শতফুল ফুটতে দাও: অভিনব অর্থায়ন প্রয়াসটি কী মঙ্গল নিয়ে আসবে?

  ড. মাহবুব উল্লাহ্ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আইন

নতুন আইন হচ্ছে। স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাগুলোর সঞ্চিত অর্থের পরিমাণ ২ লাখ কোটি টাকারও কিছু বেশি। এ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা রেখে একটি আইন প্রণীত হতে যাচ্ছে। গত ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি আইনের খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, ‘স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাগুলোর উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান আইন, ২০১৯’-এর অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। তার দেয়া হিসাব অনুযায়ী রাষ্ট্রের স্ব-শাসিত সংস্থাগুলোর আর্থিক স্থিতির পরিমাণ বর্তমানে ২ লাখ ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

এ টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট হিসেবে আছে। এ টাকাগুলো কোনো ভালো কাজে ইনভেস্ট হচ্ছে না। এ জন্য সরকারের এ আইনের মাধ্যমে পলিসি হল- কিছু প্রভিশন রেখে সরকারের কোষাগারে নিয়ে আসা এবং জনকল্যাণমূলক কাজ করা। আমাদের অনেক প্রজেক্ট রয়েছে যেগুলো আর্থিক সংকটের কারণে সেখানে অর্থায়ন করা যায় না।

সরকারের পক্ষ থেকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন, উদ্বৃত্ত অর্থ আছে এমন স্বায়ত্তশাসিত ৬৮টি সংস্থার তালিকা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫টি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের তালিকা রয়েছে। যেমন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের ২১ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা, পেট্রোবাংলার ১৮ হাজার ২০৪ কোটি টাকা, ডিপিডিসির ১৩ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা, চট্টগ্রাম বন্দরের ৯ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ৪ হাজার ৩০ কোটি টাকা উদ্বৃত্ত রয়েছে। মজার ব্যাপার হল, এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েরও নাম আছে। সংবাদপত্র সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বৃত্তের পরিমাণ ২ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশের ৪৭ বছরের ইতিহাসে এবং তারও আগে পাকিস্তানের ২৩ বছরের ইতিহাসে কোনো সরকার এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিনা এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করেছে কিনা তা কিছুতেই স্মরণ করতে পারছি না। তবে অনেকটা নিশ্চিত করে বলা যায়, এ ধরনের সিদ্ধান্ত অতীতে কখনও নেয়া হয়নি। সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠছে সরকারের উদ্যোগে গৃহীত প্রকল্পগুলোর জন্য অর্থায়নের এ পদ্ধতি অর্থনীতি শাস্ত্রের বিচারে কতটা যুক্তিযুক্ত।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছেন, স্ব-শাসিত সংস্থাগুলোর অর্থ ফিক্সড ডিপোজিট আকারে বিভিন্ন ব্যাংকে গচ্ছিত আছে। এ অর্থ ভালো ধরনের কোনো বিনিয়োগে ব্যবহৃত হচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেছেন। বাংলাদেশে স্ব-শাসিত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্বৃত্ত অর্থের ৬০ শতাংশ জমা রাখা হয় সরকারি ব্যাংকে এবং ৪০ শতাংশ জমা রাখা হয় বেসরকারি ব্যাংকে। ব্যাংক ব্যবস্থা সম্পর্কে যাদের সামান্যতম জ্ঞান আছে তারা নিশ্চয়ই বলবেন না এ অর্থ ভালোভাবে ইনভেস্ট হচ্ছে না। ব্যাংকের কাজ কী? ব্যাংকের কাজ হল অর্থ আমানতকারী এবং অর্থ ঋণকারী ব্যক্তি ও সংস্থার মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করা।

অর্থনীতির ভাষায় একে বলা হয়, Financial Intermediation. অর্থাৎ ব্যাংক আমানতকারীর কাছ থেকে কিছু কম সুদে টাকা আমানত রেখে একটু বেশি সুদে ঋণ গ্রহীতাদের ঋণ হিসেবে প্রদান করে। ঋণ গ্রহণকারীরা এ অর্থ বিভিন্ন বাণিজ্যিক এবং শিল্প-কলকারখানায় উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করে। মাঝখানে সুদের হারের ফারাকের ফলে ব্যাংকের হাতে কিছু অর্থ আসে যা ব্যাংক তার পরিচালন ব্যয় হিসেবে ব্যবহার করে এবং কিছু মুনাফাও করে। কাজেই স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের ফিক্সড ডিপোজিটের অর্থ ভালো ধরনের কোনো ইনভেস্ট হচ্ছে না- এ বক্তব্যের কোনো সারবত্তা নেই।

এদেশের প্রত্যেক নাগরিক জানে, বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা খেলাপি ঋণের ভারে রুগ্ন হয়ে পড়েছে। এর জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যাংকগুলোকে দায়ী করা যায় না। এর জন্য দায়ী করতে হবে ব্যাংক যারা পরিচালনা করেন তাদের। এসব ব্যক্তি যদি আর্থিক শৃঙ্খলার বিধিবিধান অনুসরণ না করেন অর্থাৎ Financial Prudence-এর নীতি অনুসরণ না করেন, তাহলে ব্যাংকগুলো বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে বাধ্য। আমাদের দেশে সব প্রতিষ্ঠান শেষ বিচারে নিয়ন্ত্রিত হয় ক্ষমতাধরদের দ্বারা। আইনি বিচারে অনেক প্রতিষ্ঠানই স্বশাসিত, কিন্তু প্রতি মুহূর্তে ক্ষমতাধরদের হস্তক্ষেপে এ প্রতিষ্ঠানগুলো জর্জরিত।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি ব্যাংকের পরিচালনা বোর্ডে পক্ষপাতিত্বের দোষে দুষ্ট ব্যক্তিদের নিয়োগদানের ফলে ব্যাংকগুলো সমস্যায় পড়েছে। শুধু তাই নয়, ব্যাংকগুলো ঘিরে ভয়াবহ দুর্নীতির অভিযোগও গণমাধ্যমে এসেছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলোয় আইন পরিবর্তন করে পারিবারিক প্রভাব বলয়কে বিপজ্জনকভাবে শক্তিশালী করা হয়েছে। সব মিলিয়ে অর্থনীতির শিরা-উপশিরা হিসেবে যে ব্যাংকগুলো কাজ করে, সেগুলো এখন অনেকটা জমাট বেঁধে রুদ্ধ হয়ে গেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দেশে যেভাবে অর্থের প্রবাহ বেড়েছে তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ব্যাংকগুলো যদি দুর্নীতি ও দুর্জনের প্রভাবমুক্ত থেকে Financial Prudence-এর নীতি অনুসরণ করত তাহলে ব্যক্তি খাত বেগবান হয়ে উঠত এবং অর্থনীতির চেহারা বদলে যেত। দুর্ভাগ্যজনকভাবে লক্ষণীয় যে, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ স্থবির অবস্থায় আছে। স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের অর্থ সত্যিকার অর্থে অলস অবস্থায় নেই। এগুলো এখন ব্যাংকের আমানত। এ আমানতের সুষ্ঠু ব্যবহারের দায়িত্ব ব্যাংক পরিচালনাকারী ব্যক্তিবর্গ, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সরকারের। প্রশ্ন হল, স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের অর্থ সরকারি কোষাগারে গেলে কি উত্তম বিনিয়োগ হবে?

যে দেশে ‘বালিশ’ কেলেঙ্কারি হয়, ‘পর্দা’ কেলেঙ্কারি হয় এবং সড়ক অবকাঠামো নির্মাণে অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় দেড়গুণ বা দু’গুণ অর্থ ব্যয় হয়, প্রকল্প বাস্তবায়নের দীর্ঘসূত্রতার ফলে প্রকল্প ব্যয় অস্বাভাবিক রকম বৃদ্ধি পায়, সে দেশে স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের অর্থ সরকারি কোষাগারে নিয়ে গেলেই কি উন্নতমানের বিনিয়োগ নিশ্চিত হবে? কোনো কোনো পত্রিকায় দেখলাম, সরকারের প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য যদি ব্যাংক ঋণ ও সঞ্চয়পত্রের ওপর পুরোপরি নির্ভর করতে হতো তাহলে সরকারকে ঋণের জন্য সুদ প্রদান করে অর্থ ব্যয় করতে হতো। অবশ্য উন্নয়ন অর্থায়নে সরকার আহরিত রাজস্বের অর্থও ব্যয় করা হয়।

বলা হচ্ছে, স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের অর্থ সরকারি কোষাগারে নিয়ে গেলে কোনো সুদ দিতে হবে না। অর্থাৎ নিঃখরচায় এ অর্থ পাওয়া যাবে। অর্থনীতি শাস্ত্রের সামান্যতম জ্ঞান যাদের আছে তারা দুটি প্রপঞ্চের সঙ্গে পরিচিত। এর প্রথমটি হল- Opportunity cost বা সুযোগ ব্যয়। দ্বিতীয়টি হল- There is no free lunch. কাজেই স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যয়হীন এমনটি মনে করা মোটেও সঠিক নয়। এভাবে হিসাব করলে অর্থ ব্যবহারে misallocation দেখা দেবে। অর্থাৎ যেখানে অর্থ কম ব্যবহার করা উচিত, সেখানে অর্থ বেশি ব্যবহৃত হবে। যেখানে বেশি অর্থ ব্যবহৃত হওয়া উচিত, সেখানে কম অর্থ ব্যবহৃত হবে। এমনকি, যেখানে মোটেও অর্থ ব্যয় হওয়া উচিত নয়, সেখানেও অর্থ ব্যয় হবে। এর ফলে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা অপচয় ও অদক্ষতায় পতিত হবে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন মনে করেন, প্রতিষ্ঠানগুলোর এ বিপুল পরিমাণ অর্থ ‘অলস’ পড়ে থাকেনি। কারণ তা বিভিন্ন ব্যাংকে স্থায়ী আমানত হিসেবে রাখা আছে। আর ব্যাংকগুলোও সেই অর্থ ফেলে রাখেনি। বিনিয়োগ করেছে। সেখান থেকে কিছু হলেও সুদ পাচ্ছে। অতএব, এ অর্থকে ‘অলস’ বলা যাবে না। ড. জাহিদ হোসেনের এ মন্তব্য আমরা ইতিমধ্যেই বিস্তারিতভাবে আমাদের মতো করে আলোচনা করেছি।

ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, এখন এ টাকাগুলো চলে যাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের টিএসএতে। অর্থাৎ সরকার যতক্ষণ পর্যন্ত ওই টাকা খরচ না করবে ততক্ষণ তা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা থাকবে। এর মানে দাঁড়াল যে, বিভিন্ন ব্যাংকে জমা থাকা টাকাগুলো অলস ছিল না। কিন্তু সেগুলোকে অলস বানানো হল। এ ছাড়া এ সময় তো কোনো মুনাফা পাওয়া যাবে না।

‘বিভিন্ন ব্যাংকে জমা থাকা টাকাগুলো তুলে নেয়া হলে ব্যাংকগুলোয় অর্থের একটা সংকট দেখা দেবে। তখন আমানত সংগ্রহে ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হবে। এ কারণে আমানতের সুদহার বাড়বে। তখন কোনোভাবেই এক অঙ্ক সুদে ঋণ বিতরণ সম্ভব হবে না।’ ড. জাহিদের এ মন্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণের কোনো যুক্তি নেই। প্রধানমন্ত্রী চাইছেন ঋণের সুদের হার এক অঙ্কে নেমে আসুক। প্রধানমন্ত্রীর এ সদিচ্ছা পূরণ কি অসম্ভব হয়ে পড়বে না?

এ অর্থনীতিবিদ বলেন, বলা হচ্ছে এ অর্থ জনকল্যাণ কাজে ব্যয় করা হবে। ধরি, এখান থেকে ১ লাখ কোটি টাকা নিয়ে ৫ লাখ কোটি টাকার জনকল্যাণমূলক কাজ হাতে নেয়া হল। কিন্তু বাকি ৪ লাখ কোটি টাকা কোথা থেকে আসবে। সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে cost-benefit এনালাইসিস করে যদি প্রকল্প প্রস্তুত করা সম্ভব হয় তাহলে এ অর্থ নেয়া যেতে পারে। আমরা একদিকে দেখছি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হচ্ছে না। আমাদের প্রকল্প বাস্তবায়ন ক্ষমতা এখন পর্যন্ত যথাযোগ্য মানে উন্নীত হয়নি।

বাস্তবে দেখা যায়, ১ বছরের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে ৩-৪ বছর লেগে যায়। এই যখন অবস্থা তখন মহা-আয়োজন করে প্রকল্পের সংখ্যা বাড়িয়ে উন্নয়নের কৃত্রিম জোয়ার দেখানো কী ফায়দা দেবে? ড. জাহিদের মতে, এসব অর্থ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের। তাদের যদি কোনো উন্নয়নমূলক কাজ বা বিনিয়োগের দরকার হয় তাহলে তারা তো আবার সরকারের কাছেই অর্থ চাবে। তখন সরকার আবার অর্থ দেবে। এ অর্থ স্থানান্তরে অনেক আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পোহাতে হবে। অর্থ তসরুপ হবে। এর মানে লেনদেন বাড়ল। কিন্তু লাভ কিছুই হল না।

সরকার অবশ্য আশ্বস্ত করতে চাইছে যে, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলো তাদের পরিচালন ব্যয়, নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা রাখবে। আপৎকালীন ব্যয় নির্বাহের জন্য পরিচালন ব্যয়ের ২৫ শতাংশ সমপরিমাণ অর্থ সংরক্ষণ করতে পারবে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের বিধিমোতাবেক পেনশন ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থও রেখে দেয়া যাবে। এরপরও যা থাকবে সেটা সরকারের কোষাগারে জমা দেবে।

বেশ ক’বছর আগে O'Connor নামে একজন সমাজবিজ্ঞানী The Fiscal Crisis of the State নামে একটি মূল্যবান গ্রন্থ লিখেছিলেন। এ গ্রন্থে রাষ্ট্রের আর্থিক সংকট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশ কি রাষ্ট্র হিসেবে আর্থিক সংকটে পড়েছে? সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত দেখে অনেকেরই এ রকম ধারণা হতে পারে।

যখন রাষ্ট্র রাজস্ব সংগ্রহ বাড়াতে ব্যর্থ হয়, যখন প্রকল্প ব্যয় স্ফীত করে দেখানো হয়, যখন রফতানির তুলনায় আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পায় এবং যখন প্রশিক্ষণের নাম করে, অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের নাম করে ডজন ডজন ব্যক্তিকে বিদেশ সফরে পাঠানো হয় এবং প্রকল্পের নামে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যয়বহুল মোটর যান কেনা হয় এবং প্রশাসন মাথা ভারি হয়ে ওঠে, তখন আর্থিক সংকট তো দেখা দিতেই পারে। আর সে জন্যই হয়তো এ অভিনব অর্থায়ন প্রয়াস।

ড. মাহবুব উল্লাহ : অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×