বন্ধকিযোগ্য সম্পদ অতিমূল্যায়নের দায় নিরূপণ করতে হবে

  এম এ খালেক ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সম্প্রতি এই কলামে ‘ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ে এখনই ভাবতে হবে’ শীর্ষক লেখাটি প্রকাশিত হওয়ার পর একজন পাঠক ফোন করে আমাকে অনুরোধ করেন যেন ঋণদানকালে বন্ধকিযোগ্য সম্পদের ভ্যালুয়েশন বা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংকের একশ্রেণীর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা যে দায়িত্বহীনতা এবং ক্ষেত্রবিশেষে অসততার পরিচয় দেন সে সম্পর্কে কিছু লিখি। একই সঙ্গে এই দায়িত্বহীন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায় সে সম্পর্কেও কিছু লেখার জন্য তিনি অনুরোধ করেন। তার এই অনুরোধ যে কোনো বিচারেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এতে কোনো সন্দেহ নেই।

ব্যাংকিং সেক্টরে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে ঋণদানকালে বন্ধকিযোগ্য সম্পদ সঠিকভাবে মূল্যায়ন বা ভ্যালুয়েশন না করার ইস্যুটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। অনুমোদনকালে যদি ঋণের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার প্রতি কঠোর দৃষ্টি রাখা এবং সেই মোতাবেক সঠিকভাবে সম্পদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয় তাহলে ঋণ হিসাবটি ভবিষ্যতে খেলাপি হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যাবে। একই সঙ্গে ঋণ দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষমতা সৃষ্টি করা হবে নাকি আর্থিক ক্ষমতা বর্ধিত বা সম্প্রসারিত করা হবে সেটাও বিবেচ্য বটে। ঋণদানের মাধ্যমে কারও আর্থিক ক্ষমতা সৃষ্টি করা হলে সেই ঋণ হিসাবটি পরবর্তী সময়ে খেলাপি হয়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। ঋণদানের মাধ্যমে আর্থিক ক্ষমতা সৃষ্টি এবং আর্থিক ক্ষমতা বা সামর্থ্য বৃদ্ধি বা সম্প্রসারণের ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মূলধন ১ কোটি টাকা তাকে যদি আরও ৫০ লাখ টাকা ঋণ প্রদান করা হয় তাহলে সেই ঋণ হিসাবটি পরবর্তী সময়ে খেলাপি হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। কারণ কেউই ৫০ লাখ টাকার জন্য তার ১ কোটি টাকার ব্যবসা বা শিল্পকারখানা ধ্বংস বা তার সুনাম নষ্ট করতে চাইবে না। কিন্তু যার ৫০ লাখ টাকার সম্পদ আছে তাকে যদি ১ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হয় তাহলে তিনি সেই টাকা মেরে দিতে দ্বিধা নাও করতে পারেন। অবশ্য সবার ক্ষেত্রে এটা ঘটবে তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। ব্যক্তির অভিজ্ঞতা ও সামাজিক সুনামকেও বিবেচনা করা যেতে পারে। যে কোনো ব্যক্তির আর্থিক লেনদেনের একটি বড় উপকরণ হল অভিজ্ঞতা। সংশ্লিষ্ট কাজের বিষয়ে যার অভিজ্ঞতা আছে তিনি সাধারণত ঋণের অর্থ আত্মসাৎ করেন না। ঋণদানের আগে একজন ব্যক্তির সামাজিক ও পারিবারিক অবস্থা এবং সুনাম বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আমাদের ঋণদান ব্যবস্থা অনেকটাই বন্ধকিনির্ভর হয়ে পড়েছে। বন্ধকিযোগ্য সম্পদকে ঋণ পাওয়ার জন্য যতটা গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়, ব্যক্তি বা উদ্যোক্তার অভিজ্ঞতা বা সামাজিক সুনাম ও পারিবারিক সুসম্পর্ককে ততটা বিবেচনায় নেয়া হয় না। ফলে ঋণ পাওয়ার জন্য সাধারণত একজন উদ্যোক্তা নানাভাবে তার বন্ধকিযোগ্য সম্পদকে অতিমূল্যায়নে সচেষ্ট হন।

কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান একটি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পেতে চাইলে তাকে উপযুক্ত মূল্যের সম্পদ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে বন্ধকি প্রদান করতে হয়। উদ্যোক্তারা অধিকাংশ সময়ই উপযুক্ত মূল্যের সম্পদ ব্যাংকে বন্ধক দিতে পারেন না। এই অপারগতা ঢাকার জন্য তারা এ ক্ষেত্রে চাতুরীর আশ্রয় গ্রহণ করেন। তারা কম মূল্যের সম্পদকে অতি মূল্যায়িত করে দেখানোর চেষ্টা করেন। এ ধরনের চেষ্টায় ব্যাংকের একশ্রেণীর অসৎ কর্মকর্তা চাপের মুখে অথবা ব্যক্তিগত লাভের আশায় সহযোগিতা করে থাকেন। এভাবে ব্যক্তিগত সামান্য লাভের আশায় এসব কর্মকর্তা ব্যাংকের মারাত্মক আর্থিক ক্ষতি করে থাকেন। একজন সম্ভাব্য ঋণগ্রহীতা তার কোনো সম্পত্তি ব্যাংকে বন্ধকি প্রদানের প্রস্তাব করলে ব্যাংক দু’ভাবেই সেই সম্পদের মূল্যায়ন করে থাকে। প্রথমত, ব্যাংকের নিজস্ব একটি মূল্যায়ন টিম দ্বারা প্রস্তাবিত বন্ধকিযোগ্য সম্পদের মূল্যায়ন করা হয়। এই টিম তাদের নিজস্ব বিবেচনা মোতাবেক সম্পদের মূল্যায়ন করে থাকে। সম্পদ পরিদর্শনকালে আশপাশের লোকজনের সঙ্গে তারা আলাপ করেন। এসব লোকজন যে মূল্য নির্ধারণ করেন, সাধারণত পরিদর্শক দল সেই মূল্যকেই সম্পদের প্রকৃত মূল্য বলে নির্ধারণ করে থাকে। অবশ্য কোনো কোনো সময় তারা উল্লিখিত মূল্যের সঙ্গে কিছু কম-বেশি করে থাকেন। পরিদর্শক টিম যদি সৎ ও কঠোর না হয় তাহলে তাদের খুব সহজেই প্রভাবিত করা যেতে পারে।

অবৈধ অর্থ প্রদান বা হুমকি দিয়েও সম্পদের অভাব ভ্যালুয়েশন করানো যেতে পারে। ব্যাংকের নিজস্ব পরিদর্শক টিম দ্বারা বন্ধকিযোগ্য সম্পদ ভ্যালুয়েশন করানোর পর ব্যাংকের তালিকাভুক্ত ভ্যালুয়েশন ফার্ম দিয়েও ভ্যালুয়েশন করানো হয়। এই ভ্যালুয়েশন ফার্ম যেহেতু ব্যাংকের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান, তাই তাদের নানাভাবে প্রভাবিত করা যেতে পারে। ভ্যালুয়েশন ফার্মের স্থানীয় কর্মীদের অর্থের লোভ দেখিয়ে অথবা নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করে বন্ধকিযোগ্য সম্পদের অভাব ভ্যালুয়েশন করানো যেতে পারে। কোনো কারণে যদি একটি ভ্যালুয়েশন ফার্মের কর্মীরা ব্যাংক ম্যানেজারের অভিপ্রায় অনুযায়ী ভ্যালুয়েশন না করেন তাহলে পরবর্তী সময়ে সেই প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়া হবে না। এ কারণে তারা ব্যাংক ম্যানেজারের প্রতি দুর্বল ও অনুগত থাকেন।

জমির ভ্যালুয়েশন করার সময় সাধারণত মৌজা রেট অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। কিন্তু এই মৌজা রেটের মধ্যেও নানা অসঙ্গতি রয়েছে। মৌজা রেট সাধারণত প্রকৃত মূল্যের চেয়ে কম থাকে। এ ছাড়া মৌজা রেট নির্ধারণ করা হয় গড় হিসাবে। অর্থাৎ একটি মৌজায় জমির গড় মূল্য কত হতে পারে মৌজা রেটে সেটাই উল্লিখিত থাকে। কিন্তু এটা সহজেই অনুধাবনযোগ্য যে, একটি বিস্তীর্ণ মৌজার সব অংশের জমির মূল্য একইরকম হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যাংক কর্মকর্তারা জমির ভ্যালুয়েশনের ক্ষেত্রে মৌজা রেটকে তেমন একটা বিবেচনায় নেন না। তারা তাদের ইচ্ছামতো কিছু মানুষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সম্পদের মূল্য নির্ধারণ করেন। ব্যাংক ম্যানেজার যদি মনে করেন তিনি কোনো আবেদনকারীকে যেভাবেই হোক ঋণ প্রদান করবেন, তাহলে তিনি খুব সহজেই তার কর্মকর্তাদের দিয়ে জমি বা সম্পদের অতিমূল্যায়ন করতে পারেন। এ ছাড়া ঋণের জন্য আবেদনকারীও নানাভাবে পরিদর্শক টিমকে বিভ্রান্ত করতে পারেন। সম্পদ মূল্যায়নের সময় তিনি তার নিজস্ব কিছু লোককে সেখানে উপস্থিত রাখতে পারেন। পরিদর্শক টিম যদি মূল্যায়নের সময় এদের সঙ্গে আলোচনা করে, তাহলে তারা খুব সহজেই সেই টিমকে বিভ্রান্ত করতে পারেন। বন্ধকিযোগ্য সম্পদ যেহেতু ঋণের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা দেয় তাই এর সঠিক মূল্যায়ন হওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ঋণের জন্য বন্ধকিযোগ্য সম্পদ কিভাবে অতিমূল্যায়িত হয় তার কয়েকটি উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একটি ব্যাংকের বগুড়া জেলা শাখা থেকে শহর থেকে দূরবর্তী এলাকার জমি ভ্যালুয়েশন করা হয়। একজন নতুন অফিসারকে দিয়ে এই সম্পদ ভ্যালুয়েশন করানো হয়। যদিও সাধারণত দুই বা তিনজন অফিসারের সমন্বয়ে গঠিত টিমের মাধ্যমে জমির ভ্যালুয়েশন করানো হয়, কিন্তু এ ক্ষেত্রে একজন মাত্র কর্মকর্তাকে দিয়ে ভ্যালুয়েশন করানো হয়, যা সম্পূর্ণ রীতিবিরুদ্ধ। ওই কর্মকর্তা প্রতি শতাংশ জমির মূল্যায়ন করেন তিন লাখ টাকা। কিন্তু একই জমি ব্যাংকের তালিকাভুক্ত ভ্যালুয়েশন ফার্ম দিয়ে মূল্যায়ন করা হলে তারা প্রতি শতাংশ জমির মূল্য নির্ধারণ করে সোয়া লাখ টাকা। ঋণ প্রস্তাব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হলে লোন কমিটির কাছে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। কমিটি জমির পুনর্মূল্যায়নের জন্য ব্যাংকের দু’জন উপ-মহাব্যবস্থাপককে দায়িত্ব প্রদান করে। তারা জমি পরিদর্শনকালে লক্ষ করেন, এ জমির মূল্য কোনোভাবেই এক লাখ টাকা থেকে সোয়া লাখ টাকার বেশি নয়। তারা রিপোর্ট প্রদান করেন। একই সঙ্গে আগের কর্মকর্তা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন- তাও উল্লেখ করেন। এই ঋণ প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। দ্বিতীয় অভিজ্ঞতাটি রাজধানীর একটি এলাকার। এখানে ব্যাংকের একটি পরিদর্শক টিম বন্ধকিযোগ্য জমির মূল্যায়ন করেন প্রতি শতাংশ ৬০ লাখ টাকা। এ নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হলে অন্য একটি টিমকে ভ্যালুয়েশনের জন্য দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এই টিম একই জমির মূল্যায়ন করে প্রতি শতাংশ ৩০ লাখ টাকা। কিন্তু এই মূল্যায়নের জন্য দ্বিতীয় কমিটিকে নানা ধরনের কথা শুনতে হয়েছে।

এ তো গেল অতিমূল্যায়নের বিষয়। এবার অবমূল্যায়নের দিকে দৃষ্টি দেয়া যেতে পারে। জেলা শহরে এক ভদ্রলোকের জমি মূল্যায়ন করার জন্য একজন প্রকৌশলী এবং একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। ব্রাঞ্চের ম্যানেজার ছিলেন খুবই সৎ ও কঠোর প্রকৃতির। তিনি পরিদর্শকদ্বয়কে জমির সঠিক মূল্যায়নের ব্যাপারে সতর্ক করে দেন। যেহেতু পরিদর্শক টিম অবৈধ অর্থ গ্রহণ করতে পারবে না তাই তারা এই জমির অবমূল্যায়ন করেন। তারা প্রতি শতাংশ জমির মূল্য নির্ধারণ করেন ২০ হাজার টাকা। অথচ এ জমির মৌজা রেট ছিল প্রতি শতাংশ ৮২ হাজার ৫০০ টাকা। ম্যানেজার পরিদর্শনকারীদ্বয়কে প্রচণ্ড ধমক দেন। এরপর তারা প্রতি শতাংশ জমির মূল্য নির্ধারণ করেন ১ লাখ টাকা। এই হচ্ছে জমির ভ্যালুয়েশনের অবস্থা। বন্ধকিযোগ্য সম্পদ ভ্যালুয়েশন যদি সঠিকভাবে করা যেত তাহলে পরবর্তী সময়ে খেলাপি ঋণ সৃষ্টির আশঙ্কা অনেকটাই কমে যেত। যারা বন্ধকিযোগ্য সম্পদের ভ্যালুয়েশন করবেন তাদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তারা যদি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কারণ সঠিক ভ্যালুয়েশন করা গেলে প্রদত্ত ঋণের নিরাপত্তা অধিকতর নিশ্চিত হতে পারে।

একই সঙ্গে ঋণ অনুমোদন-পরবর্তী ঋণের কিস্তি আদায় নিশ্চিত করার জন্য ঋণদানের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সংযুক্ত রাখা যেতে পারে। কিন্তু আমাদের এখানে প্রায়ই দেখা যায়, এক কর্মকর্তার আমলে ঋণ প্রদান করা হয়েছে, কিন্তু সেই ঋণ আদায়ের সময় অন্য কর্মকর্তা সেখানে দায়িত্ব পালন করেন। এতে প্রথম কর্মকর্তা, যিনি ঋণ মঞ্জুর করেছেন, তিনি কিস্তি আদায়ের দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ পান। প্রচলিত আইনি ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রতা লক্ষ করা যায়। গ্রাহক নানাভাবে ব্যাংকের আইনি ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করতে পারে। একজন উদ্যোক্তা ইচ্ছা করলে নানাভাবে মামলা দায়ের বা আপিল করে মামলার কার্যক্রম ১০-১৫ বছর আটকে রাখতে পারেন। এ অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বিশেষ আদালত গঠনের ব্যবস্থা করতে পারে।

খেলাপি ঋণ আদায় সংক্রান্ত যেসব আইন আছে তা সংস্কার ও সংশোধন করতে হবে। ইংল্যান্ড, আমেরিকা বা অন্যান্য উন্নত দেশে কেউ যদি বাড়ি বা সম্পদ ব্যাংকের কাছে বন্ধক দেন এবং পরবর্তী সময়ে ঋণখেলাপি হয়ে যান, তাহলে ব্যাংক সেই সম্পদ সরাসরি বিক্রি করে দিতে পারে। এমনকি ঋণগ্রহীতা যদি কোর্টেও যান, তিনি এই সম্পত্তি বিক্রি ঠেকাতে পারবেন না। কিন্তু আমাদের দেশে এটা করা সম্ভব হয় না। কারণ আমরা এ বিষয়ে বড়ই উদার। কিন্তু ঋণখেলাপিদের বন্ধককৃত সম্পদ বিক্রির ব্যাপারে অতি উদারতার পরিচয় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। কাজেই এ বিষয়ক আইন পরিবর্তন/সংশোধন করা খুবই জরুরি। বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রির ব্যবস্থা সংক্রান্ত আইনটি উন্নত দেশের আদলে পরিবর্তিত হওয়া উচিত।

এম এ খালেক : অর্থনীতিবিষয়ক কলাম লেখক

pran
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
bestelectronics

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter