রোহিঙ্গা ইস্যুকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেবেন না

  কামাল লোহানী ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রোহিঙ্গা

আমাদের গলায় কাঁটা বিঁধেছে। না গিলতে না উগড়াতে পারছি! বলছিলাম দেশের কথা, যে দেশে ১২ লাখ রোহিঙ্গা জনগণ এসে আশ্রয় নিয়েছে। কেবল যে আশ্রয় নিয়েছে সে কথাই বা বলি কী করে, আশ্রিতরা যে আরামে নেই তা তো আমরাও জানি।

কিন্তু তারা যেসব অপকর্মে ক্রমশ লিপ্ত হচ্ছে, তা কি আদৌ গ্রহণ করা যায়? দেশের নিরাপত্তা বলে কথা! তাকে তোয়াক্কা না করে রোহিঙ্গারা খুন-খারাবি থেকে আরম্ভ করে চুরি-ডাকাতি, এমনকি নাম ভাঙিয়ে কৌশল করে বাংলাদেশি পাসপোর্ট বের করছে। চলে যাচ্ছে বিদেশে।

ওদের অনেকেই দেশের অভ্যন্তরে জনগণের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এই যে সামাজিক স্খলন সৃষ্টির অপপ্রয়াস চলছে, আমরা তো তাকে প্রতিরোধ করতে পারছি না। দু’একজন ধরা পড়ছে বটে; কিন্তু বিপুলসংখ্যক এর মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে যে রোহিঙ্গা নারীরা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে এসেছিলেন, তারা তো সন্তান জন্ম দিয়েছেনই, তারপরও নতুন নতুন শিশু জন্মলাভ করছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়ে ১২ লাখ ছুঁইছুঁই করছে। কী বিপদেই না পড়েছে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।

দুই বছর হয়ে গেছে; আজও তাদের একজনকেও ফেরত পাঠাতে পারেনি। সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও দু’দুবার তা ব্যর্থ হয়েছে। কখনও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর কর্তাদের কলাকৌশলের কারণে আবার কখনওবা আমাদের ব্যর্থতার কারণে।

সত্য কথা বলতে কী, আমরা যে মহানুভবতা দেখিয়ে মিয়ানমার থেকে আসা নাগরিকদের ব্যাপক আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছি, বিশ্বের নানা রাষ্ট্রের কাছে এ সংকট সমাধানের আবেদনও জানিয়েছি; কিন্তু সে আবেদনে কতটুকু সাড়া পেয়েছি তা এ দু’বছরের শূন্যগর্ভ কর্মকাণ্ডেই তা প্রমাণিত হচ্ছে।

এদিকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী আশ্রয় শিবিরে থেকে কিছু কিছু বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) উসকানিতে ফিরে যাওয়ার কথা তো প্রত্যাখ্যান করছেই, তার ওপর তারা বিশাল জমায়েত করে পাঁচ দফা দাবিও পেশ করেছে। সে দাবিগুলোতে যেসব বিষয়ের উল্লেখ আছে তা আমার কাছে মনে হয়েছে ফিরে না যাওয়ার একটা বাহানা মাত্র।

আবার অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, মানবেতর জীবনযাপনের এ পরিবেশ থেকে উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ সরকার ভাসানচর নামে একটি বিশাল এলাকাজুড়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের জন্য একটি স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করেছে।

অথচ আশ্রিত এ রোহিঙ্গারা সে স্থানে যেতে আপত্তি জানিয়েছে। আশ্রিতদের জন্য এই যে সরকারি ব্যবস্থা তা বর্তমান শিবিরের চেয়ে অনেকটাই স্বচ্ছন্দ ছিল। কিন্তু তারা সেখানে যাবেন না।

কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে যে রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, সেখানে গোপনে ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রকাশ্যে দোকানপাট খুলে তারা বেশ জমিয়ে বসেছেন। নিয়মিত বিয়ে-শাদিও চলছে। আর তার জন্য অলঙ্কারের দোকান পর্যন্ত নাকি খুলে বসেছে তারা!

যারা আশ্রিত এবং বাংলাদেশ সরকারের ওপর ভরসা করে জীবনযাপন করছে, তাদের মধ্যে এ ধরনের বিলাসবহুল শৌখিনতা কী করে মানায়? শুধু কি তাই? গোপনে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গেও তারা জড়িত।

খবরের কাগজে প্রকাশিত সংবাদে আমরা যা পড়ছি তা থেকে বোঝা যাচ্ছে, এ আশ্রয়কেন্দ্রে বহিরাগত এনজিওকর্মীরা নানা ধরনের সাহায্য-উপকরণ নিয়ে ওদের মধ্যে প্রবেশ করেছে। তারাই আশ্রয়ণে সরকারি পদক্ষেপেও নানা জটিলতা সৃষ্টি করছে।

দেশি-বিদেশি যেসব এনজিও এ রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে কাজ করছিল, তারা নিশ্চয়ই সরকারের অনুমতি নিয়েই এ এলাকাগুলোতে ‘অনুপ্রবেশ’ করেছে। কিন্তু তারা অনুমতির সদ্ব্যবহার না করে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করে রোহিঙ্গাদের মনমানসিকতাকে আরও বিষাক্ত করে তুলছে। ফলে বাংলাদেশ সরকার ৪১টি এনজিওর কাজকর্ম বন্ধ করে দিয়েছে।

এটা আশার কথা বটে; কিন্তু এই লাখ লাখ রোহিঙ্গার চলাফেরার ক্ষেত্রে তেমন কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা সৃষ্টি করা হয়নি বলেই ওরা নাম ভাঙিয়ে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র জাল করে নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকাভুক্ত পর্যন্ত হয়ে গেছে।

প্রযুক্তিগত যে ফাঁকফোকর দিয়ে ওরা তালিকাভুক্ত হয়েছিল তাও ধরা পড়েছে, এটা আশার কথা। কিন্তু কেন এমন হল খতিয়ে দেখে নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও বিস্তৃত করতে হবে। তা না হলে ওরা কিন্তু এর মধ্যেই আশ্রয়কেন্দ্রে যে প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে, তার সুযোগ নিয়ে দেশে ও বিদেশে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের কর্মকাণ্ডের নব নব কৌশল আবিষ্কার করে বাংলাদেশে আশ্রিত হয়েও বাংলাদেশকেই বিপদে ফেলার চেষ্টা করবে।

আমরা তো জানি, মিয়ানমার সেনাবাহিনী দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা থেকে ধীরে ধীরে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এবং নিপীড়ন-নির্যাতন, হত্যা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও লুণ্ঠনের মাধ্যমে যে নিষ্ঠুর নৃশংসতা চালিয়েছিল তা সত্ত্বেও চীন, ভারত ও রাশিয়া তাদের নিজ নিজ স্বার্থের কারণে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মিয়ানমার সরকারকে সমর্থন করেছে।

চীন তাদের দেশের অভ্যন্তরে নিজেদের মালিকানায় বহু কলকারখানা প্রতিষ্ঠা করেছে। এ ছাড়া সমুদ্রের জলরাশিতেও তাদের আধিপত্য বিস্তারে ব্যস্ত। মিয়ানমারে ভারতের স্বার্থ ছাড়াও চীনের উপস্থিতিকে ভারত খুব একটা ভালো নজরে দেখছে না।

দুই রাষ্ট্রের বৈরী সম্পর্কের কারণে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সেই সুযোগটা গ্রহণ করে চলেছে। মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের সমুদ্রসীমা নিয়ে যে বিরোধ ছিল তা কোনো সংঘাতে গড়ায়নি, আমরা আন্তর্জাতিক আদালতে গিয়ে এর সুরাহা করেছি এবং আমাদের হিস্যা আমরা নিয়ে এসেছি।

তা সত্ত্বেও দুই দেশের- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সম্পর্ক খারাপ ছিল না, এখনও নেই। তবে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী আর মৌলবাদী বৌদ্ধগোষ্ঠী যে অবস্থার সৃষ্টি করেছে, তাতে আমার ধারণা এ সংকট যত দীর্ঘায়িত হবে, ক্রমশ সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়ে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা বলা মুশকিল।

মাঝে মাঝে বাংলাদেশ আর মিয়ানমারের কর্মকর্তাদের মধ্যে সমস্যা সমাধানের জন্য কখনও এখানে কখনও ওখানে বৈঠক হয়। কিন্তু বড় পরিতাপের বিষয়, সে বৈঠকে ঐকমত্য হওয়া সত্ত্বেও মিয়ানমারের পিছিয়ে যাওয়া সংকটকে আরও গভীর করে তোলে। মন্ত্রী ও সচিব পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু হা হতোস্মি!

এভাবে কতদিন চলবে? বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও বিশ্বের বৃহৎ শক্তিসহ নানা রাষ্ট্রের কাছে এই রোহিঙ্গা সংকটের কথা উল্লেখ করে আলাপ-আলোচনা ও আবেদন পর্যন্ত করেছে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে। কিন্তু কী আশ্চর্য! মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কোনো তোয়াক্কাই করছে না।

জাতিসংঘে বিষয়টি নিয়ে আলাপ হয়েছে, তারাও মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া এবং কফি আনানের রিপোর্ট ও তার সুপারিশকে অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে; কিন্তু ফলোদয় হয়নি। চীন, রাশিয়া যেখানে আছে সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসন যে খুব একটা গা করছে না তা বোঝা যায় মাঝে মাঝে মিয়ানমারের সেনাকর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির মধ্য দিয়ে।

এতে কি আর মিয়ানমারের বেপরোয়া সেনাবাহিনীর মনোভাবকে শায়েস্তা করা যাবে? না, যাবে না। শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই নয়, অন্যান্য প্রভাবশালী দেশসহ জাতিসংঘকে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে মিয়ানমারের সেনা প্রভাবান্বিত সরকার সবাইকেই বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যাবে। আর তার অস্বস্তি আর দুর্ভোগ পোহাতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে এবং চূড়ান্ত পরিণতিতে জনগণকে।

সত্য কথা বলতে কী, বাংলাদেশ সরকার ও তার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের উদ্দেশ্যে কতটা জোরালো ভূমিকা রাখতে পেরেছে, সেটাও বিবেচ্য বিষয়। আমরা কেন এ দুই বছরে চীন, রাশিয়া ও ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করে বিষয়টি সমাধানের ক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টি করতে পারিনি?

কেন পারিনি বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর প্রভাবকে কাজে লাগাতে? মাঝে মধ্যে এখানে ওখানে দেখা হলে কেবল আলাপচারিতার মাধ্যমে যে এ সংকট দূর করা যাবে না, এটা তো স্পষ্ট।

আমরা নানা কারণে, নানা অজুহাতে বিদেশ সফরে যাই; কিন্তু এই যে গভীর সংকট তাকে দূর করার জন্য কেন উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিনিধি দল চীন, ভারত, রাশিয়া ছাড়াও ব্রিটেন, আমেরিকা, কানাডা, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, জাপান, থাইল্যান্ড, এমন আরও দেশের সঙ্গে বৈঠক করতে পারছি না?

কূটনৈতিক প্রয়াসে মাঝেমধ্যে দু’-চারটি দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের কর্তাব্যক্তিরা যখন বাংলাদেশ সফরে এসেছেন, তখন তাদের সফরসূচিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত ছিল বটে এবং তারা রোহিঙ্গাদের দুরবস্থা দেখে দু’-চারটে বাক্য ব্যয় করেছেন ওদের সমর্থনে, তাছাড়া আর কিছুই হয়নি।

কখনও কখনও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকার অতিথিশালায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে আপ্যায়ন করেছেন এবং বাংলাদেশের মর্মবেদনার কথা তুলে ধরেছেন, এটা ঠিক। আর তাতে দূতবৃন্দ আমাদের খুশি করেই কথা বলেছেন; কিন্তু তাতে কি তাদের রাষ্ট্রীয় নীতির পরিবর্তন হয়েছে?

যতদূর মনে পড়ে, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিটি (ইউএনএইচআরসি) প্রথম থেকেই বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের দুর্দশার কথা বারবার জাতিসংঘের কাছে জানিয়েছে এবং গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছে। তারও কি কোনো মূল্যায়ন জাতিসংঘ করেছে বা কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে?

এমন একটি গভীর সংকটের পরেও জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল বাংলাদেশের পথে পা বাড়াননি। ভারত তো আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র, মৈত্রীর বন্ধন নাকি সুদৃঢ়, তারপরও কেন দ্বিচারি মনোভাবের প্রকাশ দেখছি। এ আচরণ কি মিত্রতার লক্ষণ?

৪ লাখ থেকে ১২ লাখ এবং নবজাতকের কারণে সে সংখ্যাও ক্রমশ বেড়ে চলেছে, তারপরও কেন আমরা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের উদ্যোগকে সত্যিকার অর্থেই ক্রিয়াশীল করে তুলতে পারছি না? তবে কি এ আমাদের যোগ্যতার দুর্বলতা? নাকি মানবতার কারণে মহানুভব হওয়ার তৃপ্তি?

আমরা বাংলার জনগণ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী ভারতে এক কোটি শরণার্থী হয়ে আশ্রয় নিয়েছিলাম। তখনকার ভারতের মহানুভব নেত্রী কংগ্রেস সরকারের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী যে সাহায্য-সহযোগিতা দিয়েছিলেন এবং কোটি মানুষের আশ্রয় ও ভরণপোষণের ভার বহন করেছেন, তা ছিল সত্যিই এক মিত্র প্রতিবেশীর বন্ধুসুলভ আচরণ।

আমরা তার জন্য চিরকৃতজ্ঞ ভারতের কাছে। মিয়ানমার থেকে যারা পরিকল্পিত নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় গ্রহণ করেছে, তাদের আশ্রয় দিয়ে আমরাও নিশ্চয়ই মানবিক আচরণের চূড়ান্ত দেখিয়েছি।

কেননা নিশ্চুপ বসে এই গভীর সংকটকে জিইয়ে রেখে মিয়ানমার সেনাবাহিনী তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারে এবং ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ নোবেলজয়ী অং সান সু চি তামাশার পুতুল হয়ে পরিস্থিতি অবলোকন করতে পারেন; কিন্তু আমরা তা পারি না।

সর্বশেষ জানা যায়, এ মাসেই নিউইয়র্কে শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সময় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের লক্ষ্যে চীন ও মিয়ানমারের সঙ্গে বৈঠকে বসবে বাংলাদেশ।

যুদ্ধ নয়, শান্তি আমাদের রাষ্ট্রীয় নীতি। তাই জাতিসংঘ ও বিশ্ববাসীকে জানাতে চাই, আমরা বন্ধুত্ব বজায় রেখেই এ সংকট দূর করতে ইচ্ছুক। তবে মিয়ানমারকে সুপথে আসতে হবে।

আর জাতিসংঘ ও নানা রাষ্ট্রের কাছে আমাদের আবেদন- তারা শুধু আপ্তবাক্য ব্যয় করে যেন বসে না থাকে, বাংলাদেশের বাস্তবতা অনুধাবন করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ব্রতী হয়। এ সমস্যাকে যেন বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে না দেয়।

কামাল লোহানী : সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×