শতফুল ফুটতে দাও

সবকিছু আগাম দিয়ে দিলে দরকষাকষি চলে না

  ড. মাহবুব উল্লাহ্ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সীমান্ত

আমাদের এই পৃথিবী অনেক জাতির আবাসভূমি। এখানে আছে দু’শর মতো রাষ্ট্র। এসব রাষ্ট্রের সবার সঙ্গে সবার অভিন্ন সীমান্ত নেই। তবে বহু রাষ্ট্রই রয়েছে যেগুলোর সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অভিন্ন সীমান্ত বিদ্যমান।

দক্ষিণ এশিয়া উপমহাদেশে বিশাল রাষ্ট্র ভারতের অবস্থান। ভারতে প্রায় সবদিক ঘেঁষেই রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অভিন্ন সীমান্ত। ভারতের সঙ্গে যেসব দেশের অভিন্ন সীমান্ত রয়েছে সে দেশগুলো হল- পাকিস্তান, চীন, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার ও বাংলাদেশ।

শ্রীলংকার সঙ্গে ভারতের অভিন্ন সীমান্ত না থাকলেও সমুদ্রপথে সামান্য দূরত্বেই শ্রীলংকার অবস্থান। ভারত ও শ্রীলংকার মাঝামাঝি বেশ কয়েকটি ছোট ছোট পাথরের দ্বীপ রয়েছে। পৌরাণিক কাহিনীতে বলা হয়, এসব দ্বীপের ওপর লাফ দিতে দিতে হনুমানরা শ্রীলংকায় পৌঁছেছিল। সে তো রামের আমলের কথা।

বর্তমানে ভারতের কেন্দ্রীয় শাসনে রয়েছে বিজেপি। এর আগে ছিল কংগ্রেস। সেই কংগ্রেস সরকারের আমলে ভারত শ্রীলংকার সঙ্গে একটি সেতু সংযোগ গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু শ্রীলংকার জনগণ এ প্রস্তাবের প্রতি প্রবল আপত্তি জানায়।

ফলে শ্রীলংকার সরকার ভারতের প্রস্তাব গ্রহণ না করার সাহস পায়। একটু ভেবে দেখলে বুঝতে কষ্ট হয় না যে, নাগরিক সচেতনতা একটি রাষ্ট্রের সরকারকে সেদেশের নিরাপত্তা সংহত করতে কত বড় শক্তির উৎস হতে পারে। ভারতকে নিয়ে শ্রীলংকার নিরাপত্তা বিষয়ে সংবেদনশীলতা রয়েছে।

শ্রীলংকার জনগণ ও সরকার অধিকাংশ সময়েই এ ব্যাপারে সাবধানতার পরিচয় দিয়েছে। ফলে শ্রীলংকা শত অসুবিধার মধ্যেও একটি গর্বিত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ভারত মহাসাগরের উপর মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে।

শ্রীলংকাকে তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শুধু ভারত থেকেই হস্তক্ষেপের বিষয় বিবেচনায় নিতে হয় না, তাকে অধিকন্তু বিবেচনায় নিতে হয় ভারত মহাসাগরকেন্দ্রিক বিভিন্ন বৃহৎ ও পরাশক্তির দ্বন্দ্ব-বিরোধকেও। মাঝে মাঝে ভাবি, শ্রীলংকার নেতৃত্ব বাংলাদেশের তুলনায় আয়তনে প্রায় অর্ধেক শ্রীলংকার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে চলছে।

শ্রীলংকা যখন স্বাধীন হয় তার পরবর্তী বেশ ক’বছর শ্রীলংকায় সামরিক বাহিনী ছিল অত্যন্ত ক্ষুদ্র। তামিল বিদ্রোহ দমনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে শ্রীলংকায় একটি আত্মরক্ষামূলক সামরিক বাহিনী গড়ে ওঠে। এ বাহিনীর সীমিত সামর্থ্য দিয়ে যেসব বৈদেশিক হুমকি মোকাবেলা করা সম্ভব হয় না, শ্রীলংকা সেগুলো মোকাবেলা করার জন্য ব্যবহার করছে বুদ্ধিদীপ্ত কূটনীতি।

শুধু সামরিক বাহিনী দিয়ে একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্র তার নিরাপত্তা রক্ষা করতে পারে না। এর জন্য এ ধরনের রাষ্ট্রকে কূটনৈতিক সম্পদও ব্যবহার করতে হয়। কূটনৈতিক সম্পদের অন্যতম উপাদান হচ্ছে দরকষাকষির ক্ষমতা। দরকষাকষির ক্ষমতা হাতছাড়া করে কূটনীতিতে খুব বেশি কিছু হাসিল করা যায় না।

ভারতের সঙ্গে যেসব রাষ্ট্রের অভিন্ন সীমান্ত রয়েছে তার মধ্যে পাকিস্তান অন্যতম। পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে প্রকাশ্য ও সুকঠিন বৈরিতা কারও অজানা নয়। ভারতের দৃষ্টিতে পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদী অনুপ্রবেশ একটি বিপজ্জনক নিরাপত্তা ঝুঁকি। মুম্বাইয়ের ঘটনা নিয়ে এ বিষয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রবল বৈরিতা সত্ত্বেও দেশ দুটির সীমান্তে বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার সংখ্যা শূন্যের ঘরে। কাশ্মীরে যে নিয়ন্ত্রণরেখা রয়েছে সে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর প্রায়ই সশস্ত্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তাতে মৃত্যু হয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের।

এ রকম সংঘর্ষ হলে কখনও কখনও কোলাটেরাল ডেমেজ হিসেবে দু’-একজন বেসামরিক নাগরিকও নিহত হয়। তবে এদের নিশানা করে হত্যা করা হয় না। নেপাল-ভারত সীমান্তে কিছু এলাকা আছে যেখানে মাওবাদী বিদ্রোহীরা তৎপর।

সেখানেও ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে বেসামরিক নাগরিকদের হতাহত হওয়ার ঘটনা ঘটে না বললেই চলে। ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তেও বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনা শোনা যায় না। একমাত্র ব্যতিক্রম হল বাংলাদেশ।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইট্স ওয়াচ ২০১০ সালের ৯ ডিসেম্বর ‘ট্রিগার হ্যাপি’ শিরোনামে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের ওপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।

এ প্রতিবেদনে নিহত বাংলাদেশিদের নাম ও ঘটনাস্থলের উল্লেখ করে দেখিয়েছিল এ শতাব্দীর প্রথম ১০ বছরে ভারতের বিএসএফের নির্বিচার গুলিবর্ষণে নিহত হয়েছে ১ হাজারের মতো বাংলাদেশি। এর অর্থ দাঁড়ায়, এ দশকে প্রতি বছর গড়ে ১০০ জন করে বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

গত বছরের জুলাইতে সংসদে প্রদত্ত এক তথ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০০৯-২০১৯ এই ১০ বছরে সীমান্তে নিহত হয়েছেন ২৯৪ বাংলাদেশি। তবে বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা কয়েকগুণ। শুধু গত বছরেই আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে সীমান্তে নিহত হয়েছেন ৪৬ জন। এ কারণে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে একটি প্রাণঘাতী সীমান্তরূপে চিহ্নিত করা হয়।

আজ থেকে ত্রিশ বছরেরও কিছু বেশি সময় আগে ভারতের বিখ্যাত গবেষণা সাপ্তাহিকী ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলিতে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ডিন অনুরাধা গুপ্তা একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন, যার শিরোনাম ছিল Brahmatic Framework of Indian Foreign Policy. এ প্রবন্ধের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ভারত দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে নিজেকে ব্রাহ্মণ হিসেবে বিবেচনা করে। অধিকাংশ প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের দৃষ্টিতে শূদ্র বা সবচেয়ে নিম্ন জাতের অবস্থানে রয়েছে।

প্রফেসর গুপ্তার মতে পাকিস্তান হল ভারতের দৃষ্টিতে অসুর। তিনি বাংলাদেশ ও শ্রীলংকাকে হিন্দু শাস্ত্রের বর্ণ বিভাজনের মধ্যবর্তী স্তরে রেখেছিলেন। তিনি যখন প্রবন্ধটি লেখেন তখন ভারত নেপালের ওপর অবরোধ আরোপ করেছিল।

এ অবরোধ চলছিল বেশ কয়েক মাস ধরে। ভূ-বদ্ধ রাষ্ট্র নেপাল খুব বিপদে পড়ে গিয়েছিল। জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অভাবে নেপালের জনজীবনে ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছিল। এমনকি রাজা বীরেন্দ্রর মোটরগাড়ি চালানোর জ্বালানিও ছিল না।

বাংলাদেশ তখন বাংলাদেশ-নেপাল বিমানের ফ্লাইটে নেপালে কিছু ডিজেল, পেট্রল সরবরাহ করত। আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে ভারত নেপালের ওপর অবরোধ আরোপ করতে পারে না। ভূ-বদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে ভারত নেপালকে সমুদ্রবন্দর এবং স্থলভাগের যাতায়াত পথ ব্যবহার করতে দিতে বাধ্য।

এ পথেই নেপাল অন্য দেশের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী আমদানি করার অধিকার রাখে। কিন্তু সেই সুযোগ কেড়ে নেয়া হয়েছিল। উপরন্তু ভারত থেকেও পণ্যসামগ্রী অবরোধের ফলে নেপালে যেতে পারছিল না।

এমনিভাবে নেপাল আরও কয়েকবার ভারতীয় অবরোধের সম্মুখীন হয়েছিল। ১৯৭৮ সালে নেপালের অপরাধ ছিল চীনের কাছ থেকে ১৮টি ফিল্ডগান ক্রয় করা। ক্ষুদ্র নেপালের এ পদক্ষেপকে বৃহৎ শক্তিধর প্রতিবেশী ভারত মারাত্মক স্পর্ধা হিসেবে গণ্য করেছিল।

আজ আর নেপালের সে অবস্থা নেই। নেপাল ভারতের সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে কথা বলতে পারে। নেপালে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নেপালি জনগণ দেশপ্রেম ও ঐক্য চেতনায় উদ্বুদ্ধ। নেপালের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং যাতায়াত ও যোগাযোগ সড়ক নির্মিত হচ্ছে। রেল যোগাযোগও অদূর ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত হবে। নেপালকে ভারতের পক্ষে অতীতের মতো চোখ রাঙানো এবং হেনস্তা করা সম্ভব হচ্ছে না।

আমাদের সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের মতে, ভারত ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক সর্বকালের মধ্যে এখন সর্বোচ্চ শিখরে রয়েছে। ভারতের সরকারি মহল থেকেও এই আপ্তবাক্যটি উচ্চারিত হয়। বাংলাদেশ ভারতের সব চাহিদাই একে একে পূরণ করে দিয়েছে।

ভারতের সবচেয়ে মাথাব্যথার কারণ ছিল উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা। উত্তর-পূর্ব ভারতের বিদ্রোহী নেতারা বাংলাদেশে আশ্রয় পেতেন এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে নানা ধরনের নাশকতামূলক তৎপরতা চালাতে সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ধরনের কিছু ব্যক্তিকে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ভারতের হাতে তুলে দিয়েছে। ফলে ‘উলফা’ বিদ্রোহ অনেকাংশেই নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। আমরা বাংলাদেশিরা ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাদানের জন্য ভারতের প্রতি বারবার কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আসছি। কিন্তু আমরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধ করে এবং পাকিস্তানকে ভৌগোলিকভাবে খর্ব করে যেভাবে ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রশমিত করেছি সে কথা ভারত কি কখনও স্বীকার করে?

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং ভারতকে এ সুবিধাটি দেয়ার জন্য আমাদের অনেক রক্ত ঝরেছে। এতকিছু করার পরও ভারত কেন সীমান্তে আমাদের নাগরিকদের হত্যা করছে তার কোনো সন্তোষজনক জবাব খুঁজে পাওয়া যায় না। এক সময় ভারত বলেছিল, সীমান্তে মরণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু ভারত সে কথা রাখেনি।

ভারত যখন যা চেয়েছে তখন তা প্রদান করতে রাজি হয়ে বাংলাদেশ তার দরকষাকষির ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে বসেছে। এখন বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে এবং বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার করে ভারতের এক অংশের সঙ্গে অন্য অংশের যোগাযোগ সহজসাধ্য ও ব্যয় সাশ্রয়ী হতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ তো একেবারেই অতি নগণ্য অঙ্কের মাশুলের কথা বলেছে। ভারত-বাংলাদেশ যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করার প্রক্রিয়া সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যায়নি। ভারতের জন্য বাংলাদেশের কাছ থেকে এ সংক্রান্ত সুবিধা নেয়া কোনো অংশেই কম জরুরি নয়।

সুতরাং বাংলাদেশ কূটনৈতিক পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা করতে গিয়ে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা বন্ধ করা, অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা, দুই দেশের বাণিজ্যে শুল্ক-অশুল্ক বাধা দূর করা এবং বাংলাদেশের সমুদ্রের আকাশসীমা ও জলসীমা ব্যবহারে সার্বভৌমত্বের শর্ত আরোপ করা- ইত্যাদি বিষয় দরকষাকষিতে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়াই বাংলাদেশের দিক থেকে যৌক্তিক হবে।

বাংলাদেশ নিজেকে দৃঢ় প্রত্যয়ীরূপে উপস্থাপন করবে এটাই এ দেশের জনগণের আন্তরিক কামনা। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রশমিত হওয়ার পরও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় অস্থিরতা অব্যাহত থাকাকে লজ্জাজনক বলে অভিহিত করেছেন।

কিন্তু নিছক লজ্জার কথা বললে সীমান্তবাসীর প্রাণ রক্ষা হয় না। আমরা যেভাবেই দেখি না কেন, সেটি সীমান্তের নাগরিকদের প্রাণ রক্ষা হোক কিংবা দেশের বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষা করা হোক, সে ব্যাপারে দুর্বল চিত্ততার কোনো অবকাশ নেই।

এ ব্যাপারে প্রধান বিরোধী দল বিএনপিরও একটি শক্তিশালী ভূমিকা রাখা কর্তব্য। দেশের স্বার্থে সরকার ও বিরোধী দল এক ধরনের আওয়াজ তুললে সেটা ভারতীয় পক্ষকেও ‘সবকিছু চাই, কিন্তু কিছুই দেব না’- এমন অবস্থান থেকে সরে আসতে প্রচণ্ড চাপ হিসেবে কাজ করবে।

ড. মাহবুব উল্লাহ : শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদ

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×