আয় বৈষম্যের সংকটে আমাদের অর্থনীতি

  মুঈদ রহমান ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অর্থনীতি

গত ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি আয়োজিত জাতীয় সেমিনারে প্রফেসর ড. মইনুল ইসলাম ‘বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান আয় বৈষম্য : সমাধান কোন পথে’ শিরোনামে একটি মূল্যবান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন।

তিনি কোনো ধরনের রাগ-বিরাগের বশবর্তী হয়ে মন্তব্য করেন না; যা বলেন, যা করেন, তা বাস্তব সত্যের ওপর ভর করেই বলেন, করেন। তাই বাংলাদেশের আজকের অর্থনীতির বাস্তব সংকটকে জানার জন্য প্রফেসর মইনুল ইসলামের মূল্যায়নকে গুরুত্ব দেয়া যথার্থ বলে মনে করি।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশ কোনো গোলাপের বিছানায় শুয়ে শুয়ে আজকের জায়গায় আসেনি, তাকে নানা বাধা-বিপত্তি-তিরস্কার আর ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হয়েছে। ১৯৭২ সালের হেনরি কিসিঞ্জারের ‘ইন্টারন্যাশনাল বটমলেস বাস্কেটের’ তাচ্ছিল্য থেকে বেরিয়ে এসে আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছি। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের যাত্রাকালে আমাদের হাত ছিল একবারেই শূন্য; যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা প্রায় নিঃস্ব অর্থনীতি। থাকার ভেতর ছিল ১৫ কোটি হাত। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর সরকার অনেক সাধ্য-সাধনা করে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের ‘স্বল্পোন্নত দেশের’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করাতে সক্ষম হয়েছিল, যাতে বাংলাদেশ বৈদেশিক অনুদান, খাদ্য সহায়তা এবং ‘সফট লোন’ পাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ বিবেচনা পায় (পৃষ্ঠা : ৪)।

এ মর্যাদাহীন তকমা বঙ্গবন্ধু নিরুপায় হয়ে গায়ে মেখেছিলেন, যে কারণে ১০ বছরের মধ্যে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার সংকল্প করেছিলেন; কিন্তু ১৫ আগস্টের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা তাকে সে সুযোগ দেয়নি। এজন্য ‘স্বল্পোন্নত দেশের’ গ্লানি থেকে বের হতে আমাদের সময় লেগে গেছে ৪৩ বছরেরও বেশি। আমরা অবশ্যই চেষ্টা করছি।

যেখানে গত দু’দশক ধরে আমাদের জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ৫ শতাংশ, সেখানে ২০১৮-১৯ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ দশমিক ১৩ শতাংশে। তাই ২০১১-১২ সাল থেকে উন্নত বিশ্ব বাংলাদেশকে নতুনভাবে আবিষ্কার করে। আমেরিকার ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং ব্রিটেনের দি ইকোনমিস্ট পত্রিকা বাংলাদেশের অর্থনীতির সম্ভাবনার গুণকীর্তন করতে থাকে। ২০১৩ সালে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন মানব সূচক উন্নয়নে বাংলাদেশকে ভারতের চেয়ে এগিয়ে ধরেছেন এবং ‘উত্থানশীল অর্থনীতির’ তালিকায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

এমনতর ধনাত্মক ও আশাবাদী কথা শুনতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু কথা হল, অর্থনীতির আকার এক জিনিস আর সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন আরেক জিনিস। অর্থনীতি যত সমৃদ্ধই হোক না কেন, তা যদি সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ব্যর্থ হয় তাহলে সেই সমৃদ্ধি অভিশাপ হয়ে দেখা দিতে পারে। আমরা দিনকে দিন যতই সম্পদ অর্জন করছি, বণ্টনের ক্ষেত্রে ততই বৈষম্য দেখা দিচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা আয় বৈষম্য পরিমাপের ক্ষেত্রে গিনি সহগ (Gini coefficient) ব্যবহার করে থাকেন। এর মান ০ থেকে ১ পর্যন্ত। যদি গিনি সহগের মান ০ হয় তাহলে বুঝতে হবে, সেখানে আয়ের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সমতা বিরাজ করছে, কারও কম বা কারও বেশি নয়। আবার যদি তার মান ১ হয় তাহলে বুঝতে হবে সব সম্পদের মালিক একজন, বাদবাকিরা থাকবেন সম্পদবর্জিত। ১৯৭৩-৭৪ সালে আমাদের গিনি সহগ ছিল ০.৩৬ এবং তা পরবর্তী ১০ বছর ছিল একইরকম। ১৯৮৮-৮৯ সালে আয় বৈষম্য বাড়তে থাকলে সহগটির মান হয় ০.৩৮। ২০০৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ০.৪৭-এ এবং এ বৈষম্য অব্যাহত থাকায় ২০১৬ সালে তার মান দাঁড়ায় ০.৪৮-এ। এটা ভালো লক্ষণ নয়। সম্পদ গুটিকয় লোকের হাতে পুঞ্জীভূত হয়ে যাচ্ছে। ধনীদের মধ্য থেকে তৈরি হচ্ছে ‘সুপার ধনী’। ২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী ধনী ব্যক্তিদের ৫ শতাংশের হাতে চলে গেছে মোট জিডিপির ২৮ শতাংশ, যা ২০১০ সালে ছিল প্রায় ২৫ শতাংশ। বাংলাদেশে বিশ্বের যে কোনো দেশের চেয়ে দ্রুত হারে ধনীর সংখ্যা বাড়ছে এবং এ ধনিক শ্রেণির প্রবৃদ্ধির হার ১৭.৩ শতাংশ। অথচ ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের সংবিধানের একটি অন্যতম নীতি ছিল ‘সমাজতন্ত্র’!

আয় বৈষম্য বোঝার জন্য অর্থনীতিবিদদের বয়ান শোনার প্রয়োজন নেই, আপনার সামনেই রয়েছে এর জ্বলন্ত উদাহরণ। ১৯৭০ সালে অর্থাৎ পাকিস্তান আমলে ২২ কোটিপতি পরিবারের কথা আমরা শুনেছি; যাদের মধ্যে একটি পরিবার ছিল বাঙালি। ২০১২ সালে ‘সমাজতন্ত্র নীতি’র বাংলাদেশে কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৩ হাজার ২১২। খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবমতেই ২০১৫ সালে কোটিপতির সংখ্যা ছিল ৫৪ হাজার ৭২৭। ২০১৬ সালের শুরুতে অর্থমন্ত্রী সংসদে জানান, কোটি টাকার বেশি ব্যাংক আমানত রয়েছে এমন লোকের সংখ্যা ১ লাখ ১৪ হাজারেরও বেশি। এত সরকারি হিসাব, কালো টাকার হিসাব নিলে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে দ্বিগুণ হবে বলে অনেকে মনে করেন। টাকা যাদের আছে তাদের কাছে কোটি টাকাও মূল্যহীন, চাই শত কোটি বা হাজার কোটি টাকা; যাদের নেই তাদের কিছুই নেই। গত সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রাথমিক মনোনয়নপত্র বিক্রি করে আয় করেছে ১২ কোটি টাকারও বেশি; বিএনপিও কাছাকাছি। প্রফেসর মইনুল ইসলাম যথার্থই বলেছেন, ‘বাংলাদেশে দ্রুত কোটিপতি হওয়ার আরেকটি ন্যক্কারজনক পন্থা হল দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হওয়া। দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলো, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আয়কর-ভ্যাট-কাস্টমসসহ সরকারি-আধা সরকারি-স্বায়ত্তশসিত-আধা স্বায়ত্তশাসিত সব বিভাগ, বিচার বিভাগ ও আদালতগুলো, শিক্ষা বিভাগ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো, স্বাস্থ্য বিভাগ ও সরকারি হাসপাতালগুলো- এমন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম করা যাবে না যেটি খানিকটা দুর্নীতিমুক্ত। দুর্নীতিলব্ধ অনর্জিত আয় দুর্নীতিবাজদের পরিবারের সদস্যদের অতিদ্রুত মধ্যবিত্ত ও উচ্চমধ্যবিত্ত অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছে নিঃসন্দেহে।’

একথা সহজেই বলা যায়, ‘মুক্তবাজার অর্থনীতিতে’ আয় বৈষম্য একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য। আমরা তা মেনে নিয়েই বলতে চাই, বৈষম্যকে হয়তো বিলোপ করা যাবে না; কিন্তু তা নিয়ন্ত্রণে কিংবা সহনীয় মাত্রায় রাখা সম্ভব। পুঁজিবাদ এ ধরনের হালকা সমাধানের ভেতর দিয়ে টিকে থাকতে চায় এবং অভ্যস্ত। পুঁজিবাদী অর্থনীতির ভেতর দিয়েও নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও জার্মানির অর্থনৈতিক নীতিমালা অনেকখানি আয়-পুনর্বণ্টনমূলক। সেখানে আয়কর ও সম্পত্তি কর অনেক বেশি প্রগতিশীল এবং তা জিডিপির ৩২ শতাংশেরও বেশি। সম্পদশালীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ ব্যয় করা হয় শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ উন্নয়ন, নিুবিত্ত পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা, গণপরিবহন, বেকার ভাতা ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো খাতে। তারা কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণাকে যেভাবে কাজে লাগাতে পেরেছে, আমরা এখনই সে ধারায় সংযুক্ত হতে পারব না। আবার আমাদের নিমজ্জিত অবস্থায় নিরুপায় হয়ে বসে থাকলেও চলবে না। তাই খুব স্বাভাবিক প্রশ্ন যেটা আসে তা হল- এ থেকে উত্তরণের উপায় কী?

ক্ষয়িষ্ণু পুঁজিবাদের অস্তিত্বকে মেনে নিয়েই প্রবন্ধের শেষটায় এ থেকে আপাত উদ্ধারের কতগুলো প্রস্তাব সংযোজন করা হয়েছে। এর একটি সংক্ষিপ্ত রূপ তুলে ধরা যেতে পারে : ১. জাপান, কোরিয়া, তাইওয়ান ও গণচীনের অভিজ্ঞতাকে যদি আমরা আমলে নিই তবে প্রথমেই সুদূরপ্রসারী ভূমি সংস্কার ও কৃষি সংস্কার কর্মসূচির বাস্তবায়নকে রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে রাখতে হবে; ২. মুক্তবাজার অর্থনীতি কখনোই ১৭ কোটি মানুষের অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্যের দায় নেবে না। এ বাজার ব্যবস্থা হল উচ্চ আয়ের মাত্র ১ শতাংশ মানুষের জন্য। সুতরাং মৌলিক চাহিদা পূরণের দায়টি সরকারকেই নিতে হবে; ৩. একটি সার্বজনীন বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে হবে, যা হবে বৈষম্যহীন। রাষ্ট্রের অর্থে বৈষম্যমূলক ক্যাডেট কলেজ, ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল-কলেজ, বাংলা-মিডিয়াম স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হতে পারে না। শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনি, নোটবই ও কোচিং সেন্টারের ব্যবসা নিষিদ্ধ করতেই হবে; ৪. একক মানসম্পন্ন আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য নিশ্চিত করতে হবে এবং সেক্ষেত্রে কিউবাকে মডেল হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে; ৫. আমরা বিনিয়োগের সব দায়ভার পুঁজিবাজারের ওপর না রেখে অতিমাত্রায় ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। ফলে খেলাপি ঋণের এবং টাকা পাচারের বড় সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্য শেয়ার বাজারকে সক্রিয় ও শক্তিশালী করে তুলতে হবে; ৬. বড় ও ভারি শিল্পকে রাষ্ট্রের অধীনে রেখে ব্যক্তিগত খাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে রাষ্ট্রীয় সহায়তা দিতে হবে; ৭. ধর্মের ক্ষেত্রে, এমনকি আস্তিকতা-নাস্তিকতার বেলায় রাষ্ট্র কোনো পক্ষ নিতে পারবে না, একের ধর্ম যেন অপরের স্বাধীনতা নষ্ট না করে সেদিকে রাষ্ট্রের সজাগ দৃষ্টি থাকতে হবে; ৮. বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ সহজতর করতে হবে; ৯. ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ অতীব জরুরি। স্থানীয় সরকারগুলোকে অধিকতর স্বচ্ছ, প্রকৃত প্রতিনিধিত্বশীল এবং যথাযথ কার্যকর করে তুলতে হবে; ১০. গণমাধ্যমকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দিতে হবে এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চাকে বিকাশের সহায়ক হিসেবে বিবেচনা করতে হবে; ১১. প্রতিরক্ষার জন্য রাষ্ট্র শুধু বৃহদাকার সশস্ত্র বাহিনীর ওপর নির্ভরশীল না হয়ে সমগ্র জনগণের অংশগ্রহণমূলক রিজার্ভ গণবাহিনীকে প্রস্তুত করে তুলবে, যাতে বৈদেশিক আগ্রাসনের আশঙ্কা দেখা দিলে পুরো জাতিকে ন্যূনতম সময়ে মাঠে নামিয়ে দেয়া যায়। উপর্যুক্ত ব্যবস্থা অবলম্বনে যে সরকারি ব্যয় সাশ্রয় হবে রাষ্ট্র তা বরাদ্দ করবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে।

কিন্তু কথা হল, রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক দুর্নীতি যে পর্যায়ে গেছে তার সুরাহা কী হবে? আপনি যত ভালো প্রস্তাবই দেন না কেন, যদি সরকারপ্রধান বলিষ্ঠ না হন তাহলে কোনো ভালো কথারই প্রতিফলন ঘটবে না। আমাদের সমগ্র উৎপাদন ব্যবস্থাকে দুর্নীতি যেভাবে তছনছ করে দিয়েছে, তা থেকে মুক্তির উপায় খঁজুতে হবে প্রথমে। সেজন্য সংবিধানবিধৃত ন্যায়পাল ব্যবস্থার বাস্তব ও কার্যকর রূপ নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনকে আরও বেশি শক্তিশালী, স্বাধীন, দক্ষ ও কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে হবে। সেক্ষেত্রে দেখার বিষয় রাষ্ট্র তাতে আন্তরিক কিনা।

মুঈদ রহমান : অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×