাসাগরে ক্রমবর্ধমান চৈনিক সামরিক শক্তির প্রভাব সৃষ্টির আশঙ্কার কারণে ভারত বিআরআই-এর সবচেয়ে শক্তিশালী সমালোচক। তা সত্ত্বেও বর্তমানে বিআরআই বিশ্বের একশ’রও অধিক দেশ এবং এনজিওকে আস্থায় নিয়ে আসতে পেরেছে; নিশ্চিতভাবে যা বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তর বিপণিতে পরিণত হতে যাচ্ছে। গবেষণা থেকে যতদূর জানা যায়, বিআরআই একটি উদ্যোগ, কোনো কৌশল নয়; জনপ্রিয় হলেও এটি মোটেই চৈনিক দৃষ্টিভঙ্গি নয়; এর সফলতা ও ব্যর্থতা নির্ভর করছে এর অংশীদার রাষ্ট্রগুলোর অংশগ্রহণের ওপর। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, এর সবশেষ প্রান্তে রয়েছে চীন, যাকে তার প্রশান্তির মাঝ থেকেই তার আন্তরিকতা প্রদর্শন করতে এবং এসব সমালোচনার মোকাবেলায় যথোচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সতর্ক থাকার তাই যুক্তিসঙ্গত অসংখ্য কারণ রয়েছে।

কমডোর কাজী এমদাদুল হক (অব.) : নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সমুদ্রসংক্রান্ত গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বিমরাড-এর মহাপরিচালক

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×