৩৭০ ধারা বাতিল করেই কি কাশ্মীর সংকট মোকাবেলা করা যাবে?

  এ কে এম শামসুদ্দিন ১০ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

উত্তপ্ত কাশ্মীর

শেষ পর্যন্ত কাশ্মীরবাসীর অনুমানই সত্য হল। ৫ আগস্ট কাশ্মীরকে ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারায় যে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেয়া হয়েছিল তা ছিনিয়ে নেয়া হল। এরই সঙ্গে রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত ৩৫-এ ধারাও বিলুপ্ত হয়ে গেল।

ভারতের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে মোদি সরকার এ কাজটি সম্পন্ন করেছে। এখানেই শেষ নয়, সংসদে বিল এনে ভারতের অঙ্গরাজ্যের মর্যাদা হ্রাস করে জম্মু-কাশ্মীরকে পৃথক করে লাদাখ ও জম্মু-কাশ্মীর নামে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল চালু করা হল।

লাদাখে কোনো বিধানসভা থাকবে না। সরাসরি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হবে। জম্মু-কাশ্মীরে দিল্লি-পুদুচেরির মতো বিধানসভা থাকবে। অর্থাৎ পূর্ণ রাজ্য আর রইল না। ৩৭০ ও ৩৫-এ ধারা বিলুপ্তির সঙ্গে সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের জনগণকে নাগরিক হিসেবে যে ‘স্পেশাল স্ট্যাটাস’ দেয়া ছিল তারও বিলুপ্ত ঘটল।

অর্থাৎ জম্মু-কাশ্মীরের স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া ভারতের অন্যান্য রাজ্যের অধিবাসী ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি কিংবা ভূমির মালিক হতে পারবেন না বলে যে বিধান ছিল তারও বিলুপ্তি ঘটল।

১৯৫৪ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে জম্মু-কাশ্মীরের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পর্ক নির্দেশিত হয়েছিল। সে নির্দেশের বলে প্রতিরক্ষা, যোগাযোগ এবং বিদেশ সংক্রান্ত বিষয় ছাড়া অন্য কোনো আইন বলবৎ অথবা প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে ভারত সরকারকে কাশ্মীর রাজ্যের সঙ্গে কথা বলে সম্মতি নিতে হবে। তাদের দেয়া হয় সংবিধান প্রণয়নের অধিকার। সে অনুসারে আইনসভা গড়ে সংবিধান প্রস্তুতও করে জম্মু-কাশ্মীর।

১৯৫৪ সালের ওই নির্দেশেই রাজ্য বিধানসভা স্থির করবে জম্মু-কাশ্মীরের স্থায়ী নাগরিক করা হবে। এ ধারা বিলুপ্তির পর আগামীদিনে কাশ্মীরের বাইরে থেকে আসা ভারতের নাগরিকরা জম্মু ও কাশ্মীরে জমি ক্রয় করে স্থায়ীভাবে বসবাস করার অধিকার পাবেন। সম্পত্তি ক্রয় ও শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা থেকে শুরু করে সব ধরনের ব্যবসা করতে পারবেন। শিক্ষা গ্রহণ ও চাকরি করার ক্ষেত্রেও কোনো বাধা থাকল না।

৩৭০ ও ৩৫-এ ধারা বাতিলের সময় রাজ্যসভায় বিরোধীদের যে প্রতিক্রিয়া হয়েছে তা মিডিয়ার বদৌলতে আমরা ইতিমধ্যে জেনে গেছি। তবে বিরোধী শিবিরকে হতাশ করে মায়াবতী, কেজরিওয়াল, চন্দ্রবাবু নাইডু, জগন্মোহন রেড্ডি ও চন্দ্রশেখর রাও এবং তাদের দল সরকারের সমর্থনে যখন এগিয়ে এলো তখন সহজেই অনুমান করা যায়, মোদি-অমিত শাহ জুটি বেশ ভালোভাবে হোমওয়ার্ক করেই ৩৭০ ধারা বিলোপ এবং রাজ্য পুনর্গঠন বিল সংসদে এনেছে।

৩৭০ ধারা বিলোপ বিজেপির অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হলেও জম্মু-কাশ্মীরকে দেয়া এই বিশেষ আইনি অধিকার ও মর্যাদা খারিজের দাবি বিজেপি এবং তাদের পূর্বসূরি জনসংঘ বহু বছর ধরেই জানিয়ে আসছিল।

ইতিহাস বলে, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর কাশ্মীরের রাজা হরি সিং ঠিক করে উঠতে পারছিলেন না কাশ্মীর পাকিস্তান না ভারতের সঙ্গে থাকবে। কাশ্মীর সার্বিকভাবেই পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীল ছিল। সড়ক ও রেলপথ সবটাই শিয়ালকোর্ট-রাওয়ালপিন্ডির মধ্য দিয়ে গিয়েছে। লাহোর সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর। এহেন পরিস্থিতিতে কাশ্মীর ভারতের সঙ্গে যোগ দেবে কিনা এমন দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছিলেন তিনি। দ্বিধাগ্রস্ত থাকলেও একসময় রাজা সিদ্ধান্ত নিলেন, কাশ্মীর কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গেই যুক্ত হবে না।

১২ অক্টোবর রাজা হরি সিংয়ের পক্ষ থেকে দিল্লিকে জানিয়ে দেয়া হয়, কাশ্মীর নিরপেক্ষ থেকে ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে কোনো রাষ্ট্র যদি চাপ সৃষ্টি করে তবে তার বিপরীত ঘটনাও ঘটতে পারে।

পাকিস্তান হরি সিংয়ের এই মেসেজ বুঝতে ভুল করেছিল। ২২ অক্টোবর তারা পাঠান উপজাতীয়দের ব্যবহার করে কাশ্মীর আক্রমণ করে বেশ কিছু অঞ্চল দখল করে নেয়। এমন পরিস্থিতিতে হরি সিং ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ভারতের সেনাবাহিনীর সাহায্য কামনা করেন।

অপরদিকে কাশ্মীরের ন্যাশনাল কনফারেন্স নামক সংগঠনের প্রভাবশালী নেতা শেখ আবদুল্লাহ্ প্রথম থেকেই ভারতের সঙ্গে যোগদানের আন্দোলন করে আসছিলেন। ভারতও শেখ আবদুল্লাহ্কে তাদের পক্ষে ব্যবহার করার সুযোগটি গ্রহণ করে।

পাকিস্তানের আক্রমণের পর আবদুল্লাহ্ও সে সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি। কিছুটা নরম স্বভাবের রাজা হরি সিংয়ের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে আবদুল্লাহ্ ততদিনে কাশ্মীরের প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে থাকে। তিনি ভারতের সঙ্গে গোপন আঁতাত করে রাজাকে বাধ্য করেছিলেন কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে সংযুক্তের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে। চুক্তি অনুসারে সেই সংযুক্তি ছিল অস্থায়ী।

পরবর্তী সময়ে জওহরলাল নেহেরু, বল্লভভাই প্যাটেল এবং গোপালস্বামী আয়েঙ্গার শেখ আবদুল্লাহ্র সঙ্গে আলোচনা করে কাশ্মীরের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে এমন কিছু বিশেষ অধিকার দিয়ে ভারতের সঙ্গে সংযুক্তির শর্ত হিসেবে ৩৭০ ধারা সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত করেন।

এর কিছু দিন পর ১৯৫৪ সালে যুক্ত হয় ৩৫-এ ধারা। কাশ্মীরের অধিবাসীরা যাতে সার্বভৌমত্বের বোধ নিয়ে, আত্মসম্মান ও সুখী মনোভাব নিয়ে ভারতের সঙ্গেই থেকে যায় সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে নেহেরু সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

কাশ্মীরকে স্বতন্ত্র মর্যাদা দেয়ার পর থেকেই হিন্দু নেতারা এই বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের দাবি করে আন্দোলন শুরু করেন। ওই দাবি আদায়ের জন্য জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কাশ্মীরে প্রবেশ করলে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং শ্রীনগর জেলে বন্দি থাকার পর অসুস্থ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

পরবর্তী সময়ে জনসংঘের ভাবাদর্শবাদী রাজনৈতিক দল বিজেপি প্রতিষ্ঠার পর স্পষ্ট ঘোষণা করেছিল, ক্ষমতায় এলে তারা সংবিধান থেকে ৩৭০ ধারা খারিজ করে দেবে। তারা শ্যামাপ্রসাদের দেখানো পথ, ‘এক বিধান, এক নিশান, এক প্রধান’-এর আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে যাবে। তবে অটল বিহারি বাজপেয়ির শাসনামলে ৩৭০ ধারা বিলোপের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

নরেন্দ্র মোদি প্রথম আমলেও এ ধারা নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য করেননি। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার মাত্র দু’মাসের মধ্যে উল্লিখিত ধারাটি বিলোপ করে সবার জন্য এ বার্তাই দিয়েছেন যে তারা কত সক্রিয় এবং আগ্রাসী। জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ আজ থেকে ছেষট্টি বছর আগে কাশ্মীরের সর্বাত্মক ভারতভুক্তির জন্য যে ৩৭০ ধারা বিলোপের দাবি জানিয়েছিলেন, আজ তার রাজনৈতিক উত্তরসূরিরাই সেই স্বপ্নকে পূরণ করলেন।

৩৭০ ধারা বাতিলের প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে ভারতের বিধায়কদের ভেতর। রাষ্ট্রপতির আদেশে বলা হয়েছে, ‘৩৭০ ধারার ১ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাজ্য সরকারের সম্মতিক্রমে এই আদেশটি জারি করা হচ্ছে। এই আদেশকে বলা হবে সংবিধান (জম্মু-কাশ্মীর সংক্রান্ত) আদেশ-২০১৯। ১৯৫৪ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশটির জায়গায় এই আদেশ এখন থেকে কার্যকর হবে।’ ৩৭০ ধারার ৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘রাজ্যের সংবিধান প্রণয়নকারী বিশেষ আইনসভার (কন্সটিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি) জায়গায় ‘রাজ্য বিধানসভা’ পড়তে হবে।

অর্থাৎ কন্সটিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলির মতামত নেয়ার কোনো দায় থাকছে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, ৩৭০ ধারার ওপর হাত দেয়া যায় কি? যদিও সংবিধানের ১১ নম্বর অংশে ৩৭০ ধারাকে অস্থায়ী সংস্থান হিসেবে রাখা হয়েছে। কিন্তু ইতিমধ্যে বিভিন্ন সময়ে ভারতের সুপ্রিমকোর্ট এবং হাইকোর্ট ৩৭০ ধারাকে স্থায়ী সংস্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে।

এ কারণে আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে নিয়মবিধি অনুযায়ী ৩৭০ ধারা বাতিলের জন্য সংবিধান সংশোধন জরুরি ছিল। ২০১৫ সালে জম্মু-কাশ্মীর হাইকোর্ট একটি রায়ে বলেছিল, ‘৩৭০ ধারার ৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাজ্যের ‘কন্সটিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি’র মতামত না নিয়ে ৩৭০ ধারা বাতিল করা যাবে না।’

লোকসভা নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম অধিবেশনেই একের পর এক বিল পাস করানোর মধ্য দিয়ে বিজেপি তাদের ঘরে তুলে নিয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ফসল। আবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও রাজ্যসভায়ও ম্যানেজ করে ফেলছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট। তাদের এ প্রবল শক্তিমত্তা ভারতের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের জন্য যে শুভ নয় তাও উপলব্ধি করতে কষ্ট হয় না।

বিজেপি খুব স্মার্টলি রাষ্ট্রপতির আদেশ জারি করার মাধ্যমে ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত করার সব আয়োজন সম্পন্ন করেছে। তারা যেভাবে এ ধারা সরাসরি বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আওতায় নিয়ে এলো তাতে শুধু কাশ্মীর নয়, পূর্ব ভারতের যেসব রাজ্য এতদিন বিশেষ সাংবিধানিক সুবিধা ভোগ করে আসছিল সে রাজ্যগুলোও এখন এক অনিশ্চিত আশঙ্কায় পড়ে যাবে।

ফলে এসব রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আবার যে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে না তা কে বলতে পারে। আর এই আশঙ্কা প্রকাশ করেই ৩৭০ ধারা বিলোপের পর পর ভারতের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, ‘এটা যদি করা যায়, তাহলে দেশের অন্য রাজ্যেও তা করা যেতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে রাজ্যের নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দেয়া হবে, রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে, বিধানসভা ভেঙে দেয়া হবে, বিধানসভার ক্ষমতা সংসদের হাতে যাবে, সরকার সংসদে একটা প্রস্তাব আনবে, সে প্রস্তাবে সংসদ অনুমোদন দেবে এবং রাজ্যটা আর রাজ্য থাকবে না। এভাবেই অন্যান্য রাজ্যও ভেঙে দেয়া যাবে।’

বিজেপিসহ ভারতের কট্টর হিন্দুপন্থী দলগুলো সবসময়ই ৩৭০ ও ৩৫-এ ধারার জন্য কাশ্মীর উপত্যকার মানুষরা ‘বিশেষ মর্যাদার অধিকারী’ হয়ে সুবিধা ভোগ করে আসছে বলে দাবি করে। কিন্তু প্রশ্ন হল, বাস্তবে কাশ্মীরের অধিবাসীরা আদতেই কি সে সুবিধা উপভোগ করতে পেরেছে? ইতিহাস কিন্তু তা বলে না।

নেহেরু থেকে শুরু করে সব ক্ষমতাসীন সরকার কাশ্মীরের সঙ্গে একের পর এক প্রতারণা করে এসেছে। প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার বদলে দমন-পীড়ন নীতিতে সর্বক্ষণ তাদের তটস্থ করে রেখেছে। এমন পরিস্থিতিতে ৩৭০ ও ৩৫-এ ধারা বাতিল ও রাজ্যকে দ্বিখণ্ডিত করার এ পদক্ষেপ সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যে প্রবলভাবে আঘাত করেছে তা আন্দাজ করা যায়।

মূল ধারার প্রধান নেতাদের গৃহবন্দি করে রাখলেও রাজ্যের নাগরিক সমাজ এই পরিবর্তনের জন্য যে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষোভে ফেটে পড়বেন, এটাই স্বাভাবিক। এসব ধারা খারিজ করেই কি কাশ্মীরের সংকট মোকাবেলা করা যাবে? সেখানে শান্তি ফিরবে? সেনা-আধাসেনা মোতায়েন করে বা দমন-পীড়নের মাধ্যমে স্বাধীনতাকামী মানুষকে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানো খুব সহজসাধ্য বিষয় নয়।

ভারতের গণমাধ্যম বলছে কাশ্মীর উপত্যকায় তেমন কোনো ব্যাপক বিক্ষোভের খবর নেই। তাহলে কি ধরে নিতে হবে কাশ্মীর সংকটের এখানেই অবসান ঘটেছে? নাকি কাশ্মীরবাসীর স্বাধিকার আদায়ের লড়াই এখান থেকেই আবার নতুন করে শুরু হয়েছে? সে খবর জানতে হলে আমাদের হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুদ্দিন (অব.) : সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক

ঘটনাপ্রবাহ : কাশ্মীর সংকট

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×