চেতনায় বুদ্বুদ

নির্বাচন কমিশন ফেলও করতে পারেনি!

  বদিউর রহমান ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইভিএমে ঢাকার দুই সিটির ভোট হয়ে গেল। ফলও প্রকাশ হল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত নির্বাচিত দুই মেয়রকে অভিনন্দন।

কম ভোটের কারণেই হোক, কিংবা আওয়ামী সমর্থকদের একক কেন্দ্র এলাকা দখলের ফলেই হোক, কিংবা ইভিএমে একজনের ভোট আরেকজন অর্থাৎ আওয়ামী-সমর্থকদের কারও দ্বারা ভোট দেয়ার ফলেই হোক- কোনো ধরনের অনিয়ম না হয়ে অনেক সংখ্যক ভোটার ভোট দিলেও আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী দু’জন বিজয়ী হতেন এবং তখনও জয়ের মার্জিনের ফারাক বেশ বেশিই থাকত।

তুলনামূলকভাবে আওয়ামী লীগের দু’জন প্রার্থীর একজনের মেয়র পদের পূর্ব পরিচিতি এবং অন্যজনের ব্যক্তিগত উঁচু ভাবমূর্তি, দলীয় সমর্থন ও জনপ্রিয়তা তাদের দু’জনকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনীত দু’জন প্রার্থী থেকে প্রথম থেকেই এগিয়ে রেখেছিল। প্রচারে অবশ্য দু’দলের প্রার্থী কেউ কম যাননি।

তদুপরি ভোটের মাঠে কেন্দ্রের পাশে ঘোরাঘুরি থেকে শুরু করে প্রত্যেক বুথে এজেন্ট দেয়া, কেন্দ্রে প্রভাব-প্রতিপত্তি বহাল রাখা- এসবেও আওয়ামী লীগের প্রাধান্য ছিল। ভোটারকে কেন্দ্রে নেয়ার বিষয়টিও একটি বড় ফ্যাক্টর। নীরব-সমর্থন ভোটের ফলাফলে কোনো কাজে আসে না।

বলপ্রয়োগে কিংবা অনিয়ম হলেও ভোট যার পক্ষে পড়ে, গণনাতে তার ভোটই বেশি হয়। ওখানে তো আর ব্যালটে কিংবা মেশিনে এমন কিছু লেখা থাকে না যে, ওই ভোটটা প্রকৃত ভোটার কর্তৃক প্রদত্ত নয় বা অমুক ভোটটা জবরদস্তিমূলক আরেকজন দিয়ে দিয়েছে। বিএনপি যেমন গত জাতীয় নির্বাচনে তাদের সমর্থকদের গোছাতে পারেনি, এবারও পারেনি।

দলীয় শক্তি থাকলে অন্য দলের কেন্দ্র দখলের কিছুটা হলেও প্রতিবাদ হতে পারত; কিন্তু তার কোনো নমুনাই দেখা যায়নি। এদেশ নির্বাচনের ক্ষেত্রে এখনও এমন সুশীল-রেওয়াজে যায়নি যে, কিছু কিছু এলবোয়িং একেবারেই হবে না।

তবে নির্বাচন কমিশন (নিক) এবং নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত পুলিশ ও নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা অর্থাৎ কার্যকর নিরপেক্ষতা অবশ্যই নির্বাচনকে অনেক অভিযোগ থেকে মুক্ত করতে পারত। এতে কমিশনের ডুবন্ত ভাবমূর্তি কিছুটা হলেও ভেসে উঠত।

নির্বাচনটা শেষ হয়ে যাওয়ার পর আমার নিজেকে যেন একেবারে এতিম-এতিম, মরা-মরা লাগছে। নির্বাচনের আগের ১৭-১৮ দিনের কান-ঝালাপালা করা মাইকিং, সময়-অসময়ের স্লোগান-চিৎকার-গান হঠাৎ থেমে যাওয়ায় মনে হয় যেন মরেই গেলাম বুঝি!

এমনিতেই বাসার পাশের রাস্তায় সকাল-সন্ধ্যা, মাঝেমাঝে রাতেও, ফেরিওয়ালাদের চিৎকার, তাও আবার এখন হ্যান্ডমাইকে, ভ্যানেও রেকর্ডকৃত মাইকিংয়ের প্রচারে অতিষ্ঠ থাকি; হালে নির্বাচনের আগে নির্বাচনী প্রচারে এ অতিষ্ঠতা কয়েকগুণ বেড়েছিল। ফলে নির্বাচন শেষে এখন নীরব অবস্থাও যেন বেমানান ঠেকছে।

পোস্টারে-পোস্টারে সেজে থাকা নগরী এখন আবার ভিন্নরূপে চলে যাবে। লেমিনেটেড পোস্টার এবার নজর কেড়েছে। গত জাতীয় নির্বাচনে (ডিসেম্বর ২০১৮) বৃষ্টিতে একবার পোস্টার নষ্ট হয়ে গেলে পরে লেমিনেটেড পোস্টার চোখে পড়ে। এবারের সিটি নির্বাচনে তো লেমিনেটেড পোস্টারেরই আধিক্য ছিল।

সিটি নির্বাচনে এবার প্রার্থীর ব্যক্তিগত যোগাযোগ থেকে রেকর্ডকৃত মাইকিং রিকশা ও সিএনজি অটোরিকশায় বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে। তবে মজার বিষয় হল, ৩০ তারিখের জন্য রেকর্ডকৃত স্লোগানে, ভোটের তারিখ বদলালেও, আর তারিখ বদলায়নি; আবার খরচ কে করে?

মানুষ বুঝে নিয়েছে, ভোটের তারিখ পাল্টেছে, সরস্বতী পূজা নিয়ে নিক তালগোল পাকিয়ে ফেলেছিল। আমাদের বর্তমান কমিশনের বুদ্ধিশুদ্ধির দৌড় চোখে পড়ে বটে। ভোটের প্রচারের সময়ের কোনো অভিযোগ নিয়েও তারা দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম নিয়েছে মর্মে দেখা যায়নি।

অর্থাৎ আমাদের নির্বাচন কমিশনটা যে তাদের কাজকর্মে, দায়িত্ব পালনে সরব আছে- অন্তত কার্যকর কিছু করতে না পারলেও হালুম-হুলুম করেও যে নিজের অস্তিত্ব জাহির করবে, তারও কোনো ছিটেফোঁটা দৃষ্টিগোচর হল না।

আমি কোনো দলের সক্রিয় কিছু কখনও ছিলাম না। কিন্তু নির্বাচন এলে আমার কেন জানি ফুর্তি-ফুর্তি ভাব এসে যায়। আমি মিছিল দেখি, স্লোগান শুনি, নির্বাচনী স্লোগানে নতুন নতুন ‘কবিত্ব’ উপভোগ করি, প্রার্থীদের গালভরা আশ্বাসের বুলি আওড়ানো নিয়ে ভাবি।

আমি জানি, ভোটের আগে এরা চিতই পিঠার উপরের ফকফকা সুন্দর অংশটাই বলে থাকে, ভোটের পর নানা অজুহাতে পাতিলের সঙ্গে লেগে থাকা পোড়া কুচকুচে রূপই নিশ্চয়ই দেখাবে। ভোটটা শেষ হয়ে গেলে জয়ী প্রার্থীরও আর টিকিটি হয়তো পাওয়া যাবে না।

এরকম কত দেখলাম, তারপরও আমি আনন্দ পাই, উপভোগ করি। আমি ভোটের দিন দেখার জন্য কেন্দ্র থেকে কেন্দ্রে যাই, মানুষের সঙ্গে কথা বলি, দলীয় সমর্থকদের সঙ্গেও মিশি এবং তাদের কথা আগ্রহ ভরে শুনি, ভাবি এবং মিলিয়ে দেখি। এবারের সিটি নির্বাচনের ফল কী হবে এটা আগেই আঁচ করেছিলাম, ভোটের বিষয়ে একটা লেখাও লিখেছিলাম।

ইভিএমের ভোটে ভোটারদের আগ্রহ তেমন থাকবে না জেনেও কয়েকটা কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। একটা কেন্দ্র তো নিজের বাসার পাশেই, বারান্দা থেকেই কেন্দ্রের বাইরের খোলা মাঠ দেখা যায়। অতএব সকাল ৮টা থেকে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকলাম।

গুনলাম, পুলিশ, আনসার একটি দলের ব্যাজধারী লোকজনসহ ২০-২২ জন ঘুরঘুর করছে। কিন্তু ভোটার কই? দাঁড়াতে দাঁড়াতে পা ধরে যায়, ৮টা ৩০-এর দিকে একজন ভোটার দেখা গেল। অমনি দলীয় প্রার্থীর ব্যাজধারী এক মহিলার সে কী খুশির চিৎকার- এই যে ভোটার এসেছে, ভোটার এসেছে!

আহা সে কী আনন্দ, একজন ভোটার এলো যে! হায়রে ভোট, কী দুর্লভ ভোটার, একজন দেখেই সে কী আনন্দ-চিৎকার! তারপর আবার হতাশ, আর তো ভোটার দেখি না। পুলিশের গাড়ি আসে, চলেও যায়। খালি মাঠে তারা হাঁটে, পায়চারি করে, কথা বলে। চা-পানি আসে; কিন্তু ভোটার যে আসে না!

আমি ভোট দিতে চলে যাই নিজ কেন্দ্রে। শুধু এক দলের প্রার্থীর লোকই দেখি, তাদের জটলা আছে, তাদের সাজানো ঘর আছে, তাদের ভোটার স্লিপ দেয়ার কর্মী আছে, সমর্থক আছে, ছোটখাটো নেতাও আছেন। একটু-আধটু চেনে বিধায় ভোটার স্লিপ দিতে চায়, সম্মান করে একটু চা-ও খেতে বলে।

ভেতরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত অনেকে সঙ্গেও যায়। অবারিত প্রবেশ দেখি কেন্দ্রে। বুথে বাম আঙুলে কাজ হল না, ডান আঙুলে হল, ইভিএমের পর্দায় প্রার্থীদের তথ্য এলো। ভোট দিলাম; কিন্তু এ কী, আরেকজন দেখি কাপড়ের উপর দিয়ে মাথা রেখে আমার ভোট দেয়া দেখে ফেলল!

বের হওয়ার আগে ভোটার তালিকায় আমার ছবির পাশে বাম-বৃদ্ধাঙ্গুলির টিপ রেখে দিলেন। ভোট দেয়ার আগে অমোচনীয় কালি তো লাগিয়ে দিয়েছেই। দেখলাম, ভাবলাম, বুঝতে চেষ্টা করলাম- ভোটের রূপটা কেমন বদলালো। আবার ফিরে এলাম নিজের বারান্দায়। ফাঁকে ফাঁকে এক-দু’জন ভোটার আসতে দেখলাম।

কিন্তু কেন্দ্রের বাইরে তো কত জটলা, কত মানুষ, কেন্দ্রের সীমানার ভেতর ভোটার নেই কেন? ভোটারের লাইন নেই কেন? লাইন না থাকার আক্ষেপের অবসান হল। ১০টা ৪০-এর দিকে দেখি হঠাৎ হুড়মুড় করে অনেক লোক, প্রায় ৫০-৬০ জন হবে, কেন্দ্রে ঢুকে পড়ল।

বুঝে উঠতে পারলাম না, যেখানে ভোটারের আকাল দেখছি, সেখানে হঠাৎ এত ভোটার? দলীয় ব্যাজধারী কয়েকজন এবং পুলিশ তাদের দু’লাইনে সুশৃঙ্খলভাবে, সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে দিলেন। দেখতে সব ছোকরা-ছোকরা, ভাবলাম হয়তো তাদের ম্লিপ দিয়ে পাঠিয়েছে।

দেখি, লাইনের ছবি তোলা হচ্ছে, একজন পুলিশ অফিসারও দেখলাম ছবি তুললেন। তারপর দেখি তারা সব বুথের দিকে না এসে আবার কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে গেল। তাহলে কি ভোটারের লাইনে আছে দেখানোর ছবি তুলতেই তাদের আনা হয়েছিল?

মাঝখানে আরও দু’-তিনটা কেন্দ্র ঘুরে এলাম। বন্ধুবর মান্নান তার আঙুলের ছাপ না মেলাতে বসে থাকতে রাজি না হয়ে ভোট না দিয়ে ফিরে এলো। কেন্দ্রগুলোর বাইরে একদলীয় ব্যাজধারীদের জটলাই দেখলাম। ভেতরে ভোটার নেই। ছোট ছেলে, সস্ত্রীক বড় ছেলে ভোট দিয়ে এলো।

অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে আমি আবার গেলাম। দশা পূর্ববৎ। বাসার পাশের কেন্দ্রের অবস্থা আবার দেখতে থাকলাম। দুপুরের পর তো আর ভোটারই যেন নেই নেই অবস্থা। ৪টা বাজল, ভোটের সময় শেষ হল, আমারও দাঁড়িয়ে থাকার অবসান হল।

ইভিএম দেখার আগ্রহেও অনেক ভোটার গিয়েছে, নচেৎ উপস্থিতি আরও কম হতো। আমার মতো অনেকের অভিমত এই যে, ব্যালটে ভোট হলে ভোটার উপস্থিতি কম হলেও ৫০ শতাংশে যেত। ডিজিটাল চুমুতে কিন্তু আসল তৃপ্তি নেই!

আগের মতো এবার বেশি প্রার্থী আমার কাছে আসেনি। স্বতন্ত্র এক কাউন্সিলর প্রার্থী, তিনি নাকি একজন কবিও, তার হ্যান্ডবিলে মূল নামের পর বন্ধনীতে তার ভিন্ন ‘কবি নাম’ দেখলাম। বেশ কয়েক বছর আগে বস্তির পাশে, রাস্তার মোড়ে তার কবি-পরিচয়ের একটা ছবি দেখেছিলাম।

তখন তার ছবির সঙ্গে এক প্রয়াত নেতার বক্তব্য ও উক্তিও দেখেছিলাম। তারপর তার পাত্তা নেই, এবার নাকি লন্ডন থেকে দেশে চলে এসেছেন দেশসেবার জন্য- তেমনই লিখেছেন হ্যান্ডবিলে। এও উল্লেখ করেছেন, তিনি উচ্চবিত্ত পরিবারের, বাবাও ছিলেন পুলিশ অফিসার। তিনি আমাকে তার উদ্দেশ্য বললেন।

করমর্দনে আমি আমার পূর্ণ-হস্ততালু না বাড়ানোয় পুরো হাত মেলাতে ব্যস্ত হলেন। পরের দিন বেশ পরিচিত প্রার্থী এলেন, তিনি জয়ীও হলেন, তিনি জয়ী হবেন সেটা সবাই জানতোও; তিনি বড় দলের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাও। আওয়ামী লীগের অনেক প্রার্থীই তাদের যোগ্যতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

বিএনপির প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা কম থাকায়, ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি না থাকায়, সমর্থকদের কেন্দ্রে নিতে না পারায় তারা হেরেছেন। এ অভিযোগ আমার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয় না যে, ইভিএম জালিয়াতির মাধ্যমেই কেবল অন্যরা জয়ী হয়েছেন।

হ্যাঁ, এমন হয়তো হয়েছে যে, তারা নিজেদের ভোট পূর্ণ কাজে লাগিয়েছে, বিএনপির ভোট ঠেকিয়েছে, এমনকি নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের ও প্রশাসনের সহযোগিতাও যথেষ্ট পেয়েছে।

এখন যে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ভোট হয়েছে (যা-ও প্রশ্নসাপেক্ষ) বলা হচ্ছে, অর্থাৎ ভোট বেশ কম হয়েছে, তার কারণ কী? আমার মতে, এক. বর্তমান নির্বাচন কমিশনের প্রতি অতীত অভিজ্ঞতায় চরম আস্থাহীনতা, দুই. ইভিএমে অনভিজ্ঞতা ও অবিশ্বাস, তিন. আওয়ামী লীগের দলীয় কর্তৃত্বে ও প্রভাবে বিরক্তি ও শঙ্কা, চার. বিএনপির সাংগঠনিক ব্যর্থতাসহ তাদের এজেন্ট-সমর্থকদের কেন্দ্রে নেয়ায় ব্যর্থতা, পাঁচ. পুলিশের এবং কেন্দ্রে নিক কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতার অভাবের পূর্ব নজির। সঠিক বিবেচনায় নিক সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

আমরা যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি তখন আমাদের দশম শ্রেণির এক বড় ভাইয়ের বড় ভাই তার ছোট ভাই অর্থাৎ দশম শ্রেণির ভাই ফেল করার পর স্কুলের মাঠে এসে কাঁদছিলেন। কারণ জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেছিলেন, ১০০-এর মধ্যে ৩৩ পেলে পাস, ৩২ পেলে ফেল, ৩১ থেকে ২৭ পর্যন্ত না হয় ফেল, কিন্তু আমার ভাই পেয়েছে প্রত্যেক বিষয়ে ১০-১৯-এর ভেতরে। সে পাস করেনি এজন্য আমি কাঁদছি না, আমি কাঁদছি ও যে ফেলও করতে পারেনি সেজন্য।

ফেল করলে তো সামনে পাসের আশা করা যেত, এখন তাকে নিয়ে কী করব? আমাদের নির্বাচন কমিশনও কি তাহলে ফেলও করতে পারেনি! আমরাও কি ওই বড় ভাইয়ের আক্ষেপ নিয়েই বর্তমান কমিশনকে দেখতে থাকব?

বদিউর রহমান : সাবেক সচিব, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান

ঘটনাপ্রবাহ : ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন-২০২০

আরও
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত